![]() |
| কোলাজ ছবি |
ভুক্তভোগী আইনজীবী মো: মোহাইমিনুল ইসলাম খান(মেহেদী) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এদিন আদালতে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করা হলে বিচারক ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণের জন্য কোতায়ালী থানাকে নির্দেশ দিয়েছেন।
আইনজীবী মোহাইমিনুল বলেন, মামলায় আসামিরা হলেন-উম্মে হাফসা তন্বী, হুমায়ুন কবির, আশরাফুল আলম খান, মাহবুব আলম খান, শাহাদাত হোসেন, জিদান হাং, মো: মোহিবুল্লাহ, রায়হান, খালেদ সাইফুল্লা নাঈম, আরমান হোসেনসহ অজ্ঞাত আরও ২০/২৫ জন।
মামলার ঘটনা: মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) এ মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। শুনানিতে বাদী ও আসামি পক্ষের বক্তব্য গ্রহণের পর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোস্তাফিজুর রহমান আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। অভিযোগ গঠনের পর আসামিকে সঙ্গে নিয়ে তার আইনজীবী আদালত থেকে বের হওয়ার সময় বাদীর বাবা হুমায়ুন কবির ও মামা মো. আশরাফুল আলম খানের নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ জন বহিরাগত তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান বলে অভিযোগ করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী হারুন অর রশিদ বলেন, আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা বহিরাগতরা আসামি ও তার আইনজীবীকে বেধড়ক মারধর করেন। এ সময় আইনজীবীর পোশাকও ছিঁড়ে ফেলা হয়। তাদের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ও আইনজীবীরা এগিয়ে এলে হামলাকারীদের কয়েকজন পালিয়ে যান। এ সময় কয়েকজনকে আইনজীবীরা আটক করে আইনজীবী সমিতিতে নিয়ে যান। পরে মুচলেকা দেওয়ার পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। হামলায় আহত আইনজীবী মোহাইমিনুল ইসলাম খান ও আসামি আবির ইবনে হারুনকে পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: গণমাধ্যমে প্রদত্ত আইনজীবীর সাক্ষাৎকার

0 coment rios: