২ জুল, ২০২৬

সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন বহাল, মুক্তিতে বাধা নেই

সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন বহাল, মুক্তিতে বাধা নেই

ছবি: সংগৃহীত 

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে যাত্রাবাড়ীতে খোবাইব নামে একজনকে হত্যার মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে হাইকোর্টের জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।

হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. রেজাউল হক নো অর্ডার আদেশ দেন। ফলে তার মুক্তিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু। এটা আগে গত ৩০ জুন জামিন দেন হাইকোর্ট। আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, মোতাহার হোসেন সাজু ও সাঈদ আহমেদ রাজা।

এ মামলায় ২১ জুন জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন বিচারিক আদালত। পরে তিনি হাইকোর্টে আবেদন করেন।মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সকালে যাত্রাবাড়ী এলাকায় আন্দোলন চলাকালে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের গুলিতে খোবাইব (২০) নিহত হন।

এ ঘটনায় তার ভাই জোবায়ের আহম্মেদ ২০২৪ সালের ১৬ নভেম্বর যাত্রাবাড়ী থানায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৮০ জনকে আসামি করে মামলা করেন।


বিডিএলপিবি/এমএম

আপিল বিভাগের রায়: ৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা নেই

আপিল বিভাগের রায়: ৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা নেই

ছবি: সংগৃহীত 

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায়ের মাধ্যমে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা প্রধান শিক্ষক নিয়োগের পথ অবশেষে উন্মুক্ত হয়েছে। আপিল বিভাগের রায় অনুযায়ী, ৩২ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে আর কোনো আইনি বাধা নেই। ফলে দীর্ঘদিন স্থগিত থাকা নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে সরকারের সামনে আর আইনি প্রতিবন্ধকতা থাকছে না। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) এ রায় দেন আপিল বিভাগ।

রায়ের পর রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, “আপিল বিভাগের এ রায়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে যে আইনি জটিলতা ছিল, তার অবসান হয়েছে। এখন ৩২ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের পথ উন্মুক্ত হলো।”

তিনি আরও বলেন, এই সিদ্ধান্ত প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বিদ্যালয়গুলোর প্রশাসনিক কার্যক্রমও আরও গতিশীল হবে। রায় সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে দুপুর ২টায় সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এর আগে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছিলেন, দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষকের দীর্ঘদিনের সংকট দূর করতে ৩২ হাজার ৫০০ জন প্রধান শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে পুরো প্রক্রিয়া দীর্ঘ সময় ধরে আটকে ছিল।

মামলার পটভূমিতে জানা যায়, ২০১৭ সালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের চাকরিকালের ৫০ শতাংশ গণনা করে গ্রেডেশন তালিকা প্রণয়ন, জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক ও আর্থিক সুবিধার দাবিতে হাইকোর্টে একটি রিট করা হয়। ওই রিটের শুনানি শেষে ২০১৯ সালের ১১ মার্চ হাইকোর্ট রুল আংশিক মঞ্জুর করেন। পরে সেই রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলের নিষ্পত্তি করে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) আপিল বিভাগ প্রধান শিক্ষক নিয়োগে থাকা আইনি জটিলতা দূর হওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট করেন।


বিডিএলপিবি/এমএম

প্রক্সিকাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টের অফিস সহকারী বরখাস্ত

প্রক্সিকাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টের অফিস সহকারী বরখাস্ত

ছবি: সংগৃহীত 

সুপ্রিম কোর্টে কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগ পরীক্ষায় অন্য ব্যক্তির হয়ে প্রক্সি দিয়ে অংশ নেওয়ার দায়ে দণ্ডিত হাইকোর্ট বিভাগের অফিস সহকারী মো. আলমগীর হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বুধবার (১ জুলাই) এ বিষয়ে এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মো. আলমগীর হোসেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে অফিস সহকারী হিসেবে কর্মরত। তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া শাহবাগ থানার সি.আর. মামলা নং-১৩৪০/২০২৬ (শাহবাগ)-এ গত ৫ জুন স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের সংক্ষিপ্ত বিচার আদালত তাকে ডিএমপি অধ্যাদেশ, ১৯৭৬-এর ৭৫ ধারা এবং দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪১৭ ধারায় ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, তিনি সুপ্রিম কোর্টে কাম-কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগ পরীক্ষায় প্রতারণার মাধ্যমে অন্য একজন প্রার্থীর হয়ে ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশ নেন। পরীক্ষা বোর্ডের সদস্যদের সন্দেহ হলে প্রবেশপত্র যাচাই করে দেখা যায়, সেটি তার নয়।জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। প্রাথমিক তদন্তে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে অসাধু উপায়ে সরকারি চাকরি পাওয়ার চেষ্টা করার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। এ সময় তিনি পরীক্ষা বোর্ডের সদস্যদের সঙ্গে অশোভন ভাষা ব্যবহার এবং অসংযত আচরণও করেন।

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের মতে, তার এ কর্মকাণ্ড সরকারি চাকরির শৃঙ্খলা পরিপন্থি, অসদাচরণের শামিল এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় তাকে তাৎক্ষণিকভাবে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

গরু জবাই নিষিদ্ধের রায় চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে থালাপতির সরকার

গরু জবাই নিষিদ্ধের রায় চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে থালাপতির সরকার

ছবি: সংগৃহীত 

ভারতের তামিলনাড়ুতে গরু জবাইয়ের ওপর মাদ্রাজ হাইকোর্টের জারি করা সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে দেশটির সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছে মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত মে মাসে ঈদুল আজহার সময় প্রকাশ্যে পশু কুরবানি বন্ধের দাবিতে দায়ের করা একটি জনস্বার্থ মামলার শুনানি শেষে মাদ্রাজ হাইকোর্ট রাজ্যজুড়ে গরু ও বাছুর জবাইয়ের ওপর তাৎক্ষণিক নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

রায়ে বিচারপতি জি. আর. স্বামীনাথন ও বিচারপতি ভি. লক্ষ্মীনারায়ণ ১৯৭৬ সালে জারি করা একটি সরকারি আদেশ কার্যকর করার নির্দেশ দেন। তাঁদের মতে, গরুর সংখ্যা বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নের স্বার্থে ওই আদেশ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।তবে হাইকোর্টের এই নির্দেশনার বিরোধিতা করেছে তামিলনাড়ু সরকার।

তাদের দাবি, রাজ্যে গরু জবাই-সংক্রান্ত বিদ্যমান আইনের সঙ্গে আদালতের নির্দেশ সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং এটি প্রচলিত আইনকে অতিক্রম করেছে।সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করা স্পেশাল লিভ পিটিশনে রাজ্য সরকার বলেছে, হাইকোর্টের নির্দেশ 'তামিলনাড়ু পশু সংরক্ষণ আইন, ১৯৫৮'-এর পরিপন্থি। ওই আইনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে, ১০ বছরের বেশি বয়সী এবং কর্মক্ষমতা বা প্রজননক্ষমতা হারানো গরু বা বাছুর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে জবাই করা যেতে পারে।

আবেদনে আরও বলা হয়েছে, বিদ্যমান আইনি কাঠামো উপেক্ষা করে গরু জবাইয়ের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপের মাধ্যমে হাইকোর্ট কার্যত রাজ্যের আইনসভার ক্ষমতায় হস্তক্ষেপ করেছে। সরকারের ভাষ্য, উচ্চ আদালত এ ক্ষেত্রে তার সাংবিধানিক এখতিয়ারের সীমা অতিক্রম করেছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

আদালত অবমাননার দায়ে নারী চিকিৎসকের ৬ মাসের কারাদণ্ড

আদালত অবমাননার দায়ে নারী চিকিৎসকের ৬ মাসের কারাদণ্ড

ছবি: সংগৃহীত 

জামালপুরে আদালত অবমাননা করায় সানজিদা ইসলাম নামের এক নারী চিকিৎসককে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুানাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই আদেশ দেন। ডা. সানজিদা ইসলাম জামালপুর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের সহকারী সার্জন (গাইনি) হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, একটি সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় ভুক্তভোগীর মেডিক্যাল পরীক্ষা করে আদালতে প্রতিবেদন দেন চিকিৎসক সানজিদা ইসলাম। পরে আদালত তাকে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য‌ হাসপাতালের সহকারী পরিচালকের মাধ্যমে ও ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপে আদেশ পাঠান এবং মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করেন। এরপরও তিনি নির্ধারিত দিনে আদালতে হাজির হননি।

পরে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও ১ জুলাই পুনর্নির্ধারিত তারিখেও কোনো কারণ না দেখিয়ে অনুপস্থিত থাকেন। এতে আদালত তাকে ২৫০ টাকা জরিমানা করেন এবং তাৎক্ষণিক পরিশোধের আদেশ দেন। এতে জরিমানা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত।

