১৮ আগ, ২০২৬

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে দায়ের করা রিট খারিজ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে দায়ের করা রিট খারিজ

ছবি: সংগৃহীত 
সংবিধানের ৭০ নম্বর অনুচ্ছেদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে দায়ের করা রিট খারিজ করে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। আর রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভেকেট ইউনুছ আলী আকন্দ।

এর আগে সোমবার (১৭ আগস্ট) বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি এ. এফ. এম. সাইফুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে আদেশের জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করেন।

গত বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) আইনজীবী মো. ইউনুস আলী আকন্দ নিজেই আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মামুন চৌধুরী এবং ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আখতার হোসেন মো. আব্দুল ওয়াহাব।

রিটে সংবিধানের ৭০ নম্বর অনুচ্ছেদের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক দলের মনোনয়নে নির্বাচিত সংসদ সদস্য দল থেকে পদত্যাগ করলে বা সংসদে দলের বিপক্ষে ভোট দিলে তার সংসদ সদস্য পদ শূন্য হয়ে যাবে। তবে এ কারণে তিনি ভবিষ্যতে সংসদ সদস্য নির্বাচনে অংশ নিতে অযোগ্য হবেন না।

রিটকারী আইনজীবীর দাবি, সংবিধানের ৭০ নম্বর অনুচ্ছেদের কারণে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে বা মত প্রকাশ করতে পারেন না। এতে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ও সংসদীয় স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হয়। এ কারণেই অনুচ্ছেদটির বৈধতা চ্যালেঞ্জের পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিতের আবেদন জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য ৬ আগস্ট তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তফসিল অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণের তারিখ ২০ আগস্ট।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: ঢাকা ট্রিবিউন

১২ বছর পর অপহরনকারীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

১২ বছর পর অপহরনকারীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ছবি: প্রতীকী 
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ২০১৪ সালে সাত বছর বয়সী এক শিশুকে অপহরণের দায়ে অভিযুক্ত আসামি মো. ইমাম হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাকে ১ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক মুন্সি মো. মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. এরশাদ আলম (জর্জ) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সাজাপ্রাপ্ত ইমাম হোসেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের চর মীরবাগ এলাকার বাসিন্দা।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ১২ অক্টোবর সকালে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের খেজুরবাগ এলাকায় নিজ বাসার সামনে খেলছিল সাত বছরের শিশু ইমু আক্তার। এ সময় আসামি ইমাম হোসেন তাকে নদীর পাড়ে মেলা দেখানোর লোভ দেখিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যান। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় শিশুটিকে উদ্ধার করা গেলেও আসামি পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।​ঘটনার দিনই ভুক্তভোগী শিশুর বাবা মো. ইব্রাহিম শেখ বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ঘটনা তদন্ত শেষে এবং ভুক্তভোগী শিশুর জবানবন্দি রেকর্ড করে ওই বছরের শেষ দিকেই আদালতে আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। আসামি শুরুতে পলাতক থাকলেও পরে গ্রেপ্তার হন।

​বিচারকালে রাষ্ট্রপক্ষ আসামির অপরাধ প্রমাণে মোট ৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে। আসামিপক্ষ থেকে তাকে নির্দোষ দাবি করা হলেও আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ বিচার-বিশ্লেষণ করে আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে এই রায় দেন।

আদালত রায়ে উল্লেখ করে, আসামির জরিমানা বাবদ আদায় করা ১ লাখ টাকা ভুক্তভোগী শিশু ও তার পরিবারকে প্রদান করতে হবে। ঢাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে আসামির স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করে এই অর্থ আদায়ের ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: কালের কণ্ঠ (১৮.০৮.২০২৬)

সাবেক সেনাপ্রধান আজিজকে ফেরাতে রেড নোটিশ জারির অনুরোধ জানিয়ে ইন্টারপোলকে চিঠি

সাবেক সেনাপ্রধান আজিজকে ফেরাতে রেড নোটিশ জারির অনুরোধ জানিয়ে ইন্টারপোলকে চিঠি

ছবি: সংগৃহীত 
২০১৩ সালে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে অভিযান ও হতার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সেনাপ্রধান ও তৎকালীন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মহাপরিচালক আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 

এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সোমবার পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এবং পুলিশের ইন্টারপোল ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরোর (এনসিবি) অতিরিক্ত আইজিকে চিঠি দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন বিভাগ। গতকাল সোমবার রাতে এ তথ্য জানা গেছে।

চিফ প্রসিকিউটর জানান, মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলায় প্রথম কোনো পলাতক আসামিকে ইন্টারপোলের মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ মধ্যপ্রাচ্য বা অন্য কোনো দেশে পালিয়ে গেছেন বলে আমরা জানতে পেরেছি। ইন্টারপোলের মাধ্যমে তাকে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে পারব বলে আমরা মনে করি।’

মামলাটিতে দেশের বাইরে অবস্থানরত অন্য পলাতক আসামিদের ক্ষেত্রেও পর্যায়ক্রমে একই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত চিঠিতে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থার (ইন্টারপোল) সংশ্লিষ্ট বিধি অনুযায়ী আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারির প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এ বিষয়ে অগ্রগতি জানাতে এবং প্রয়োজন হলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনকে অবহিত করতে বলা হয়েছে।

চিঠিটি বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শকের পাশাপাশি পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (এনসিবি), বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তরেও পাঠানো হয়েছে।

এর আগে গত ২৭ জুলাই রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে মামলার পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি এবং অন্য মামলায় গ্রেপ্তার আসামিদের ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ দেওয়া হয়।

শেখ হাসিনা ছাড়া মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীর, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু, সাবেক তথ্যমন্ত্রী ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ।

এ ছাড়া আসামিদের তালিকায় রয়েছেন তৎকালীন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, তৎকালীন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, তৎকালীন যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য সালাউদ্দিন মাহমুদ এবং গণজাগরণ মঞ্চের আহ্বায়ক ও মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকার।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: সমকাল (১৮.০৮.২০২৬)

মাদক মামলায় হেরোইন ব্যবসায়ীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

মাদক মামলায় হেরোইন ব্যবসায়ীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ছবি: প্রতীকী 
রাজধানীর কাফরুল থানাধীন এলাকায় কাজীপাড়া ওভারব্রিজের নিচে ২২৫ পুরিয়া হেরোইন উদ্ধারের ঘটনায় করা মামলায় মো. রব মিয়ার নামে এক মাদক ব্যবসায়ীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছে আদালত। 

সোমবার (১৭ আগস্ট) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মো. রহিবুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রায় ঘোষণার সময় আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. আব্দুর রশিদ মোল্লা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি কাফরুল থানার মিরপুর ১৪ নম্বর মোড়ে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, কাজীপাড়া ওভারব্রিজের নিচে সড়কে কয়েকজন মাদক বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।

রাত সোয়া ১১টার দিকে পুলিশ সেখানে গেলে উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় মো. রব মিয়াকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ২২৫ পুরিয়া হেরোইন উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য ছিল ৪০ হাজার টাকা।

এ ঘটনায় কাফরুল থানার সহকারী উপপরিদর্শক মো. আবু জাহিদ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। পরে একই থানার উপপরিদর্শক মো. বায়েজীদ মোস্তফা ২০১৬ সালের ৩১ মার্চ রব মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

ওই বছরের ৩ আগস্ট আদালত তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলার বিচার চলাকালে আটজন সাক্ষীর মধ্যে পাঁচজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: প্রথম আলো (১৭.০৮.২০২৬)

আদালতের অনুমতি ছাড়া দেশ ছাড়তে পারবেন না খায়রুল হক

আদালতের অনুমতি ছাড়া দেশ ছাড়তে পারবেন না খায়রুল হক

ছবি: সংগৃহীত 
আদালতের অনুমতি ছাড়া সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক দেশত্যাগ করতে পারবেন না বলে আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। সোমবার (১৭ আগস্ট) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এদিকে রাজধানীর বনানী থানায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় খায়রুল হকের জামিন বহাল রেখেছেন চেম্বার আদালত। এর ফলে অন্য কোনো মামলায় গ্রেপ্তার না থাকলে যেকোনো সময় তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পেতে পারেন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোতাহার হোসেন সাজু।

এর আগে একই মামলায় বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ খায়রুল হককে জামিন দিয়েছিলেন। সোমবার সেই জামিন বহাল রাখেন চেম্বার আদালত।

গত ২ জুলাই রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা খোয়াইব হত্যা মামলায় খায়রুল হকের জামিন বহাল রাখেন চেম্বার আদালত। পরে বনানী থানার মামলায় তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়।।

এর আগে গত ৩০ জুন যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা খোয়াইব হত্যা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে জামিন দেন হাইকোর্ট। গত ২৩ মে পৃথক সাত মামলায় জামিন পাওয়ার পর তাকে নতুন করে যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা খোয়াইব হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হকের আদালত এ আদেশ দেন।

এর আগে ১৬ মে ওই মামলায় খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক মো. ইব্রাহিম খলিল। খায়রুল হকের জামিন বহাল থাকলেও আদালতের অনুমতি ছাড়া দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আইনি প্রভাব তার মুক্তির পরও বহাল থাকবে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: ইত্তেফাক ডিজিটাল রিপোর্ট (১৭.০৮.২০২৬)

পদ্মা সেতুর পিলারের গোড়া থেকে মাটি সরানো কেন অবৈধ হবে না প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

পদ্মা সেতুর পিলারের গোড়া থেকে মাটি সরানো কেন অবৈধ হবে না প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

ছবি: সংগৃহীত 
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার আলীগঞ্জে পদ্মা রেলওয়ে সংযোগ সেতুর কয়েকটি পিলারের গোড়া থেকে মাটি সরানো কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে কেন সরানো মাটি রিস্টোর করা হবে না, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী শেখ মো. গোলাম কিবরিয়ার রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি রাজিক আল জলিলের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে সরকারের সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

এর আগে চলতি বছরের জুনে পদ্মা রেলওয়ে সংযোগ সেতুর কয়েকটি পিলারের নিচ থেকে খননযন্ত্র দিয়ে মাটি কাটার অভিযোগ উঠে।

তখন পদ্মা রেল সংযোগ প্রকল্পের কর্তৃপক্ষ জানায়, সেতু নির্মাণের সময় জলাধার ভরাট করে অস্থায়ীভাবে বালু ফেলে সড়ক তৈরি করা হয়েছিল। সেই মাটি সরিয়ে আগের জলাশয়ের পরিবেশ ফিরিয়ে আনতেই এই কাজ করা হচ্ছিল। এতে সেতুর নিরাপত্তার কোনো ঝুঁকি নেই।

অবশ্য পরে মাটি কাটার খবর পেয়ে ফতুল্লার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান নূর ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দেন।

এই ঘটনার পর বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালকের কার্যালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) আনিসুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মাটিকাটার স্থানটি রেলওয়ের অধিগ্রহণ করা জমি। ঠিকাদার প্রকল্পের আওতায় ভায়াডাক্ট নির্মাণের সময় একটি অস্থায়ী রাস্তা নির্মাণ করেছিলেন। ঠিকাদারের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, প্রকল্পের কাজ শেষে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় স্থানটিকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে হবে।

এতে আরও বলা হয়, প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ায় ভরাট করা সেই মাটি অপসারণ করে স্থানটি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়ার কাজ চলছে। বিষয়টি পদ্মা রেলসেতু সংযোগ প্রকল্পের পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ‘কনস্ট্রাকশন সুপারভিশন কনসালট্যান্ট বাংলাদেশ আর্মির’ মাধ্যমে তদারকি করা হচ্ছিল এবং নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসককে এ বিষয়ে জানানো হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

পুনর্গঠিত হলো দুদক, নতুন চেয়ারম্যান হলেন সাবেক বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান

পুনর্গঠিত হলো দুদক, নতুন চেয়ারম্যান হলেন সাবেক বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান

ছবি: সংগৃহীত 
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে চেয়ারম্যান করে সোমবার নতুন কমিশন গঠন করা হয়েছে। একই আদেশে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়াকে। সোমবার (১৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই নিয়োগ প্রদান করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন-২০০৪ অনুযায়ী তাদের এই নিয়োগ কার্যকর হয়েছে। আইন অনুযায়ী, দুদক চেয়ারম্যান সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের একজন বিচারকের সমান বেতন, ভাতা ও মর্যাদা পাবেন। দুই কমিশনার পাবেন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকের সমান সুযোগ-সুবিধা।

নতুন চেয়ারম্যান এ কে এম আসাদুজ্জামান সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি। কমিশনার ড. জাহাঙ্গীর আলম খান সরকারের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। অন্য কমিশনার ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া আর্থিক প্রতিবেদন কাউন্সিলের (এফআরসি) প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

অন্যদিকে, কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পাওয়া ড. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) একজন সাবেক কর কমিশনার। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে তিনি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের (এফআরসি) চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

উল্লখ্য, চলতি বছরের ৩ মার্চ তৎকালীন চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এবং দুই কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহ্সান ফরিদ পদত্যাগ করেন।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: প্রজ্ঞাপন (১৭.০৮.২০২৬)