![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
আদালতে আদালত অবমাননার আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। বেলার পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মিনহাজুল হক চৌধুরী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল।
পরে আইনজীবী মনজিল মোরসেদ জানান, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়িতে নির্মাণকাজ করার পরিপ্রেক্ষিতে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক, প্রজেক্ট ডিরেক্টরসহ মোট চার জনের বিরুদ্ধে আদালতের রায় অমান্য করার অভিযোগে আদালত অবমাননার মামলা এবং বেলার দায়ের করা রিট পিটিশনের শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করেছেন।
একই সঙ্গে আট সপ্তাহ কক্সবাজারের বালিয়াড়িতে সড়ক নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি আদালত অবমাননার মামলাটি আট সপ্তাহের জন্য মুলতবি করেছেন।
তিনি আরও জানান, আদালতের রায় অমান্য করে বালিয়াড়িতে নির্মাণকাজের সংবাদ মিডিয়ায় প্রকাশিত হলে জনস্বার্থে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি) একটি আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করে। বেলার পক্ষ থেকে ওই প্রকল্পের কার্যক্রম বন্ধ করার নির্দেশনা চেয়ে একটি রিট পিটিশনও দায়ের করা হয়।
জনস্বার্থে এইচআরপিবির দায়ের করা রিট পিটিশনে ইতোপূর্বে হাইকোর্ট ডিভিশন রুল জারি করে এবং শুনানি শেষে ২০১১ সালে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য বজায় রাখা এবং বালিয়াড়িতে নির্মাণ করা সব স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ দেন আদালত।
আদালতের নির্দেশনা অনুসারে ইতোপূর্বে দুইবার বালিয়াড়িতে স্থাপিত বিভিন্ন স্থাপনা আদালতের নির্দেশে উচ্ছেদ করা হয়। তা সত্ত্বেও কক্সবাজার পৌরসভা একটি প্রকল্প গ্রহণ করে বালিয়াড়ির ভেতর দিয়ে রাস্তা নির্মাণের প্রকল্প নেওয়া হয় বলে জানান আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।
বিডিএলপিবি/এমএম

0 coment rios: