অন্যান্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অন্যান্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

৭ জুন, ২০২৬

মিঠুন সাহাকে বার কাউন্সিলের কারণ দর্শানোর নোটিশ

মিঠুন সাহাকে বার কাউন্সিলের কারণ দর্শানোর নোটিশ

ফাইল ছবি

কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিঠুন সাহা'কে। পেশাগত আচরণ ও কর্মকাণ্ড বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে তাকে এই নোটিশ দিয়েছে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বার কাউন্সিল সাধারণত আইন পেশার শৃঙ্খলা, নৈতিকতা এবং পেশাগত মান বজায় রাখার স্বার্থে এ ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকে। এ ঘটনায় আইন অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, বিষয়টির যথাযথ ব্যাখ্যা প্রয়োজন।

সম্প্রতি বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনার মধ্যে ব্যতিক্রমী এক ঘোষণা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় আসেন অ্যাডভোকেট মিঠুন সাহা। আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দলের সমর্থক হিসেবে পরিচিত এই আইনজীবী জানান, বিশ্বকাপ চলাকালীন তার চেম্বারে আর্জেন্টিনার জার্সি পরে আসা ক্লায়েন্টদের জন্য থাকবে বিশেষ সুবিধা। গত শুক্রবার (৫ জুন) ভোরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, ফুটবল বিশ্বকাপের আনন্দ আরও উপভোগ্য করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তার এই ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। কেউ কেউ এটিকে বিশ্বকাপ উন্মাদনার মজার প্রকাশ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ কেউ আইনসেবার ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ বলেও মন্তব্য করেছেন। এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট মিঠুন সাহা বলেন, আইন পেশা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক ও আন্তরিকতার জায়গাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বকাপ ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের যে উচ্ছ্বাস তৈরি হয়েছে, তার সঙ্গে যুক্ত হতে চেয়েছেন তিনি। তিনি আরও বলেন, খেলাধুলা মানুষকে একত্রিত করে এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করে। তার এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য শুধু বিশ্বকাপের আনন্দ ভাগ করে নেওয়া।



বিডিএলপিবি/এমএম

৬ জুন, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোনের তার চুরি, আউটসোর্সিং কর্মী গ্রেপ্তার

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোনের তার চুরি, আউটসোর্সিং কর্মী গ্রেপ্তার

ছবিঃ সংগৃহীত 

বাংলাদেশ সচিবালয়ে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের রেড টেলিফোন সংযোগের তামার তার চুরির ঘটনায় চোরাই মাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনায় সচিবালয়ের এক আউটসোর্সিং কর্মী এক ভাঙারি ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের রেড টেলিফোন সংযোগের তার চুরির ঘটনায় রঞ্জন চন্দ্র (২৫) ও রেজাকুল ইসলাম (৩২) নামে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে সিটিটিসি। বিকেলে সিটিটিসির একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

সিটিটিসি জানায়, সম্প্রতি সচিবালয়ে রেড টেলিফোন সংযোগের তার চুরির ঘটনা প্রকাশ্যে এলে তা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পরে বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।

ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় সিটিটিসির সিটি ইন্টেলিজেন্স অ্যানালাইসিস বিভাগ তদন্ত শুরু করে। তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সচিবালয়ের আউটসোর্সিং কর্মী রঞ্জন চন্দ্রকে বৃহস্পতিবার দুপুরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে রঞ্জন স্বীকার করেন, গত ২২ মে সচিবালয়ের ৩ নম্বর ভবন থেকে তিনি তারগুলো চুরি করেন। পরে ১ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একুশে হলের সামনে একটি ভাঙারি দোকানে প্রতি কেজি ৬০০ টাকা দরে মোট ৮ কেজি ২০০ গ্রাম তামার তার বিক্রি করেন।

তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ভাঙারি ব্যবসায়ী রেজাকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেখানো মতে রাজধানীর হোসেনী দালান রোডের একটি গুদাম থেকে চুরি হওয়া তামার তার উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক তদন্তে সিটিটিসির ধারণা, সচিবালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংযোগের তার চুরির সঙ্গে একটি সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত থাকতে পারে। এ চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

এ বিষয়ে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ বলেন, 'আমরা দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছি এবং ৮ কেজি চুরি হওয়া তার উদ্ধার করেছি। তার বিক্রির সঙ্গে জড়িত ভাঙারি দোকানের মালিককেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।' 

 

৫ জুন, ২০২৬

ইকরার রহস্যজনক মৃত্যু: জামিন পেলেন জাহের আলভীর মা

ইকরার রহস্যজনক মৃত্যু: জামিন পেলেন জাহের আলভীর মা


ছবি: সংগৃহীত 

স্ত্রী আফরা ইভনাথ ইকরার রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দায়ের করা আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন অভিনেতা জাহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা শিউলি। আদালত তাকে আগামী ২৪ জুন পর্যন্ত জামিন দিয়েছেন।

৪ জুন, ২০২৬

কারামুক্ত আইভী লড়বেন আগামী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে

কারামুক্ত আইভী লড়বেন আগামী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে

ছবি: সংগৃহীত 

প্রায় ১৩ মাস কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেত্রী সেলিনা হায়াৎ আইভী।

বুধবার (০৩ জুন) রাত ১০টার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। মুক্তির পর তার আইনজীবী জানিয়েছেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের পরবর্তী নির্বাচনে অংশ নেবেন সাবেক এ মেয়র।

কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার শিরিন আক্তার বলেন, ‘বুধবার রাত ১০ টা ৮ মিনিটে সেলিনা হায়াৎ আইভী কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। এদিন সন্ধ্যায় আসা আইভীর জামিনের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। পরে তিনি তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কারাগার ত্যাগ করেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ১২টি মামলা রয়েছে। সব মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিন পাওয়ার পর তা আপিল বিভাগেও বহাল রাখা হয়।’

কারা অধিদপ্তরের সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (এ আইজি) জান্নাত উল ফরহাদ বলেন, বুধবার হাইকোর্টের ক্রিমিনাল মিস নং-১৩৪১২/২৬ এবং নারায়ণগঞ্জের চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের স্মারক নং-৭৭৩ অনুযায়ী জামিনের আদেশ কারা কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছায়। এছাড়া নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারের স্মারক নং-১৪৫৭ অনুযায়ী নারায়ণগঞ্জের ৯টি মামলায় সেলিনা হায়াৎ আইভীর জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। তার বিরুদ্ধে অন্য কোনো আটকাদেশ না থাকায় বুধবার রাতে তিনি মুক্তি পেয়েছেন।

কারা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ৯ মে সেলিনা হায়াৎ আইভীকে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগের নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তারের পর গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম

মিরপুরে বৃদ্ধা মৃ'ত্যুর ঘটনায় চার সন্তানের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ

মিরপুরে বৃদ্ধা মৃ'ত্যুর ঘটনায় চার সন্তানের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ

ছবি: সংগৃহীত 

রাজধানীর মিরপুরে ফ্ল্যাটে মৃত অবস্থায় পাওয়া বৃদ্ধা নুরুজাহান বেগমের মৃত্যুর ঘটনায় তার চার সন্তানের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন (রাখি) বুধবার (৩ জুন) এ নোটিশ প্রেরণ করেন বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।

কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন সেলিনা হায়াৎ আইভী

কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন সেলিনা হায়াৎ আইভী


ছবি: সংগৃহীত 

গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন নারায়ণগঞ্জের সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেত্রী সেলিনা হায়াৎ আইভী। বুধবার (৩ জুন) রাত ১০টা ১০ মিনিটে তিনি কাশিমপুর কারাগার থেকে বের হন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার শিরিন আক্তার।

কারা সূত্রে জানা যায়, আদালত থেকে আগেই সেলিনা হায়াৎ আইভীর জামিন মঞ্জুর হয়েছিল। বুধবার রাতে কারাগারে জামিনের কাগজপত্র পৌঁছায়। পরে কারা কর্তৃপক্ষ কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে তাকে মুক্তি দেয়।
জেলার শিরিন আক্তার বলেন, বুধবার রাত ১০টা ১০ মিনিটে সেলিনা হায়াৎ আইভী কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। আমাদের হাতে জামিনের কাগজ পৌঁছার পর তা যাচাই-বাছাই করে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৯ মে ভোরে নারায়ণগঞ্জ শহরের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।  তার বিরুদ্ধে মোট ১২টি মামলা ছিল। এর মধ্যে ৯টি ছিল জুলাই আন্দোলনকেন্দ্রিক হত্যা মামলা এবং দুটি হত্যাচেষ্টা মামলা। গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এসব মামলা করা হয়। অপর মামলাটি ছিল গত বছর তাকে গ্রেফতারের সময় পুলিশের ওপর হামলা এবং সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে করা।


বিডিএলপিবি/এমএম

৩ জুন, ২০২৬

টিএফআই সেলে গুম-নির্যাতন : আজ পঞ্চম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ

টিএফআই সেলে গুম-নির্যাতন : আজ পঞ্চম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ

ছবিঃ সংগৃহীত

র‍্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে গুম-নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে আজ পঞ্চম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ হবে।বুধবার (৩ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এ সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে।

২ জুন, ২০২৬

শিশু রামিসা হত্যা মামলা: জানা গেল 'ডলারের' পরিচয়

শিশু রামিসা হত্যা মামলা: জানা গেল 'ডলারের' পরিচয়


ছবি: সংগৃহীত 

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলার ঘটনায় নতুন করে নাম আসা ‘ডলার’ নামের এক ব্যক্তিকে ঘিরে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে বারবার তার নাম বলেছেন। যদিও তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তদন্ত, সাক্ষ্য-প্রমাণ কিংবা ডিজিটাল তথ্য বিশ্লেষণে এ পর্যন্ত ডলার নামের ব্যক্তির সম্পৃক্ততার প্রমাণ মেলেনি।

বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, ডলারের বাড়ি পল্লবী এলাকায়। যে বাসায় শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যা করা হয়েছে, তার কয়েকটি বাড়ি পরেই থাকেন তিনি। স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য, ডলার পেশায় অটোরিকশাচালক ও মাদকাসক্ত। একই এলাকায় রিকশার গ্যারেজের মেকানিক হিসেবে কাজ করতো সোহেল রানা। সে সূত্রে তাদের মধ্যে পরিচয় ছিল।

ডলারের আর্থিক অবস্থা ভালো না হলেও তাদের পরিবারের অবস্থা ভালো। তাদের বাড়ি রয়েছে। নেশার খরচ জোগাতেই অটোরিকশা চালান। পাঁচ ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি ছোট।

ডলারের বড় ভাই সেলিম রায়হান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ভাই হিসেবে তিনি ডলারকে অস্বীকার করতে পারেন না। তবে গত ১৯ বছর ধরে পরিবারের কারও সঙ্গেই ডলারের সম্পর্ক নেই। বাড়ি ভাগাভাগির পর ভাইবোনেরা যে যার মতো বসবাস করছে। ডলার তার মতো থাকে, নেশা করে, এজন্য পরিবারের কেউ তাকে পাত্তা দেয় না।

তিনি বলেন, গণমাধ্যমে তিনিও দেখেছেন রামিসার খুনি সোহেল রানা ডলারের ওপর দায় চাপিয়েছে। এতবড় নৃশংসতায় ডলার ন্যূনতম সম্পৃক্ত থাকলে তারও ফাঁসি হোক, সেটা তারাও চান। কারণ এমন ঘটনায় যেই জড়িত হোক, সর্বোচ্চ বিচার হওয়া উচিত।

সোমবার মামলার আসামি সোহেল রানা আদালতে সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, 'রামিসাকে ধর্ষণ করেছে ডলার, মারছেও। আমি শুধু লাশ গুম করতে চেয়েছি। মেয়েটাকে এনে দিতে পারলে আমাকে দুই লাখ টাকা দেওয়ার কথা বলেছিল ডলার।'

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক ওহিদুজ্জামান ভূঁইয়া বলেছেন, 'তদন্ত চলাকালে ডলারের বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেলেও তার প্রমাণ মেলেনি। ডিজিটাল তদন্তেও তার উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগপত্রে তার নাম নেই।'

শিশু রামিসা আক্তারকে হত্যা মামলার আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে আজ মঙ্গলবার (২ জুন) সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে। সোমবার সকালে আদালতে হাজির করা হয় মামলার আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রীকে। 

ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের এজলাসে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। মামলার স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আজিজুর রহমান দুলু অভিযোগ গঠনের পক্ষে শুনানি করেন। এ সময় তিনি আদালতে রামিসা হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা তুলে ধরেন। 

প্রসঙ্গত, গত ১৯ মে পল্লবীর একটি বাসা থেকে শিশু রামিসার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় দেশজুড়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। পরদিন প্রধান আসামি সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন সোহেল রানা। অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন ম্যাজিস্ট্রেট।





সূত্র: ইত্তেফাক 

বিডিএলপিবি/এমএম


১ জুন, ২০২৬

রাজবাড়ীতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা

রাজবাড়ীতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা

ছবিঃ সংগৃহীত

রাজবাড়ীতে গতকাল রোববার ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে কয়েবটি বাস মালিককে জরিমানা করা হয়েছে। রোববার সন্ধ্যায় রাজবাড়ীর মুরগি ফার্ম এলাকায় যাত্রীদের নিকট থেকে ৫শ’ টাকার বদলে ৮শ’ টাকা করে ভাড়া আদায়ের অভিযোগে বাস মালিকদের নিকট থেকে ১৯ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

রাজবাড়ী সদরের মুরগি ফার্ম এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল ইসলাম এর নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। প্রতিটি বাস কাউন্টারে তদন্ত পূর্বক দেখা যায় বিআরটিএ নির্ধারিত হারের চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে।

সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুসারে, সপ্তবর্ণা পরিবহন ও গোল্ডেন লাইন এবং জামান পরিবহনের নিকট থেকে মোট ১৯ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় ও যাত্রীদের অতিরিক্ত ভাড়া ফেরতের নির্দেশনা প্রদান করা হয়।


সোর্স: বাসস

বিডিএলপিবি/এমএম

জজের বাসায় দুর্ধর্ষ চুরি, ধরা পড়ল সিসিক্যামেরায়

জজের বাসায় দুর্ধর্ষ চুরি, ধরা পড়ল সিসিক্যামেরায়


ছবি: সংগৃহীত 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ আমিনা ফারহিনের বাসায় চুরির ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (৩০ মে) ভোরে জেলা শহরের মৌলভীপাড়ার একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে। জজ আমিনা ফারহিন ওই ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ।

বাড়িটির কেয়ারটেকার রতন মিয়া বলেন, সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে, ভোরে তিনজন ব্যক্তি পেছনের গ্রিল ভেঙে দ্বিতীয় তলায় ওঠেন। পরে ফ্ল্যাটের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন তারা। সেখানে দুটি আলমিরা ভেঙে মালামাল নিয়ে যায়। এছাড়াও অন্যান্য জিনিসপত্রও নিয়ে গেছে চোরের দল। সকালে বিষয়টি নজরে আসলে পুলিশকে অবগত করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম এম রকিব উর রাজা বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিচারক ছুটিতে থাকার সুযোগে এই ঘটনা ঘটেছে। তিনি না থাকায় চুরি হওয়া মালামালের পরিমাণ এখনই জানা যায়নি। এ ঘটনায় পুলিশের অভিযান চলছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

৩০ মে, ২০২৬

আদ্-দ্বীনে নবজাতকের মৃত্যু: দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চেয়ে আইনি নোটিশ

আদ্-দ্বীনে নবজাতকের মৃত্যু: দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চেয়ে আইনি নোটিশ


ছবি: সংগৃহীত 

রাজধানীর মগবাজারের আদ্–দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে ছয় নবজাতকের মৃত্যু ও বাকিদের অসুস্থতার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও ফৌজদারি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং দেশের সব হাসপাতালের মা ও নবজাতক ওয়ার্ডে জরুরি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং আদ-দ্বীন হাসপাতালের পরিচালকের কাছে এ নোটিশ পাঠান। ২৯ মে শুক্রবার নোটিশটি পাঠানো হয়েছে বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করা হয়।

এদিকে হাসপাতালটির পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গুরুতর গাফিলতি পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. জাহিদ রায়হান।

ডা. জাহিদ রায়হান বলেছেন, তদন্তে পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডের অবকাঠামোগত ত্রুটিসহ নানা অনিয়ম ধরা পড়েছে। ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় করা সরকারের উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন আগামীকাল জমা দেওয়া হবে।

এর আগে এই ঘটনায় ঢাকার রমনা থানায় মামলা হয়। মামলায় অবহেলাজনিত কারণে শিশু মৃত্যুর অভিযোগ আনা হয়। নিহত এক নবজাতকের স্বজন বুধবার রাতে বাদী হয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন।



সূত্র: নিউজ ২৪

বিডিএলপিবি/এমএম

২৯ মে, ২০২৬

৮০০ কোটি ইউরো পাচারের অভিযোগ, সাইপ্রাসে এস আলমের সম্পত্তি ক্রোক

৮০০ কোটি ইউরো পাচারের অভিযোগ, সাইপ্রাসে এস আলমের সম্পত্তি ক্রোক


ছবি: সংগৃহীত 

সাইপ্রাসে ৮০০ কোটি ইউরো পাচারের অভিযোগ তদন্তের মুখে বাংলাদেশের এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও তার স্ত্রীর মালিকানাধীন বিলাসবহুল একটি দোতলা বাড়ি ক্রোক করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার সাইপ্রাস মেইলের এক প্রতিবেদনে বলো হয়, ব্যাংক জালিয়াতি এবং অর্থ পাচারের অভিযোগে চলমান ফৌজদারি তদন্তের অংশ হিসেবে এবং বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে নিকোসিয়া জেলা আদালত লিমাসসোল জেলার পারেকলিসিয়ায় অবস্থিত সাইফুল আলমের ওই সম্পত্তি ক্রোক করে।

সাইপ্রাসের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ ইউনিটের (মোকাস) একটি আবেদনের পর গত ১৯ মে এই ক্রোক আদেশ জারি করা হয়। বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে শুরু হওয়া পারস্পরিক আইনি সহায়তা প্রক্রিয়ার অধীনে এই তদন্তের অনুরোধটি করা হয়েছিল। এস আলম নামে বেশি পরিচিত সাইফুল আলম অবশ্য কোনো ধরনের অন্যায় বা অপরাধের কথা অস্বীকার করেছেন।

তার প্রতিষ্ঠিত এস আলম গ্রুপ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ও ‘বিতর্কিত’ ব্যবসায়ী গোষ্ঠী। প্রথমে পরিবহন ও চিনি পরিশোধন দিয়ে তারা ব্যবসা শুরু করলেও পরে ব্যাংক, বীমা, গণমাধ্যম, বিদ্যুৎ ও হোটেল খাতে ব্যবসা বিস্তৃত করে।

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ব্যাংক খাতে দুর্নীতি, অর্থ পাচারসহ বিভিন্ন অভিযোগে সাইফুল আলমের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা হয়েছে। তার এবং তার পরিবারের সদস্যসহ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ, সম্পত্তি জব্দের আদেশ এসেছে আদালত থেকে।

২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি এস আলম ও তার পরিবারের সদস্যদের। এর মধ্যে তার বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ত্যাগের আবেদন করার খবরও এসেছে।

সর্বশেষ গত ২১ মে ইসলামী ব্যাংক থেকে নেওয়া ৮৪ কোটি ৪৯ লাখ টাকার ঋণ পরিশোধ না করায় এস আলমসহ ১১ জনকে পাঁচ মাসের কারাদণ্ড দেয় চট্টগ্রাম অর্থঋণ আদালত। আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের গ্রেপ্তারে সাজা পরোয়ানাও জারি করা হয়েছে।

সাইপ্রাস মেইলের খবর বলছে, সাইফুল আলম ২০১৬ সালে ‘সিটিজেন-বাই-ইনভেস্টমেন্ট’ প্রোগ্রামের মাধ্যমে দেশটির নাগরিকত্ব লাভ করেন; যা স্থানীয়ভাবে ‘গোল্ডেন পাসপোর্ট স্কিম’ নামেও পরিচিত। তবে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের থেকে পাওয়া অভিযোগের পরে তার ওই নাগরিকত্ব বাতিল করে সাইপ্রাস সরকার।

যদিও নাগরিকত্ব পাওয়ার ওই প্রোগ্রামটির কার্যক্রম পরীক্ষা করে দেখা সাইপ্রাস সরকারের ‘নিকোলাটোস কমিটির’ প্রতিবেদনে সাইফুল আলমের নাম আসেনি।

সাইপ্রাস মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের তদন্তকারীদের জমা দেওয়া নথি অনুসারে, সাইফুল আলমের বিরুদ্ধে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে কোম্পানিগুলোর একটি নেটওয়ার্ক পরিচালনা এবং আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এই তদন্তের মধ্যে ‘প্রতারণামূলকভাবে’ ঋণ গ্রহণ, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে। ইসলামী ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ না করায় সাইফুল আলমের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের অর্থঋণ আদালতের দেওয়া কারাদণ্ডের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে সাইপ্রাস মেইলের প্রতিবেদনে। বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমের বরাতে সেখানে বলা হয়েছে, ওই ঋণ নেওয়া হয়েছিল ১৩৪টি বাস কেনার কথা বলে, যা শেষ পর্যন্ত কেনা হয়নি।

সাইপ্রাস মেইল লিখেছে, সাইফুল আলম ওরফে এস আলমের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের তদন্ত ওই একটি মামলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। সাইপ্রাসে পাঠানো অনুরোধ অনুযায়ী, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকসহ বেশ কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে তার মালিকানার বিভিন্ন কোম্পানির বিপুল পরিমাণ ঋণ নেওয়ার বিষয়েও তদন্ত করছে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ।

সাইপ্রাস সরকারকে করা বাংলাদেশের অনুরোধে বলা হয়, সাইফুল আলম ওই ঋণগুলোর মধ্যে অনেকগুলো পরে খেলাপি হয়ে যায়। এখন তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, তিনি নিজে ও তার কোম্পানিগুলো ওই অর্থ কোনো নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিদেশে পাচার করেছিলেন কিনা।

বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরও বলেছেন, এস আলম গ্রুপ প্রায় ৮০০ কোটি ইউরোর বেশি অর্থ দেশ থেকে পাচার করেছেন। বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ মনে করে, এই তদন্তের সঙ্গে যুক্ত সম্পদ সাইপ্রাস, সিঙ্গাপুর এবং অন্যান্য দেশে থাকতে পারে।

সাইপ্রাস মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়, সে দেশে নিবন্ধিত কোম্পানি ‘একলেয়ার ইন্টারন্যাশনাল’ নিয়েও তদন্ত চলছে। ২০১৬ সালে সাইফুল আলম ওই কোম্পানিটি ‘একলেয়ার ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড’ নামে কিনে নেন। তদন্তাধীন তহবিল স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কোম্পানি ব্যবহার করা হয়েছিল কিনা, তা এখন খতিয়ে দেখছে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ।

সাইফুল আলমের বিরুদ্ধে আদালতের কাগজপত্রে সাইপ্রাস, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডস এবং জার্সিতে থাকা কোম্পানি ও ট্রাস্টের একটি নেটওয়ার্কের কথাও বলা হয়েছে। তদন্তকারীরা ওই কোম্পানিগুলোর মালিকানার কাঠামো এবং আর্থিক কার্যক্রমও খতিয়ে দেখছেন।

তবে সাইফুল আলম আন্তর্জাতিক ল ফার্ম 'কুইন ইমানুয়েল' এর প্রতিনিধির মাধ্যমে দাবি করেছেন, তার বিনিয়োগগুলো বৈধ বিদেশি উৎসের মাধ্যমে অর্থায়ন করা হয়েছিল এবং তার বিরুদ্ধে ‘অন্যায়ভাবে’ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি ‘ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (আইসিএসআইডি)–এর মাধ্যমেও আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।

সেখানে সাইফুল আলম দাবি করেছেন, যে যুক্তিতে তার সম্পদকে প্রভাবিত করার মত পদক্ষেপগুলো (যার মধ্যে ক্রোক আদেশও রয়েছে) নেওয়া হয়েছে, তা আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তিগুলোর লঙ্ঘন।


সোর্স: বিডিনিউজ
বিডিএলপিবি/এমএম

২৭ মে, ২০২৬

কালশী বস্তিতে আগুনের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত যুবককে কারাগারে প্রেরনের আদেশ

কালশী বস্তিতে আগুনের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত যুবককে কারাগারে প্রেরনের আদেশ


ছবি: সংগৃহীত 

রাজধানীর পল্লবীর কালশী বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার নাজমুল হাসান মনি (২৫) নামে এক যুবককে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৬ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসিব উল্লাহ পিয়াস এ আদেশ দেন। এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মিজানুর রহমান আসামিকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। ঢাকা মহানগর প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আদালতে দেওয়া আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, প্রাথমিক তদন্তে গ্রেফতার আসামির সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া জামিন পেলে তিনি পলাতক হতে পারেন বলেও আশঙ্কা করা হয়। মামলার তদন্ত চলমান থাকায় সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে তাকে কারাগারে রাখা প্রয়োজন। পরে বিচারক আবেদন মঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার বিকেলে কালশী বস্তির এক দোকানিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় এক যুবকের সঙ্গে বিরোধের ঘটনা ঘটে। এসময় ওই যুবক বস্তিতে আগুন লাগানোর হুমকি দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। পরে সন্ধ্যায় বস্তিতে আগুন ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা তাকে আটক করে মারধরের পর পুলিশের হাতে তুলে দেন।

ওইদিন সন্ধ্যায় কালশী বস্তিতে আগুন লাগার পর ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। রাত সাড়ে ৯টার দিকে আগুন পুরোপুরি নির্বাপণ করা হয়। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।


বিডিএলপিবি/এমএম

২৬ মে, ২০২৬

বনশ্রীতে মাদরাসাছাত্রকে বলাৎকার, রিমান্ড শেষে আসামি কারাগারে

বনশ্রীতে মাদরাসাছাত্রকে বলাৎকার, রিমান্ড শেষে আসামি কারাগারে


ছবি: সংগৃহীত 

রাজধানীর রামপুরা বনশ্রীতে একটি মাদরাসায় এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মো. শিহাব হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৬ মে) ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

পুলিশ জানায়, গতকাল সোমবার (২৬ মে) পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস এ আদেশ দেন।

এর আগে গত ১৯ মে রাতে পাবনার বেড়া থানার খাকছাড়া গ্রাম থেকে শিহাবকে গ্রেফতার করা হয়। পরে ২১ মে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুজ্জামান তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ মে রাতে রামপুরার বনশ্রী সি-ব্লকে অবস্থিত ‘আলোকিত কুরআন ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদ্রাসা’ থেকে ১০ বছর বয়সী শিশু মো. আব্দুল্লাহর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। লাশের সুরতহাল প্রতিবেদনে শিশুটির পায়ুপথে অস্বাভাবিক যৌন নির্যাতনের আলামত পাওয়া যায় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ ঘটনায় আব্দুল্লাহর মা টুকু আরা খাতুন বাদী হয়ে ২০ মে রামপুরা থানায় শিহাব হোসেনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।


বিডিএলপিবি/এমএম

২৫ মে, ২০২৬

গাইবান্ধায় ট্রাকচাপায় প্রাণ গেলো অবসরপ্রাপ্ত বিচারকের

গাইবান্ধায় ট্রাকচাপায় প্রাণ গেলো অবসরপ্রাপ্ত বিচারকের


ছবি: সংগৃহীত 

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ট্রাকচাপায় আউয়াল সরকার (৫৬) নামে অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ নিহত হয়েছেন।

সোমবার (২৫ মে) সকালে সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রোববার (২৪ মে) রাত সাড়ে ১০টার দিকে সুন্দরগঞ্জ-রংপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের বামনডাঙ্গা ফিলিং স্টেশন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

আউয়াল সরকারের বাড়ি উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের মনিরাম গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মৃত সৈয়দ আলী সরকারের ছেলে। তিনি সাবেক অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ।

পেশাজীবনে তিনি রংপুর, লালমনিরহাট, বাগেরহাট, গাজীপুর, ঢাকা ও সাতক্ষীরাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিচারক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। চাকরি শেষে তিনি গাইবান্ধা জজ কোর্টে আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিস করছিলেন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী জানান, রোববার রাতে মোটরসাইকেল নিয়ে গাইবান্ধা শহর থেকে বাড়িতে ফিরছিলেন। পথে বামনডাঙ্গা ফিলিং স্টেশন এলাকায় গেলে পেছন থেকে আসা একটি ট্রাক তাকে ধাক্কা দেয়। পরে তিনি মোটরসাইকেল থেকে সড়কের ওপর ছিটকে পড়ে গেলে ট্রাকটি তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ। তিনি বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ট্রাকটি আটক করা সম্ভব হয়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে।


বিডিএলপিবি/এমএম



ছাত্রদল নেতার মামলায় এনসিপি নেতা তারেক রেজা গ্রেফতার

ছাত্রদল নেতার মামলায় এনসিপি নেতা তারেক রেজা গ্রেফতার


ছবি: সংগৃহীত 

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব তারেক রেজাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার (২৪ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ঝিনাইদহ স্টেডিয়াম সংলগ্ন ফ্যামিলি জোন মিলনায়তনের সামনে থেকে ঝিনাইদহ সদর থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল তাকে গ্রেপ্তার করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদউজ্জামান জানান, এনসিপি নেতা তারেক রেজার নামে সুনির্দিষ্ট মামলা থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ঝিনাইদহে চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে এনসিপি নেতা তারেক রেজা আজ রবিবার সন্ধ্যায় ঝিনাইদহ শহরের ফ্যামিলি জোন মিলনায়তনে একটি জরুরি সংবাদ সম্মেলন আহ্বান করেছিলেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি সংবাদ সম্মেলন স্থলের সামনে পৌঁছানো মাত্রই সেখানে অবস্থান নেওয়া পুলিশ সদস্যরা তাকে ঘিরে ধরে গ্রেপ্তার করেন।

গ্রেপ্তারের সময় ঘটনাস্থলে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসিসহ সাদা পোশাকের পুলিশ, পুলিশের বিশেষ দল (ডিবি) ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ মে শুক্রবার ঝিনাইদহ সফরে এসেছিলেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। ওই দিন জুমার নামাজ শেষে স্থানীয় ছাত্রদল নেতাকর্মীদের সঙ্গে এনসিপির নেতাকর্মীদের তীব্র হাতাহাতি, মারামারি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

ওই সংঘর্ষের ঘটনায় গত শুক্রবারই এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব তারেক রেজা বাদী হয়ে ছাত্রদলের স্থানীয় ৮ নেতাকর্মীকে আসামি করে ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এই মামলার জেরে পরদিন শনিবার দুপুরে তারেক রেজাসহ ২২ জনকে আসামি করে পাল্টা মামলা দায়ের করেন জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি এনামুল কবির। ছাত্রদল নেতার দায়ের করা ওই পাল্টা মামলায় আজ সন্ধ্যায় তারেক রেজাকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ।


বিডিএলপিবি/এমএম

২৪ মে, ২০২৬

 ‘এর চেয়ে আমাকে ক্রসফায়ারে মেরে ফেলেন’: আদালতের উদ্দেশে সুব্রত বাইনের মেয়ে

‘এর চেয়ে আমাকে ক্রসফায়ারে মেরে ফেলেন’: আদালতের উদ্দেশে সুব্রত বাইনের মেয়ে

ছবি: সংগৃহীত 

জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঢাকার বাড্ডা এলাকায় সোহেলী তামান্না হত্যাচেষ্টা মামলায় শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের মেয়ে খাদিজা ইয়াসমিন বিথিকে নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। 

শনিবার (২৩ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত পুলিশের আবেদনের প্রেক্ষিতে তাকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেন।

শুনানি চলাকালীন আদালতের অনুমতি নিয়ে সুব্রত বাইনের মেয়ে বিথি বলেন, 'এর চেয়ে আমাকে ক্রসফায়ারে মেরে ফেলেন? আমার বাচ্চা আছে। বারবার মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। আমি চাকরি করে চলি। এত টাকা কই পাব? আমি কোনো রাজনীতির সাথে জড়িত না।' 

'ছাত্রলীগ, যুবলীগের সাথে জড়িত থাকব কীভাবে? শুধুমাত্র বাবার কারণে আমাকে বিভিন্ন মামলায় জড়ানো হচ্ছে। আমার ১৩ বছরের একটা মেয়ে বাচ্চা আছে। এর আগে আমি একটি মামলায় জামিন পেয়েছিলাম। পরে আবারও সাজানো মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। বারবার এত মামলা দেওয়ার কারণ কী জানিনা। আমি সেদিন আমার বাবাকে দেখতে গেছিলাম। সেখান থেকেই আমাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে আসে। বাবা হিসেবে তাকে দেখতে যেতেই পারি। আমি জুলাইয়ের সময় পার্ট-টাইম জবের জন্য সিলেট গিয়েছিলাম। এর বাহিরে আমার কিছুই জানা নেই', আরও বলেন তিনি। 

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন গ্রেপ্তারের পক্ষে শুনানি করেন। তিনি বলেন, এই মামলার সাথে আসামির সম্পৃক্ততা থাকায় তদন্ত কর্মকর্তা তাকে গ্রেপ্তারের আবেদন করেছেন। শুনানিকালে আসামির পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।

পুলিশের করা আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ঘটনার সাথে সন্দেহভাজন আসামি খাদিজা ইয়াসমিন বিথির প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সম্পৃক্ততার প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। আসামি জামিনে মুক্তি পেলে পলাতক হয়ে তদন্তে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে, বিধায় এই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর খাদিজা ইয়াসমিনকে কুমিল্লা থেকে আটক করে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। পরে রাতে তাকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।

২৩ মে, ২০২৬

অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন মারা গেছেন

অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন মারা গেছেন


ছবি: সংগৃহীত 

ভোলা-২ (বোরহানউদ্দিন-দৌলতখান) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর।

প্রধানমন্ত্রীর এপিএস পরিচয়ে প্রতারণা, অত:পর গ্রেপ্তার

প্রধানমন্ত্রীর এপিএস পরিচয়ে প্রতারণা, অত:পর গ্রেপ্তার


ছবি: সংগৃহীত 

নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস), সাংবাদিক ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী পরিচয় দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে একাধিক মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আব্দুল্লাহ আল মামুনকে (৪৬) কে গ্রেপ্তার করেছে মানিকগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ।

শুক্রবার (২২ মে) বিকেলে মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মাসুম ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ইনচার্জ মানবেন্দ্র বালো উপস্থিত ছিলেন।

গ্রেপ্তার আব্দুল্লাহ আল মামুন মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার উলাইল গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে। বর্তমানে তিনি ঢাকার সাভারের জালেশ্বর এলাকার রাঢ়ীবাড়ী বি-ব্লক ২/৯ নম্বর বাসায় বসবাস করতেন।

পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে জমি ও ফ্ল্যাট ব্যবসার নামে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন মামুন। এছাড়া নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব, সাংবাদিক ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী পরিচয় দিয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের বদলি ও পদোন্নতির প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া, নিয়োগ বাণিজ্য এবং বিভিন্ন মামলার আসামিদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিলেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গত ১৮ মে তিনি তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর থেকে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ও খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে ফোন করে নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব হিসেবে পরিচয় দেন। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর এপিএস-১ জানতে পেরে ধানমন্ডি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। 

পরে পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে। এর আগে, বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত ১১টার দিকে সাভারের জালেশ্বর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

এ সময় তার কাছ থেকে প্রতারণায় ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন, ভুয়া সাংবাদিক পরিচয়পত্র, ‘প্রেস’ লেখা একটি জিপ গাড়ি, ‘আইনজীবী বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট’ সম্বলিত লিফলেট এবং জমি ক্রয়-বিক্রয়ের দলিলের ফটোকপি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম বলেন, সে প্রতারণার কাজে বিশেষ একটি মোবাইল ব্যবহার করত এবং সে দীর্ঘদিন যাবত এই ধরনের প্রতারণার কাজে জড়িত ছিল।তার বিরুদ্ধে পূর্বে চেক জালিয়াতিসহ মোট ছয়টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে দুটি মামলায় তিনি সাজাপ্রাপ্ত ছিলেন।


বিডিএলপিবি/এমএম


রামিসা ধর্ষণ-হত্যা : দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান সুপ্রিম কোর্ট বার সম্পাদক

রামিসা ধর্ষণ-হত্যা : দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান সুপ্রিম কোর্ট বার সম্পাদক


ছবি: সংগৃহীত 

শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংস ও মর্মান্তিক হত্যার ঘটনায় গভীর শোক, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট বারের নব নির্বাচিত সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী।

শুক্রবার (২২ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী বলেন, একটি নিষ্পাপ শিশুর প্রতি এমন পাশবিকতা সমগ্র জাতির বিবেককে নাড়া দিয়েছে। এ ধরনের জঘন্য অপরাধ কোনো সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

আমি প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইনমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই ইতোমধ্যে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের ন্যায়বিচারের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার নির্দেশ প্রদান করেছেন।

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচিত সম্পাদক হিসেবে আমি রামিসার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় যে কোনো আইনি সহায়তা প্রদানে প্রস্তুত আছি। শিশুদের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সমাজের সম্মিলিত দায়িত্ব। আসুন, আমরা সবাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হই।


বিডিএলপিবি/এমএম