অন্যান্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অন্যান্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

৬ সেপ, ২০২৬

কারারক্ষী-আইনজীবী সেজে জামিনের ফাঁদ, গ্রেপ্তার ২

কারারক্ষী-আইনজীবী সেজে জামিনের ফাঁদ, গ্রেপ্তার ২

ছবি: সংগৃহীত 
কারাগারে থাকা আসামির জামিন করিয়ে দেওয়ার কথা বলে কখনো কারারক্ষী, কখনো আইনজীবী সেজে প্রতারণা করত একটি সংঘবদ্ধ চক্র। জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে আসামিদের তথ্য সংগ্রহ করে তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে অভিনব কৌশলে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া চক্রটির দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগ। গ্রেপ্তাররা হলেন মো. আব্দুস সালাম (৪৯) ও সুরুজ (২৬)।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা পরস্পর যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে সরকারি ওয়েবসাইট থেকে বিভিন্ন এলাকার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করতেন। পরে ওই জনপ্রতিনিধিদের ফোন করে কৌশলে সংশ্লিষ্ট এলাকার আসামিদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতেন। এরপর আসামিদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিজেদের একজনকে ‘কারারক্ষী সাইফুল, কারাগার প্রধান ফটক, কাশিমপুর কারাগার’ হিসেবে পরিচয় দিতেন। পরিবারের সদস্যদের জানানো হতোÑ তাদের নিকটাত্মীয়ের জামিন নির্ধারিত আইনজীবীর মাধ্যমে নয়, বরং মানবাধিকার সংস্থার আইনজীবী ‘সিরাজ’-এর মাধ্যমে হয়েছে। এ সময় আইনজীবী পরিচয়ে কথা বলার জন্য প্রতারক চক্রের অপর সদস্যের একটি মোবাইল নম্বর দেওয়া হতো। ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা ওই নম্বরে ফোন করলে প্রতারক নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে নরম স্বরে কথা বলতেন এবং জানাতেন, আসামির জামিন হয়েছে। আদালতের অন্যান্য প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে এবং তার হাতে সময় কম। এরপর ভুক্তভোগীদের কাছাকাছি কোনো দোকানের বিকাশ পার্সোনাল নম্বরে টাকা পাঠাতে বলা হতো। পরিবারের সদস্যরা ওই নম্বরে টাকা পাঠানোর পর প্রতারক টাকা তুলে মোবাইল নম্বরটি বন্ধ করে দিতেন এবং মুহূর্তের মধ্যে দোকানের এলাকা থেকে সরে পড়তেন।

তিনি বলেন, গত ১ জুলাই হাতিরঝিল থানায় হওয়া বিকাশ/নগদ প্রতারণার মামলা তদন্তের সময় এই অভিনব প্রতারণার বিষয়টি ডিবি পুলিশের নজরে আসে। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রতারক চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করা হয় এবং গত বৃহস্পতিবার তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত তিনটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক প্রতারণার মামলা রয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বিডি নিউজ ২৪ (০৪.০৯.২০২৬)


নাটক-সিনেমার প্রদর্শনী ও বাউলগানের কনসার্টে নিরাপত্তা চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ

নাটক-সিনেমার প্রদর্শনী ও বাউলগানের কনসার্টে নিরাপত্তা চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ

ছবি: সংগৃহীত 
কনসার্ট, বাউল গান, লোকসংগীত, নাটক, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, সাংস্কৃতিক উৎসব ও নৌকাবাইচসহ বিভিন্ন আইনসম্মত সাংস্কৃতিক আয়োজনে বাধা ও হামলা বন্ধে সরকারকে আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর চাপ কিংবা আপত্তির কারণে বৈধ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বন্ধ না করার দাবিও জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিবকে ডাকযোগে নোটিশটি পাঠান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সাদ্দাম হোসেন অভি।নোটিশে বলা হয়েছে, সংবিধানের ৩১, ৩২, ৩৭ ও ৩৯ অনুচ্ছেদে নাগরিকের আইনের আশ্রয় লাভ, জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতা, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ এবং চিন্তা, বিবেক ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। এ কারণে শান্তিপূর্ণ সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় রাষ্ট্রের দায়িত্ব রয়েছে।

আইনজীবীর নোটিশে উল্লেখ করা হয়, বাউল গান, লোকসংগীত, পালাগান, যাত্রা, লোকনৃত্য, নাটক, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, পহেলা বৈশাখ ও নৌকাবাইচ বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে এসব আয়োজন নিয়ে বাধা, আপত্তি এবং নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে অনুষ্ঠান স্থগিত বা বাতিলের ঘটনা ঘটেছে।

এ প্রসঙ্গে গত মাসে কিশোরগঞ্জে স্থানীয় একটি গোষ্ঠীর আপত্তির পর একটি কনসার্ট প্রশাসনিকভাবে বাতিল এবং সিলেটের বিয়ানীবাজারে সুনাই নদীতে আয়োজিত নৌকাবাইচ বন্ধের দাবির বিষয়টি নোটিশে তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি ঢাকায় সংগীতশিল্পী অনুপম রায়ের কনসার্ট শেষ মুহূর্তে স্থগিত হওয়ার ঘটনাও উল্লেখ করা হয়েছে।নোটিশে বলা হয়, জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর চাপের মুখে আইনসম্মত সাংস্কৃতিক আয়োজন বেআইনিভাবে বন্ধ করা উচিত নয়। একই সঙ্গে শিল্পী, আয়োজক, দর্শক ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের হুমকি, হামলা, অপমান ও হয়রানি থেকে সুরক্ষা দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

ভবিষ্যতে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যেন হুমকি কিংবা সহিংসতার মাধ্যমে প্রশাসনিক সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করে বৈধ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বন্ধ করতে না পারে, সে জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

নোটিশ পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আইনজীবী সাদ্দাম হোসেন অভি। তিনি বলেন, বর্তমানে কনসার্ট, সংগীতানুষ্ঠান, বাউল গান, নাটক ও সিনেমা প্রদর্শনীসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজনে নানা ধরনের বাধা দেওয়া হচ্ছে। এসব ঘটনা প্রতিরোধের পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই তিনি আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হবে বলেও জানান আইনজীবী সাদ্দাম হোসেন অভি।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: ইত্তেফাক ডিজিটাল রিপোর্ট (০৩.০৯.২০২৬)

৫ সেপ, ২০২৬

বিএনপির উচিত জনগণের মতামত ও আকাঙ্ক্ষাকে মেনে নেয়া: শিশির মনির

বিএনপির উচিত জনগণের মতামত ও আকাঙ্ক্ষাকে মেনে নেয়া: শিশির মনির

মোহাম্মদ শিশির মনির 
জনগণের মতামত ও আকাঙ্ক্ষাকে মেনে নেয়া বিএনপির উচিত বলে মন্তব্য করেছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী  মোহাম্মদ শিশির মনির। তিনি বলেছেন, বিএনপির উচিত জনগণের পছন্দ ও মতামতকে শ্রদ্ধা করা। ইগো বা অহংকারের কাছে একটি পুরো জাতিকে হারিয়ে যেতে দেয়া ঠিক নয়।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত ‘গণভোট সংক্রান্ত জাতীয় সংলাপ’-এ বক্তব্য দেয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

শিশির মনির বলেন, ৫ আগস্টের ঘটনাবলি নিয়ে আলোচনা করতে গেলে একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী অস্বস্তিতে ভোগে। কারণ, ওই সময়ে আন্দোলনের যে বার্তা বা বক্তব্য তৈরি হয়েছিল, তা তাদের দেয়া ছিল না। অন্যদিকে যারা ওই বক্তব্য দিয়েছে, তাদেরকেও ক্রেডিট দিতে রাজি নয় দলটি।

বিএনপিকে একটি ‘জনগণের দল’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপির উচিত জনগণের মতামত ও আকাঙ্ক্ষাকে মেনে নেয়া। তারা আন্দোলনের যে স্লোগান, তা-ও নিজেদের পছন্দমতো নিয়ন্ত্রণ বা ব্যবহার করতে চায়। কিন্তু ইগোর কাছে একটি জাতিকে হারিয়ে যেতে দেয়া কোনোভাবেই ভালো লক্ষণ নয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার প্রধানের সামনে রাষ্ট্রনায়ক হওয়ার এক অনন্য সুযোগ এসেছে। তিনি রাষ্ট্রনায়ক হবেন নাকি হবেন না–সেই সিদ্ধান্ত তাকেই নিতে হবে।’

জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এই গণভোট সংক্রান্ত জাতীয় সংলাপে রাজনীতিক, আইনজীবী, শিক্ষাবিদ ও মানবাধিকারকর্মীরা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম, এনসিপির সারোয়ার তুষার, এবি পার্টির ব্যারিস্টার ফুয়াদ, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার তানিম হোসেন শাওন, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ড. দিলারা চৌধুরী, ‘অল্টারনেটিভ’-এর সংগঠক তাজনুভা জাবিন, মানবাধিকারকর্মী রুবি আমাতুল্লাহ এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম।


বিডিএলপিবি/এমএম


৩ সেপ, ২০২৬

পিএসসির চেয়ারম্যান হলেন ঢাবি'র আইন বিভগের অধ্যাপক মোহাম্মদ নাজমুজ্জামান ভূঁইয়া

পিএসসির চেয়ারম্যান হলেন ঢাবি'র আইন বিভগের অধ্যাপক মোহাম্মদ নাজমুজ্জামান ভূঁইয়া

ছবি: সংগৃহীত 
বুধবার  (২ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে এ নিয়োগের কথা জানানো হয়। এর আগে সম্প্রতি পিএসসির চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করেন অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেম। এরপর পদটি শূন্য হয়। নবনিযুক্ত মোহাম্মদ নাজমুজ্জামান ভূঁইয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৮(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ নাজমুজ্জামান ভূঁইয়াকে জনস্বার্থে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সভাপতি পদে নিয়োগ দিয়েছেন।

এতে আরও বলা হয়, সংবিধানের ১৩৯(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে তিনি দায়িত্বভার গ্রহণের তারিখ থেকে ০৫ (পাঁচ) বছর বা তার ৬৫ (পঁয়ষট্টি) বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার মধ্যে যেটি আগে ঘটে, সে সময় পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সভাপতি পদে বহাল থাকবেন।  


বিডিএলপিবি/এমএম 

খাসকামরায় ডেকে পুলিশ কর্মকর্তাকে মারধর: বিচারককে শোকজ

খাসকামরায় ডেকে পুলিশ কর্মকর্তাকে মারধর: বিচারককে শোকজ

ছবি: সংগৃহীত 
খাসকামরায় পুলিশ কর্মকর্তাকে ডেকে নিয়ে মারধরের অভিযোগের ঘটনায় ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-১০-এর বিচারক শাহিদুল ইসলামের কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়।

আইন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, অসদাচরণ ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে কেন ওই বিচারকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা সাত দিনের মধ্যে জানাতে বলা হয়েছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ঘটনার বিচার চেয়ে জাতীয় সংসদ ভবনে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কামরুল হাসান তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম ডাবলুসহ পুলিশের ১২ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভুক্তভোগী ঢাকা রেলওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আলী।

পুলিশ সূত্র জানায়, সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধি দলটি ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়ে বিচারক শাহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিচার চান। আইনমন্ত্রী বিষয়টি মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দেন।

সাক্ষাৎ শেষে বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এসআই মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বিষয়টি আইনমন্ত্রীকে বিস্তারিতভাবে জানানো হয়েছে। মন্ত্রী বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বলেও জানায় সংগঠনটি।

এর আগে মঙ্গলবার বিচারকের খাসকামরায় ডেকে নিয়ে এসআই মোহাম্মদ আলীকে মারধরের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিচারাঙ্গণ ও পুলিশ প্রশাসনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

ঘটনার বিবরণ: অভিযোগে ঐ পুলিশ কর্মকর্তা জানান গত ২৯ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে ঢাকা রেলওয়ে থানার আওতাধীন নারায়ণগঞ্জ ও পদ্মা সেতুগামী শহরতলী রেলওয়ে প্ল্যাটফর্মে দায়িত্ব পালনকালে এএসআই (নিরস্ত্র) মৌসুমী আক্তারসহ সঙ্গীয় ফোর্স যাত্রীদের ব্যাগ তল্লাশি করছিলেন।  এ সময় সাকিব আল হাসান (২৯) ব্যাগ তল্লাশি না করানো নিয়ে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে উচ্চবাচ্য ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। একপর্যায়ে পুলিশ সদস্যদের তল্লাশি করার কোনো অধিকার নেই বলেও প্রকাশ্যে মন্তব্য করেন তিনি।

অভিযোগে আরও বলা হয়, সাকিব রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তাকে থানায় নেওয়া হয়। সেখানে তিনি নিজেকে অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-১০-এর পিয়ন পদমর্যাদার কর্মচারী হিসেবে পরিচয় দেন। পরে সংশ্লিষ্ট বিচারকের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি তখনই নিষ্পত্তি করা হয়। 

তবে থানা থেকে বের হওয়ার সময় সাকিব ‘কোর্ট হলে দেখে নিতেন’ বলে ভয়ভীতি ও হুমকি দেন বলে অভিযোগ করেন এসআই মোহাম্মদ আলী। পরে ঢাকা রেলওয়ে থানার সাধারণ ডায়েরিতে (জিডি) বিষয়টি লিপিবদ্ধ করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়, সোমবার অফিসার ইনচার্জের মাধ্যমে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাজুল ইসলাম সোহাগের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মোহাম্মদ আলী। পরে তাকে অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-১০-এর বিচারক শাহিদুল ইসলামের সঙ্গে দেখা করতে বলা হয়।

মঙ্গলবার দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১টার দিকে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সহসভাপতি আবুল কালাম আজাদ, কোর্ট রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানসহ কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে বিচারকের খাস কামরায় যান এসআই মোহাম্মদ আলী। তবে তাদের বাইরে রেখে তাকে একাই ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, খাস কামরায় আগে থেকেই বিচারকের কর্মচারী সাকিব আল হাসানসহ কয়েকজন ব্যক্তি ছিলেন। মোহাম্মদ আলী ভেতরে প্রবেশের পর দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। একপর্যায়ে একজন ব্যক্তি পেছন থেকে তাকে সজোরে আঘাত করে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। আত্মরক্ষার্থে তিনি ওই ব্যক্তির হাত ধরে ফেলেন। এ সময় বিচারকের দিকে তাকিয়ে ‘স্যার, এটা কী হচ্ছে?’ জানতে চাইলে ওই ব্যক্তি দরজার দিকে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাকে বলেন, ‘বুঝছস, আমরা কারা?’

পুরো ঘটনাটি খাস কামরায় থাকা এক ব্যক্তি মোবাইল ফোনে ধারণ করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি ও তার ব্যক্তিগত সম্মান ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও অভিযোগে বলা হয়।

যা বলেন সেই পুলিশ কর্মকর্তা: এসআই মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘আমার কোনো অপরাধ থাকলে আমার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করা যেত বা প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া যেত। কিন্তু এভাবে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মানসিকভাবে হয়রানি করার কোনো কারণ দেখি না।’

তিনি বলেন, ‘আমি জজ স্যারকে বলেছি, আমার কোনো অপরাধ হয়ে থাকলে আমি দুঃখিত, আপনার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। কিন্তু এভাবে আমাকে অপমান ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার কারণ কী?’

মোহাম্মদ আলী আরও বলেন, ‘পরে আমাকে হাত ধরে ওই ব্যক্তির সঙ্গে হাত মেলাতে বাধ্য করা হয়। এরপর আমি সেখান থেকে বের হয়ে আসি।’ ঘটনার পর তিনি মিটফোর্ড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানান।

অভিযোগে ওই হামলাকারীকে আদালতের উমেদার হিসেবে উল্লেখ করা হলেও তার নাম জানা যায়নি। তবে তাকে দেখলে শনাক্ত করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন এসআই মোহাম্মদ আলী।

অভিযোগের বিষয়ে অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-১০-এর বিচারক শাহিদুল ইসলামের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: চ্যানেল ২৪ (০৩.০৯.২০২৬)

২ সেপ, ২০২৬

জুডিশিয়াল সার্ভিসের জন্য হবে পৃথক বেতন স্কেল

জুডিশিয়াল সার্ভিসের জন্য হবে পৃথক বেতন স্কেল

ছবি: সংগৃহীত 
জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এর পাশাপাশি বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের জন্য পৃথক বেতন স্কেল অনুমোদন করা হবে। এই লক্ষ্যে ইতোমধ্যে পৃথক কমিটি গঠন করা হয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) মন্ত্রিসভার বৈঠকে জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ অনুমোদনের পর অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জুডিশিয়াল সার্ভিসের জন্য গঠিত পৃথক কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের বেতন স্কেল অনুমোদন করা হবে। এতে আরও বলা হয়, জুডিশিয়াল সার্ভিসের নতুন বেতন স্কেলও জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এর মতো ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ধাপে ধাপে কার্যকর করা হবে।

জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ অনুযায়ী, ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ১ জুলাই ২০২৭-এর মধ্যে সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন মোট তিনটি ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। আর বিভিন্ন ভাতা ১ জানুয়ারি ২০২৮ থেকে একযোগে কার্যকর হবে।

মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি সাংবাদিকদের বলেন, জুডিশিয়াল সার্ভিসের জন্য পৃথক কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জুডিশিয়াল সার্ভিসের বেতন স্কেল অনুমোদন করা হবে।


বিডিএলপিবি/এমএম

১ সেপ, ২০২৬

প্যাডেল রিকশা নিষিদ্ধ ও প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ করে অটোরিকশা চালু করতে লিগ্যাল নোটিশ

প্যাডেল রিকশা নিষিদ্ধ ও প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ করে অটোরিকশা চালু করতে লিগ্যাল নোটিশ

কোলাজ ছবি
সারাদেশে প্যাডেল রিকশা বন্ধ করা, ব্যাটারিচালিত রিকশার জন্য নীতিমালা প্রণয়ন এবং পরিবেশ রক্ষায় প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণে সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন  সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মামুন। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) জনস্বার্থে এই নোটিশটি তিনি পাঠান। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, সড়ক পরিবহন ও সেতু সচিব, পরিবেশ সচিব, বিআরটিএ’র চেয়ারম্যান এবং এনবিআর চেয়ারম্যানকে এই নোটিশে বিবাদী করা হয়েছে।

নোটিশে আগামী ১০ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করে গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে জানাতে বলা হয়েছে। অন্যথায় সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

নোটিশে দাবি করা হয়েছে, দেশের মাত্র ১ শতাংশের কম মানুষ ব্যক্তিগত গাড়ি বা প্রাইভেটকার ব্যবহার করেন। অথচ এই সামান্য সংখ্যক মানুষের গাড়ি সড়কের সিংহভাগ দখল করে রাখে। বিপুল পরিমাণ জ্বালানি আমদানির ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও সরকারি ভর্তুকির ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে।

এছাড়া এসব গাড়ি থেকে নির্গত বিষাক্ত ধোঁয়া চরম বায়ুদূষণ ঘটিয়ে জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি তৈরি করছে, যা সংবিধান স্বীকৃত জীবনের অধিকার পরিপন্থী। তাই প্রাইভেটকারের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ এবং উচ্চহারে পরিবেশ কর ধার্যের দাবি জানানো হয়েছে।
নোটিশে প্যাডেলচালিত রিকশাকে ‘আধুনিক দাসত্ব’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। 

আইনজীবী মাহমুদুল হাসান মামুন বলেন, চরম দারিদ্র্যের কারণে প্রান্তিক মানুষ এই হাড়ভাঙা খাটুনি দিতে বাধ্য হন, যা তাদের অকাল বার্ধক্য ও স্থায়ী শারীরিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সংবিধানের ৩৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জবরদস্তিমূলক শ্রম নিষিদ্ধ হওয়ায় অবিলম্বে প্যাডেল রিকশা বন্ধের দাবি তোলা হয়েছে।

প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের কথা উল্লেখ করে নোটিশে বলা হয়েছে, ব্যাটারিচালিত রিকশা স্থানীয় পরিবহনের একটি মানবিক ও আধুনিক রূপ। দেশের ৯৯ শতাংশ সাধারণ মানুষ গণপরিবহন ও রিকশার ওপর নির্ভরশীল। তাই এই সেক্টরটি নিষিদ্ধ না করে বরং গতি, ব্রেকিং সিস্টেম ও কাঠামোগত নিরাপত্তার জন্য একটি বৈজ্ঞানিক নীতিমালা প্রণয়ন করা উচিত।

ব্যাটারি রিকশায় বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিষয়ে নোটিশে বলা হয়েছে, এটি রাষ্ট্রীয় সম্পদের কোনো অপচয় নয়। দেশের উৎপাদিত বিদ্যুৎ ব্যবহার করে যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের যাতায়াত ও অর্থনীতি সচল থাকে, তবে তা ‘জাতীয় সম্পদের সুষম বণ্টন’ বা ডকট্রিন অব প্রপোরশনালিটি অনুযায়ী ন্যায়সঙ্গত।

নোটিশে বেকারত্ব দূর করতে ও যানজট কমাতে রাইড শেয়ারিং, রেন্ট-এ-কার এবং মিটারভিত্তিক গাড়ি সেবাকে উৎসাহিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। একইসাথে জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ ও জাতীয় অর্থনীতি রক্ষায় প্রাইভেটকারের সংখ্যা সীমিত করে গণপরিবহন ও নিরাপদ রিকশাকে প্রধান্য দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন নোটিশদাতা।


বিডিএলপিবি/এমএম

সূত্র: ইত্তেফাক ডিজিটাল রিপোর্ট (০১.০৯.২০২৬)

৩১ আগ, ২০২৬

মালয়েশিয়াগামী ক্ষতিগ্রস্ত ১০ হাজার কর্মীকে বিনা খরচে পাঠানোর নির্দেশ

মালয়েশিয়াগামী ক্ষতিগ্রস্ত ১০ হাজার কর্মীকে বিনা খরচে পাঠানোর নির্দেশ

ছবি: সংগৃহীত 
মালয়েশিয়ায় যেতে না পেরে ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীদের মধ্যে ১০ হাজার জনকে কোনো খরচ ছাড়াই দেশটিতে পাঠানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন হাইকোর্টে জমা দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মালয়েশিয়াগামী ৩৩ হাজার কর্মীর মধ্যে ১৭ হাজার ৭৭ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাদের মধ্য থেকে ১০ হাজার কর্মীকে কোনো ধরনের অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই মালয়েশিয়ায় পাঠানো হবে। হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিল করা প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: গণমাধ্যমে প্রচারিত আইনজীবীর ব্রিফিং

সালমান এফ রহমানের পক্ষে মামলা লড়তে ব্রিটিশ আইনজীবীর আবেদন

সালমান এফ রহমানের পক্ষে মামলা লড়তে ব্রিটিশ আইনজীবীর আবেদন

ছবি: সংগৃহীত 
চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের পক্ষে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লড়তে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে আবেদন করেছেন লন্ডনের ডাউটি স্ট্রিট চেম্বারের কাউন্সেল গ্রায়েম এল হল।

রোববার (৩০ আগস্ট) সালমান এফ রহমানের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমার সঙ্গে কাজ করার জন্য বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে এ আবেদন করেছেন। এর আগে গত ১২ জানুয়ারি সালমান এফ রহমানের মামলায় অভিযোগ গঠন করা হয়।

প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে মোট পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে কারফিউ জারির মাধ্যমে মারণাস্ত্র ব্যবহারে উসকানি, প্ররোচনা ও ষড়যন্ত্র।
অভিযোগ অনুযায়ী, তাদের ধারাবাহিক নির্দেশনা ও কর্মকাণ্ডের ফলে মিরপুর–১, ২, ১০ ও ১৩ নম্বর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আওয়ামী লীগের সশস্ত্র হামলায় বহু ছাত্রজনতা নিহত হন। এসব নির্যাতন বন্ধে তারা কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এ ছাড়া ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন দমনে নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে সালমান ও অপর আসামি আনিসুল হক সরাসরি জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ আনা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯ জুলাই তাদের মধ্যে ফোনালাপ হয়।

এ মামলায় সালমান এফ রহমানের পক্ষে রয়েছেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুনুসরুল চৌধুরী। এখন তার সঙ্গে লড়তে আবেদন করেন ব্রিটিশ চেম্বারের এই আইনজীবী। তিনি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সচিব বরাবর এ আবেদন করেন। গত ২৪ আগস্ট আবেদনটি রিসিভ করে বার কাউন্সিল। তবে এ বিষয়ে এখনও কিছু স্পষ্ট করেনি বার কাউন্সিল।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন (৩০.০৮.২০২৬)

৩০ আগ, ২০২৬

চিফ প্রসিকিউটর: সাগর-রুনি হত্যায় এক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সম্পৃক্ততার তথ্য মিললো

চিফ প্রসিকিউটর: সাগর-রুনি হত্যায় এক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সম্পৃক্ততার তথ্য মিললো

ছবি: সংগৃহীত 
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের যোগসূত্র পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। রোববার (৩০ আগস্ট) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

চিফ প্রসিকিউটার মো: আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘সাগর-রুনির মামলার তদন্ত আমাদের তদন্ত সংস্থা করছে না। এটি অন্য সংস্থা পিবিআই করছে। তবে আমরা একটি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে কোনো কোনো সময় ক্লু পেয়ে যাই। যেমন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে মেজর মোজাফফরের ব্যাপারে কিছুটা ক্লু পেয়েছিলাম। সাগর-রুনির বিষয়েও আমরা একটি ক্লু পেয়েছি। সেটার নাম-পরিচয় এখন প্রকাশ করতে পারছি না।’

তিনি বলেন, ‘তবে এটুকু বলতে পারি, একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সঙ্গে সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের একটি কানেকশন পাওয়া যাচ্ছে। আমরা বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে দেখছি। তার ওপর আমাদের নজরদারি রয়েছে। আরও তদন্তের পর যদি কোনো অথেনটিক তথ্য পাওয়া যায়, তাহলে পিবিআইয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করব।’ এটি একটি পৃথক হত্যা মামলা উল্লেখ করে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, মামলাটির বিচার সংশ্লিষ্ট দায়রা আদালতে হবে।

উল্লখ্য, ২৭ আগস্ট সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ফের পিছিয়েছে। ওই দিন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে সেদিন মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি। পরে আদালত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর নতুন দিন ধার্য করেন। এ নিয়ে এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১২৯ বার পেছালো।সাগর-রুনি হত্যা মামলাটি দীর্ঘদিন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) কাছে তদন্তাধীন ছিল। বাদীপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট মামলাটির তদন্তের জন্য একটি টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন। বর্তমানে পিবিআই মামলাটির তদন্ত করছে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার (৩০.০৮.২০২৬)


থানা থেকে পালানো সেই মিতু ফের গ্রেফতার, পাঠানো হলো কারাগারে

থানা থেকে পালানো সেই মিতু ফের গ্রেফতার, পাঠানো হলো কারাগারে

ছবি: সংগৃহীত 
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানা থেকে পালিয়ে যাওয়া হত্যা মামলার আসামি মিতু আক্তারকে ৪০ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাত ১২টা ১০ মিনিটে ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে যাত্রাবাড়ী থানার নারী ও শিশু হেল্প ডেস্ক থেকে কৌশলে পালিয়ে যান মিতু। এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে এক উপপরিদর্শক (এসআই) ও তিন পুলিশ কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

মামলার বিবরণ: গত ১৬ জুলাই রাত ৯টা ৫০ মিনিট থেকে ১৭ জুলাই বেলা সাড়ে ১১টার মধ্যে যেকোনো সময় ব্যবসায়ী সোহেল আহমেদকে (৫৫) যাত্রাবাড়ী থানাধীন শহীদ ফারুক রোডের আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের গলি সংলগ্ন ২৩/এ পশ্চিমের নিজ বাসার ছাদের কক্ষে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই মো. মনিরুল ইসলাম মাসুদ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় হত্যা মামলা করেন।

মিতুর পালানোর ঘটনা: যাত্রাবাড়ী থানার ওসি মোহাম্মদ রাজু বলেন, ব্যবসায়ী সোহেল আহমেদ হত্যা মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে মিতু আক্তারকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়। পরে তার রিমান্ড আবেদন করা হলে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ২৪ আগস্ট তাকে তিন দিনের রিমান্ডে যাত্রাবাড়ী থানায় আনা হয়। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) তার রিমান্ডের শেষ দিন ছিল। নিয়ম অনুযায়ী, ওই দিন দুপুরে তাকে আদালতে হাজির করার কথা ছিল। এর আগেই সকালে থানার নারী ও শিশু ডেস্ক থেকে কৌশলে তিনি পালিয়ে যান। মিতু পালিয়ে যাওয়ার পর ওয়ারী বিভাগের উপপুলিশ কমিশনারের নেতৃত্বে যাত্রাবাড়ী থানার একটি দল তাকে গ্রেফতারে অভিযান শুরু করে। প্রায় ৪০ ঘণ্টার মধ্যে শুক্রবার রাত ১২টা ১০ মিনিটে কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বিডিনিউজ ২৪ (২৯.০৮.২০২৬)

২৮ আগ, ২০২৬

কক্সবাজারের ডিসিসহ চারজনকে আদালত অবমাননার নোটিশ

কক্সবাজারের ডিসিসহ চারজনকে আদালত অবমাননার নোটিশ

ছবি: সংগৃহীত 
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়িতে আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে সড়ক নির্মাণকাজ শুরুর অভিযোগে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটসহ চারজনকে আদালত অবমাননার নোটিশ দেওয়া হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি) এ নোটিশ পাঠায়।

সুপ্রিমকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মনজিল মোরসেদ এইচআরপিবির পক্ষে নোটিশটি পাঠান। নোটিশে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বালিয়াড়িতে চলমান নির্মাণকাজ বন্ধ করতে বলা হয়েছে। অন্যথায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আদালত অবমাননার মামলা করা হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

নোটিশ যাদেরকে পাঠানো হয়েছে: নোটিশটি পাঠানো হয়েছে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এমএ মান্নান, কক্সবাজার পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আদনান চৌধুরী, আরডিইসি ভবনের আরবান ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড সিটি গভর্ন্যান্স প্রজেক্টের (ইউডিসিজিপি) প্রকল্প পরিচালক এএসএম রাশেদুর রহমান এবং জাইকার বাংলাদেশ প্রতিনিধি তাকাহাসকি জানকোকে।

প্রেক্ষাপট:  কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালুর ওপর বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের মাধ্যমে সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নষ্ট করার বিষয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর জনস্বার্থে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করে। এর আগে ২০১১ সালের ৭ জুন হাইকোর্ট বিভাগ একটি রায় দেন। রায়ে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সৈকতের বালিয়াড়িতে কোনো ধরনের স্থায়ী বা অস্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ না করার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়। পরে আদালতের নির্দেশে সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়ি থেকে অবৈধ স্থাপনাও দুই দফায় উচ্ছেদ করা হয়েছিল।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: দেশ রূপান্তর (২৭.০৮.২০২৬)

রোমান্টিক নাটক ও সিনেমা নির্মাণ বন্ধের লিগ্যাল নোটিশে টেলিভিশন শিল্প সংশ্লিষ্টদের প্রতিবাদ

রোমান্টিক নাটক ও সিনেমা নির্মাণ বন্ধের লিগ্যাল নোটিশে টেলিভিশন শিল্প সংশ্লিষ্টদের প্রতিবাদ

ছবি: সংগৃহীত 
বাংলাদেশের বর্তমান চলচ্চিত্র ও নাটক শিল্পে কেবলমাত্র প্রেম এবং মাত্রাতিরিক্ত রোমান্টিক কনটেন্টের ব্যাপক আধিক্য থাকায় সংস্কৃতিতে চরম সাংস্কৃতিক ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়েছে- এমন দাবি করে কেবল প্রেম ও রোমান্স নির্ভর সিনেমা এবং নাটক নির্মাণ ও সম্প্রচার বন্ধের দাবিতে সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের চেয়ারম্যানকে এ নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মামুন জনস্বার্থে এ আইনি নোটিশ পাঠান।

রোমান্টিক নাটক ও সিনেমা নির্মাণ বন্ধের দাবিতে জারি হওয়া এই লিগ্যাল নোটিশের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যাচ্ছে কড়া প্রতিক্রিয়া। দেশে-বিদেশে থাকা বাংলাদেশি তারকাদের পাশাপাশি সাধারণ দর্শকও এ নোটিশকে হাস্যকর দাবি করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

এবার আনুষ্ঠানিকভাবে এ আইনি নোটিশের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিবাদ জানিয়েছে দেশের টেলিভিশন ও অডিওভিজ্যুয়াল অঙ্গনের নির্মাতা, শিল্পী, লেখক, প্রযোজক ও কলাকুশলীদের বিভিন্ন সংগঠন।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাজধানীর গুলশানের নিকেতনে আয়োজিত এক যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত প্রতিবাদলিপিতে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো জানায়, একটি নির্দিষ্ট ধারার সৃজনশীল নির্মাণ বন্ধের উদ্যোগ শিল্পীর মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সৃজনশীল বিকাশ এবং হাজারো মানুষের কর্মসংস্থানের জন্য উদ্বেগজনক।

প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, বাংলাদেশে নাটক, সিনেমা ও অন্যান্য বিনোদনমূলক কনটেন্ট দীর্ঘদিন ধরে দেশের সংস্কৃতি, সৃজনশীলতা ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। কোনো কনটেন্ট নিয়ে আপত্তি থাকলে প্রচলিত আইন ও নিয়ন্ত্রক কাঠামোর আওতায় তার প্রতিকার সম্ভব, কিন্তু পুরো একটি ধারার নির্মাণ বন্ধের দাবি গ্রহণযোগ্য নয়।

সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে দায়িত্বশীল ও মানসম্মত কনটেন্ট নির্মাণের প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে টেলিভিশন শিল্পের স্বাভাবিক কার্যক্রম, শিল্পীদের কর্মক্ষেত্র এবং সৃজনশীল স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে কার্যকর ও ইতিবাচক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়।

প্রতিবাদলিপিতে সই করেন ডিরেক্টরস গিল্ড বাংলাদেশের সভাপতি শহীদুজ্জামান সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক ফরিদুল হাসান, অভিনয় শিল্পী সংঘ বাংলাদেশের সভাপতি আজাদ আবুল কালাম ও সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু, টেলিভিশন নাট্যকার সংঘের সভাপতি শিহাব শাহিন ও সাধারণ সম্পাদক মেজবাহ উদ্দীন সুমনসহ টেলিভিশন অঙ্গনের বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: স্টার নিউজ (২৮.০৮.২০২৬)

নভোথিয়েটারের সাবেক মহাপরিচালকের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

নভোথিয়েটারের সাবেক মহাপরিচালকের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

ছবি: সংগৃহীত 
জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও কানাডায় অর্থ পাচারের অভিযোগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটারের সাবেক মহাপরিচালক (বর্তমানে অবসর প্রাপ্ত) আরশাদ উল্লাহ ও তার স্ত্রী রেবেকা আক্তারের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুর্নীতি দমন কমিশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো শাহজাহান কবির এ আদেশ। দুদকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) তানজির আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে, দুদকের পক্ষে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল মালেক তাদের দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন। ওই আবেদনে বলা হয়, স্ত্রীসহ আরশাদ উল্লাহ'র বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও কানাডায় অর্থ পাচারের অভিযোগে দুই সদস্যের একটি অনুসন্ধান টিম গঠন করা হয়। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট আরশাদ উল্লাহ ও তার স্ত্রী রেবেকা আক্তার দেশত্যাগ করতে পারেন বলেন আশঙ্কা করা হচ্ছে। এজন্য সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে আরশাদ উল্লাহ ও তার স্ত্রী রেবেকা আক্তারেরবিদেশ গমন রহিত করা আবশ্যক।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: যুগান্তর (২৭.০৮.২০২৬)

স্ত্রীসহ বিদেশে পালানোর চেষ্টায় যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ পরশ, দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

স্ত্রীসহ বিদেশে পালানোর চেষ্টায় যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ পরশ, দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

ছবি: সংগৃহীত 
বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও তার স্ত্রী নাহিদ সুলতানার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিয়েছেন আদালত। পরশ ও তার স্ত্রী ছাড়াও তাজনীন ওহাব বৃষ্টি নামে একজনের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়া হয়েছে। দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. শাহজাহান কবির এ আদেশ দেন।

আবেদনে বলা হয়েছে, শেখ ফজলে শামস পরশ তার নিজ নামে এবং তার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেন করে মানি লন্ডারিংপূর্বক অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন- এমন অভিযোগ বর্তমানে অনুসন্ধানাধীন রয়েছে।

অনুসন্ধানকালে গোপন সূত্রে জানা যায়, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। তারা বিদেশে পালিয়ে গেলে অনুসন্ধান কাজ ব্যাহত হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। বিধায়, অভিযোগটির সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিদেশ গমন রহিত করা একান্ত প্রয়োজন।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বাসস (২৭.০৮.২০২৬)

২৭ আগ, ২০২৬

প্রেমভিত্তিক নাটক-সিনেমা নির্মাণ ও সম্প্রচার বন্ধে লিগ্যাল নোটিশ

প্রেমভিত্তিক নাটক-সিনেমা নির্মাণ ও সম্প্রচার বন্ধে লিগ্যাল নোটিশ

ছবি: সংগৃহীত 
বাংলাদেশের বর্তমান চলচ্চিত্র ও নাটক শিল্পে কেবলমাত্র প্রেম এবং মাত্রাতিরিক্ত রোমান্টিক কনটেন্টের ব্যাপক আধিক্য থাকায় সংস্কৃতিতে চরম সাংস্কৃতিক ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়েছে- এমন দাবি করে কেবল প্রেম ও রোমান্স নির্ভর সিনেমা এবং নাটক নির্মাণ ও সম্প্রচার বন্ধের দাবিতে সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের চেয়ারম্যানকে এ নোটিশ পাঠানো হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মামুন জনস্বার্থে এ আইনি নোটিশ পাঠান।

নোটিশে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের বর্তমান চলচ্চিত্র ও নাটক শিল্পে কেবলমাত্র প্রেম এবং মাত্রাতিরিক্ত রোমান্টিক কনটেন্টের ব্যাপক আধিক্য দেখা যাচ্ছে। এ ধরনের কনটেন্টের ক্রমাগত সম্প্রচারের ফলে একটি চরম সাংস্কৃতিক ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়েছে, যে কারণে যুবসমাজ ও শিক্ষার্থীরা তাদের পড়াশোনা এবং ক্যারিয়ারের প্রতি মারাত্মকভাবে অমনোযোগী হয়ে পড়ছে। এছাড়া এসব নাটক ও সিনেমায় পরকীয়া ও বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ককে অত্যন্ত স্বাভাবিক এবং মহিমান্বিত করে উপস্থাপন করা হচ্ছে, যা সমাজের ঐতিহ্যবাহী নৈতিক কাঠামোকে চরমভাবে ধ্বংস করছে।

নোটিশে আরও বলা হয়েছে, মূলধারার গণমাধ্যমে এ ধরনের অনৈতিক সম্পর্কের অবাধ প্রদর্শন সামাজিক নৈরাজ্য সৃষ্টিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে এবং দেশে পরকীয়া ও ধর্ষণের মতো অপরাধ উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধির সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। যুবসমাজ এবং সাধারণ জনগণকে এই নৈতিক অবক্ষয় থেকে রক্ষা করা এবং পারিবারিক মূল্যবোধ বজায় রাখা সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষার্থে এখন চূড়ান্ত প্রশাসনিক প্রয়োজনীয়তা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মামুন নোটিশে আইনি যুক্তি তুলে ধরে বলেন, সংবিধানের ২১(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংবিধান ও আইন মেনে চলা এবং সামাজিক শৃঙ্খলা ও রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের পবিত্র কর্তব্য। অন্যদিকে, সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার কথা বলা হলেও, তা শালীনতা বা নৈতিকতার স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে। এছাড়া সংবিধানের ২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সংরক্ষণ রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব।

নোটিশে দাবি করা হয়েছে, দেশের প্রকৃত সংস্কৃতি রক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোনিবেশ নিশ্চিত করতে সরকারকে অবিলম্বে কেবলমাত্র প্রেমভিত্তিক নাটক ও সিনেমা নির্মাণ ও সম্প্রচারে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করতে হবে। এর পরিবর্তে দেশপ্রেমিক ও নৈতিকভাবে সমৃদ্ধ জাতি গঠনে বিজ্ঞান, শিক্ষা, ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ এবং প্রতিরক্ষা ভিত্তিক চলচ্চিত্র ও নাটক নির্মাণ ও সম্প্রচারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বাধ্যতামূলক নির্দেশনা দিতে হবে।

নোটিশে আগামী ১০ দিনের মধ্যে কেবল প্রেমভিত্তিক সিনেমা ও নাটকের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে বিজ্ঞান, শিক্ষা, ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ ও প্রতিরক্ষা ভিত্তিক কনটেন্ট নির্মাণ ও সম্প্রচারে কার্যকর প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে এবং গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে জানাতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণে ব্যর্থ হলে, জননৈতিকতা ও জাতীয় সংস্কৃতি রক্ষায় বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে জনস্বার্থে রিট পিটিশন দায়ের করা হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন (২৭.০৮.২০২৬)

প্রবাসীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ট্রাইব্যুনাল চেয়ে আইনমন্ত্রীকে স্মারকলিপি

প্রবাসীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ট্রাইব্যুনাল চেয়ে আইনমন্ত্রীকে স্মারকলিপি

ছবি: সংগৃহীত 
প্রবাসীদের বাংলাদেশে থাকা বাড়িঘর, অর্থ ও সম্পত্তি নিয়ে বিভিন্ন আইনি জটিলতা দ্রুত সমাধান করে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ‘প্রবাসী ট্রাইব্যুনাল’ গঠনের দাবি জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ।

আইনমন্ত্রীকে স্মারকলিপি: মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে সংগঠনটির একটি প্রতিনিধিদল সচিবালয়ে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের কাছে এ বিষয়ে একটি স্মারকলিপি দিয়েছেন। সংগঠনের প্রেসিডেন্ট অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদের নেতৃত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন— অ্যাডভোকেট মো. ছারওয়ার আহাদ চৌধুরী, এ এইচ ইমরুল কায়সার, মো. মাহবুবুল ইসলাম, রিপন বাঁড়ে, মো. মজিবুর রহমান, সৈয়দা শাহিন আরা লাইলি, নাছরিন সুলতানা।

যা রয়েছে স্মারকলিপিতে: প্রবাসীরা তাদের আয় থেকে বাংলাদেশে যে অর্থ প্রেরণ করেন, সেই বৈদেশিক মুদ্রাই বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম চাবিকাঠি। কিন্তু প্রবাসীরা বাংলাদেশে ভ্রমণকালে বিভিন্ন হয়রানির স্বীকার ও অধিকার থেকে বঞ্চিত হন। শুধু তাই নয়, প্রবাসীদের বাড়িঘর, সম্পত্তি অনেক ক্ষেত্রে নিজ গ্রামের প্রভাবশালীরা জোর পূর্বক দখল করে রাখেন, কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রিতার কারণে আইনগত প্রতিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন প্রবাসীরা। এ কারণে প্রবাসীদের একটি বড় অংশ বাংলাদেশে বিনিয়োগে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। অনেকে তাদের সহায়-সম্পত্তি বিক্রি করে দিচ্ছেন। প্রবাসীদের এ সব সমস্যা সমাধানে দ্রুত সময়ে প্রবাসীদের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ‘প্রবাসী ট্রাইব্যুনাল’ গঠন করার দাবি জানানো হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: দেশ রূপান্তর (২৬.০৮.২০২৬)

গত ছয় মাসে দায়েরকৃত ফৌজদারি মামলার প্রায় সব আসামি গ্রেপ্তার করা হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গত ছয় মাসে দায়েরকৃত ফৌজদারি মামলার প্রায় সব আসামি গ্রেপ্তার করা হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, গত ছয় মাসে দায়ের হওয়া ফৌজদারি মামলাগুলোর প্রায় সব আসামিকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি সরকার ক্ষমতার ছয় মাস পূর্ণ করেছে। এই সময়ে এমন একটি ঘটনাও ঘটেনি, যার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে ব্যর্থ হয়েছে।’

বুধবার (২৬ আগস্ট) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বিএনপির নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

রংপুরে সাম্প্রতিক সময়ে বহুল আলোচিত হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন বলেন, ঘটনার পর যৌক্তিক সময়ের মধ্যেই অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বাসস (২৭.০৮.২০২৬)

২৫ আগ, ২০২৬

ইন্টিমেশন রেজিষ্টেশন প্রক্রিয়া গ্রহণ ও প্রেরণ আইনজীবী সমিতির মাধ্যমে করতে হবে: চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির বিজ্ঞপ্তি

ইন্টিমেশন রেজিষ্টেশন প্রক্রিয়া গ্রহণ ও প্রেরণ আইনজীবী সমিতির মাধ্যমে করতে হবে: চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির বিজ্ঞপ্তি

ছবি: সংগৃহীত 
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক অ্যাডভোকেটশীপ পরীক্ষা নিম্ন আদালত (জজকোর্ট) ও হাইকোর্ট বিভাগে অনুমতি প্রাপ্তির পরীক্ষায় অংশগ্রহণের লক্ষ্যে ইন্টিমেশন রেজিষ্টেশন প্রক্রিয়া গ্রহণ ও প্রেরণ আইনজীবী সমিতির মাধ্যমে করতে হবে মর্মে জানিয়েছে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি।

সোমবার (২৪ আগস্ট) এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, "বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক অ্যাডভোকেটশীপ পরীক্ষা নিম্ন আদালত (জজকোর্ট) ও হাইকোর্ট বিভাগে অনুমতি প্রাপ্তির পরীক্ষায় অংশগ্রহণের লক্ষ্যে রেজিষ্টেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়। সমিতির কার্যনিবাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ইন্টিমেশন রেজিষ্টেশন প্রক্রিয়া সমিতির মাধ্যমে গ্রহণ ও প্রেরণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। যে সকল ছাত্র-ছাত্রী বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এল এল. বি (অর্নাস/পাসকোর্স) সম্পন্ন করেছেন এবং বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক নিম্ন আদালত (জজকোর্ট) এবং হাইকোর্ট বিভাগে অনুমতি প্রাপ্তির পরীক্ষায় অংশগ্রহণে আগ্রহী প্রত্যেককে নিম্ন আদালতের ইন্টিমেশন প্রক্রিয়া চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির অধীনে সম্পূর্ণ করতে হবে।"

এতে আরো বলা হয়, "উক্ত বিজ্ঞপ্তি প্রদান পরবর্তীতে কোন দোকান/ব্যক্তিকে ইন্টিমেশন সংক্রান্ত কাজ হইতে বিরত থাকার জন্য নির্দেশ দেওয়া গেল। ইন্টিমেশন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সমিতির লাইব্রেরী কার্যালয়ে পাওয়া যাবে।"


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির বিজ্ঞপ্তি (২৪.০৮.২০২৬)

২৪ আগ, ২০২৬

পঞ্চগড়ে গণ ধর্ষণ মামলা মিথ্যা প্রমাণিত, নারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ

পঞ্চগড়ে গণ ধর্ষণ মামলা মিথ্যা প্রমাণিত, নারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ

ছবি: সংগৃহীত 
পঞ্চগড়ে চাঞ্চল্যকর এক গণধর্ষণ মামলা আদালতে মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। ডিএনএ পরীক্ষা ও সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনার পর পঞ্চগড় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক হুসেইন মুহম্মদ ফজলুল বারী মামলার পাঁচ আসামিকে সসম্মানে অব্যাহতি দিয়েছেন। একই সঙ্গে নিরপরাধ ব্যক্তিদের ফাঁসানোর অভিযোগে মামলার বাদী ওই নারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৪ জুলাই রাতে পঞ্চগড় সদর উপজেলার জগদল এলাকার এক নারী অভিযোগ করেন যে, তিন মাইল এলাকায় তাকে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে আসামিরা মুখ চেপে রাস্তার পাশে নিয়ে যায় এবং তার দুই বছরের শিশুকে জিম্মি করে গণধর্ষণ করে। এই ঘটনায় তিনি জনি ইসলাম, বিপ্লব হোসেন, মোকছেদুল ইসলাম, সাদেকুল ইসলাম ও খয়রুল ইসলামসহ আরও অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা করেন।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: ডিবিসি নিউজ (২৩.০৮.২০২৬)