৩ সেপ, ২০২৬

৬৪ জেলা এবং ৮ টি মহানগরের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের জন্য আবাসিক ভবন নির্মাণ প্রকল্পের স্থান নির্বাচনের নির্দেশ

৬৪ জেলা এবং ৮ টি মহানগরের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের জন্য আবাসিক ভবন নির্মাণ প্রকল্পের স্থান নির্বাচনের নির্দেশ

ছবি: সংগৃহীত 
দেশের ৬৪ জেলা এবং ৮ টি মহানগরের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের জন্য আবাসিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রকল্পের স্থান নির্বাচনের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের পরিকল্পনা ইউনিট এর এক অফিস আদেশের মাধ্যমে ৬৪ জেলা এবং ৮ টি মহানগরের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের জন্য আবাসিক ভবন নির্মাণের প্রকল্পের স্থান নির্বাচনের জন্য বলা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, বর্তমানে প্রতিটি জেলায় দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত এবং বিভিন্ন বিশেষ ট্রাইব্যুনালে বিভিন্ন স্তরের প্রায় ৩০ থেকে ৫০ জন বিচারক কর্মরত থাকেন। কতিপয় জেলা ব্যতীত অধিকাংশ জেলাতেই বিচারকদের কোনো সমন্বিত বা পর্যাপ্ত সরকারি আবাসন ব্যবস্থা নেই। ফলে অধিকাংশ বিচারককে ভাড়া বাসায় ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করতে হয়। স্পর্শকাতর মামলা পরিচালনার কারণে ভাড়া বাসায় বসবাস বিচারক ও তাঁদের পরিবারের সার্বিক নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করছে।

অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, অনেক স্থানে জেলা জজশীপের আওতায় আবাসন নির্মাণের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা রয়েছে। ভূমির সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধমে প্রতিটি জেলা/মহানগরে স্থানভেদে ১০-১৫ তলাবিশিষ্ট আধুনিক আবাসিক কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হলে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের মানসম্মত আবাসন নিশ্চিত হবে করা সম্ভব হবে যা বর্তমান সংকট নিরসনের পাশাপাশি ভবিষ্যতের বর্ধিত চাহিদাও পূরণ করতে পারবে। এই ধরনের একক ভবনে সিসিটিভি, নির্দিষ্ট প্রবেশপথ ও সার্বক্ষণিক সশস্ত্র পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা অত্যন্ত সহজ হবে।

এলক্ষ্যে, ৬৪ জেলা এবং ৮ টি মহানগরের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের জন্য আবাসিক ভবন নির্মাণ' শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ভবন নির্মাণের লক্ষ্যে জেলা ও দায়রা জজগণকে তার আওতাধীন আদালত প্রাঙ্গণে বা পুরাতন কোর্ট/মুন্সেফ কোর্ট প্রাঙ্গণে যে পরিমাণ জায়গা রয়েছে তার বর্ণনা ও স্থানিক নক্সা প্রেরণ এবং জায়গা না থাকলে জেলা জজ আদালত ভবনের এক কিলোমিটার পারিপার্শ্বিকতার মধ্যে প্রয়োজনীয় ভূমি অধিগ্রহণ করার মতো জায়গার ধারণা প্রদানের জন্য এই অফিস আদেশে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: আইন মন্ত্রণালয়ের অফিস আদেশ (০২.০৯.২০২৬)

প্রেমিকের ব্যবসার জন্য চার লাখ টাকা দাবি,​ স্ত্রীর বিরুদ্ধে যৌতুক মামলা, তদন্তের নির্দেশ আদালতের

প্রেমিকের ব্যবসার জন্য চার লাখ টাকা দাবি,​ স্ত্রীর বিরুদ্ধে যৌতুক মামলা, তদন্তের নির্দেশ আদালতের

ছবি: সংগৃহীত 
চার লাখ টাকা যৌতুক না দেওয়ায় শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে স্ত্রীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন মো. শামীম মিয়া নামে এক ব্যক্তি।

গতকাল বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল হক বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে অভিযোগটি তদন্ত করার জন্য কদমতলী থানা পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন। মামলায় যাদের আসামি করা হয়েছে তারা হলেন, স্ত্রী ফাতেমা তুজ জহুরা, স্ত্রীর কথিত প্রেমিক শেখ মো. ইমাম হোসাইন এবং শাশুড়ি শাহানাজকে। 

মালার ঘটনা: রাজধানীর কদমতলী থানার মুরাদপুর এলাকার বাসিন্দা ফার্মেসি ব্যবসায়ী মো. শামীম মিয়া তার মামলার অভিযোগে বলেন, ২০১৬ সালের ১৫ ডিসেম্বর পারিবারিকভাবে ফাতেমা তুজ জহুরার সঙ্গে বাদীর  বিয়ে হয়। বিয়ের পর বাদী জানতে পারে, তার স্ত্রী বিয়ের আগের প্রেমিক ইমাম হোসাইনের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছেন। বাদী বাসায় ব্যবসায় জমানো টাকা রাখলে, স্ত্রী সেই টাকা থেকে বিভিন্ন সময় প্রেমিক ও তার মাকে দিতেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, স্ত্রীর টাকা সরানো বন্ধ করতে গেলে বৈবাহিক সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য নানা শর্ত চাপান তার স্ত্রী এবং বিভিন্ন অজুহাতে টাকা নিতে থাকেন। এভাবে বিগত দুই বছরে প্রায় চার লাখ টাকা নেওয়ার পর শামীম জমানো টাকা ফেরত চাইলে স্ত্রী তা প্রেমিক ও মায়ের কাছে দিয়ে দেওয়ার কথা স্বীকার করেন।সবশেষ গত ২০ আগস্ট রাতে তার স্ত্রী ও শাশুড়ি তার কাছে ইমাম হোসাইনের ব্যবসার কথা বলে চার লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে গালিগালাজ ও ধাক্কা দিয়ে খাটের ওপর থেকে  ফেলে দেওয়া হয়।



বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বিডিনিউজ ২৪ (০২.০৯.২০২৬)

১৫ দিনের মধ্যে বুড়িগঙ্গার তীর থেকে প্লাস্টিক বর্জ্য সরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের

১৫ দিনের মধ্যে বুড়িগঙ্গার তীর থেকে প্লাস্টিক বর্জ্য সরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের

ছবিঃ সংগৃহীত
ঢাকার লালবাগ ও কামরাঙ্গীর চরের ইসলামবাগ এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে ফেলা প্লাস্টিক ও অন্য সব বর্জ্য ১৫ দিনের মধ্যে অপসারণ করতে কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের হাইকোর্ট বেঞ্চ একটি রিট আবেদনের শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

একটি দৈনক পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের উল্লেখ করে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি) রিটটি দায়ের করেছিল। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০১০ সালে হাইকোর্ট বিভাগ এক রায়ে দূষণ বন্ধে কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিলেও ইসলামবাগে বুড়িগঙ্গার তীরে শত শত প্লাস্টিক বর্জ্য ও অন্যান্য আবর্জনা ফেলা হচ্ছে।

আদালত নৌপরিবহন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ঢাকার জেলা প্রশাসক এবং লালবাগ ও কামরাঙ্গীর চর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনারসহ আরও ১৩ জনকে ১৫ দিনের মধ্যে বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন। আদালত কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা বাস্তবায়ন শেষে চার সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছেন।

রিটের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ। তাকে সহায়তা করেন আইনজীবী সঞ্জয় মণ্ডল ও নাসরিন সুলতানা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল খান জিয়াউর রহমান।

এভাবে প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্য ফেলা অব্যাহত থাকলে এক পর্যায়ে এসব বর্জ্য নদীতে গিয়ে পড়তে পারে এবং পানি দূষণ আরও বাড়িয়ে দিতে পারে, ফলে আদালতের আগের নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত হবে, উল্লেখ করা হয় রিট আবেদনে।

বুড়িগঙ্গা দূষণ রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে ২০১০ সালে এইচআরপিবির করা একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট বিভাগ বেশ কয়েকটি নির্দেশনা দিয়েছিলেন। এর অংশ হিসেবে আদালত নদীর তীরে প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্য ফেলা  নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। 

মনজিল মোরশেদ বলেন, বুড়িগঙ্গার দূষণ ঢাকার পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে।তিনি বলেন, হাইকোর্টের আগের নির্দেশনা সত্ত্বেও ইসলামবাগ এলাকায় নদীর তীরে শত শত প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্য ফেলে রাখা হয়েছে, যা শেষ পর্যন্ত নদীতে গিয়ে পড়তে পারে এবং দূষণ আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। এইচআরপিবির পক্ষে মোহাম্মদ সরওয়ার আহাদ চৌধুরী ৩০ আগস্ট আবেদনটি করেন।


বিডিএলপিবি/এমএম

সূত্রঃ দ্য ডেইলি স্টার বাংলা (০২.০৯.২০২৬)

কারাগারেই থাকতে হচ্ছে বিদিশাকে, জামিন নামঞ্জুর

কারাগারেই থাকতে হচ্ছে বিদিশাকে, জামিন নামঞ্জুর

ছবিঃ সংগৃহীত
রাজধানীর গুলশানের বারিধারা এলাকায় ফ্ল্যাট বিক্রির নামে ৭৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত প্রয়াত রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিক জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার (০৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. শাহজাহান কবিরের আদালতে আপিল শর্তে বিদিশার আইনজীবী জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করেন।

সাজা পরোয়ানার ভিত্তিতে গত ২৫ আগস্ট রাত সাড়ে আটটার দিকে গুলশান-২ নম্বরের অ্যারাবিকা রেস্টুরেন্ট থেকে বিদিশাকে গ্রেফতার করা হয়। এর পরের দিন ২৬ আগস্ট বিদিশাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় তার আইনজীবী আপিল শর্তে জামিনের আবেদন করেন।

শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বর্তমানে বিদিশা কারাগারে আটক রয়েছেন।

গত ২০ মে বিদিশার দুই বছরের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামসেদ আলম। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও এক মাস কারাভোগ করতে হবে। এই মামলায় বিদিশা সিদ্দিক জামিন নিয়েছিলেন। গত ২০১৫ সালের ৬ ডিসেম্বর তার জামিন বাতিল হয়।

মামলার ঘটনা: ২০০৮ সালের একটি প্রতারণা মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় চলতি বছরের ২০ মে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামসেদ আলমের আদালত বিদিশাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। ঐ মামলার পরোয়ানার ভিত্তিতে গত ২৫ আগস্ট রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে বিদিশাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।


বিডিএলপিবি/এমএম

সূত্রঃ বাসস (০২.০৯.২০২৬)

দুর্নীতির মামলায় স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজিসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য ৪ অক্টোবর

দুর্নীতির মামলায় স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজিসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য ৪ অক্টোবর

রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ | ছবিঃ সংগৃহীত
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ৪ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বুধবার (০৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক মো. জাকারিয়া হোসেনের আদালতে মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য ছিল। তবে এদিন কোনও সাক্ষী আদালতে হাজির হননি। এ জন্য দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর সময় চেয়ে আবেদন করেন। আদালত সময় আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ৪ অক্টোবর সাক্ষ্য গ্রহণের পরবর্তী দিন করেন।আদালতের উচ্চমান বেঞ্চ সহকারী মিয়া জাহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অপর আসামিরা হলেন– স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক পরিচালক আমিনুল হাসান, উপ-পরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা. ইউনুস আলী, সহকারী পরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা. শফিউর রহমান এবং গবেষণা কর্মকর্তা ডা. দিদারুল ইসলাম। আসামিদের মধ্যে কারাগারে থাকা সাহেদ করিমকে আদালতে হাজির করা হয়। জামিনে থাকা অন্য আসামিরা আদালতে হাজিরা দেন।

২০২০ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ মামলা করেন দুদকের উপ-পরিচালক ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী। ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন দুদক।

চার্জশিটে আসামিদের বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে লাইসেন্স নবায়নবিহীন বন্ধ রিজেন্ট হাসপাতালকে ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালে রূপান্তর, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ও সরকারি প্রতিষ্ঠান নিপসমের ল্যাবে ৩ হাজার ৯৩৯ জন কোভিড রোগীর নমুনা বিনামূল্যে পরীক্ষা করার অভিযোগ আনা হয়। যেখান থেকে তারা অবৈধ পারিতোষিক বাবদ রোগী প্রতি ৩ হাজার ৫০০ টাকা হিসেবে মোট ১ কোটি ৩৭ লাখ ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা গ্রহণ করেন।

এছাড়া চার্জশিটে রিজেন্ট হাসপাতালের মিরপুর ও উত্তরা শাখার চিকিৎসক, নার্স, ওয়ার্ডবয় ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের খাবার খরচ বরাদ্দের বিষয়ে ১ কোটি ৯৬ লাখ ২০ হাজার টাকার মাসিক চাহিদা তুলে ধরাসহ সমঝোতা স্মারকের খসড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। ২০২২ সালের ১২ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। এ মামলায় এখন পর্যন্ত ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

সূত্রঃ বাসস (০২/০৯/২০২৬)

খুলনায় ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

খুলনায় ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ছবিঃ সংগৃহীত 
খুলনার একটি আদালত শিশু ধর্ষণের অভিযোগে সবুজ খাঁ নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন। একইসঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। 

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি দৌলতপুর পালপাড়া কোপার বিল হাসানখান রোডের কেরামত আলীর ছেলে। আজ বুধবার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল খুলনা মহানগর (খুলনা জেলা ও দায়রা জজ), খুলনার বিচারক মুহাম্মদ আকরাম হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওই আদালতের বেঞ্চ সহকারী ইকবাল মাহমুদ।

মামলার ঘটনাঃ আদালতের সূত্র জানায়, নগরীর মধ্যডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির এক শিশু শিক্ষার্থীকে গত ২০২৪ সালের ৭ জুলাই বিকেল পৌনে ৪টার দিকে মুরগি দেখানোর কথা বলে আসামি সবুজ তার ঘরের ভেতর নিয়ে যায়। পরে তাকে ধর্ষণ করে। এরপর তাকে ঘটনাটি কাউকে না জানানোর জন্য ভয়ভীতি প্রদান করে। এ ঘটনার পর দিন শিশুটির মা বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সবুজকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। 

২০২৫ সালের ১৩ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দিবস কুমার মৃধা সবুজ খাঁকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। গত ২০২৬ সালের ১ এপ্রিল শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহাম্মদ আকরাম হোসেনের আদালতে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। স্বাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত রায় ঘোষণা করেন।


বিডিএলপিবি/এমএম

সূত্রঃ বাসস (০৩/০৯/২০২৬)

২ সেপ, ২০২৬

সংবিধান সংস্কার ছাড়া জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি: বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের

সংবিধান সংস্কার ছাড়া জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি: বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের

ছবি: সংগৃহীত 
সংবিধান সংশোধন বা সংস্কার ছাড়া জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা দিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা অধ্যাদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। রিটে সংবিধান সংস্কার ছাড়া জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা দেওয়ার উদ্যোগ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না-তা জানতে চেয়ে রুল জারির আবেদন করা হয়েছে।

রিটটি দায়ের করেছেন সাবেক মেজর বজলুল হুদার ভাই এবং জুলাই আন্দোলনের একজন যোদ্ধা নুরুল হুদা। তার পক্ষে হাইকোর্টে শুনানি করেন ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি জে বি এম হাসানের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে রিটের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে আদালত পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী রোববার দিন ধার্য করেছেন। রিটে সংসদ সচিবালয়ের সচিব, আইন সচিব ও মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ মোট পাঁচজনকে বিবাদী করা হয়েছে।

রিট আবেদনে বলা হয়েছে, সংবিধান সংশোধন বা সংস্কারের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনি ভিত্তি তৈরি না করেই শুধু অধ্যাদেশ জারি করে জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ধরনের উদ্যোগের সাংবিধানিক ও আইনগত বৈধতা নিয়েই মূলত প্রশ্ন তুলেছেন রিটকারী। 

আবেদনে আরও বলা হয়েছে, জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দায়ের করা দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলাসহ বিভিন্ন ধরনের আইনি কার্যক্রম থেকে তাদের সুরক্ষা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে কাউকে দায়মুক্তি বা আইনি সুরক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে যথাযথ সাংবিধানিক ও আইনগত ভিত্তি থাকা প্রয়োজন।   

রিটে দাবি করা হয়েছে, সংবিধান সংশোধন বা প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে কেবল নির্বাহী আদেশ বা অধ্যাদেশের মাধ্যমে জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলে তা আইনের শাসন ও সাংবিধানিক কাঠামোর সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: গণমাধ্যম প্রদত্ত আইনজীবীর ব্রিফিং