জামালপুর আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আইনজীবী ফজলুল হক জানান, সাক্ষ্য দিতে আদালতে হাজির না হওয়ায় চিকিৎসককে ২৫০ টাকা অর্থদণ্ড দেন আদালত। তবে নির্ধারিত অর্থদণ্ড পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় তাকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।



বিডিএলপিবি/এমএম

১০ জেলায় চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার নিয়োগ

১০ জেলায় চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার নিয়োগ

ছবি: সংগৃহীত 

সরকার গতকাল, ১ জুলাই, বাংলাদেশ বিচার বিভাগের ১০ জন সদস্যকে ১০টি জেলায় চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার হিসেবে পদায়ন করেছে। আইন ও বিচার বিভাগ থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে বাংলাদেশ বিচার বিভাগের নিম্নলিখিত সদস্যদের নিম্নোক্ত জেলা ও পদগুলোতে পদায়ন করা হয়েছে।”

যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ পদমর্যাদার এই ১০ জন কর্মকর্তার মধ্যে মনিকা খানকে কুমিল্লা, আহমেদ হুমায়ুন কবিরকে ফরিদপুর, মো. মুস্তাফিজুর রহমানকে সাতক্ষীরা, লায়লা মেহের বানুকে মৌলভীবাজার, মোস্ত. শবনম মুস্তারীকে রংপুর, ফারজানা হাসানাতকে ময়মনসিংহ, নাজমুন নাহারকে নোয়াখালী, এএসএম ইমরানকে রাঙ্গামাটি, আয়েশা বেগমকে সিলেট এবং সোলায়মান কবিরকে সুনামগঞ্জে প্রধান আইনি সহায়তা কর্মকর্তা হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএ

সাবেক আইজিপি বেনজীরের দুর্নীতির মামলায় আরও ৬ জনের সাক্ষ্য

সাবেক আইজিপি বেনজীরের দুর্নীতির মামলায় আরও ৬ জনের সাক্ষ্য

ছবি: সংগৃহীত 

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন আরও ছয়জন।

সাক্ষীরা হলেন- নারায়ণগঞ্জের জেলা রেজিস্ট্রার মো.আব্দুল হাফিজ, চাঁদপুর হাজীগঞ্জের সাব-রেজিস্ট্রার এস এম মোস্তাফিজুর রহমান, নওগাঁ মহাদেবপুরের সাব-রেজিস্টার মো. রফিকুল ইসলাম, ভোলা চরফ্যাশনের সাব- রেজিস্ট্রার কাওসার খান, বন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আব্দুস সালাম, বাড্ডার সাব-রেজিস্ট্রার জাহাঙ্গীর আলম।

আজ বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে তারা সাক্ষ্য দেন। এরপর আদালত মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ১৬ জুলাই দিন ধার্য করেছেন। মামলাটির ২৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ সমাপ্ত হয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দিলে বেনজীর আহমেদ ২০২৪ সালের ২৭ আগস্ট আইনজীবীর মাধ্যমে সম্পদের হিসাব দাখিল করেন। হিসাবে তিনি ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৫ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ৫ কোটি ৭৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৬৬ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য দেন।

তবে দুদক-এর তদন্তে বেনজীরের নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৬৮ হাজার ৯৮৭ টাকার স্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। অর্থাৎ তিনি ১ কোটি ৮৫ লাখ ৩১ হাজার ৬২২ টাকার স্থাবর সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন।

এছাড়া তার নামে ৮ কোটি ১৫ লাখ ৩১ হাজার ২৬৪ টাকার অস্থাবর সম্পদ থাকার প্রমাণ পেয়েছে দুদক, যা তার ঘোষণার তুলনায় ২ কোটি ৪০ লাখ ৪১ হাজার ২৯৮ টাকা বেশি।

দুদক-এর হিসাবে, বেনজীর আহমেদ ১১ কোটি ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৬ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন।

সম্পদ বিবরণীতে তথ্য গোপন, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ পাওয়ায় ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১-এ বেনজীরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন দুদক-এর উপ-পরিচালক হাফিজুল ইসলাম।

মামলাটি তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর বেনজীরের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন দুদক-এর উপ-পরিচালক হাফিজুল ইসলাম।

চার্জশিটে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা, এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা অনুযায়ী অভিযোগ আনা হয়েছে।

গত ৩ মে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন।


বিডিএলপিবি/এমএম