২ জুন, ২০২৬

রামিসা হত্যাঃ আদালতের বাইরে আসামির কথা বলা ও প্রচারে কড়া নির্দেশনা

রামিসা হত্যাঃ আদালতের বাইরে আসামির কথা বলা ও প্রচারে কড়া নির্দেশনা


ছবিঃ সংগৃহীত

আদালতের বাইরে পুলিশ হেফাজতে থাকাবস্থায় আসামির কথা বলা ও তা প্রচার না করতে নির্দেশনা দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

আরো দুই মামলায় ব্যারিস্টার সুমনের হাইকোর্টে জামিন আবেদন

আরো দুই মামলায় ব্যারিস্টার সুমনের হাইকোর্টে জামিন আবেদন

ছবিঃ সংগৃহীত 

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সহিংসতার ঘটনায় হবিগঞ্জে দায়ের করা দুই মামলায় হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। মঙ্গলবার (২ জুন) বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চে জামিন আবেদনগুলোর শুনানি হতে পারে।

এর আগে গত ১১ মে রাজধানীর মিরপুর থানায় করা মামলায় ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের জামিন বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে রুল নিষ্পত্তি করতে বলেন। আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এম লিটন আহমেদ।

 

বিডিএলপিবি/এমএম

সাক্ষ্য দিতে আদালতে এসে ন্যায়বিচার চাইলেন রামিসার বাবা

সাক্ষ্য দিতে আদালতে এসে ন্যায়বিচার চাইলেন রামিসার বাবা


ছবিঃ সংগৃহীত 

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় হওয়া মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নার সর্বোচ্চ শাস্তি ও ন্যায়বিচার দাবি করেছেন ভুক্তভোগীের বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।

মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল ৯টার দিকে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর আগে তিনি এ দাবি জানান।

এদিন আদালতে মামলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীরা সাক্ষ্য দেবেন। এদের মধ্যে রয়েছেন ম্যাজিস্ট্রেট, চিকিৎসক, আলামত সংগ্রহকারী কর্মকর্তা এবং স্থানীয় প্রতিবেশীরা।

এদিকে সকাল পৌনে নয়টায় মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানাকে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার কেরানীগঞ্জ থেকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়েছে। এসময় তাদেরকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়েছে।

এর আগে গতকাল সোমবার আদালত সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। একই দিন বিকেলে মামলার বাদীসহ ১৭ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করা হয়।

গত ২৪ মে ট্রাইব্যুনাল দুই আসামির বিরুদ্ধে দাখিল করা অভিযোগপত্র আমলে নেয়। এর আগে একই দিনে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান অভিযোগপত্র জমা দেন। পরে মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে মোট ১৭ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

মামলার সূত্রে জানা যায়, রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে রুমের ভেতরে নেয়। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। একপর্যায়ে আসামির রুমের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পর কোনও সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আসামির শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং মাথা রুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে দেখতে পান। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তারে সক্ষম হয় পুলিশ। এ ঘটনায় ২০ মে ভুক্তভোগীর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

শিশু রামিসা হত্যা মামলা: জানা গেল 'ডলারের' পরিচয়

শিশু রামিসা হত্যা মামলা: জানা গেল 'ডলারের' পরিচয়


ছবি: সংগৃহীত 

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলার ঘটনায় নতুন করে নাম আসা ‘ডলার’ নামের এক ব্যক্তিকে ঘিরে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে বারবার তার নাম বলেছেন। যদিও তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তদন্ত, সাক্ষ্য-প্রমাণ কিংবা ডিজিটাল তথ্য বিশ্লেষণে এ পর্যন্ত ডলার নামের ব্যক্তির সম্পৃক্ততার প্রমাণ মেলেনি।

বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, ডলারের বাড়ি পল্লবী এলাকায়। যে বাসায় শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যা করা হয়েছে, তার কয়েকটি বাড়ি পরেই থাকেন তিনি। স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য, ডলার পেশায় অটোরিকশাচালক ও মাদকাসক্ত। একই এলাকায় রিকশার গ্যারেজের মেকানিক হিসেবে কাজ করতো সোহেল রানা। সে সূত্রে তাদের মধ্যে পরিচয় ছিল।

ডলারের আর্থিক অবস্থা ভালো না হলেও তাদের পরিবারের অবস্থা ভালো। তাদের বাড়ি রয়েছে। নেশার খরচ জোগাতেই অটোরিকশা চালান। পাঁচ ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি ছোট।

ডলারের বড় ভাই সেলিম রায়হান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ভাই হিসেবে তিনি ডলারকে অস্বীকার করতে পারেন না। তবে গত ১৯ বছর ধরে পরিবারের কারও সঙ্গেই ডলারের সম্পর্ক নেই। বাড়ি ভাগাভাগির পর ভাইবোনেরা যে যার মতো বসবাস করছে। ডলার তার মতো থাকে, নেশা করে, এজন্য পরিবারের কেউ তাকে পাত্তা দেয় না।

তিনি বলেন, গণমাধ্যমে তিনিও দেখেছেন রামিসার খুনি সোহেল রানা ডলারের ওপর দায় চাপিয়েছে। এতবড় নৃশংসতায় ডলার ন্যূনতম সম্পৃক্ত থাকলে তারও ফাঁসি হোক, সেটা তারাও চান। কারণ এমন ঘটনায় যেই জড়িত হোক, সর্বোচ্চ বিচার হওয়া উচিত।

সোমবার মামলার আসামি সোহেল রানা আদালতে সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, 'রামিসাকে ধর্ষণ করেছে ডলার, মারছেও। আমি শুধু লাশ গুম করতে চেয়েছি। মেয়েটাকে এনে দিতে পারলে আমাকে দুই লাখ টাকা দেওয়ার কথা বলেছিল ডলার।'

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক ওহিদুজ্জামান ভূঁইয়া বলেছেন, 'তদন্ত চলাকালে ডলারের বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেলেও তার প্রমাণ মেলেনি। ডিজিটাল তদন্তেও তার উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগপত্রে তার নাম নেই।'

শিশু রামিসা আক্তারকে হত্যা মামলার আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে আজ মঙ্গলবার (২ জুন) সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে। সোমবার সকালে আদালতে হাজির করা হয় মামলার আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রীকে। 

ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের এজলাসে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। মামলার স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আজিজুর রহমান দুলু অভিযোগ গঠনের পক্ষে শুনানি করেন। এ সময় তিনি আদালতে রামিসা হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা তুলে ধরেন। 

প্রসঙ্গত, গত ১৯ মে পল্লবীর একটি বাসা থেকে শিশু রামিসার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় দেশজুড়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। পরদিন প্রধান আসামি সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন সোহেল রানা। অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন ম্যাজিস্ট্রেট।





সূত্র: ইত্তেফাক 

বিডিএলপিবি/এমএম


রামিসা হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু আজ

রামিসা হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু আজ


ছবি: সংগৃহীত 

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আজ মঙ্গলবার (২ জুন) সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে। মামলাটির অভিযোগ গঠন শুনানি শেষে আদালত সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য এদিন ধার্য করেন

দুই শিবির নেতাকে গুলি: আনিসুরসহ আট আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে ১৬ জুন

দুই শিবির নেতাকে গুলি: আনিসুরসহ আট আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে ১৬ জুন

ছবি: সংগৃহীত 

যশোরের চৌগাছায় গ্রেপ্তারের পর বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজিয়ে ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে গুলির ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তৎকালীন এসপি আনিসুর রহমানসহ আট আসামির বিরুদ্ধে সূচনা বক্তব্যসহ সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে আগামী ১৬ জুন দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

সোমবার (১ জুন) এ দিন ধার্য করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। এদিন মামলাটির সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) উপস্থাপন ও সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তা পিছিয়ে নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

এ মামলায় গ্রেপ্তার তিন আসামি হলেন- চৌগাছা থানার তৎকালীন এসআই আকিকুল ইসলাম, কনস্টেবল সাজ্জাদুর রহমান ও কনস্টেবল জহরুল হক। তাদের আজ সকালে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

পলাতকরা হলেন- তৎকালীন এসপি আনিসুর রহমান, চৌগাছা থানার তৎকালীন ওসি মশিউর রহমান, এসআই মোখলেছ, এসআই জামাল ও এসআই মাজেদুল।

এর আগে, ২০ এপ্রিল আট আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। অভিযোগ গঠনের সময় নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন গ্রেপ্তার আসামিরা। পরে সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট চৌগাছা উপজেলা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেন ও সাহিত্য সম্পাদক রুহুল আমিনকে একটি মিথ্যা মামলায় আটক করে পুলিশ। আদালতে হাজির না করে তাদের টানা দুই রাত নির্যাতন করা হয়। পরে বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজিয়ে অধীনস্থ পুলিশ সদস্যদের মাধ্যমে দুজনের পায়ে গুলি করানো হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর শিবিরের এই দুই নেতার ক্ষতস্থানে বালু ঢুকিয়ে গামছা দিয়ে বেঁধে মিথ্যা মামলায় চালান দেওয়া হয়। পরে অস্ত্র মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হয়। এছাড়া ভুক্তভোগীদের পায়ে বালু ঢোকানোর কারণে পচন ধরে। শেষ পর্যন্ত তাদের পা কেটে ফেলতে হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলা: তদন্ত শেষ হয়নি, সময় বাড়ল

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলা: তদন্ত শেষ হয়নি, সময় বাড়ল


ছবি: সংগৃহীত 

মেহেরপুরে শিবির নেতা তারিক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম হত্যার ঘটনায় হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক জনপ্রশাসনমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনসহ আসামিদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলে আরও দুই মাস সময় বাড়ানো হয়েছে। আগামী ৯ আগস্ট প্রতিবেদন দাখিলের নতুন তারিখ ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

সোমবার (১ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন না হওয়ায় প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে আরও দুই মাস সময়ের আবেদন করা হয়। পরে নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন আদালত।

এর আগে, গত বছরের ২৪ আগস্ট সাইফুল হত্যা মামলায় ফরহাদ হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।

তারিক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম মেহেরপুর জেলা শিবিরের সাবেক সভাপতি ছিলেন। ২০১৪ সালের ১৯ জানুয়ারি বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশন। এ ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম