৪ জুন, ২০২৬
জিয়াউর রহমানের আদর্শ গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের পথ দেখায়: আইনমন্ত্রী
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ বাংলাদেশের গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথ দেখায় বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে ঢাকা আইনজীবী সমিতির অডিটোরিয়ামে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অর্জনগুলোর সঙ্গে জিয়াউর রহমানের নাম অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে জাতির সংকটময় সময়ে তিনি সাহসী ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে রাষ্ট্র পরিচালনায় এসে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, স্থানীয় সরকারব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ এবং বিচার বিভাগের কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করতে কাজ করেন।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময়ে জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রকে স্থিতিশীলতার পথে নিয়ে আসেন। গণতন্ত্র ও সাংবিধানিক শাসনব্যবস্থা পুনরুদ্ধারে তার অবদান ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
বেগম খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গ টেনে আইনমন্ত্রী বলেন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব দিয়েছেন। দেশের গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় তার ভূমিকা ইতিহাসের অংশ হয়ে আছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোনো গণতান্ত্রিক আন্দোলন একদিনে গড়ে ওঠে না। এর পেছনে থাকে দীর্ঘ সংগ্রাম, ত্যাগ, নির্যাতন এবং অসংখ্য মানুষের আত্মদান।
তিনি দাবি করেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন রাজনৈতিক নিপীড়ন, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং এসব ত্যাগ দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ভূমিকা রেখেছে।
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে একই ধারার গণতান্ত্রিক সংগ্রামের অংশ হিসেবে মূল্যায়ন করা উচিত। কোনো আন্দোলন বা সংগ্রামের অবদানকে খাটো করার সুযোগ নেই। ইতিহাসকে সামগ্রিকভাবে মূল্যায়ন করতে হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং ন্যায়বিচারের রূপরেখা প্রণয়নে জিয়াউর রহমানের অবদান গুরুত্বপূর্ণ। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও উন্নয়নের স্বার্থে তার আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানান তিনি।
ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে এবং সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইলতুতমিশ সওদাগর এ্যানির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনসহ ঢাকা আইনজীবী সমিতির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। আলোচনা সভা শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
‘দেশের বিচারব্যবস্থা অতি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে’- বিচারপতি শহিদুল ইসলাম
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ল'ইয়ার্স কাউন্সিল কর্তৃক আয়োজিত আইনজীবীদের বাজেট ভাবনা শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশের বিচারব্যবস্থা বর্তমানে অতি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে।
তিনি বলেন, দেশে এখনো অনেক মেধাসম্পন্ন বিচারক রয়েছেন। তাদের সঠিকভাবে কাজ করতে দেওয়া হলে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। কিন্তু অ্যাক্টিভিস্টদের কালো হাতের প্রভাবে স্বাধীন বিচারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে না।
প্রধান অতিথি বলেন, আজকে মতিউর রহমান আখন্দ যে ‘কী নোট’ উপস্থাপন করেছেন, তার সাথে আরও কিছু যোগ করে সরকারকে বলা উচিত যে আমাদের কী কী প্রয়োজন। সুষ্ঠু বিচারব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য অবশ্যই একটা উপযুক্ত বাজেট এখানে প্রয়োজন। এ খাতে যদি সরকার গুরুত্ব না দেয়, তাহলে কিন্তু আবারও একটা আন্দোলন হতে পারে।
বিডিএলপিবি/এমএম
হাসপাতালে ফজলে করিম, পেছাল হাছান মাহমুদসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি
জুলাই
গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন চট্টগ্রামে ওয়াসিমসহ ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদসহ
২২ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন নিয়ে শুনানি পিছিয়েছে। পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২২ জুন দিন
ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।
আজ
(বৃহস্পতিবার) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান
বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ দিন ধার্য
করেন। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর
মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
ট্রাইব্যুনালে
প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন। তিনি বলেন, এ মামলায় আজ
আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের ওপর শুনানির দিন ধার্য ছিল। কিন্তু গ্রেপ্তার পাঁচজনের মধ্যে ফজলে করিমকে আনা হয়নি। এজন্য আমরা আগামী ৭ বা ৮
জুন পর্যন্ত সময় চাই।
ফজলে
করিম প্রসঙ্গে জহিরুল আমিন বলেন, তিনি (ফজলে করিম) বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (পিজি হাসপাতাল) চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ। এজন্য তাকে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির
করেনি তারা। তবে চিকিৎসাজনিত কাগজপত্র দেখে জানা গেল, শুধুমাত্র ডায়াবেটিস ও উচ্চরক্তচাপে ভুগছেন
তিনি। এ কারণে হাসপাতালে
ভর্তি হওয়ার কোনো কিছু নেই।
সাবেক
এই এমপির আইনজীবী এম হাসান ইমাম
দাবি করেন, ফজলে করিমের বয়সজনিত অসুস্থতার পাশাপাশি একদিন ট্রাইব্যুনাল থেকে কারাগারে নেওয়ার পথে ঘাড়ে আঘাত পান। এতে তার ঘাড়ের হাড় ভেঙে যায়। ফলে শুনানির জন্য কিছুটা সময়ের প্রয়োজন।
বিডিএলপিবি/এমএম
মানবতাবিরোধী অপরাধে জয়-পলকের মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে ১৫ জুন
আদালত সূত্রে জানা গেছে, এদিন মামলার সপ্তম সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের কথা ছিল। তবে সংশ্লিষ্ট সাক্ষী উপস্থিত না হওয়ায় সাক্ষ্যগ্রহণ সম্ভব হয়নি। এ অবস্থায় রাষ্ট্রপক্ষ সময়ের আবেদন জানালে ট্রাইব্যুনাল শুনানি মুলতবি করে ১৫ জুন পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেন।
চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি ট্রাইব্যুনাল-১ এ মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। এর আগে গত বছরের ৪ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গ্রহণ করেন একই ট্রাইব্যুনাল।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত ঘটনাবলিকে কেন্দ্র করে দায়ের করা এই মামলাটি রাজনৈতিক ও আইনগত উভয় দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিচারিক কার্যক্রমের ওপর সংশ্লিষ্ট মহলের নজর রয়েছে।
শিশু রামিসা হত্যা মামলার রায় ৭ জুন
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে (৮) নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার রায় ঘোষণার জন্য আগামী রোববার (৭ জুন) দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য এ দিন নির্ধারণ করেন। আজ মামলাটিতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য ছিল। কারাগার থেকে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। যুক্তিতর্ক শেষে রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রত্যাশা করে। সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী পঙ্কজ পিটার গোমেজ বাসস’কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে নিজের কক্ষে নিয়ে যায়।
সেদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে পাঠানোর জন্য খোঁজাখুঁজি শুরু করেন তার মা। একপর্যায়ে আসামিদের কক্ষের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া না পেয়ে রামিসার বাবা-মা ও ভবনের অন্যান্য বাসিন্দারা দরজা ভেঙে আসামির বাসার ভেতরে প্রবেশ করেন।
এ সময় আসামিদের শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং কক্ষের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে তার মাথা দেখতে পান তারা।
জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আসামি করা হয়। পরে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। গত ২০ মে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা (৩০) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদের আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। একই দিন আদালত সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও (২৬) কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
তদন্ত শেষে ২৪ মে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালতে তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। একই দিনে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন চার্জশিট আমলে নেন। গত ১ জুন বিচারক মাসরুর সালেকীন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলায় চার্জশিটভুক্ত ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জন ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন।
বিডিএলপিবি/এমএম
হাছান-নওফেল-ফজলে করিমসহ ২২ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি আজ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে চট্টগ্রামে ওয়াসিমসহ ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদসহ ২২ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি আজ।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ শুনানির দিন ধার্য রয়েছে। এদিন প্রথমে অভিযোগ গঠনের পক্ষে শুনানি করবে প্রসিকিউশন। এরপর ডিসচার্জ (অব্যাহতি) চেয়ে শুনানি করবেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।
এর আগে, ১৩ মে এ মামলায় পলাতক ১৭ আসামির পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়।
বর্তমানে পাঁচজন আসামি গ্রেপ্তার রয়েছেন। তাদের মধ্যে চারজন হলেন- চট্টগ্রাম-৬ আসনের সাবেক এমপি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী, যুবলীগ নেতা আজিজুর রহমান, তৌহিদুল ইসলাম ও মো. ফিরোজ। অপরজনের নাম এখনও জানা যায়নি।
অন্য আসামিরা হলেন- সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আ জ ম নাসির উদ্দীন, রেজাউল করিম, মহিউদ্দিন বাচ্চু, হেলাল আকবর, নুরুল আজিম রনি, শৈবাল দাশ সুমন, আবু ছালেক, এসবারুল হক, এইচএম মিঠু, নূর মোস্তফা টিনু, দেবাশীষ পাল দেবু, জমির উদ্দিন, ইমরান হাসান মাহমুদ, জাকারিয়া দস্তগীর, মহিউদ্দিন ফরহাদ ও সুমন দে।
গত ৭ এপ্রিল তিন অভিযোগে ২২ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-২। ৫ এপ্রিল ফরমাল চার্জ দাখিল করে প্রসিকিউশন।
মামলার প্রথম অভিযোগে ওয়াসিম আকরাম, ফয়সাল আহমেদ শান্ত ও মো. ফারুককে হত্যার দায় আনা হয়। দ্বিতীয় অভিযোগে তানভীর সিদ্দিকী, সায়মন ওরফে মাহিম ও হৃদয় চন্দ্রকে শহীদ করার দায় আনা হয়। এছাড়া জাহিদ হাসান, আবদুল কাদের, আছিয়া খাতুন, সানজিদা সুলতানা, আবদুল্লাহসহ শতাধিক ছাত্র-জনতাকে গুরুতর আহত করার কথা উল্লেখ করা হয় তিন নম্বর অভিযোগে।
বিডিএলপিবি/এমএম
