![]() |
| রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ | ছবিঃ সংগৃহীত |
বুধবার (০৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক মো. জাকারিয়া হোসেনের আদালতে মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য ছিল। তবে এদিন কোনও সাক্ষী আদালতে হাজির হননি। এ জন্য দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর সময় চেয়ে আবেদন করেন। আদালত সময় আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ৪ অক্টোবর সাক্ষ্য গ্রহণের পরবর্তী দিন করেন।আদালতের উচ্চমান বেঞ্চ সহকারী মিয়া জাহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার অপর আসামিরা হলেন– স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক পরিচালক আমিনুল হাসান, উপ-পরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা. ইউনুস আলী, সহকারী পরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা. শফিউর রহমান এবং গবেষণা কর্মকর্তা ডা. দিদারুল ইসলাম। আসামিদের মধ্যে কারাগারে থাকা সাহেদ করিমকে আদালতে হাজির করা হয়। জামিনে থাকা অন্য আসামিরা আদালতে হাজিরা দেন।
২০২০ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ মামলা করেন দুদকের উপ-পরিচালক ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী। ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন দুদক।
চার্জশিটে আসামিদের বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে লাইসেন্স নবায়নবিহীন বন্ধ রিজেন্ট হাসপাতালকে ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালে রূপান্তর, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ও সরকারি প্রতিষ্ঠান নিপসমের ল্যাবে ৩ হাজার ৯৩৯ জন কোভিড রোগীর নমুনা বিনামূল্যে পরীক্ষা করার অভিযোগ আনা হয়। যেখান থেকে তারা অবৈধ পারিতোষিক বাবদ রোগী প্রতি ৩ হাজার ৫০০ টাকা হিসেবে মোট ১ কোটি ৩৭ লাখ ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা গ্রহণ করেন।
এছাড়া চার্জশিটে রিজেন্ট হাসপাতালের মিরপুর ও উত্তরা শাখার চিকিৎসক, নার্স, ওয়ার্ডবয় ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের খাবার খরচ বরাদ্দের বিষয়ে ১ কোটি ৯৬ লাখ ২০ হাজার টাকার মাসিক চাহিদা তুলে ধরাসহ সমঝোতা স্মারকের খসড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। ২০২২ সালের ১২ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। এ মামলায় এখন পর্যন্ত ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে।
বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্রঃ বাসস (০২/০৯/২০২৬)

0 coment rios: