![]() |
| ছবি: ফইল |
সোমবার (২৭ জুলাই) বিচারপতি মো. হাবিবুল গণি ও বিচারপতি সাইয়েদ মোহাম্মদ তাজরুল হোসাইনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
আদালত অন্তর্বর্তীকালীন আদেশের পাশাপাশি এ বিষয়ে রুল জারি করেছেন। গঠিত কমিটিকে আগামী ২০ আগস্টের মধ্যে নীতিমালা নির্ধারণে করণীয় সংক্রান্ত প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিল করতে বলা হয়েছে।
আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন ও অ্যাডভোকেট যায়েদ বিন আমজাদ।
এর আগে সুপ্রিম কোর্টের ৫ জন এবং নিম্ন আদালতের ২ জন আইনজীবী জনস্বার্থে এ রিট আবেদনটি দায়ের করেন। রিট আবেদনকারী আইনজীবীরা হলেন— মো. মিজানুল হক, মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন, মোহাম্মদ আবদুল ওয়াদুদ, আবদুল্লাহ সাদিক, যায়েদ বিন আমজাদ, সাব্বির আহমেদ ও মাহমুদুল হাসান।
শুনানিতে আবেদনকারীদের পক্ষ থেকে ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টে অনুসৃত একটি পদ্ধতির উদাহরণ তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, ভারতে উচ্চ আদালতের জামিন আদেশ দ্রুত অনলাইনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা চালু রয়েছে, যা বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত মুক্তি নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।
শুনানি শেষে হাইকোর্ট রুল জারি করেন। পাশাপাশি অন্তর্বর্তীকালীন আদেশে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে সাত দিনের মধ্যে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ওই কমিটিকে আগামী ২০ আগস্টের মধ্যে জামিন আদেশ দ্রুত প্রেরণের নীতিমালা প্রণয়নে প্রয়োজনীয় করণীয় বিষয়ে প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিল করতে বলা হয়েছে।
শুনানি শেষে আইনজীবী শিশির মনির বলেন, একজন মানুষের আজকে জামিন হচ্ছে, কিন্তু সেই আদেশ নিম্ন আদালতে পৌঁছাতে ১৫ দিন থেকে এক মাস সময় লেগে যাচ্ছে। প্রশ্ন হলো, যার জামিন হয়ে গেছে তিনি এই মধ্যবর্তী সময়ে কোন আইনবলে জেলে আছেন? জামিন হওয়ার মুহূর্ত থেকেই তো তা কার্যকর হওয়ার কথা। এই রিটের আদেশের ফলে বর্তমান সিস্টেমের উন্নতি হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বিডিএলপিবি/এমএম

0 coment rios: