৩ জুল, ২০২৬

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাবেক এমপি আশিকা সুলতানা কারাগারে

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাবেক এমপি আশিকা সুলতানা কারাগারে

ছবিঃ সংগৃহীত 

মিরপুর মডেল থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) আশিকা সুলতানাকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (২ জূলাই) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন দিদারুল আলম তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রফিকুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। 

গত বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে ঢাকার মিরপুর সাড়ে ১১ নম্বর থেকে আশিকা সুলতানাকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত তার তিন দিনের রিমান্ডের আদেশ দেয়। রবিবার তাকে আরও তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়। 

দুই দফায় ৬ দিনের রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মিরপুর মডেল থানার এসআই আল মামুন হোসেন।  

আবেদনে বলা হয়, আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে এই আসামি এই মামলাসহ বর্তমান নির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরণের ষড়যন্ত্র ও নাশকতামূলক কর্মকান্ডের ব্যাপারে, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতাকর্মীদের সংশ্লিষ্টতার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। যা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। পরবর্তী সময়ে আবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড প্রয়োজন হতে পারে। জামিনের বিরোধিতা করে তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। তবে আসামির পক্ষে কোনও আবেদন ছিল না জানান এসআই রফিকুল ইসলাম।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, গত ১৯ জুন মিরপুর ১ নম্বরের অ্যাপেক্স শোরুম সংলগ্ন বাটা শোরুমের সামনের রাস্তায় আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের ৪০ থেকে ৫০ জন সরকারবিরোধী মিছিল করে। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে উপস্থিত আসামিরা তাদের কাছে থাকা বিভিন্ন ব্যানার-ফেস্টুন রেখে পালিয়ে যায়। 

পরে ভিডিওতে দেখা যায় আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে তারা মিছিল করেছে। ওই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মিরপুর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। 

বিডিএলপিবি/এমএম

শাপলা চত্বরের ঘটনায় ইনুর সম্পৃক্ততা মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর

শাপলা চত্বরের ঘটনায় ইনুর সম্পৃক্ততা মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর

ছবিঃ সংগৃহীত

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুর সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে, এ মামলায় তাকে আসামি করা হবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সাংবাদিকদের তিনি বলেন, এ ঘটনায় তদন্ত চলছে এবং তদন্তে ইনুর বিরুদ্ধে প্রাথমিক সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়া গেছে। চলতি মাসেই তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

তিনি জানান, চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে এই মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন ও ফরমাল চার্জ দাখিল করা হবে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গেল বছরের ২৬ নভেম্বর শাপলা চত্বরের হত্যাযজ্ঞ নিয়ে শেখ হাসিনাসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দেয় হেফাজতে ইসলাম।

এদিকে, জুলাই আন্দোলনের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যা মামলায় মানবতাবিরোধী অপরাধে গত ৩০ জুন রায় হয় জাসদ নেতা ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর। রায়ে তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এবার মানবতাবিরোধী অপরাধের আরেক মামলায় এবার আসামি হচ্ছেন হাসানুল হক ইনু। 

বিডিএলপিবি/এমএম 

দ্বিতীয় বিয়ে করায় স্বামীকে হত্যা করে মরদেহ ৬ খণ্ড: পাঁচ বছর পর স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড

দ্বিতীয় বিয়ে করায় স্বামীকে হত্যা করে মরদেহ ৬ খণ্ড: পাঁচ বছর পর স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড

ছবিঃ সংগৃহীত 

রাজধানীর মহাখালী এলাকায় দ্বিতীয় বিয়ে করায় স্বামীকে হত্যা করে মরদেহ ছয় টুকরো করার ঘটনায় স্ত্রী ফাতেমা বেগম ওরফে শিল্পীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ-১৬ এর বিচারক নাজমুন নাহার নিপু এ রায় ঘোষণা করেন। একই রায়ে লাশ গুমের অপরাধে তাকে সাত বছরের কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় ফাতেমাকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২১ সালের ৩০ মে রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়কের আমতলী এলাকায় একটি নীল রঙের ড্রামের ভেতর থেকে এক ব্যক্তির মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার করে বনানী থানা পুলিশ। একই দিন রাত ১১টার পর মহাখালী বাস টার্মিনালের এনা কাউন্টারের কাছে একটি ব্যাগ থেকে উরু থেকে বিচ্ছিন্ন দুই পা এবং কাঁধ থেকে বিচ্ছিন্ন দুই হাত উদ্ধার করে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা পুলিশ। দুই দিনে পৃথক স্থান থেকে মরদেহের ছয়টি খণ্ড উদ্ধার করা হয়। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্তে নামে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) গুলশান বিভাগ। তদন্তের ১২ ঘণ্টার মধ্যেই ফাতেমা বেগমকে গ্রেফতার করা হয়।

পরে ফাতেমা পুলিশকে জানান, পারিবারিক কলহ, অর্থ বণ্টন এবং স্বামী ময়না মিয়া ওরফে শাকিলের একাধিক বিয়েকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে পরিকল্পনা করে অটোরিকশাচালক স্বামীকে ঘুমের ট্যাবলেট খাইয়ে অচেতন করার পর তাকে জবাই করেন এবং মরদেহ ছয় টুকরো করেন।

এ ঘটনায় নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী নাসরিন ২০২১ সালের ১ জুন তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতারের পর ফাতেমা আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।

মামলার তদন্ত শেষে গোয়েন্দা পুলিশের ক্যান্টনমেন্ট জোনাল টিমের পরিদর্শক কাজী শরীফুল ইসলাম ২০২২ সালের ২৪ অক্টোবর ফাতেমাকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে ২০২৩ সালের ১২ মার্চ তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। বিচার চলাকালে ২৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।

বিডিএলপিবি/এমএম

২ জুল, ২০২৬

এমপিপুত্রের চাঁদাবাজির অভিযোগ অনুসন্ধানে দুদকে আবেদন

এমপিপুত্রের চাঁদাবাজির অভিযোগ অনুসন্ধানে দুদকে আবেদন

ছবিঃ সংগৃহীত
নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলামের ছেলে খাইরুল ইসলাম সজীবের বিরুদ্ধে উত্থাপিত চাঁদাবাজির অভিযোগের অনুসন্ধান চেয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কাছে আবেদন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সালাহ উদ্দিন রিগ্যান দুদক চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করেন। আবেদনে খাইরুল ইসলাম সজীবের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের অনুসন্ধান চাওয়া হয়েছে। আবেদনে বলা হয়, এমপিপুত্র সজীবকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের কাছে দেওয়ার বিষয়ে ২২ জুন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

তাতে বলা হয়, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপির এমপি আজহারুল ইসলামের ছেলে সজীবকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ২১ জুন গভীর রাতে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তার বিরুদ্ধে ওই এলাকার একাধিক শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ রয়েছে।

সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশে রাজধানী থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সহযোগিতায় সজীবকে হেফাজতে নেয় নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ। পরে তাকে ঢাকার মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়।

বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর একটি বড় শিল্প গ্রুপের গাড়ি আটকে রেখে চাঁদা দাবি করে সজীবের লোকজন। পরে সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপে গাড়ি ছেড়ে দেওয়া হয়। ওই শিল্প গ্রুপের বাইরেও বিভিন্ন কারখানার পণ্যবাহী গাড়ি আটকে দিয়ে টাকা আদায় এবং ঝুটের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণসহ নানা অভিযোগ রয়েছে। সজীব জেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক পদে থাকলেও হেফাজতে নেওয়ার পর তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়।

সালাহ উদ্দিন রিগ্যান বলেন, ‘অত্যন্ত দুঃখের বিষয় জাতীয় দৈনিকের পাতা জুড়ে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরও অনুসন্ধানের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষ কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেনি, যা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান যেমন, দুদকের প্রতি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস ক্ষুণ্ন করে এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এবং রাজনীতিকে জনগণ অর্থ উপার্জনের হাতিয়ার মনে করে।

বিডিএলপিবি/এমএম
রিজার্ভ চুরি মামলা: ৯৬ বারের মতো পেছালো তদন্ত প্রতিবেদন জমা

রিজার্ভ চুরি মামলা: ৯৬ বারের মতো পেছালো তদন্ত প্রতিবেদন জমা

ছবিঃ সংগৃহীত 

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ৯৬ বারের মতো পেছালো। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা থাকলেও, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তা দাখিল করতে পারেনি। 

এ কারণে ঢাকার অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত নতুন তারিখ আগামী ৯ আগস্ট পরবর্তী ধার্য করেছেন। ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক রুকনুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে রক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব থেকে হ্যাকাররা ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি করে নেয়। ধারণা করা হয়, দেশের ভেতরে থাকা কোনো একটি চক্রের সহায়তায় ওই অর্থপাচার সংঘটিত হয়।

এ ঘটনায় ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্টের উপপরিচালক জোবায়ের বিন হুদা মতিঝিল থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে একটি মামলা করেন। এটি দায়ের করা হয় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে। পরদিন ১৬ মার্চ আদালত মামলাটির তদন্তভার সিআইডিকে দেন। তখন থেকে মামলাটি তদন্ত করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।


বিডিএলপিবি/এমএম

শেরপুরে আদিবাসী শিশু ধর্ষণ-হত্যা: আসামির মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্টে বহাল

শেরপুরে আদিবাসী শিশু ধর্ষণ-হত্যা: আসামির মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্টে বহাল

ছবিঃ সংগৃহীত 

শেরপুরে ২০১৩ সালে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর এক শিশুকে পাশবিক নির্যাতন ও শ্বাসরোধ করে হত্যার অপরাধে আসামি কান্তি মারাকের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ বহাল রেখেছেন উচ্চ আদালত। নিম্ন আদালতের দেওয়া সর্বোচ্চ সাজার রায়ের দীর্ঘ সাত বছর পর, ডেথ রেফারেন্স ও আসামির আপিল শুনানি শেষে উচ্চ আদালতের একটি বিশেষ বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের এক বিকেলে শিশু বিথী দিওয়া বাড়ির বাইরে খেলতে গেলে আসামি কান্তি মারাক—যে সম্পর্কে তার দূর সম্পর্কের মামা—কৌশলে তাকে নিজের ঘরে ডেকে নেয়। সেখানে শিশুটির ওপর পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়। নির্যাতনের তীব্র যন্ত্রণায় শিশুটি চিৎকার করার চেষ্টা করলে আসামি তার নাক ও মুখ চেপে ধরে। এতে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থুলেই শিশুটির মৃত্যু হয়।

এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শেরপুরের স্থানীয় আদালত ২০১৯ সালে আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। দীর্ঘ সাত বছর পর উচ্চ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিষয়ক বিশেষ বেঞ্চ নিম্ন আদালতের সেই রায়ই বহাল রাখলেন। তবে আদালতের এই আদেশের পরও এখনই সাজা কার্যকর হচ্ছে না। আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী আসামির জন্য এখনো সর্বোচ্চ আদালতে আপিল করার সুযোগ রয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন বহাল, মুক্তিতে বাধা নেই

সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন বহাল, মুক্তিতে বাধা নেই

ছবি: সংগৃহীত 

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে যাত্রাবাড়ীতে খোবাইব নামে একজনকে হত্যার মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে হাইকোর্টের জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।

হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. রেজাউল হক নো অর্ডার আদেশ দেন। ফলে তার মুক্তিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু। এটা আগে গত ৩০ জুন জামিন দেন হাইকোর্ট। আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, মোতাহার হোসেন সাজু ও সাঈদ আহমেদ রাজা।

এ মামলায় ২১ জুন জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন বিচারিক আদালত। পরে তিনি হাইকোর্টে আবেদন করেন।মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সকালে যাত্রাবাড়ী এলাকায় আন্দোলন চলাকালে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের গুলিতে খোবাইব (২০) নিহত হন।

এ ঘটনায় তার ভাই জোবায়ের আহম্মেদ ২০২৪ সালের ১৬ নভেম্বর যাত্রাবাড়ী থানায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৮০ জনকে আসামি করে মামলা করেন।


বিডিএলপিবি/এমএম