১৮ মে, ২০২৬

ম্যাগনেট পিলারের আশায় সর্বস্বান্ত : প্রক্সি আসামির রিমান্ড চায় পুলিশ

ম্যাগনেট পিলারের আশায় সর্বস্বান্ত : প্রক্সি আসামির রিমান্ড চায় পুলিশ


ছবিঃ সংগৃহীত

‘ম্যাগনেট পিলার’ পাওয়ার আশায় এক ব্যবসায়ীর নগদ ও স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ২০ কোটি টাকা এবং আরও ১৫ কোটি টাকার জমি প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাতের মামলায় আত্মসমর্পণ করে কারাগারে যান আসামি শারমিন আক্তার একা। সেই আসামি প্রকৃত আসামি কিনা, তা যাচাই করতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ। সোমবার (১৮ মে) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পূর্ব থানার উপ-পরিদর্শক মাহবুবুল আলম এ আবেদন করেন।

এদিন আসামিকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনের আদালতে তোলা হয় তাকে। শুনানি সময় আসামি পক্ষে অ্যাডভোকেট মো. আলমগীর হোসাইন আদালতকে জানান, এই আসামি আসল আসামি নন। তিনি আসল আসামির পক্ষে প্রক্সি দিয়েছেন। এরপর আদালত বলেন, এটা গর্হিত অপরাধ। নথি দেখে আদেশ হবে জানিয়ে আদালত আদেশ অপেক্ষমাণ রাখেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ ৩০ বছরেরও বেশি সময় হংকংয়ে কাটানো ব্যবসায়ী  আজিজুল আলম কথিত ‘ম্যাগনেট পিলার’ পাওয়ার আশায় নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ২০ কোটি টাকা এবং আরও ১৫ কোটি টাকা মূল্যের জমি ‘কালো জাদু’র খপ্পরে পরে হারিয়েছেন বলে কথিত এক ফকিরসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা দায়ের করেন। প্রতারণার এ মামলায় প্রধান আসামি মো. মাজহারুল ইসলাম সোহেল ফকিরের স্ত্রী এজাহারনামীয় ৩ নম্বর আসামি শারমিন আক্তার একা ও ১৪ নম্বর আসামি লাইলী শাহনাজ খুশি (একার মা) ওরফে মুন্নি গত ১২ মে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। ওইদিন আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরবর্তীতে ১৪ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পূর্ব থানার উপ-পরিদর্শক মাহবুবুল আলম আসামিদের দশ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। রিমান্ড শুনানিকালে মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী আদালতকে পৃথক আবেদন দিয়ে জানান, কাঠগড়ায় আসামি শারমিন আক্তার একা প্রকৃত পক্ষে আসামি নন। পরে আদালত তদন্ত কর্মকর্তাকে আসামি শনাক্ত করে ৩ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশ দেন।

তবে আসামি জেল হাজতে আটক থাকায় আসামি প্রকৃত পক্ষে শারমিন আক্তার একা কিনা তা যাচাইয়ের জন্য আসামির এনআইডি, পাসর্পোট, শিক্ষাগত সনদপত্র ও ফিঙ্গার প্রিন্ট সংগ্রহ করার জন্য আদালতের কাছে গতকাল রোববার সাত দিনের সময় চান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। এবং আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করতে আজ পাঁচ দিনের রিমান্ডে চেয়ে আবেদন করা হয়।

মামলার অভিযোগে এ ব্যবসায়ী উল্লেখ করেছেন, ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে মিজান নামে এক ব্যক্তির মাধ্যমে এই চক্রের সঙ্গে পরিচয় হয় ওই ব্যবসায়ীর। চক্রের সদস্যরা তাকে জানায়, তাদের কাছে অলৌকিক ক্ষমতার প্রাচীন ম্যাগনেট পিলার আছে, যা বিদেশে ১০০ বিলিয়ন ডলারে বিক্রি সম্ভব। প্রধান আসামি সোহেল ফকির তার সুন্নতি লেবাস ও চটকদার কথায় ব্যবসায়ীর বিশ্বাস অর্জন করেন।


বিডিএলপিবি/এমএম

এবার দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী

এবার দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী


ছবিঃ সংগৃহীত

বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন কেন্দ্রিক একাধিক হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার এক-এগারোর সময়ে আলোচিত সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও সাবেক সংসদ সদস্য মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে দুর্নীতির মামলায় মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠিয়ে ১১৯ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সাবেক এই সংসদ সদস্যকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

সোমবার (১৮ মে) দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। গত ২৫ মার্চ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ এই আসামিকে গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য আবেদন করেন। দুদক প্রসিকিউটর দেলোয়ার জাহান রুমি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দুদকের আবেদনে বলা হয়, আসামি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও অন্যান্যদের বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজশে সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে মালয়েশিয়া শ্রমিক রিক্রুটের জন্য এজেন্ট হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। সরকার নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকা থাকলেও আসামিরা অতিরিক্ত টাকা নেয়। আসামিরা রিক্রুটেড শ্রমিকদের অবৈধভাবে ক্ষতি সাধন করে বিভিন্ন ধাপে বাড়তি ১১৯ কোটি ৩২ লাখ ৭০ হাজার আদায় করেন। অবৈধভাবে আদায় করা এ অর্থ অবৈধ পন্থায় ছদ্মাবৃত্ত, হস্তান্তর, স্থানান্তর, রূপান্তরের মাধ্যমে অর্থপাচার করে আসামিরা দণ্ডবিধির ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ও দুর্নীতি দমন প্রতিরোধ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এ মামলায় জামিনে মুক্তি পেলে তদন্তে বাধা সৃষ্টি করতে পারেন। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এ মামলায়ও তাকে গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন।

গত ২৩ মার্চ দিবাগত রাতে রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস এলাকার নিজ বাসা থেকে মাসুদ উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন ২৪ মার্চ পল্টন মডেল থানার মামলায় তার পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন আদালত। পরবর্তীতে একাধিক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো ও রিমান্ডে নেওয়া হয়।

 

বিডিএলপিবি/এমএম

 

 

 


বাণিজ্যিক ব্যাংকের সঙ্গে সুদ সামঞ্জস্যে গ্রামীণ ব্যাংককে রুল

বাণিজ্যিক ব্যাংকের সঙ্গে সুদ সামঞ্জস্যে গ্রামীণ ব্যাংককে রুল


ছবিঃ সংগৃহীত 

গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণের সুদের হার বাণিজ্যিক ব্যাংকের সঙ্গে  কেন সামঞ্জস্য করা হবে না,তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন  হাইকোর্ট। সোমবার (১৮ মে) বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মাসুদ আর সোবহান, ব্যারিস্টার ফাতেমা চৌধুরী।

রুলে গ্রামীণ বাংলাদেশের ভূমিহীন ঋণগ্রহীতাদের জন্য প্রবর্তিত মাইক্রোক্রেডিট কর্মসূচির আওতায় গ্রামীণ ব্যাংক যে সুদের হার আরোপ করে, যা নির্ধারিত ব্যাংকসমূহের সুদের হারের তুলনায় অত্যন্ত বেশি ও শোষণমূলক—সে সুদের হার কমানোর জন্য ব্যাংকিং কোম্পানি/আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষকে কেন নির্দেশ প্রদান করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

এর আগে গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণের সুদের হার বাণিজ্যিক ব্যাংকের সঙ্গে কেন সামঞ্জস্য করতে হাইকোর্টে জনস্বার্থে রিট করেন ব্যারিস্টার মাসুদ আর সোবহান।

 

বিডিএলপিবি/এমএম


বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ২ জুলাই পর্যন্ত

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ২ জুলাই পর্যন্ত

ছবিঃ সংগৃহীত

‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত। আজ (সোমবার) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্ত সংস্থা সিআইডি এদিন প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম নতুন দিন ধার্য করেন।

২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে জালিয়াতি করে সুইফট কোডের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি করা হয়। পরে সেই টাকা ফিলিপাইনে পাঠানো হয়। দেশের অভ্যন্তরের কোনো একটি চক্রের সহায়তায় হ্যাকার গ্রুপ রিজার্ভের অর্থপাচার করে বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের।

ওই ঘটনায় একই বছরের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্টের উপ-পরিচালক জোবায়ের বিন হুদা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মতিঝিল থানায় মামলা করেন। বর্তমানে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) মামলাটি তদন্ত করছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

 

মানব পাচারের ক্ষেত্রে নতুন আইনেও সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

মানব পাচারের ক্ষেত্রে নতুন আইনেও সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

ছবিঃ প্রতিকী (সংগৃহীত)


গত ১২ মাসে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্ত এলাকা থেকে ৪৯৫ জন নারী শিশুকে উদ্ধার করে। বিজিবির মহেশপুর ব্যাটালিয়ন ঝিনাইদহ ব্যাটালিয়ন এই নারী শিশুদের সীমান্ত এলাকা থেকে উদ্ধার করেছে।


পরে আইনি সহায়তা প্রকৃত অভিভাবকের কাছে পৌঁছে দিতে জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার নামে একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থাকে দায়িত্ব দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মানব পাচার অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ দমনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সংস্থার সঙ্গে কাজ করে। পাচারের ফলে সীমান্ত পার হলেই এই মানুষগুলো হয়ে যেতেন অনুপ্রবেশকারী। বেআইনি চোরাচালান চক্রের ফাঁদে মৃত্যুঝুঁকিতে পড়ত তাদের জীবন।


মানবপাচার চোরাচালান সংক্রান্ত অপরাধের মাত্রা ক্রমাগত বেড়ে যাওয়ায় সরকারমানব পাচার অভিবাসী চোরাচালনান প্রতিরোধ দমন আইন ২০২৬প্রণয়ন করেছে। নতুন আইনে ভুক্তভোগীদের ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতেঅভিবাসী চোরাচালানসংক্রান্ত অপরাধকে আওতাভুক্ত করা হয়েছে। এই আইনেও এককভাবে সংঘবদ্ধ মানব পাচারের ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মৃত্যুদণ্ডের সর্বোচ্চ শাস্তি বহাল রাখা হয়েছে।


স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, এই আইন মানব পাচার অভিবাসী চোরাচালান অপরাধের মামলা ভুক্তভোগীদের সঠিকভাবে চিহ্নিতকরণে সহায়তা এবং যৌন শোষণ, জোরপূর্বক শ্রম, অপরাধমূলক শোষণ দাসত্বও অন্যান্য গুরুতর পাচারের শিকার ভুক্তভোগীদের জন্য আরো কার্যকারী সুরক্ষা নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি বাংলাদেশের আইন কাঠামোকেও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করেছে।


একই সঙ্গে এই আইন মানব পাচার অভিবাসী চোরাচালনের রাষ্ট্রীয় সংজ্ঞাকে জাতিসংঘের ট্রাফিকিং ইন পারসনস (টিআইপি) প্রোটোকল এবং স্মাগলিং ওফ মাইগ্রেন্ট (এসওএম) প্রোটোকলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রক্ষা করবে


নতুন এই আইনের মাধ্যমে মানব পাচার অপরাধের প্রকৃতি ব্যাপকতা বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত সংস্থাসমূহকে আরও শক্তিশালী করা হয়েছে। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ, সম্পত্তি জব্দ এবং আসামির অনুপস্থিতিতে বিচার করার মতো যুগান্তকারী বিধান এই আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে পাসপোর্ট বা ভিসা জালিয়াতিকেও কঠোর শাস্তিমূলক অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।


সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী এই আইন সম্পর্কে বলেন, ‘মানব পাচার অভিবাসী চোরাচালান বর্তমানে একটি বৈশ্বিক সমস্যা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বাংলাদেশ এই সমস্যা সমাধানে অত্যন্ত আন্তরিক এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী আইন প্রণয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।


তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ২০০০ সালে গৃহীত জাতিসংঘ কনভেনশন এবং এর সম্পূরক প্রোটোকলগুলোর  আলোকে বাংলাদেশ সরকার 'মানব পাচার অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ দমন আইন, ২০২৬' প্রণয়ন করেছে।


মনজুর মোর্শেদ আরও বলেন, 'নতুন এই আইনে পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার পাশাপাশি ভিকটিমদের সুরক্ষা অধিকার নিশ্চিতকরণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে অনলাইন প্রতারণা, স্ক্যামিং এবং মুক্তিপণ আদায়ের মতো আধুনিক অপরাধগুলোকে এই আইনের আওতায় আনা হয়েছে। মানব পাচার প্রতিরোধে কেবল কঠোর আইনই যথেষ্ট নয়, বরং জনসচেতনতা সৃষ্টিতে গণমাধ্যম কর্মীদের বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করতে হবে।'


এই আইনে অপরাধের ধরন অনুযায়ী শাস্তির বিধানেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। পাচারকারীকে সম্পত্তি ব্যবহার করতে দিলে বা নথি গোপন করে সহায়তা করলে থেকে বছরের কারাদণ্ড এবং সর্বনিম্ন ৩০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।


যৌন শোষণের উদ্দেশ্যে কাউকে আমদানি বা স্থানান্তর করলে থেকে ১০ বছরের কারাদণ্ড  এবং সর্বনিম্ন ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হবে। অনলাইনে চাকরির ভুয়া বিজ্ঞাপন বা অভিবাসনের নামে প্রতারণা করলে থেকে বছরের কারাদণ্ডের বিধান যুক্ত হয়েছে।


এছাড়া তদন্তকারী কর্মকর্তারা এখন পাচারকারীদের ব্যাংক হিসাব জব্দ আয়-সম্পদ যাচাইয়ে ২০১২ সালের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন। এমনকি মানব পাচার ট্রাইব্যুনাল এখন পাচার সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অপরাধের (যেমন: আঘাত, মাদক পাচার বা যৌন সহিংসতা) বিচারও একই সঙ্গে করতে পারবে, যা আগে আলাদা আদালতে করতে হতো।


বিদেশে অবস্থিত সম্পদ জব্দ বা বাজেয়াপ্ত করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করা হয়েছে। ভুক্তভোগী বা সাক্ষীকে হুমকি দিলে থেকে বছর এবং আপস করতে বাধ্য করলে থেকে বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। পাচারের শিকার থাকাকালীন ভুক্তভোগী যদি অনিচ্ছাকৃতভাবে কোনো নির্দিষ্ট অবৈধ কাজ (যেমন: জাল পাসপোর্ট বহন বা অনুপ্রবেশ) করে ফেলে, তবে তাকে আসামি হিসেবে গণ্য না করার বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে।


এছাড়া আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা ভুক্তভোগীদের অবস্থা পর্যবেক্ষণে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রতি মাস অন্তর প্রতিবেদন দাখিলের বাধ্যবাধকতা দেওয়া হয়েছে।

 


সোর্সঃ বাসস'এ লিখেছেন “তাপসী রাবেয়া আঁখি” 

 

 

 

সুপ্রিম কোর্ট হেল্পলাইনে সেবা পাচ্ছেন বিচারপ্রার্থীরা

সুপ্রিম কোর্ট হেল্পলাইনে সেবা পাচ্ছেন বিচারপ্রার্থীরা

ছবিঃ সংগৃহীত

দেশের বিচারব্যবস্থাকে আরও জনবান্ধব করতে চালু করা সুপ্রিম কোর্টের হেল্পলাইন সেবার মাধ্যমে হাজারো মানুষ আইন ও আদালত সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা পাচ্ছেন। ২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর প্রথমবারের মতো ‘হেল্পলাইন’ সেবা চালু করে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। বিচারপ্রার্থীদের সেবা নিশ্চিত ও সহজ করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়। সরকারি ছুটির দিন ছাড়া প্রতি রোববার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ সেবা পাওয়া যায়। বিচারপ্রার্থী ও সেবাগ্রহীতাদের সহায়তার জন্য ০১৩১৬-১৫৪২১৬ এবং ০১৭৯৫-৩৭৩৬৮০ নম্বরে কল ও হোয়াটসঅ্যাপ সেবা চালু রয়েছে। এছাড়া অনলাইন সেবা পেতে ডায়াল করতে হবে ‘১০৩’ নম্বর।

সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী  বলেন, সুপ্রিম কোর্টের হেল্পলাইন সেবা কার্যক্রম চলমান থাকবে। জনগণ ও বিচারপ্রার্থীরা যাতে এ সেবা গ্রহণ করে উপকৃত হন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম  জানান, ২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর হেল্পলাইন সেবা চালুর পর থেকে চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দেশ-বিদেশ থেকে আইনী পরামর্শ, মামলা-সংক্রান্ত তথ্য এবং অভিযোগ দাখিল বিষয়ে মোট ৬ হাজার ৯১২টি কল এসেছে। এর মধ্যে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত কল এসেছে ২ হাজার ৯০৫টি।

হেল্পলাইন মনিটরিং সেলের তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, আইনী পরামর্শ নিতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ৩১৭টি কল এসেছে। এছাড়া বিভিন্ন মামলার তথ্য জানতে ৫০৪টি কল করা হয়। এসব তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে সেবাগ্রহীতাদের প্রদান করা হয়েছে।

এদিকে রাষ্ট্রের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে গত জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ৩৫৪টি কল এসেছে। তবে অভিযোগগুলো সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ারবহির্ভূত হওয়ায় এ বিষয়ে করণীয় সম্পর্কে হেল্পলাইন থেকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

গত চার মাসে সুপ্রিম কোর্ট ও জেলা আদালত-সংক্রান্ত বিভিন্ন অনিয়ম, দায়িত্বে অবহেলা, বিলম্বে সেবা প্রাপ্তি ও অসদাচরণ বিষয়ে মোট ৫৮টি অভিযোগ এসেছে। এর মধ্যে বিলম্বে আইনগত সেবা পাওয়া, নথি নিখোঁজ হওয়া এবং দ্রুত নিষ্পত্তি-সংক্রান্ত অভিযোগ ছিল ৪৮টি। পরে এসব সমস্যার সমাধান করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জবাবদিহির আওতায় আনা হয়েছে।

এছাড়া, বিভিন্ন অনিয়ম, দায়িত্বে অবহেলা ও অসদাচরণ সংক্রান্ত আরও ১০টি অভিযোগ এসেছে। এর মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকগণের বিরুদ্ধে একটি, জেলা আদালতের বিচারকগণের বিরুদ্ধে সাতটি এবং জেলা আদালতের কর্মচারীদের বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ রয়েছে। জেলা আদালতের বিচারকদের বিরুদ্ধে আসা সাতটি অভিযোগের মধ্যে তিনটি প্রাথমিকভাবে নিষ্পত্তি করা হয়েছে। বাকি অভিযোগগুলোর বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে ইতোমধ্যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা আরও জানান, হেল্পলাইন নম্বর ১০৩-এ সেবা নিতে কল করা হলেও যেসব কলের বিপরীতে সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি, এমন কলের সংখ্যা ১ হাজার ৬৭২টি।

এদিকে সুপ্রিম কোর্ট হেল্পলাইনের পাশাপাশি বর্তমানে দেশের ৬৪টি জেলা আদালত এবং আটটি মহানগর দায়রা জজ আদালতেও একই ধরনের পৃথক হেল্পলাইন সেবা চালু রয়েছে। এর ফলে সারা দেশের বিচারপ্রার্থীরা আইন ও আদালত-সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য ও সেবা সহজেই পাচ্ছেন।

 

সংবাদঃ বাসস

বিডিএলপিবি/এমএম


 

 

 

অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে তত্বাবধায়ক সরকার প্রধান নয়: আইনমন্ত্রী

অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে তত্বাবধায়ক সরকার প্রধান নয়: আইনমন্ত্রী


ছবি: সংগৃহীত 

অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা করার প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

তিনি বলেন, একজন প্রধান বিচারপতি অবসরে যাওয়ার পরে দিনগুণতে থাকেন কবে তিনি ওই পদে যাবেন। অতীতে সাবেক প্রধান বিচারপতিকে রাষ্ট্রের বিভিন্ন জায়গায় বসানোর চেষ্টা দেখেছি। আমরা এই জায়গা থেকে উত্তরণ ঘটাতে চাই।

রোববার (১৭ মে) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং গুম সংক্রান্ত আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে অংশীজন সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ এ সভার আয়োজন করে। সভায় সভাপতিত্ব করেন আইনমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, দেশে রাজনৈতিক কর্মীরা সবচেয়ে বেশি মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হয়েছেন। আগের সরকারের সময় রাতে মোমবাতি জ্বালিয়ে আদালত বসিয়ে বিচারের নামে সাজা দিয়েছেন, তারা জবাবদিহির বাইরে রয়ে গেছেন। আমরা তাদের ফেরেশতার মতো দেখি। তারা এখনও ধরা ছোঁয়ার বাইরে। আমরা সুপ্রিম কোর্টে শপথবদ্ধ রাজনীতিবিদ দেখেছি।

বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন, আইনজীবী, সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মীসহ সংশ্লিষ্টরা সভায় অংশ নেন। অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, সংসদ সদস্য তাহসীনা রুশদীর লুনা, সানজিদা ইসলাম তুলি, ইউএনডিপির কান্ট্রি ডিরেক্টর, মানবাধিকার কর্মী নূর খান লিটন, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম, জেলা ও দায়রা জজ শামসুদ্দিন মাসুম, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ও খালেদ হামিদ চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আসাদুজ্জামান বলেন, গুম সংক্রান্ত আইনের সঙ্গে যেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন ও মানবাধিকার কমিশন আইনের কোনো সাংঘর্ষিক অবস্থা তৈরি না হয়, সেজন্য আইনটি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, অন্তবর্তী সরকারের সময়ে যেভাবে গুম কমিশন অধ্যাদেশ তৈরি করা হয়েছিল, তাতে অপরাধীই বেশি লাভবান হতো। সেটাকে আমরা আরো সময়োপযোগী করার চেষ্টা করছি।

তিনি বলেন, মানবাধিকার কমিশন আইন ও গুম প্রতিরোধ আইন যেভাবে করা হয়েছে, তাতে করলে গুমের শিকার ব্যক্তিদের প্রতি অবিচার করা হবে। কারণ, আমরা একইসঙ্গে ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের মধ্যে গুমের সংজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত করেছি। সেখানে বিচার হবে, তদন্ত হবে।

তিনি বলেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং গুম নিয়ে একটি কার্যকরী আইন করতে চাই। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন যেন নখ দন্তহীন প্রতিষ্ঠানে পরিণত না হয়, সেদিকে খেয়াল রেখে যুগপোযোগী ও কল্যাণমুখী আইন করতে চাই।

তিনি আরও বলেন, নতুন জেনারেশন অনেক মেধাবী। তাদের সঠিক জায়গায় বসাতে হবে। আমরা একের পর এক প্রতিষ্ঠানকে নষ্ট করে ফেলেছি।

সংসদ সদস্য তাহসীনা রুশদীর লুনা বলেন, আমার স্বামী সাবেক এমপি ইলিয়াস আলীকে ২০১২ সালে রাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ মদদে গুম করা হয়। এরপর আরো অনেক লোককে গুম করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গুম সম্পর্কে নতুন কোনো তথ্য পাইনি। দেশ থেকে গুম চিরতরে নিষিদ্ধ করতে হবে। তিনি বলেন, গুম একটি পরিবারকে ধ্বংস করে দেয়। আমি চাই আগে যারা গুম হয়েছেন, তাদের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে তথ্য সরবরাহ করা হোক।


বিডিএলপিবি/এমএম