৪ মে, ২০২৬

আন্তর্জাতিক বারের লিয়াজোঁ অফিসার হলেন ব্যারিস্টার সাকিব মাহবুব

আন্তর্জাতিক বারের লিয়াজোঁ অফিসার হলেন ব্যারিস্টার সাকিব মাহবুব


ছবিঃ সংগৃহীত
সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার সাকিব মাহবুব আন্তর্জাতিক বার অ্যাসোসিয়েশনের (আইবিএ) এশিয়া প্যাসিফিক রিজিওনাল ফোরামের (এফপিআরএফ) লিটিগেশন কমিটির লিয়াজোঁ অফিসার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। 

রোববার (০৩ মে) মাহবুব অ্যান্ড কোম্পানী থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় সাকিব মাহবুব, ২০২৬-২০২৭ মেয়াদের জন্য এ দায়িত্ব পালন করবেন। নতুন এ দায়িত্বে ব্যারিস্টার সাকিব মাহবুব এপিআরএফ এবং আইবিএর লিটিগেশন কমিটির মধ্যে সমন্বয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।

মামলাসংক্রান্ত বিষয়গুলোতে সহযোগিতা বৃদ্ধি, জ্ঞান বিনিময় এবং কৌশলগত সম্পৃক্ততা জোরদারে কাজ করবেন তিনি। এর আগে ২০২৪-২০২৬ মেয়াদে তিনি প্রফেশনাল ওয়েলবিয়িং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক বার অ্যাসোসিয়েশন বিশ্বব্যাপী আইনজীবী, বার অ্যাসোসিয়েশন ও ল সোসাইটিগুলোর অন্যতম প্রধান সংগঠন হিসেবে স্বীকৃত। বর্তমানে সংস্থাটির সদস্য সংখ্যা ৮০ হাজারেরও বেশি আইনজীবী এবং প্রায় ১৯০টি বার অ্যাসোসিয়েশন ও ল সোসাইটি, যা বিশ্বের ১৭০টিরও বেশি বিচারব্যবস্থাকে অন্তর্ভুক্ত করে। আইবিএ বিশ্বব্যাপী আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, আইন সংস্কার এবং আইনি পেশার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

এশিয়া প্যাসিফিক রিজিওনাল ফোরাম অঞ্চলটির মধ্যে আইবিএর প্রধান সমন্বয়কারী সংস্থা হিসেবে কাজ করে। এটি এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের আইনজীবীদের মধ্যে পেশাগত সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং গুরুত্বপূর্ণ আইনি উন্নয়নগুলো নিয়ে কাজ করে।

সাকিব মাহবুবের এ নিয়োগ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার ক্রমবর্ধমান সম্পৃক্ততার প্রতিফলন এবং বৈশ্বিক আইনি প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশের শক্তিশালী উপস্থিতির ইঙ্গিত বহন করে। ব্যারিস্টার সাকিব মাহবুবের বাবা ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন এমপি সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, নবগঠিত নির্বাহী কমিটির যৌথ নেতৃত্বে রয়েছেন অ্যালেন অ্যান্ড গ্লেডহিল (সিঙ্গাপুর)-এর ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড আরবিট্রেশন প্র্যাকটিসের কো-হেড দিনেশ ধিলন এবং দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলভিত্তিক ইউলচন ফার্মের পার্টনার সান হি কিম। তাদের নেতৃত্বে ফোরামটি পেশাগত উৎকর্ষতা ও আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও জোরদার করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ট্রাফিক আইন ভাঙলে অটো নোটিশ, হাজিরা না দিলে পরোয়ানা

ট্রাফিক আইন ভাঙলে অটো নোটিশ, হাজিরা না দিলে পরোয়ানা


ছবিঃ সংগৃহীত

রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনা সিসি ক্যামেরায় শনাক্ত করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নোটিশ পাঠানো শুরু করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। ভিডিও ফুটেজ ও স্থিরচিত্রের ভিত্তিতে এই অটো জেনারেটেড নোটিশ পাঠানো হচ্ছে। রোববার (৩ মে) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশর ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যানজট নিরসন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং উন্নত নাগরিক সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন রুটে চলাচলরত রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অবৈধ পার্কিং এবং প্রতিবন্ধকতা তৈরিকারী ট্রাফিক আইন অমান্যকারী মালিক ও চালকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে ভিডিও ও স্থিরচিত্র ধারণ করে ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন সফটওয়্যারের মাধ্যমে মালিক ও চালকদের ঠিকানায় অটো জেনারেটেড নোটিশ রেজিস্ট্রি ডাকযোগে পাঠানো হচ্ছে। ওই নোটিশ পাওয়ার পর মালিক ও চালকরা ডিএমপি সদর দপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগে হাজির হয়ে সড়ক পরিবহন আইনে নির্ধারিত জরিমানা ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পরিশোধ করে মামলা নিষ্পত্তি করছেন। 

এতে বলা হয়, নোটিশ পাওয়ার পরেও সংশ্লিষ্ট মালিক বা চালকরা ট্রাফিক বিভাগে হাজির না হলে তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া (সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের মাধ্যমে বাস্তবায়নের কার্যক্রম সম্প্রতি গ্রহণ করা হয়েছে। এ প্রক্রিয়ার বাইরে সিসি ক্যামেরা বা ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে মামলার জরিমানা পরিশোধ সংক্রান্ত কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন কিংবা ব্যক্তিগত তথ্য আদান-প্রদান থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে পরামর্শ দেওয়া হলো। কোনো ব্যক্তি বা অসাধু চক্র ভিডিও বা সিসি ক্যামেরার মামলার নাম ব্যবহার করে অর্থ পরিশোধের বার্তা দিলে বা প্রতারণার চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ থানা অথবা সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

গণবিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ডিএমপি সম্প্রতি বিভিন্ন ট্রাফিক সিগন্যাল ক্রসিংহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এআই প্রযুক্তিসহ উন্নত সিসি ক্যামেরা স্থাপন করেছে। এসব ক্যামেরার ফুটেজের মাধ্যমে বিভিন্ন সিগন্যাল বা ক্রসিংয়ে লাল বাতির সিগন্যাল অমান্য করা, স্টপ লাইন অতিক্রম, উল্টো পথে চলাচল, যত্রতত্র যাত্রী উঠিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, অবৈধ পার্কিং এবং লেফট লেন ব্লক করার মতো অপরাধে ডিজিটাল প্রসিকিউশন বা মামলা শুরু হয়েছে। 

বর্ষসেরা আরবিট্রেশন আইনজীবী ব্যারিস্টার জুনায়েদ চৌধুরী

বর্ষসেরা আরবিট্রেশন আইনজীবী ব্যারিস্টার জুনায়েদ চৌধুরী


ছবিঃ সংগৃহীত

সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক ভারটেক্স আইকনের ম্যানেজিং পার্টনার ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার জুনায়েদ চৌধুরী বর্ষসেরা আরবিট্রেশন আইনজীবী হিসেবে পুরস্কার পেয়েছেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের সার্বিক কাজ অনুসন্ধানে কমিশন গঠন চেয়ে রিট

অন্তর্বর্তী সরকারের সার্বিক কাজ অনুসন্ধানে কমিশন গঠন চেয়ে রিট


ছবিঃ সংগৃহীত

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের সার্বিক কর্মকাণ্ডের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে একটি রিট দায়ের করা হয়েছে। এই সরকারের সময়ে গৃহীত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত, আইন প্রণয়ন, সংস্কার কমিশন গঠন এবং দেশি-বিদেশি চুক্তির বৈধতাও রিটে চ্যালেঞ্জ করা হয়।

কুকি-চিনের মামলায় জামিন জালিয়াতি: বেঞ্চ অফিসার বরখাস্ত

কুকি-চিনের মামলায় জামিন জালিয়াতি: বেঞ্চ অফিসার বরখাস্ত


ছবিঃ সংগৃহীত

সশস্ত্র সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) জন্য তৈরি ২০ হাজার পোশাক জব্দের মামলার প্রধান আসামি সাহেদুল ইসলামের জামিন জালিয়াতির ঘটনায় হাইকোর্টের এক বেঞ্চ অফিসারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে যে, সাময়িক বরখাস্ত হওয়া ওই কর্মকর্তার নাম জাকির হোসেন। তাকে বরখাস্তের পাশাপাশি কেন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা জানতে চেয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।

এর আগে ২৯ এপ্রিল এই ভয়াবহ জালিয়াতির তথ্য প্রধান বিচারপতির নজরে আনেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল। বিষয়টি শোনার পর প্রধান বিচারপতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং পুরো ঘটনা তদন্তে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনকে ৪৮ ঘণ্টার সময় বেঁধে দেন। সেই তদন্তের প্রাথমিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রায় সাত মাস আগে চট্টগ্রামের ‘রিংভো অ্যাপারেলস’-এর মালিক সাহেদুল ইসলাম হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করেন। ২০২৫ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি আব্দুল্লাহ ইউসুফ সুমনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে আবেদনটি শুনানির জন্য আসে।

শুনানির সময় সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি মামলার এজাহার ও তথ্য উপস্থাপন করে আদালতকে বিভ্রান্ত করা হয়, যেখানে ‘কুকি-চিন’ সংশ্লিষ্ট কোনো অভিযোগ ছিল না। আদালতের সরল বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে জামিন পাওয়ার পর মূল জালিয়াতিটি করা হয় লিখিত আদেশে। আদেশের প্রথম পৃষ্ঠায় থাকা মামলার তথ্য, থানার নাম ও অভিযোগের ধারা পরিবর্তন করে সেখানে কুকি-চিনের পোশাক জব্দের মামলার নম্বর ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ধারা বসানো হয়। এই ভুয়া আদেশ দাখিলের মাধ্যমেই কারা কর্তৃপক্ষ থেকে মুক্তি পান সাহেদুল।

ঘটনাটি সম্প্রতি প্রকাশ পায় যখন একই মামলার আরেক আসামি উচ্চ আদালতে জামিন চাইতে গিয়ে পূর্বের এই ভুয়া জামিন আদেশকে নজির হিসেবে উপস্থাপন করেন। তখনই নথিতে বড় ধরনের অসঙ্গতি ধরা পড়ে।

২০২৫ সালের ১৭ মে চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামি এলাকায় ‘রিংভো অ্যাপারেলস’-এর গুদাম থেকে কেএনএফ-এর জন্য তৈরি ২০ হাজার ৩০০টি পোশাক জব্দ করা হয়। গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, প্রায় দুই কোটি টাকার বিনিময়ে এসব পোশাকের ক্রয়াদেশ দেওয়া হয়েছিল। এ ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হলে সাহেদুল ইসলামসহ গোলাম আজম (৪১) ও নিয়াজ হায়দারকে (৩৯) আসামি করা হয়।

আদালত প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হাইকোর্ট বিভাগের কোনো বেঞ্চ কর্মকর্তা বা ফৌজদারি শাখার কর্মচারীর যোগসাজশ ছাড়া এত বড় জালিয়াতি সম্ভব নয়। তাই এই চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য কর্মচারীদের চিহ্নিত করতে তদন্তের পরিধি আরও বাড়ানো হয়েছে।

পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে উঠে এল স্বর্ণময়ীর মৃত্যুর নেপথ্যের কারণ

পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে উঠে এল স্বর্ণময়ীর মৃত্যুর নেপথ্যের কারণ

ছবিঃ সংগৃহীত

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের সোবহানবাগ এলাকায় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘ঢাকা স্ট্রিম’-এর গ্রাফিক্স ডিজাইনার স্বর্ণময়ী বিশ্বাসের (২৮) মৃত্যু পারিবারিক অভিমান ও দীর্ঘদিনের মানসিক হতাশার ফল বলে জানিয়েছে পুলিশ। দীর্ঘ তদন্ত শেষে জমা দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। 

শপথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপি

শপথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপি


ছবি: সংগৃহীত 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নবনির্বাচিত ৪৯ জন সংসদ সদস্য শপথ গ্রহণ করেছেন। রোববার ( ৩ মে ) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করান।