৩ মে, ২০২৬

পদত্যাগ করেছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রেজাউল করিম

পদত্যাগ করেছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রেজাউল করিম

 

ছবিঃ সংগৃহীত 

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম রেজাউল করিম খন্দকার পদত্যাগ করেছেন। রোববার (৩ মে) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তার কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেন। পরে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় তার পদত্যাগপত্রটি সলিসিটর কার্যালয়ে পাঠায়। জানা গেছে, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির এবারের নির্বাচনে সম্পাদক পদে প্রার্থী হিসেবে প্রতিযোগিতার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রেজাউল করিম।

সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপির শপথ আজ

সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপির শপথ আজ


ছবিঃ সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা আজ শপথ নেবেন। রোববার (৩ মে) রাত ৯টায় সংসদ ভবনের পূর্ব ব্লকের লেভেল-১ এ অবস্থিত শপথকক্ষে তাদের শপথবাক্য পাঠ করানো হবে। এর আগে গত ৩০ এপ্রিল নির্বাচন কমিশন (ইসি) গেজেট প্রকাশ করে জানায়, সংরক্ষিত নারী আসনে মোট ৪৯ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

গেজেট অনুযায়ী, আসন বণ্টনের ভিত্তিতে ক্ষমতাসীন বিএনপি ও তাদের জোট থেকে ৩৬ জন, জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোট থেকে ১২ জন এবং স্বতন্ত্র হিসেবে ১ জন নারী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

বিএনপি জোট থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা হলেন সেলিমা রহমান, শিরীন সুলতানা, রাশেদা বেগম হীরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আরলী, ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, সাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলোফার চৌধুরী মনি, নিপুন রায় চৌধুরী, জিবা আমিনা খান, মাহমুদা হাবীবা, মোসা. সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিনজ, সুবর্ণা সিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, মোসাম্মৎ শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বীথিকা বিনতে হোসাইন, সুরাইয়া জেরিন, মানসুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলো, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, নাদিয়া পাঠান পাপন, শওকত আরা আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা ও রেজেকা সুলতানা।

জামায়াত জোট থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা হলেন নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, মারজিয়া বেগম, সাবিকুন্নাহার, নাজমুন নাহার, মাহফুজা হান্নান, সাজেদা সামাদ, শামছুন্নাহার বেগম, মারদিয়া মমতাজ, রোকেয়া বেগম, মাহমুদা আলম মিতু, তাসমিয়া প্রধান ও মাহবুবা হাকিম। এ ছাড়া স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচিত হয়েছেন সুলতানা জেসমিন। অন্যদিকে, একই আসনে জামায়াত জোটের প্রার্থী ও এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশন বৈধ ঘোষণা করেছে।

ভৈরবে ৭ মাসের শিশু সন্তানকে হত্যার ঘটনায় বাবা গ্রেপ্তার

ভৈরবে ৭ মাসের শিশু সন্তানকে হত্যার ঘটনায় বাবা গ্রেপ্তার

ছবিঃ সংগৃহীত 

কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের মানিকদী এলাকায় মাত্র সাত মাস বয়সী শিশু মোজাহিদ হত্যার ঘটনায় ১৬ দিন পর প্রধান আসামি ও শিশুটির বাবা মেরাজ মিয়াকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

উইলস লিটলে বিচারপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ দেখার ভার সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের: আইনমন্ত্রী

উইলস লিটলে বিচারপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ দেখার ভার সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের: আইনমন্ত্রী


ছবিঃ সংগৃহীত

রাজধানীর উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজে ঘটে যাওয়া ঘটনায় এক বিচারপতির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ‘এ ধরনের অভিযোগ তদন্তের বিষয়টি সরকারের নয়, এটি দেখার ভার সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের।’ শনিবার ঢাকার মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

উইলস লিটল ফ্লাওয়ার্স স্কুলের একটি ঘটনা আলোচনায় এসেছে। সেখানে একজন বিচারপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। এই বিষয়ে সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত বা পদক্ষেপ আছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘বিষয়টি আইন মন্ত্রণালয়ের না। কারণ এটা সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারপতির বিষয়ে যদি মিসকন্ডাক্টের অভিযোগ আসে, সেটা সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল দেখবে।’ ‘আইন মন্ত্রণালয় বা সরকারের কোনোরকম কর্তব্য, দায়িত্ব, সম্পৃক্ততা নেই-’ উল্লেখ করেন তিনি।

১৬ এপ্রিল রাজধানীর উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের শ্রেণিকক্ষে এক শিক্ষকের সঙ্গে এক শিক্ষার্থীর ‘অপ্রীতিকর’ ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে একে কেন্দ্র করে প্রতিষ্ঠানের ভেতরে অসন্তোষ তৈরি হয়। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, শ্রেণিকক্ষের ওই ঘটনার পর মাধ্যমিক শাখার ওই শিক্ষককে এক বিচারপতি অভিভাবকের বাসভবনে ডেকে নিয়ে অপমান করা হয়েছে। এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছে। একইসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের মাধ্যমে প্রধান বিচারপতির কাছে স্মারকলিপি দেয়া হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের স্টোর রুমে আগুনের ঘটনায় জড়িত ৩ জন গ্রেফতার

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের স্টোর রুমে আগুনের ঘটনায় জড়িত ৩ জন গ্রেফতার

ছবিঃ সংগৃহীত

রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের স্টোর রুমে আগুন লাগানোর ঘটনায় জড়িত ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে মিরপুর মডেল থানা পুলিশ। ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ তথ্য জানানো হয়। 

এতে বলা হয়, গ্রেফতারকৃতরা হলো-মো. আসমাউল ইসলাম (৩০), মো. জিন্নাত আলী বিশ্বাস (৫৫) ও মো. হুমায়ুন কবির খান (৫৯)। মিরপুর মডেল থানার উদ্ধৃতি দিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুক্রবার দিবাগত রাত ২টা থেকে সাড়ে ৪টার মধ্যবর্তী সময়ে শিক্ষা অধিদপ্তরের দ্বিতীয় তলার স্টোর রুমে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা আগুন ধরিয়ে দেয়। 

এ ঘটনায় ৭৩৫ টি ল্যাপটপের মধ্যে ৩৩টির আংশিক, ২৯টি অধিক মাত্রায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এছাড়া ১৪০টি ল্যাপটপ সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। বাকী ৮৩ টি ল্যাপটপ পাওয়া যায়নি। এঘটনায় মিরপুর মডেল থানার একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মিরপুর মডেল থানা পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার সাথে জড়িত শিক্ষা অধিদপ্তরে কর্মরত পরিচ্ছন্নকর্মী (মাস্টার রোল) আসামি মো. আসমাউল ইসলামকে মিরপুর-২ নম্বর এলাকা হতে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামি মো. আসমাউল ইসলাম প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত থেকে নিজে ওই ভবনের স্টোর রুমে আগুন লাগানোর কথা স্বীকার করে। 

গ্রেফতারকৃত আসামির স্বীকারোক্তি ও প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণের পর মিরপুর মডেল থানা পুলিশ একই দিন মিরপুর শিক্ষা অধিদপ্তরে অভিযান চালিয়ে মামলার ঘটনার সাথে জড়িত আসামি মো. জিন্নাত আলী বিশ্বাস (৫৫) ও মো. হুমায়ুন কবির খানকে (৫৯) গ্রেফতার করে। 

মামলাজট কমাতে মধ্যস্থতা কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে: আইনমন্ত্রী

মামলাজট কমাতে মধ্যস্থতা কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে: আইনমন্ত্রী

ছবিঃ সংগৃহীত

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, দেশের আদালতগুলোতে মামলাজট কমাতে সরকার প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মাধ্যমে মধ্যস্থতা (মিডিয়েশন) কার্যক্রম জোরদারের উদ্যোগ নিয়েছে। এতে নতুন মামলা করার প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে কমবে।

শনিবার (২ মে) ‘ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমে প্রক্রিয়াগত প্রতিবন্ধকতা’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টার অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠানটি হয়।

আইনমন্ত্রী বিচারকদের উদ্দেশে বলেন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় জুডিসিয়াল অ্যাকটিভিজম (বিচারিক সক্রিয়তা) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি আইনজীবীদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে নিয়মিত প্রশিক্ষণের ওপরও গুরুত্ব দেন মন্ত্রী। সেই সঙ্গে মামলা দীর্ঘায়িত করার প্রবণতা রোধে বিচারকদের আরও সক্রিয় হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আইন প্রণয়ন ও সংশোধনের ক্ষেত্রে দেশের সামাজিক বাস্তবতা বিবেচনা করা জরুরি। শুধু আবেগের বশবর্তী হয়ে নয়, গবেষণা ও বাস্তব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই কার্যকর আইন প্রণয়ন করা সম্ভব।

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বিচারকদের আইনসম্মত সিদ্ধান্ত নিতে সরকার পুরোপুরি সহায়তা ও প্রয়োজনীয় সুরক্ষা দেবে। অতীতে সৎ বিচারকদের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক চাপ সৃষ্টির উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে এ ধরনের প্রবণতা প্রতিহত করতে হবে।

তিনি বিচারব্যবস্থায় বিদ্যমান আমলাতান্ত্রিক জটিলতার বিষয় তুলে ধরে বলেন, ছোট ছোট প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতার কারণেই অনেক সময় বিচারকরা দ্রুত বিচারকাজ সম্পন্ন করতে পারেন না। এসব সমস্যা সমাধানে বিচারকদের ক্ষমতায়ন এবং প্রশাসনিক সংস্কার করা প্রয়োজন।

মন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে ৪০ লাখের বেশি মামলা বিচারাধীন, যার মধ্যে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের অধীন প্রায় তিন লাখ মামলা রয়েছে। বিচারকের সংখ্যা সীমিত হওয়ায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। 

তিনি বলেন, সবার জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বিচার বিভাগের সক্ষমতা আরও বাড়ানো জরুরি। এ লক্ষ্যে বিচার বিভাগের জন্য বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধির ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহের সভাপতিত্বে সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মঞ্জুরুল হোসেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ উম্মে কুলসুম। অনুষ্ঠানে বিচার বিভাগের কর্মকর্তা, আইনজীবী, বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অধস্তন আদালত মনিটরিংয়ে পুনর্গঠিত কমিটিতে হাইকোর্টের ১৩ বিচারপতি

অধস্তন আদালত মনিটরিংয়ে পুনর্গঠিত কমিটিতে হাইকোর্টের ১৩ বিচারপতি

ছবিঃ সংগৃহীত

আট বিভাগের অধস্তন আদালত মনিটরিংয়ের জন্য গঠন করা কমিটি পুর্নগঠন করেছেন প্রধান বিচারপতি। সম্প্রতি এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি দেশের আটটি বিভাগের জন্য পৃথক পৃথক ১৩টি ‘মনিটরিং কমিটি ফর সাবর্ডিনেট কোর্টস’ গঠন করে হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারপতিকে উল্লেখিত জেলাগুলোর দায়িত্ব দিয়েছেন।

একই সঙ্গে সাচিবিক সহায়তার জন্য বিচার বিভাগীয় ১৩ কমর্কর্তাকেও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন- বরিশাল বিভাগে বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন, রাজশাহী-২ বিভাগে (বগুড়া, জয়পুরহাট, পাবনা, সিরাজগঞ্জ) বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি, ঢাকা-১ বিভাগে (ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নরসিংদী, টাঙ্গাইল) বিচারপতি জে বি এম হাসান, খুলনা-১ বিভাগে (খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, যশোর, নড়াইল) বিচারপতি মো. মুজিবুর রহমান মিয়া, খুলনা-২ বিভাগে (কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা) বিচারপতি মো. জাফর আহমেদ, ময়মনসিংহ বিভাগে (ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর, নেত্রকোনা) বিচারপতি রাজিক আল জলিল, ঢাকা-২ বিভাগে (কিশোরগঞ্জ, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুর, মাদারীপুর) বিচারপতি ফাতেমা নজীবকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া চট্টগ্রাম-১ বিভাগে (চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি) বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান, রংপুর-১ বিভাগে (রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট) বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার, চট্টগ্রাম-২ বিভাগে (নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর) বিচারপতি আহমেদ সোহেল, রাজশাহী-১ বিভাগে (রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর) বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীর, রংপুর-২ বিভাগে (দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী) বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলম এবং সিলেট বিভাগে (সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ) বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহ দায়িত্ব পেয়েছেন।

এর আগে ২০২২ সালের ২৭ জানুয়ারি ৮ বিভাগ মনিটরিংয়ের জন্য ৮ জন বিচারপতিকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি। পরবর্তী সময়ে সেটি বাড়িয়ে ২০২৩ সালের অক্টোবরে ১৩ জনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। গত বছরের এপ্রিলে সেটি পুর্নগঠন করা হয়।