![]() |
| কোলাজ ছবি |
গ্রেপ্তার পুলিশ সদস্যের নাম রেজাউল করিম। তিনি সিএমএম আদালতের আলামত নিষ্পত্তি শাখায় কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর সূত্রাপুর এলাকায় অভিযান চালায় এসআরবি। সূত্রাপুরের ‘বিসমিল্লাহ বিরিয়ানি ঘর’ নামে একটি দোকানে অভিযান চালিয়ে রেজাউল করিমকে ১ হাজার ৭৯০ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়।
পরে এ ঘটনায় ডিএমপির পরিদর্শক মো. কামরুজ্জামান বাদী হয়ে সূত্রাপুর থানায় মামলা করেন। মামলার পর সোমবার রেজাউল করিমকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সূত্রাপুর থানার এসআই সুমন কুমার চ্যাটার্জি রেজাউলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন-অর-রশীদ রিমান্ড আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন।
অন্যদিকে রেজাউলের পক্ষে আইনজীবী শাহজালাল মুন্সী (সাকু) রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন।
শুনানির একপর্যায়ে আদালত রেজাউল করিমের বক্তব্য জানতে চান। এ সময় তিনি নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার কাছ থেকে কোনো ইয়াবা উদ্ধার হয়নি। তিনি সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন এবং ইয়াবাগুলো তার পায়ের কাছে পড়ে ছিল।
পক্ষগুলোর বক্তব্য ও রিমান্ড আবেদন শুনে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মঞ্জুরুল ইসলাম পুলিশ সদস্য রেজাউল করিমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: ঢাকা পোস্ট (২৮.০৯.২০২৬)

0 coment rios: