২৮ আগ, ২০২৬

নভোথিয়েটারের সাবেক মহাপরিচালকের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

নভোথিয়েটারের সাবেক মহাপরিচালকের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

ছবি: সংগৃহীত 
জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও কানাডায় অর্থ পাচারের অভিযোগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটারের সাবেক মহাপরিচালক (বর্তমানে অবসর প্রাপ্ত) আরশাদ উল্লাহ ও তার স্ত্রী রেবেকা আক্তারের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুর্নীতি দমন কমিশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো শাহজাহান কবির এ আদেশ। দুদকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) তানজির আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে, দুদকের পক্ষে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল মালেক তাদের দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন। ওই আবেদনে বলা হয়, স্ত্রীসহ আরশাদ উল্লাহ'র বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও কানাডায় অর্থ পাচারের অভিযোগে দুই সদস্যের একটি অনুসন্ধান টিম গঠন করা হয়। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট আরশাদ উল্লাহ ও তার স্ত্রী রেবেকা আক্তার দেশত্যাগ করতে পারেন বলেন আশঙ্কা করা হচ্ছে। এজন্য সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে আরশাদ উল্লাহ ও তার স্ত্রী রেবেকা আক্তারেরবিদেশ গমন রহিত করা আবশ্যক।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: যুগান্তর (২৭.০৮.২০২৬)

স্ত্রীসহ বিদেশে পালানোর চেষ্টায় যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ পরশ, দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

স্ত্রীসহ বিদেশে পালানোর চেষ্টায় যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ পরশ, দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

ছবি: সংগৃহীত 
বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও তার স্ত্রী নাহিদ সুলতানার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিয়েছেন আদালত। পরশ ও তার স্ত্রী ছাড়াও তাজনীন ওহাব বৃষ্টি নামে একজনের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়া হয়েছে। দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. শাহজাহান কবির এ আদেশ দেন।

আবেদনে বলা হয়েছে, শেখ ফজলে শামস পরশ তার নিজ নামে এবং তার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেন করে মানি লন্ডারিংপূর্বক অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন- এমন অভিযোগ বর্তমানে অনুসন্ধানাধীন রয়েছে।

অনুসন্ধানকালে গোপন সূত্রে জানা যায়, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। তারা বিদেশে পালিয়ে গেলে অনুসন্ধান কাজ ব্যাহত হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। বিধায়, অভিযোগটির সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিদেশ গমন রহিত করা একান্ত প্রয়োজন।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বাসস (২৭.০৮.২০২৬)

১২৯ বার পেছালো সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন

১২৯ বার পেছালো সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন

ফাইল ছবি 
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ ১২৯ বারের মতো পেছাল। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এ দিন ধার্য করেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালত।

এদিন মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। এজন্য আদালত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন এ তারিখ ঠিক করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম রাসেল।

মামলা দায়ের: ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে হত্যা করা হয়। পরে নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার আসামিরা হলেন: রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুণ, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির বাড়ির ২ নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তাদের ‘বন্ধু’ তানভীর রহমান খান। এদের মধ্যে তানভীর ও পলাশ জামিনে রয়েছে। বাকিরা কারাগারে আটক রয়েছেন।

মামলার ঘটনার বিবরণ: ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া করা বাসায় খুন হন সাংবাদিক দম্পতি সাগর ও রুনি। ঘটনার সময় বাসায় ছিল তাদের সাড়ে চার বছরের ছেলে শিশু মাহির সরওয়ার মেঘ।

সাগর বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল মাছরাঙা টিভিতে আর রুনি এটিএন বাংলায় কর্মরত ছিলেন। নির্মম এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন রুনির ভাই নওশের আলম। প্রথমে মামলাটি তদন্ত করছিল শেরেবাংলা নগর থানার পুলিশ। পরবর্তীতে মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে র‌্যাব পায় তদন্তের দায়িত্ব।

গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্তের দায়িত্ব র‌্যাব থেকে সরিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে গঠিত একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্সের মাধ্যমে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহবুব উল ইসলামের হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ এক আদেশে বলেন, সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত এখন থেকে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স করবে, যা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে গঠিত হবে।

গত ২৩ অক্টোবর সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্তে উচ্চ আদালতের নির্দেশে টাস্কফোর্স গঠন করে সরকার। চার সদস্যের এই টাস্কফোর্সের আহ্বায়ক হন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রধান।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: ইত্তেফাক ডিজিটাল রিপোর্ট (২৭.০৮.২০২৬)

আইন-শৃঙ্খলা ও মাদক নিয়ন্ত্রণে সারাদেশে ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীকে দায়িত্ব

আইন-শৃঙ্খলা ও মাদক নিয়ন্ত্রণে সারাদেশে ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীকে দায়িত্ব

ছবি: সংগৃহীত 
দেশের ৬৪ জেলার আইন-শৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়ন কার্যক্রমসহ সার্বিক সরকারি কার্যাবলী তদারকি ও সমন্বয়ের জন্য ৩০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপকে দায়িত্ব দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনোত্তর গঠিত সরকারের মন্ত্রিপরিষদ গভীর উদ্বেগের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে লক্ষ্য করছে যে, বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে দেশের বিভিন্ন জেলায় উন্নয়নের বরাদ্দ কাগজে-কলমে থাকলেও ব্যাপক দুর্নীতির মাধ্যমে লুটপাট করা হয়েছে। এসব লুটপাটের অর্থের একাংশ বিদেশে পাচার করা হয়েছে, যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে।

লুটপাটের অর্থের অন্য অংশ দেশের অভ্যন্তরে মাদকসহ সামাজিক অবক্ষয়, জননিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ কাজে ব্যবহৃত হয়েছে, যা রাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।

এতে বলা হয়, সরকার তথা মন্ত্রিপরিষদ দেশে উন্নয়ন, দুর্নীতি দমন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জাতীয় নিরাপত্তাসহ রাষ্ট্র পরিচালনার সব কার্যাবলির জন্য সমষ্টিগতভাবে জাতীয় সংসদ ও জনগণের নিকট দায়বদ্ধ। টেকসই উন্নয়ন, সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দুর্নীতি নির্মূল নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকারমূলক জরুরি কর্মসূচি।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সংবিধানের ৫৫ (২) অনুচ্ছেদে সুস্পষ্টভাবে বলা আছে যে, প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তার কর্তৃত্বে এই সংবিধান অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হবে। রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজন মনে করলে, যে-কোনো ক্ষেত্রে এই রুলস থেকে বিচ্যুতির অনুমতি দিতে বা তা মঞ্জুর করতে পারেন।

আরও বলা হয়, এ বিষয়গুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে মন্ত্রিসভায় আলোচিত হয়েছে এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগ থেকে দেওয়া রিট পিটিশন মামলার (নং ৩৫১২/২০০৩) রায়ের মর্মমতে এ ধরনের দায়িত্ব বণ্টন সরকারের এখতিয়ারের মধ্যেই পড়ে। সেজন্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো এবং অন্যান্য সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থার আইনগত ক্ষমতা খর্ব না করে সংবিধান প্রদত্ত প্রধানমন্ত্রীর উল্লিখিত ক্ষমতা এবং রুলস অব বিজনেসের বিধান অনুসরণ করে মন্ত্রিসভার এ সিদ্ধান্তের আলোকে, সরকার এসব মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপকে নিচের জেলার আইন-শৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়ন কার্যক্রমসহ সার্বিক সরকারি কার্যাবলী তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্ব প্রদান করল।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপন (২৭.০৮.২০২৬)

২৭ আগ, ২০২৬

আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবীকে মারধরের অভিযোগে মামলা

আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবীকে মারধরের অভিযোগে মামলা

কোলাজ ছবি
ঢাকা বারের আইনজীবীকে মারধরের ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এজাহার গ্রহণ করতে কোতায়ালী থানাকে বলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মেট্রোপিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক এই আদেশ দেন।

ভুক্তভোগী আইনজীবী মো: মোহাইমিনুল ইসলাম খান(মেহেদী) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এদিন আদালতে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করা হলে বিচারক ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণের জন্য কোতায়ালী থানাকে নির্দেশ দিয়েছেন। 

আইনজীবী মোহাইমিনুল বলেন, মামলায় আসামিরা হলেন-উম্মে হাফসা তন্বী, হুমায়ুন কবির, আশরাফুল আলম খান, মাহবুব আলম খান, শাহাদাত হোসেন, জিদান হাং, মো: মোহিবুল্লাহ, রায়হান, খালেদ সাইফুল্লা নাঈম, আরমান হোসেনসহ অজ্ঞাত আরও ২০/২৫ জন। 

মামলার ঘটনা: মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) এ মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। শুনানিতে বাদী ও আসামি পক্ষের বক্তব্য গ্রহণের পর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোস্তাফিজুর রহমান আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। অভিযোগ গঠনের পর আসামিকে সঙ্গে নিয়ে তার আইনজীবী আদালত থেকে বের হওয়ার সময় বাদীর বাবা হুমায়ুন কবির ও মামা মো. আশরাফুল আলম খানের নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ জন বহিরাগত তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান বলে অভিযোগ করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী হারুন অর রশিদ বলেন, আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা বহিরাগতরা আসামি ও তার আইনজীবীকে বেধড়ক মারধর করেন। এ সময় আইনজীবীর পোশাকও ছিঁড়ে ফেলা হয়। তাদের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ও আইনজীবীরা এগিয়ে এলে হামলাকারীদের কয়েকজন পালিয়ে যান। এ সময় কয়েকজনকে আইনজীবীরা আটক করে আইনজীবী সমিতিতে নিয়ে যান। পরে মুচলেকা দেওয়ার পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। হামলায় আহত আইনজীবী মোহাইমিনুল ইসলাম খান ও আসামি আবির ইবনে হারুনকে পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: গণমাধ্যমে প্রদত্ত আইনজীবীর সাক্ষাৎকার

প্রেমভিত্তিক নাটক-সিনেমা নির্মাণ ও সম্প্রচার বন্ধে লিগ্যাল নোটিশ

প্রেমভিত্তিক নাটক-সিনেমা নির্মাণ ও সম্প্রচার বন্ধে লিগ্যাল নোটিশ

ছবি: সংগৃহীত 
বাংলাদেশের বর্তমান চলচ্চিত্র ও নাটক শিল্পে কেবলমাত্র প্রেম এবং মাত্রাতিরিক্ত রোমান্টিক কনটেন্টের ব্যাপক আধিক্য থাকায় সংস্কৃতিতে চরম সাংস্কৃতিক ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়েছে- এমন দাবি করে কেবল প্রেম ও রোমান্স নির্ভর সিনেমা এবং নাটক নির্মাণ ও সম্প্রচার বন্ধের দাবিতে সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের চেয়ারম্যানকে এ নোটিশ পাঠানো হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মামুন জনস্বার্থে এ আইনি নোটিশ পাঠান।

নোটিশে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের বর্তমান চলচ্চিত্র ও নাটক শিল্পে কেবলমাত্র প্রেম এবং মাত্রাতিরিক্ত রোমান্টিক কনটেন্টের ব্যাপক আধিক্য দেখা যাচ্ছে। এ ধরনের কনটেন্টের ক্রমাগত সম্প্রচারের ফলে একটি চরম সাংস্কৃতিক ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়েছে, যে কারণে যুবসমাজ ও শিক্ষার্থীরা তাদের পড়াশোনা এবং ক্যারিয়ারের প্রতি মারাত্মকভাবে অমনোযোগী হয়ে পড়ছে। এছাড়া এসব নাটক ও সিনেমায় পরকীয়া ও বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ককে অত্যন্ত স্বাভাবিক এবং মহিমান্বিত করে উপস্থাপন করা হচ্ছে, যা সমাজের ঐতিহ্যবাহী নৈতিক কাঠামোকে চরমভাবে ধ্বংস করছে।

নোটিশে আরও বলা হয়েছে, মূলধারার গণমাধ্যমে এ ধরনের অনৈতিক সম্পর্কের অবাধ প্রদর্শন সামাজিক নৈরাজ্য সৃষ্টিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে এবং দেশে পরকীয়া ও ধর্ষণের মতো অপরাধ উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধির সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। যুবসমাজ এবং সাধারণ জনগণকে এই নৈতিক অবক্ষয় থেকে রক্ষা করা এবং পারিবারিক মূল্যবোধ বজায় রাখা সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষার্থে এখন চূড়ান্ত প্রশাসনিক প্রয়োজনীয়তা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মামুন নোটিশে আইনি যুক্তি তুলে ধরে বলেন, সংবিধানের ২১(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংবিধান ও আইন মেনে চলা এবং সামাজিক শৃঙ্খলা ও রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের পবিত্র কর্তব্য। অন্যদিকে, সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার কথা বলা হলেও, তা শালীনতা বা নৈতিকতার স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে। এছাড়া সংবিধানের ২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সংরক্ষণ রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব।

নোটিশে দাবি করা হয়েছে, দেশের প্রকৃত সংস্কৃতি রক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোনিবেশ নিশ্চিত করতে সরকারকে অবিলম্বে কেবলমাত্র প্রেমভিত্তিক নাটক ও সিনেমা নির্মাণ ও সম্প্রচারে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করতে হবে। এর পরিবর্তে দেশপ্রেমিক ও নৈতিকভাবে সমৃদ্ধ জাতি গঠনে বিজ্ঞান, শিক্ষা, ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ এবং প্রতিরক্ষা ভিত্তিক চলচ্চিত্র ও নাটক নির্মাণ ও সম্প্রচারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বাধ্যতামূলক নির্দেশনা দিতে হবে।

নোটিশে আগামী ১০ দিনের মধ্যে কেবল প্রেমভিত্তিক সিনেমা ও নাটকের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে বিজ্ঞান, শিক্ষা, ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ ও প্রতিরক্ষা ভিত্তিক কনটেন্ট নির্মাণ ও সম্প্রচারে কার্যকর প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে এবং গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে জানাতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণে ব্যর্থ হলে, জননৈতিকতা ও জাতীয় সংস্কৃতি রক্ষায় বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে জনস্বার্থে রিট পিটিশন দায়ের করা হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন (২৭.০৮.২০২৬)

আপিল বিভাগে নিয়োগ পেলেন বিচারপতি হাবিবুল গনি

আপিল বিভাগে নিয়োগ পেলেন বিচারপতি হাবিবুল গনি

ছবি: সংগৃহীত 
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. হাবিবুল গনিকে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) আইন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ কথা জানানো হয়। সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি তাকে এ পদে নিয়োগ প্রদান করেছেন বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়। প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, এ নিয়োগ তার শপথ গ্রহণের তারিখ হতে কার্যকর হবে।

বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি'র পরিচিতি: বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার অব সোশ্যাল সায়েন্স (এমএসএস) এবং আইন বিষয়ে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর তিনি ১৯৮৯ সালের ৩ এপ্রিল জেলা আদালত এবং ১৯৯২ সালের ১১ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন।পরবর্তীতে তিনি ২০১০ সালের ১৮ এপ্রিল হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে উন্নীত হন এবং ২০১২ সালের ১৫ এপ্রিল একই বিভাগে স্থায়ী বিচারক হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন। বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি তার দীর্ঘ বিচারিক জীবনে ওয়ার্ল্ড পিস ফোরাম আয়োজিত আইন ও বিচার সংক্রান্ত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেছেন। পেশাগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সফরে তিনি কানাডা, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, হংকং ও ভারত ভ্রমণ করেন।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বাসস (২৭.০৮.২০২৬)