মানহীন ও স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের অভিযোগে চারটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় আসামিদের গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। বুধবার (৮ জুলাই) ঢাকার বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত-২ এর বিচারক, ঢাকা স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) মাহমুদুল হক মামলাগুলো আমলে নিয়ে প্রত্যেক আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।
এর আগে, গত ২ জুলাই ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) জনস্বাস্থ্য খাদ্য পরীক্ষাগারের ল্যাব পরীক্ষায় কয়েকটি খাদ্যপণ্য নির্ধারিত মানে উত্তীর্ণ হতে ব্যর্থ হয়। এরপর নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর ২৬, ২৭, ৩৯ ও ৪১ ধারায় চারটি মামলা দায়ের করা হয়।
মামলাভুক্ত প্রতিষ্ঠান ও খাদ্যপণ্যগুলো হলো- বিদেশি প্রতিষ্ঠান ইস্ট জিবাই ইন্টারন্যাশনাল ফুড লি.-এর উৎপাদিত ‘ইস্ট বেকার স্লাইস ব্রেড মিল্ক জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’ এবং ‘ইস্ট কেক পুর পিঠা (ইনট্যাক্ট)’, বিদেশি প্রতিষ্ঠান আরবোটিং ফুড কোং লিমিটেড-এর উৎপাদিত ‘আর বোটিং ফুড স্লাইস ব্রেড মিল্ক জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’ এবং রাজধানীর বনশ্রীর কাচ্চি সুলতান রেস্টুরেন্টের বাজারজাতকৃত ‘বোরহানী’।
ডিএসসিসি জানায়, ল্যাব পরীক্ষায় বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর সংশ্লিষ্ট খাদ্যপণ্যে অনুমোদিত মাত্রার চেয়ে অতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে, যা দীর্ঘমেয়াদে মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর এবং মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।
জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে নিয়মিত বাজার তদারকি, খাদ্যপণ্যের নমুনা সংগ্রহ, ল্যাবরেটরি পরীক্ষা এবং আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন।
বিডিএলপিবি/এমএম

0 coment rios: