অন্যান্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অন্যান্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

২০ নভে, ২০২৫

ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ওবায়েদ উল্লাহ কারাগারে

ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ওবায়েদ উল্লাহ কারাগারে


ছবি: সংগৃহীত 

অগ্রণী ব্যাংকের ১৮৯ কোটি টাকার ঋণ কেলেঙ্কারি মামলায় ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিনি একসময় অগ্রণী ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) ছিলেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী খন্দকার মশিউর রহমান জানান, আজ ওবায়েদ উল্লাহকে আদালতে হাজির করা হয়। তাঁর পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। দুদকের পক্ষে তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহজালাল তাঁকে কারাগারে রাখার আবেদন করেন। আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে আজ সকালে রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে ওবায়েদ উল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আবেদনে বলা হয়েছে, আসামির বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজশে অগ্রণী ব্যাংকের চট্টগ্রামের আছাদগঞ্জ শাখা থেকে বিতরণকৃত ট্রাস্ট রিসিপ্ট (টিআর) ঋণের মাধ্যমে ৫১ কোটি টাকা আত্মসাৎ করায় মামলা হয়েছে। বর্তমানে সুদে-আসলে এ টাকা বেড়ে হয়েছে ১৮৯ কোটি ৮০ লাখ টাকা। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন। মামলার তদন্ত ও বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত আসামিকে কারাগারে রাখা প্রয়োজন।

ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ ২০২৫ সালের ১৬ জুলাই ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করেন। এর আগে তিনি রূপালী ব্যাংকের এমডি, অগ্রণী ব্যাংকসহ কয়েকটি ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

গত ২৮ সেপ্টেম্বর অগ্রণী ব্যাংকের চট্টগ্রামের আছাদগঞ্জ শাখা থেকে নিয়ম ভেঙে ঋণ নেওয়ার মাধ্যমে ১৮৯ কোটি ৮০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।

মামলার অপর আসামিরা হলেন অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সৈয়দ আবদুল হামিদ, অগ্রণী ব্যাংকের আছাদগঞ্জ শাখার সাবেক প্রিন্সিপাল অফিসার ও মহাব্যবস্থাপক মোস্তাক আহমেদ, সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক মো. আবুল হোসেন তালুকদার, সাবেক মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ শামস উল ইসলাম, সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক তাজরীনা ফেরদৌসী ও সাবেক মহাব্যবস্থাপক মো. মোফাজ্জল হোসেন। এ ছাড়া মেসার্স মিজান ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. মিজানুর রহমান, জাসমীর ভেজিটেবল ওয়েল লিমিটেডের এমডি জহির আহমেদ, ওই প্রতিষ্ঠানের পরিচালক টিপু সুলতান ও ফরহাদ মনোয়ারকেও আসামি করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, মেসার্স মিজান ট্রেডার্সের নামে ছোলা ও গম আমদানির জন্য ঋণ মঞ্জুর করা হলেও প্রকৃত সুবিধাভোগী ছিল নুরজাহান গ্রুপ ও তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠান জাসমীর ভেজিটেবল ওয়েল লিমিটেড। বেতনভোগী কর্মকর্তা মিজানুর রহমানকে ব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে ঋণ অনুমোদন ও উত্তোলন করে। নুরজাহান গ্রুপের একটি বেনামি প্রতিষ্ঠানের নামে শাখায় হিসাব খোলা থেকে শুরু করে হিসাব পরিচালনার জন্য নুরজাহান গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান জাসমীর ভেজিটেবল অয়েলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহির আহমেদকে হিসাব পরিচালনার জন্য দেওয়া হয়। নতুন এই প্রতিষ্ঠানকে বিপুল অঙ্কের ঋণ মঞ্জুরি এবং পরে ঋণ মঞ্জুরিপত্রের শর্তাবলি যথাযথভাবে পরিপালন নিশ্চিত না করে সুপরিকল্পিতভাবে ব্যাংকের ৫১ কোটি টাকা (বর্তমানে সুদে-আসলে ১৮৯ কোটি ৮০ লাখ টাকা) আত্মসাৎ করেন আসামিরা।

৯ নভে, ২০২৫

শিক্ষকদের যৌক্তিক দাবি মেনে নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন গোলাম পরওয়ার।

শিক্ষকদের যৌক্তিক দাবি মেনে নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন গোলাম পরওয়ার।

ছবিঃ সংগৃহীত 
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার আজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের যৌক্তিক দাবি মেনে নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে চলমান সংকট সমাধানের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। আজ এক বিবৃতিতে তিনি শিক্ষকদের বেতন স্কেল ১০ম গ্রেডে উন্নীতকরণসহ তিন দফা দাবি আদায়ের জন্য বিক্ষোভরত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে পুলিশি ব্যবস্থা গ্রহণের খবরে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

পরওয়ার বলেন, “সরকারের দায়িত্ব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের তিন দফা দাবি সহানুভূতির সাথে বিবেচনা করা এবং চলমান আন্দোলনের অবসান ঘটানোর জন্য যৌক্তিক ভিত্তিতে তা গ্রহণ করা,”। শিক্ষকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণায় তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এটি শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সমগ্র জাতির মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

তিনি আরও বলেন, “বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হতে চলেছে। এই সময়ে যদি শিক্ষা ব্যবস্থা স্থবির হয়ে পড়ে, তাহলে কোমল হৃদয়ের শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। শিক্ষার ক্ষতি যেকোনো জাতির জন্য একটি অপূরণীয় ক্ষতি, এবং এই বিষয়টি সম্মানিত শিক্ষকদেরও বিবেচনায় নেওয়া উচিত,” ।

সরকারকে কঠোর অবস্থান থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়ে পারওয়ার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের তিন দফা দাবি সংলাপ এবং সহানুভূতির মাধ্যমে সমাধানের আহ্বান জানান। তিনি শিক্ষকদের আন্দোলন বন্ধ করে তাদের শ্রেণীকক্ষে ফিরিয়ে আনার জন্য অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ারও আহ্বান জানান।

৪ নভে, ২০২৫

নিবন্ধন না পেয়ে অনশনে, মৃত্যুর হুঁশিয়ারি তারেকের

নিবন্ধন না পেয়ে অনশনে, মৃত্যুর হুঁশিয়ারি তারেকের


ছবি: সংগৃহীত 

রাজনৈতিক দল হিসেবে আমজনতার দল নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে নিবন্ধন না পাওয়ায় দলটির সদস্য সচিব তারেক রহমান আমরণ অনশনের মাধ্যমে মৃত্যুর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। গতকাল তিনি নির্বাচন ভবনের প্রধান ফটকে অনশনে বসেছেন।

মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) বিকেল তিনটায় যখন ইসি সচিব আখতার আহমেদ নতুন তিনটি দলকে নিবন্ধন দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানান, তখন তারেক বিমর্ষ হয়ে পড়েন। ব্রিফিং শেষ হওয়ার পরপরই তিনি ইসি সচিব এবং অতিরিক্ত সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার চেষ্টা করেন। পরে অতিরিক্ত সচিবের দপ্তর থেকে ফিরে এসে অনশনে বসে পড়েন। তারেক বলেন, নিবন্ধন না দেওয়ার কারণ জানতে চাইলেও নির্বাচন কমিশন কোনো সন্তোষজনক উত্তর দিচ্ছে না।

এদিকে এক ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ৪৩ লাখ গ্রাহকের অর্থ লুট করে, এক মাস আগে এসে দল খুলে নিবন্ধন পেল ডেস্টিনি (ডেসটিনি-২০০০-এর কর্ণধার রফিকুল আমিনের দল বাংলাদেশ আমজনগণ পার্টি)। এর আগে জাতীয় লীগের নিবন্ধনের কথা ঘোষণা করেছিল ইসি; পরে সব ফাঁস হওয়ার পর তা স্থগিত করে। আমরা বছরের পর বছর রাজনীতি করে নিবন্ধিত হচ্ছি না। রাজনীতি কি শুধু বুর্জোয়াদের জন্য? নিবন্ধনের ঘোষণা নয়-যারা জাতীয় লীগের নাম প্রস্তাব করেছিল, তাদের শাস্তি চাই। নাহলে আমরণ অনশন মৃত্যু দিকে ঠেলে দেবে।

ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, তারা জাতীয় নাগরিক পার্টি, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) ও বাংলাদেশ আমজনগণ পার্টির নিবন্ধন দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এসব দলের বিরুদ্ধে আপত্তি আহ্বান করে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে। কোনো আপত্তি না থাকলে বা আপত্তি নিষ্পত্তির পর ইসি চূড়ান্তভাবে নিবন্ধন সনদ প্রদান করবে।

বর্তমানে ইসির নিবন্ধিত দল রয়েছে ৫৩টি। স্থগিত রয়েছে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন এবং বাতিল রয়েছে ফ্রিডম পার্টি, ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন ও পিডিপির নিবন্ধন।

ফেসবুকে ব্যাংকের নমিনি সংক্রান্ত ভাইরাল পোস্ট নিয়ে মুখ খুললেন কালামের স্ত্রী

ফেসবুকে ব্যাংকের নমিনি সংক্রান্ত ভাইরাল পোস্ট নিয়ে মুখ খুললেন কালামের স্ত্রী

ছবি- সংগৃহীত
রাজধানীর ফার্মগেটে মেট্রোরেলের বিয়ারিং প্যাড পড়ে নিহত বেসরকারি চাকরিজীবী আবুল কালামের ব্যাংক হিসাবেরনমিনিতার বোন; এমন দাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলেও এমন কথা কোথাও বলেননি বলে জানিয়েছেন তার স্ত্রী আইরিন আক্তার।

 গত ২৬ অক্টোবর ফার্মগেটে মেট্রোরেলের বিয়ারিং প্যাড খুলে পড়ে প্রাণ হারান আবুল কালাম। ঘটনার দুই দিন পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তে থাকে একটি পোস্ট, যেখানে দাবি করা হয়— কালামের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের নমিনি তার বোন, ফলে তার স্ত্রী উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন।

 এই বিষয়ে নিহতের স্ত্রী আইরিন, বোন লাইজু আক্তার এবং আইরিনের খালাতো ভাই আরিফ হোসেন জানিয়েছেন, ভাইরাল পোস্টটি সম্পূর্ণ ভুল ও বিভ্রান্তিকর, যা তাদের পরিবারের জন্য বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে। রোববার নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে দেখা করলে আইরিন বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কালামের ব্যাংক হিসাবের নমিনির বিষয়ে তথ্য ছড়িয়ে দেয়ার ব্যাপারে আমার সঙ্গে কেউ কোনো কথা বলেনি।’

 তিনি জানান, স্বামীর মৃত্যুর পর মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নেয়া হয়। আইরিন বলেন, ‘এ সময় তার ব্যবহার করা মুঠোফোন, পাসপোর্ট এবং সঙ্গে থাকা মানিব্যাগ পুলিশের জিম্মায় দেয়া হয়।’ তিনি জানান, নারায়ণগঞ্জে থাকা অবস্থায় স্বামীর মৃত্যুসংবাদ পেয়ে তিনি ঢাকায় পৌঁছানোর আগেই মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা তেজগাঁও থানায় গিয়ে পুলিশ থেকে কালামের সব জিনিসপত্র বুঝে নেন।

আইরিন বলেন, ‘জিনিসপত্রগুলো আমার ননদ লাইজু আক্তারের কাছে তুলে দেয়া হয়। এরপর আমি নিজেই কালামের ফোন হাতে পাই। তিনি আরও বলেন, ‘কামালের তিনটি ব্যাংকে হিসাব ছিল। তবে এসব ব্যাংকে কত টাকা আছে, তা আমি জানি না। আর নমিনি কে, সেটাও আমি বলতে পারব না।’

 এই প্রসঙ্গে আইরিনের খালাতো ভাই আরিফ হোসেন বলেন, ‘আমরা কাউকেই বলিনি যে আবুল কালামের নমিনি তার বোনেরা। এটি একটি ভুল তথ্য, যা ঘুরে বেড়াচ্ছে বিভিন্ন পেজে। এ নিয়ে আমরাও কিছুটা বিব্রত।’ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, কোনো ব্যক্তির ব্যাংক হিসাবের ‘নমিনি’ সংক্রান্ত তথ্য সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত এবং ব্যাংকগুলো তা কোনো তৃতীয় পক্ষের কাছে প্রকাশ করে না। ফলে ব্যাংকের মাধ্যমেও কালামের হিসাবের নমিনি কে, তা জানা সম্ভব হয়নি।

 নবিষয়টি নিয়ে নিহতের ছোট বোন লাইজু আক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমার ভাই বিয়ের আগে যেসব অ্যাকাউন্ট খুলেছিল, সেখানে বোনদের নমিনি করেছে। কিন্তু বিয়ের পর আমরাই বলে তার নমিনি পরিবর্তন করেছি। আমার ভাইয়ের জমি এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্টে নমিনি তার স্ত্রী। তিনি আরও বলেন, ‘বোনদের নমিনি রাখার কথা ভুল তথ্য। অথচ এ তথ্যই ছড়িয়ে পড়েছে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।’

স্বজনদের বরাত জানা গেছে, কিশোর বয়সেই মা–বাবাকে হারান আবুল কালাম। ভাইবোনদের সংসারেই তার বেড়ে ওঠা। চার ভাই ও ছয় বোনের মধ্যে ভাইদের মধ্যে তিনি ছিলেন সবচেয়ে ছোট। ২০১২ সালে তিনি মালয়েশিয়া যান এবং ফিরে এসে ২০১৮ সালে আইরিন আক্তারকে বিয়ে করেন। তাঁদের একটি ছয় বছরের ছেলে ও চার বছর বয়সী মেয়েসন্তান রয়েছে।


মধ্যরাতে বিএনপির চার নেতা বহিষ্কার

মধ্যরাতে বিএনপির চার নেতা বহিষ্কার


ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়নকে কেন্দ্র করে সহিংসতা, হানাহানি ও রাস্তা অবরোধসহ নানাবিধ জনস্বার্থ বিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়ায় চার নেতাকে বহিষ্কার করেছে দলটি। সোমবার (৩ নভেম্বর) রাতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর সই করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ বহিষ্কারাদেশ দেওয়া হয়।

বহিষ্কৃত নেতারা হলেন— স্বেচ্ছাসেবক দলের চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলা সভাপতি আলাউদ্দিন মনি, সাধারণ সম্পাদক হেলাল উদ্দিন বাবর, সীতাকুন্ড পৌরসভার আহ্বায়ক মামুন, যুবদলের সোনাইছড়ীর সাধারণ সম্পাদক মমিন উদ্দিন মিন্টু।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার সন্ধ্যার পরে দলীয় মনোনয়নকে কেন্দ্র করে তারা (বহিষ্কৃতরা) চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সীতাকুন্ডে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কদমরসুল, ভাটিয়ারী বাজার, জলিল গেট এলাকায় সহিংসতা, হানাহানি ও রাস্তা অবরোধসহ নানাবিধ জনস্বার্থ বিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়। এসব কর্মকাণ্ডের জন্য দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে এই চার নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

৩ নভে, ২০২৫

পাটওয়ারীর পাশে দাঁড়াল জামায়াত

পাটওয়ারীর পাশে দাঁড়াল জামায়াত

ছবি: সংগৃহীত 

একটি রাজনৈতিক দলের জনৈক নেতা জুলাই যোদ্ধা এবং এনসিপির মূখ্য সমন্বয়ক জনাব নাসিরুদ্দিন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামালা দায়ের করায় তার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এড. মতিউর রহমান আকন্দ । সোমবার (০৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এড. মতিউর রহমান আকন্দ ৩ নভেম্বর প্রদত্ত এক বিবৃতিতে বলেন, “আমরা অত্যন্ত উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি যে, একটি রাজনৈতিক দলের জনৈক নেতা জুলাই যোদ্ধা ও এনসিপির মূখ্য সমন্বয়ক জনাব নাসিরুদ্দিন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করার কারণে জুলাই যোদ্ধা জনাব নাসির উদ্দিন পাটওয়ারীকে জাতি শ্রদ্ধা ও সম্মান জানায়। তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ঘটনায় আমরা উদ্বিগ্ন।

যারা বিরোচিত ভূমিকা পালন করে দেশকে স্বৈরশাসনের কবল থেকে উদ্ধার করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করায় আমরা নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”
বিএনপির মনোনয়নবঞ্চিত হওয়ায় মহাসড়ক অবরোধ, অ*গ্নি সংযোগ

বিএনপির মনোনয়নবঞ্চিত হওয়ায় মহাসড়ক অবরোধ, অ*গ্নি সংযোগ


ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৩৭ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। জাতীয় সংসদের আসন ৩০০টি। এর মধ্যে কিছু আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি আর কিছু আসন জোটের শরিকদের জন্য রেখে দিয়েছে বিএনপি।

সোমবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। চট্টগ্রামে ১৬ সংসদীয় আসনের মধ্যে ১০টি আসনে বিএনপির প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। বাকি ছয়টি আসনের প্রার্থীদের নাম পরে ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে কক্সবাজার-৩ আসনের প্রার্থীর নামও ঘোষণা করা হয়নি। তবে এবারের বড় বিস্ময় হয়ে এসেছে চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নবঞ্চিত হওয়া। আনোয়ারায়ও চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনেও দলীয় মনোনয়ন থেকে ছিটকে পড়েছেন লায়ন হেলাল উদ্দিন।

এদিকে, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নবঞ্চিত হওয়ায় তার অনুসারীরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন। কদমরসুল এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এ সময় টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করতে দেখা গেছে নেতা-কর্মীদের।

জানা গেছে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ঘোষিত সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে আসলাম চৌধুরীর নাম না থাকায় তার সমর্থকেরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে তারা বাইপাস এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভে নামেন। সোমবার (৩ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার বাইপাস এলাকায় এ অবরোধ শুরু হয়।

অবরোধের কারণে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে উভয়মুখী যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে এবং যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন।
আরও পড়ুন- যে কারণে ৬৩ আসনে প্রার্থীর নাম দেয়নি বিএনপি

সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, আসলাম চৌধুরীর সমর্থকেরা মহাসড়ক অবরোধ করেছে। বর্তমানে অবরোধ চলমান রয়েছে। পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সতর্ক অবস্থানে আছেন।

চট্টগ্রামে ১৬ সংসদীয় আসনের মধ্যে ১০টি আসনে বিএনপির প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এরা হলেন- চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) : নুরুল আমিন চেয়ারম্যান, চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি): সরোয়ার আলমগীর, চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড): কাজী সালাউদ্দিন, চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী): মীর হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া): হুম্মাম কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও-বাকলিয়া): এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং-পাহাড়তলী): আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া): এনামুল হক, চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী): সরোয়ার জামাল নিজাম এবং চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী): মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা।

চট্টগ্রামের যে সংসদীয় আসনগুলোতে প্রার্থীদের নাম পরে ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়েছে, সেগুলো হচ্ছে- চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ), চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী), চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা), চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া) এবং চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া)।

২ নভে, ২০২৫

সরকারের অঢেল টাকায় তৈরী হচ্ছে আসিফ বাহিনী?

সরকারের অঢেল টাকায় তৈরী হচ্ছে আসিফ বাহিনী?


ছবি: সংগৃহীত 

অতি সম্প্রতি আলোচনায় এসেছে যে, প্রায় ৯ হাজার তরুণ-তরুণীকে ‘আত্মরক্ষামূলক মৌলিক প্রশিক্ষণ’এর আওতায় আনতে চাচ্ছে সরকার। কেউ কেউ বলছেন প্রশিক্ষণটির পৃষ্ঠপোষকতা করছেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া একক এবং ব্যক্তিগত উদ্দ্যেগে। যদিও প্রসঙ্গটি আলোচনায় আসতেই বিষয়টি নিয়ে সচেতন মহলে উঠেছে সমালোচনার ঝড়। বিশ্লেষকদের ধারণা সরকারী অর্থ ব্যায় করে এতো বৃহৎ আয়োজনে প্রায় ৯ হাজার উঠতি বয়সি তরুণ-তরুণীকে প্যারামিলিটারী প্রশিক্ষণ দেয়ার যৌক্তিকতা আসলে কোথায় সেটাই বুঝতে পারছেন না আলোচকদের একাংশ।

তবে বিকেএসপির সাতটি আঞ্চলিক কেন্দ্রে চলতি মাসেই শুরু হবে ১৫ দিনের এই আবাসিক প্রশিক্ষণ। বিশিষ্টজনেরা বলছেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের স্বেচ্ছাচারিতা একাধিকবার জাতি প্রকাশ্যে অবলোকন করছে। সম্ভবত তারই ধারাবাহিকতায় এই উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। বাস্তবতা হলো—দেশের টাকা খরচ করে রাষ্ট্রের নাম করে গোপনে নিজস্ব বাহিনী গড়ার চেষ্টা করছেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ।

সরকারি নথিতে এই বিষয়টিকে বলা হয়েছে—‘আত্মরক্ষামূলক মৌলিক প্রশিক্ষণ’, তবে প্রকল্পের কাঠামো, তহবিলের উৎস এবং উপদেষ্টার নিজস্ব বক্তব্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়—সরকারের অর্থে উপদেষ্টা আসিফের নেতৃত্বে একটি নিয়ন্ত্রিত অঘোষিত রিজার্ভ বাহিনী গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এখন জাতির সামনে প্রশ্ন আসছে—দেশে কী এমন নিরাপত্তা সংকট তৈরি হয়েছে যে কারণে কোনো নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে অঘোষিত রিজার্ভ বাহিনী গড়ে তুলতে হবে? শুধু একটি মন্ত্রণালয় বা একজন উপদেষ্টার চাওয়ায় এমন একটি স্পর্শকাতর সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় কী?

এ বিষয়ে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের ভাষ্য, ‘এটি হচ্ছে গণপ্রতিরক্ষা বাস্তবায়নের জন্য, বাংলাদেশের ভৌগোলিক বাস্তবতায় যা অপরিহার্য। আর প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা ভবিষ্যতে দেশের রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে কাজ করতে পারবে।’
কিন্তু প্রকল্পটি কোন জাতীয় প্রতিরক্ষা নীতিমালার আওতায় কাজ করবে, অথবা সরাসরি কোন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে পরিচালিত হবে, তা নিয়ে এখনো জনমনে রয়েছে নানাবিধ প্রশ্ন। অনেকেই মনে করেন—এটা (প্রশিক্ষণ) কার্যত ব্যক্তিকেন্দ্রিক শক্তি জোগানের উদ্যোগ। সরকারের তহবিল ব্যবহার করে উপদেষ্টার অধীনে ‘বাহিনী’ গঠন করা হচ্ছে। যা অনেকটা একাত্তর-পরবর্তী সময়ে শেখ মুজিবের ‘রক্ষী বাহিনী’ গঠনের একটি নমুনা।

নিরাপত্তা বিশ্লেষক অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আ ন ম মুনীরুজ্জামান বলেন, ‘বিভিন্ন দেশে যে প্রশিক্ষণ আছে, সেটার ব্যাপারে একটা ডিটেইল ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজি আছে। যেটা কোনো মন্ত্রণালয় করে না। সেটা দেশের পার্লামেন্টে পাস করে একটা নীতিমালা করা হয়। খুবই বিশদভাবে এটা করা হয়। কাজেই সে ধরনের কোনো জাতীয় কৌশল-নীতি আমাদের কাছে নাই। ফলে এটা পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে- একটি মন্ত্রণালয়ের ধারণা থেকে এটা আসছে, কাজেই কোনো জাতীয় নীতিমালা আছে বলে আমি মনে করছি না। এ ধরনের কার্যক্রম জাতীয় নীতিমালা ছাড়া করা যায় না। কারণ এর সঙ্গে স্পর্শকাতর জিনিসপত্র জড়িত থাকে, জাতীয় নিরাপত্তা জড়িত থাকে এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা ভালো হতে পারে বা খারাপও হতে পারে।’

২৮ অক্টো, ২০২৫

 ৩৩ কোটি টাকা জালিয়াতির অভিযোগে 'অরবিটালস ইন্টারন্যাশনাল'-এর বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং মামলা দায়ের

৩৩ কোটি টাকা জালিয়াতির অভিযোগে 'অরবিটালস ইন্টারন্যাশনাল'-এর বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং মামলা দায়ের

ছবি: সংগৃহীত

৩৩.৪৪ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে নাফিসা কামালের জনশক্তি রপ্তানি সংস্থা অরবিটালস ইন্টারন্যাশনাল এবং আরও আটজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে ফৌজদারি তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। আজ গুলশান থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর অধীনে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে, সিআইডির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে যে সিন্ডিকেটটি ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ৩,১১১ জন মালয়েশিয়াগামী কর্মীর কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি আদায় করেছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, অভিযুক্তরা প্রতি ব্যক্তির কাছ থেকে ১.৫ লক্ষ টাকা আদায় করেছে, যা সরকার অনুমোদিত হারের প্রায় দ্বিগুণ, যা উদ্বৃত্ত অর্থ আত্মসাৎ করেছে। চলমান তদন্তের অংশ হিসেবে আর্থিক অপরাধ ইউনিট এখন সারা দেশে সিন্ডিকেটের সম্পদের খোঁজ করছে।

নিজেই নিজের অপহরণের নাটক সাজালেন টঙ্গীর খতিব!

নিজেই নিজের অপহরণের নাটক সাজালেন টঙ্গীর খতিব!


ছবি: সংগৃহীত 

গাজীপুরের টঙ্গীর টিঅ্যান্ডটি কলোনি জামে মসজিদের খতিব মুফতি মুহিব্বুল্লাহ মিয়াজী (৬০)–এর অপহরণ রহস্যের অবসান ঘটেছে। তদন্তে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য—নিজেই নিজের অপহরণের নাটক সাজিয়েছিলেন তিনি। পুলিশ জানায়, তাকে কেউ অপহরণ করেনি; বরং সবকিছুই ছিল তার নিজের পরিকল্পিত আয়োজন।

তদন্তে যুক্ত পুলিশের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, মুহিব্বুল্লাহ নিজেই নিজের পায়ে শিকল লাগিয়ে শুয়ে ছিলেন এবং ঘটনাটিকে অপহরণ হিসেবে উপস্থাপন করেন। যে সময় ও স্থান থেকে তাকে তুলে নেওয়ার দাবি করা হয়েছিল, সেই সময়ের একাধিক সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে পুলিশ কোনো অপহরণের প্রমাণ পায়নি।

সামাজিক মাধ্যমে “মাওলানা মুফতি মুহিব্বুল্লাহ মাদানী” নামে পরিচিত এই আলেম দাবি করেছিলেন, ২২ অক্টোবর সকাল ৭টার দিকে টঙ্গীর শিলমুন এলাকার একটি সিএনজি ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে তাকে অ্যাম্বুলেন্সে তুলে অপহরণ করা হয়। পরদিন পঞ্চগড়ের এক জায়গা থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধারের কথাও নিজেই সংবাদমাধ্যমে জানান। তিনি আরও বলেছিলেন, অপহরণের আগে উড়ো চিঠিতে একাধিকবার হুমকি পান এবং অপহরণের পর একদিন নির্যাতনের শিকার হন।

তবে মঙ্গলবার সকালে অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের প্রকাশিত সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ সব দাবিকেই মিথ্যা প্রমাণ করেছে। ফুটেজে দেখা যায়, ওই সময় ও স্থানে এমন কোনো অপহরণের ঘটনা ঘটেনি।
পুলিশ বলছে, ঘটনাটি একটি পরিকল্পিত স্বনির্মিত অপহরণ নাটক, যার উদ্দেশ্য এখনও স্পষ্ট নয়। তদন্ত কর্মকর্তারা বিষয়টির পেছনে থাকা মানসিক বা ব্যক্তিগত কারণগুলোও খতিয়ে দেখছেন।

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এখন সবাই জানতে চাইছে—কেন এমন নাটক সাজালেন মুফতি মুহিব্বুল্লাহ মিয়াজী? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

২৭ অক্টো, ২০২৫

৮৩ সন্তানের মা হচ্ছেন আলবেনিয়ার এআই মন্ত্রী

৮৩ সন্তানের মা হচ্ছেন আলবেনিয়ার এআই মন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত 

আলবেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী এডি রামা এক অবাক করা ঘোষণায় জানিয়েছেন দেশের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) মন্ত্রী “ডিয়েলা” এখন “গর্ভবতী” এবং শিগগিরই “৮৩ সন্তান” জন্ম দেবে। রোববার ভারতীয় গণমাধ্যম  এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

গ্লোবাল ডায়ালগ (BGD) সম্মেলনে বক্তৃতা দিতে গিয়ে রামা বলেন,“আমরা আজ ডিয়েলাকে নিয়ে বেশ ঝুঁকি নিয়েছি এবং আমরা খুব ভালো করেছি। তাই প্রথমবারের মতো ৮৩ সন্তানের সাথে ডিয়েলা গর্ভবতী।”

তিনি ব্যাখ্যা করেন, এই “শিশুরা” বা এআই সহকারীরা সংসদের প্রতিটি কার্যক্রম রেকর্ড করবে এবং সংসদ সদস্যদের অনুপস্থিতিতে ঘটে যাওয়া আলোচনা বা ঘটনাবলী সম্পর্কে অবহিত রাখবে।

রামা মজার ছলে আরও বলেন,“যদি কেউ কফি খেতে গিয়ে অধিবেশনে ফিরে আসতে ভুলে যায়, তাহলে এই শিশুটি জানিয়ে দেবে কী বলা হয়েছে এবং কাকে পাল্টা জবাব দিতে হবে।” আলবেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ এই সিস্টেম পুরোপুরি চালু হবে এবং সংসদীয় কার্যক্রমে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

উল্লেখ্য, “ডিয়েলা” (যার অর্থ “সূর্য”) ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে আলবেনিয়ার পাবলিক ক্রয় ব্যবস্থাকে স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত করার লক্ষ্যে নিয়োগ পান। তিনি ই-আলবেনিয়া প্ল্যাটফর্মে একটি ভার্চুয়াল সহকারী হিসেবে কাজ করছেন, নাগরিক ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারি নথি সংগ্রহে সহায়তা করে আসছেন।

এআই-উৎপাদিত এই মন্ত্রীকে ঐতিহ্যবাহী আলবেনিয়ান পোশাকে এক নারী অবতারে উপস্থাপন করা হয়েছে। ডিয়েলা বর্তমানে পাবলিক টেন্ডার সিদ্ধান্তের সম্পূর্ণ দায়িত্বে আছেন, যা রামার দাবি অনুযায়ী “১০০ শতাংশ দুর্নীতিমুক্ত” এবং সম্পূর্ণ স্বচ্ছ।

এই নিয়োগের মাধ্যমে আলবেনিয়া বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে একজন অ-মানব (এআই) সরকারী মন্ত্রী নিয়োগের ইতিহাস গড়েছে। ডিয়েলা সম্পূর্ণভাবে কোড ও পিক্সেল দ্বারা তৈরি একটি ডিজিটাল সত্তা, যিনি এখন রূপক অর্থে “৮৩ সন্তান”-এর জননী হতে চলেছেন — আলবেনিয়ার সংসদীয় কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও প্রযুক্তিনির্ভর করার উদ্দেশ্যে।

টিউশনে গিয়ে জবির নারী শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ

টিউশনে গিয়ে জবির নারী শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ


ছবি: সংগৃহীত 

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গেন্ডারিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।

(২৬ অক্টোবর) রাত ১০টা ৫০ মিনিটে গেন্ডারিয়া থানায় দায়িত্বরত ওসি গোলাম মোর্তজা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। পুলিশ কাজ শুরু করেছে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অভিযুক্তকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করবো।

ভুক্তভোগী ঐ নারী শিক্ষার্থী বলেন, গেন্ডারিয়া থানাধীন ১১৯/ডি/৩, ডিস্টিলারি রোড এলাকার মো. নাসির হোসেনের বাসায় তার সন্তানকে প্রাইভেট পড়ান। রোববার রাত আনুমানিক ৭টা ৫০ মিনিটে ওই বাসায় পড়াতে যাওয়ার সময় অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি তাকে অনুসরণ করতে থাকে। বাসার সিঁড়ি দিয়ে ওঠার সময় ওই ব্যক্তি তার পথরোধ করে মোবাইল নম্বর চান। নম্বর দিতে অস্বীকৃতি জানালে নিজেকে 'সিফাত' পরিচয়ে পরিচয় দেন।

ভুক্তভোগী আরও জানান, শিক্ষার্থী সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠতে থাকলে ওই ব্যক্তি পেছন থেকে তার হাত ধরে এবং প্রতিবাদ করলে শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয়। শিক্ষার্থী চিৎকার শুরু করলে অভিযুক্ত দ্রুত স্থান ত্যাগ করে পালিয়ে যায়। ঘটনাটি ভবনের সিসিটিভি ফুটেজে আছে।

এ বিষয়ে গেন্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুর্তজা বলেন, আমরা অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সিসিটিভির ফুটেজ নিয়ে অভিযুক্তকে শনাক্তের চেষ্টা করছি। এখনো তাকে শনাক্ত করতে পারিনি। স্থানীয় বাসিন্দারাও ওকে চিনতে পারছে না। আমরা এ মুহূর্তে একাধিক টিম মাঠে কাজ করতেছি। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তাজাম্মুল হক বলেন, আমি শুনেছি বিষয়টি। গেন্ডারিয়া থানায় কথা বলেছি। যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মধ্যরাতে ‘মব’ সৃষ্টি করে হৃদরোগীকে পুলিশে দিলেন এনসিপি নেতাকর্মীরা

মধ্যরাতে ‘মব’ সৃষ্টি করে হৃদরোগীকে পুলিশে দিলেন এনসিপি নেতাকর্মীরা


ছবি: সংগৃহীত 

চট্টগ্রামের চান্দগাঁওয়ে মধ্যরাতে এক নাটকীয় ও উদ্বেগজনক ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ উঠেছে—জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র কিছু নেতাকর্মী ‘মব’ সৃষ্টি করে এক নিরীহ ব্যক্তিকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন এবং পরদিন তার পরিবারের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছেন মুক্তি দেওয়ার নামে।

ভুক্তভোগী আনিসুর রহমান, স্থানীয় আবদুস সাত্তারের ছেলে ও একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক। শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে চান্দগাঁওয়ের পাঠানিয়াগোদা এলাকায় এনসিপি যুবশক্তির চট্টগ্রাম মহানগর শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব মোহাম্মদ সজীব ভূঁইয়ার নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা তার বাসার সামনে জড়ো হয়ে হট্টগোল শুরু করেন। পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখিয়ে তারা ঘরে ঢুকে আনিসকে ঘুম থেকে তুলে নিয়ে যান। এরপর পুলিশকে খবর দিয়ে “আওয়ামী লীগের দোসর” আখ্যা দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।

আনিসের স্ত্রী বিবি মরিয়ম জানান, তার স্বামী দীর্ঘদিন রাজনীতি থেকে দূরে, হার্টে তিনটি রিং পরানো—তবু কেউ তাদের কথা শোনেনি। পরদিন তাকে হত্যা ও বিস্ফোরক মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়। পরিবারের দাবি, মূল উদ্দেশ্য ছিল চাঁদা আদায়। প্রথমে ১০ লাখ, পরে ৬ লাখ টাকার দাবি জানানো হয়; রাজি না হওয়ায় পুলিশি সহযোগিতায় তাকে জেলে পাঠানো হয়।

চান্দগাঁও থানার ওসি জাহেদুল কবির বলেন, “এনসিপি নেতারা খবর দিয়েছিলেন, কোনো অঘটন ঘটার আশঙ্কা থাকায় পুলিশ গিয়ে আনিসকে থানায় নিয়ে আসে।”

অন্যদিকে অভিযুক্ত নেতা সজীব ভূঁইয়া দাবি করেছেন, “আনিস চান্দগাঁও থানা যুবলীগের সাবেক অর্থ সম্পাদক ছিলেন। আত্মগোপনে ছিলেন বলে খবর পেয়ে পুলিশকে জানানো হয়।” তবে চাঁদা দাবির অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি পাল্টা দাবি করেন, “বরং আনিসের পরিবারই আমাদের টাকা অফার করেছিল, আমরা রাজি হইনি।”

স্থানীয় সূত্র বলছে, ৫ আগস্টের পর থেকে এনসিপি বা বৈষম্যবিরোধী পরিচয়ে এ ধরনের ‘মব’ গঠন ও চাঁদা আদায়ের একাধিক ঘটনা ঘটেছে। কেউ চাঁদা দিলে ছেড়ে দেওয়া হয়, না দিলে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়—এমন ভিডিওও আগেই ভাইরাল হয়েছিল।

বিশ্লেষক ও স্থানীয়রা বলছেন, এটি এখন প্রশাসনের নীরব প্রশ্রয়ে চলা এক বিপজ্জনক প্রবণতা। রাজনৈতিক পরিচয়ের সুযোগে কিছু নেতা নাগরিক ভয়ের রাজনীতি তৈরি করছেন। পুলিশ যদি এসব ঘটনায় নিরপেক্ষ না থাকে, তবে এ ধরনের ‘মব ন্যায়বিচার’-এর সংস্কৃতি আরও ভয়ংকর আকার নেবে।

২৬ অক্টো, ২০২৫

ফরিদপুরে ট্রাক চাপায় আইনজীবী নিহত

ফরিদপুরে ট্রাক চাপায় আইনজীবী নিহত


ছবি: সংগৃহীত 

ফরিদপুরে অজ্ঞাত একটি ট্রাকের চাপায় মোসাদ্দেক আলী বশির (৪০) নামে এক আইনজীবী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন তার সাথে থাকা মহুরি মজিবর রহমান।

রোববার (২৬ অক্টোবর) রাত পৌনে ৮টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ফরিদপুর সদর উপজেলার বদরপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আইনজীবী জেলা সদরের চরমাধবদিয়া ইউনিয়নের মমিনখারহাটের ইছাহাক কাজীর ছেলে এবং ফরিদপুর জজ কোর্টের আইনজীবী ছিলেন। ২০১৮ সাল থেকে তিনি আইনজীবী পেশা শুরু করেন। তার নিহতের খবর ছড়িয়ে পড়লে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

করিমপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালাউদ্দিন চৌধুরী জানান, আইনজীবী মোসাদ্দেক ও তার মহুরি মজিবর কানাইপুর থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের দিকে আসছিলেন। বদরপুর এলাকায় পৌঁছালে অজ্ঞাত একটি দ্রুতগতির ট্রাক তাদেরকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনার পর স্থানীয়রা তাদের দ্রুত উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আইনজীবী মোসাদ্দেককে মৃত ঘোষণা করেন। মহুরি মজিবর রহমান চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক। ঘাতক ট্রাক ও চালককে আটকে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।


বিএনপি নেতাকে ১০ লাখ টাকার চেক দিলেও একাউন্টে মাত্র ৩৪১২ টাকা

বিএনপি নেতাকে ১০ লাখ টাকার চেক দিলেও একাউন্টে মাত্র ৩৪১২ টাকা


ছবি: সংগৃহীত 

সুনামগঞ্জে সমাবেশে বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান কামরুলকে নির্বাচনের খরচের জন্য  ১০ লাখ টাকার চেক দেয়া কর্মী নূর কাসেমের একাউন্টে মাত্র ৩৪১২ টাকা রয়েছে। নূর কাসেমের বাড়ি জেলার তাহিরপুর উপজেলার উত্তরশ্রীপুর ইউনিয়নের মান্দিয়াতা গ্রামে। তিনি আবেগে চেকটি দিয়েছেন বলে জানান। রোববার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে সেই চেকটি নুর কাসেমকে ফেরত দেন কামরুজ্জামান কামরুল।

এসময় কামরুজ্জামান জানান, এটা ধানের শীষের সমাবেশ ছিল। হাজার হাজার লোক ছিলেন। কেউ ফুল, কেউ টাকার মালা দিয়ে তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। কেউ দশ, কেউ একশ, কেউ পাঁচশ টাকার নোটের মালা দিয়েছেন। তেমনি এক কর্মী মঞ্চে এসে তাকে ১০ লাখ টাকার একটি চেক দিয়েছেন। কামরুল বলেন, ‘এটি দলের প্রতি, আমার প্রতি তার ভালোবাসা। আমি তার ভালোবাসাটা গ্রহণ করেছি এবং তার চেকটি আজ ফেরত দিয়েছি।’

শনিবার বিকেলে বিএনপির ৩১ দফার প্রচার ও ধানের শীষের পক্ষে জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার সাচনাবাজারে ওই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন সুনামগঞ্জ-১ আসনে (তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, ধর্মপাশা, মধ্যনগর) দলের মনোনয়নপ্রত্যাশী জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তাহিরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল। এক পর্যায়ে কর্মীরা তাকে ফুল ও টাকার মালা গলায় দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। তখন নূর কাশেম নামের এক কর্মী মঞ্চে উঠে কামরুজ্জামানের হাতে নির্বাচনের খরচের জন্য একটি চেক তুলে দেন। কামরুল সেটি হাতে নিয়ে দেখেন দশ লাখ টাকা চেক। পরে তিনি চেকটি সমাবেশে উপস্থিত দলের নেতা-কর্মীদের দেখান।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সুনামগঞ্জ-১ আসনে (তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, ধর্মপাশা, মধ্যনগর) কামরুজ্জামান ছাড়াও দলের মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে মাঠে আছেন এই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি প্রয়াত নজির হোসেনের স্ত্রী সালমা নজির, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও তাহিপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আনিসুল হক, যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, যুক্তরাজ্য প্রবাসী বিএনপি নেতা হামিদুল হক আফিন্দী, ধর্মপাশা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আবদুল মোতালেব খান।

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হলেন প্রেস সচিবের ভাই

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হলেন প্রেস সচিবের ভাই


ছবি: সংগৃহীত 

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ড. আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ। তিনি স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিকল্পনা অধিশাখা–১ এর যুগ্ম সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এই সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের দায়িত্ব তিনি অতিরিক্ত পালন করবেন।োএ ছাড়াও তিনি  অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমের ছোট ভাই। ফলে তার এই নিয়োগকে ঘিরে নানান আলোচনা চলছে।

জানা গেছে, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় (এলজিআরডি) থেকে গত ১ সেপ্টেম্বর জারি করা এক অফিস আদেশে তার নিয়োগ দেওয়া হয়। সেপ্টেম্বরের শুরুতে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ড. আব্দুল্লাহর আগে নাসিক প্রশাসক ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান। তিনি সম্প্রতি পদোন্নতি পেয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে যোগ দেন।

একাধিক সূত্র জানায়, সম্প্রতি আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে নিয়োগ পাওয়া লিয়াকত আলী মোল্লাও প্রেস সচিবের ঘনিষ্ঠজন। তাদের দুই জনই মাগুরার একই গ্রামের বাসিন্দা। নিয়োগের আগে মাগুরা সমিতির বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ড. আব্দুল্লাহ ও লিয়াকত আলীকে একসঙ্গে উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে আমার ভাইকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে কোনও ধরনের লবিং করিনি। এই পদে তার নিয়োগ নিয়ে আমি এলজিআরডি (স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়) উপদেষ্টা (যিনি নিয়োগ কর্তৃপক্ষ), এলজিআরডি সচিব কিংবা সরকারের অন্য কোনও উপদেষ্টা বা সচিবকে একবারও ফোন করিনি।

ড. আব্দুল্লাহকে প্রশাসক নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনও প্রভাব খাটাননি বলে দাবি করেন প্রেস সচিব। তিনি বলেন, আমার ভাই সরকারের একজন যুগ্ম সচিব এবং বর্তমানে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করছেন। তার মূল দায়িত্বের পাশাপাশি তাকে অস্থায়ীভাবে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে আমি সরকারের ওপর কোনও প্রভাব খাটিয়েছি—এমন প্রশ্নই আসে না।
শফিকুল আলম বলেন, আমার ভাই জার্মানি থেকে মাস্টার্স, অস্ট্রেলিয়া থেকে পিএইচডি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি একজন দক্ষ ও যোগ্য কর্মকর্তা, তার জন্য আমাকে কোনও ধরনের তদবির করতে হয় না। আমি স্বজনপ্রীতিতে বিশ্বাস করি না। গত ১৫ মাসে আমি সরকারি চাকরিতে কারও নিয়োগ বা পদোন্নতিতে প্রভাব বিস্তার করার কোনও চেষ্টা করিনি।
অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের বিষয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, প্রেস সচিবের ভাই হিসেবে নয়, বরং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে পর্যাপ্ত কর্মকর্তা না পাওয়া এবং নিরাপত্তা ছাড় পেতে দেরি হওয়ার কারণে আমাদের মন্ত্রণালয়ের অনেক কর্মকর্তাকেই অতিরিক্ত দায়িত্ব দিতে হচ্ছে। নছর সাহেবকে তেমনি দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাকির হোসেন বলেন, তিনি গত ৩১ আগস্ট নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে যোগদান করেছেন। তবে তিনি প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিবের ভাই কি না তা জানা ছিল না। পরে অবশ্য নানা মহল থেকে বিষয়টি জানতে পেরেছি।

২৫ অক্টো, ২০২৫

পুরান ঢাকায় সিঁড়িতে আবারও এক যুবককে হত্যা

পুরান ঢাকায় সিঁড়িতে আবারও এক যুবককে হত্যা

ছবি: প্রতীকী 

রাজধানীর বংশাল আগামাসিলেন এলাকায় একটি বাড়ির সিঁড়িতে সজীব নাম এক যুবককে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশের ধারণা তাকে শ্বাসরোধ হত্যা করা হয়েছে।

শনিবার (২৫ অক্টোবর) বিকেলের দিকে বংশাল আগামাসি লেনের ৯৩/১ নম্বর বাসায় এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ খবর পেয়ে ওই বাসার চারতলার সিঁড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করে। এ সময় ওই শিক্ষার্থীর গলায় জিআই তার পেঁচানো ছিল।

বংশাল থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মো. দুলাল হক সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিকেলে খবর পেয়ে ওই বাসার চারতলার সিঁড়ি থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়।  প্রথমে তার নাম-পরিচয় পাওয়া না গেলেও মোবাইলের মাধ্যমে পরে তার পরিচয় পাওয়া গেছে। সজীবের গলায় জিআই তার পেঁচানো অবস্থায় উপুড় হয়ে সিঁড়িতে পড়ে ছিল। তবে ওই বাসার চারতলায় শুধু একটি পরিবার থাকতো বলে জানতে পেরেছি। এছাড়া ওই বাসা পুরোটাই গোডাউন। চারতলার ওই বাসা বাইরে থেকে তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল।
তিনি জানান, ধারণা করা হচ্ছে ওই শিক্ষার্থীকে গলায় জিআই তার পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়েছে। 

হাসপাতালে নিহত সজীবের চাচাতো ভাই মো. ইসলাম জানান, সজীবদের বাসা বংশাল আগামাসি লেনে। সজীব এবার আহমেদ বাউনিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এবার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছিলেন। তবে তিনি অকৃতকার্য হন। কয়েকদিন আগে তাবলিগে দোহার গিয়েছিলেন। গতকালই বাসায় আসেন। আজ বিকেল ৩টার দিকে ফোন কল পেয়ে বাসা থেকে বের হন। এরপর বিকেলে জানতে পারি একটি বাসার সিঁড়িতে সজীবের লাশ পাওয়া গেছে।

তিনি জানান, যে বাসায় সজীবের লাশ পাওয়া গেছে, ওই বাসার চারতলায় সজীবের প্রেমিক খাদিজাদের বাসা। খাদিজার বাবা বেঁচে নেই। তবে ঘটনার পর থেকে তাদের কাউকে পাওয়া যায়নি। গত ছয় বছর ধরে খাদিজার সঙ্গে সম্পর্ক ছিল সজীবের। মাঝখানে একবার মনোমালিন্য হয়েছিল। তবে খাদিজার মামারা এ সম্পর্ক মেনে নিতে পারছিলেন না। পরিবারের অভিযোগ, খাদিজার দুই মামা ইকবাল ও কামাল মিলে সজীবকে হত্যা করেছে।


২০ অক্টো, ২০২৫

অনলাইন জুয়ায় আসক্ত নাতি, টাকা না পেয়ে দাদিকে গলা কেটে হত্যা

অনলাইন জুয়ায় আসক্ত নাতি, টাকা না পেয়ে দাদিকে গলা কেটে হত্যা


ছবি: সংগৃহীত 

টাকা চেয়ে না পেয়ে ক্ষুদ্ধ হয়ে ষাটোর্ধ্ব দাদিকে গলা কেটে হত্যা করেছে নাতি অনিক হাসান হৃদয়। মর্মান্তিক এ ঘটনাটি ঘটেছে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার খেদমতপুর ইউনিয়নের বড় মজিদপুর ঘেগারতল গ্রামে।

সোমবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সিনিয়র জুডিসিয়াল আমলী ম্যাজিস্ট্রেট মন্তাজ আলীর আদালতে তোলা হলে ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে হত্যার দায় স্বীকার করেন উনিশ বছর বয়সী এই কিশোর।
নিহত আকলিমা বেগম ওই এলাকার মো আব্দুল হাকিম মিয়ার স্ত্রী। গত শনিবার (১৮ অক্টোবর) সকালে তার গলাকাটা রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার বাড়ি থেকে পালিয়ে যান হৃদয়। পুলিশ অভিযান চালিয়ে গত রোববার সাভারের হেমায়েতপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।

জানা গেছে, এ হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা প্রথমে কোনো ক্লু খুঁজে বের করতে পারেননি। তবে ঘটনার দিন সকালে নাতি অনিক হাসান হৃদয় সটকে পরায় তাকে ঘিরে সন্দেহ বাড়ে। ওই দিনই অজ্ঞাতনামা আসামি করে নিহতের ভাই রায়পুর ইউপির নখারপাড়ার ওবায়দুল হত্যা মামলা করেন।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটে। সকালে প্রতিবেশীরা ঘর থেকে রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

ঘটনার পর পীরগঞ্জ থানা পুলিশ ক্লুলেস এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে মাঠে নামে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই জাহাঙ্গীর হোসেন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই উন্নত প্রযুক্তির সহায়তায় ঢাকার সাভার এলাকা থেকে নিহতের নাতি অনিক হাসান হৃদয়কে গ্রেপ্তার করে। তিনি বড়ঘোলা গ্রামের রাশেদুল ইসলামের ছেলে। পরে গ্রেপ্তার হৃদয়ের তথ্যে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি সোমবার সকালে বড় মজিদপুরের রফিকুলের পরিত্যক্ত রাইস মিল থেকে উদ্ধার করা হয়।

জানা গেছে, একই বাড়ি হলেও স্বামী আব্দুল হাকিম ও তার স্ত্রী আকলিমা বেগম আলাদা ঘরে রাত্রীযাপন করতো। শনিবার ভোর রাতের দিকে নিহতের স্বামী আব্দুল হাকিম প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিয়ে ঘরের বাইরে এলে স্ত্রীর ঘরের দরজা খোলা দেখতে পায়। তিনি ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে গলাকাটা অবস্থায় স্ত্রীর নিথর দেহ খাটের ওপরে পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার করতে থাকেন। তার চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন ছুটে আসে। খবর পেয়ে দু’ছেলে রাশেদুল ও শাহিন ছুটে আসেন।
নিহতের দুই ছেলে রাশেদুল ও শাহিন জানান, ৮/১০ বছর আগে বড় মজিদপুরে পৃথক বাড়ি নির্মাণ করে বাবা-মা সেখানে বসবাস করেন। আমরা বাস্তুভিটা বড়ঘোলায় দুই ভাই বসবাস করি।  

পীরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, আসামি হৃদয় শুক্রবার রাত ১টার দিকে ঢাকা থেকে হানিফ পরিবহনের বাসযোগে খেজমতপুরে নেমে পড়ে। রাতেই দাদা-দাদি গ্রামে আসে। দাদি আকলিমার সাথে রাতের খাবারের পর খোশগল্পের এক পর্যায়ে তর্কে জড়িয়ে পড়লে দাদিকে ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়।

তিনি আরও জানান, হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে গ্রেপ্তার হৃদয়। জবানবন্দিতে হৃদয় তার দাদির কাছে ১০ হাজার টাকা চেয়েছিল। টাকা চেয়ে না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ছুরিকাঘাতে দাদিকে হত্যা করে সে পালিয়ে যায়। এই কিশোর অনলাইন জুয়ায় আসক্ত বলেও জানান তিনি।

১৭ অক্টো, ২০২৫

শিবিরের মোস্তাকুর-সালমান ভিপি-এজিএস পদে, জিএসে আম্মার জয়ী

শিবিরের মোস্তাকুর-সালমান ভিপি-এজিএস পদে, জিএসে আম্মার জয়ী

ছবি: সংগৃহীত 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে ভিপি (সহসভাপতি) পদে বিজয়ী হয়েছেন ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোটের প্রার্থী মোস্তাকুর রহমান জাহিদ। সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে জয়লাভ করেছেন ‘আধিপত্যবিরোধী ঐক্য’ প্যানেলের স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আম্মার। সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে বিজয়ী হয়েছেন সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোটের প্রার্থী এস এম সালমান সাব্বির।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে ভিপি (সহসভাপতি) পদে বিজয়ী হয়েছেন ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোটের প্রার্থী মোস্তাকুর রহমান জাহিদ। সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে জয়লাভ করেছেন ‘আধিপত্যবিরোধী ঐক্য’ প্যানেলের স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আম্মার। সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে বিজয়ী হয়েছেন সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোটের প্রার্থী এস এম সালমান সাব্বির।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শেষে সব কেন্দ্রের ভোট গণনা করে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, ভিপি পদে মোস্তাকুর রহমান জাহিদ পেয়েছেন ১২ হাজার ৬৮৭ ভোট, যেখানে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত শেখ নূর উদ্দীন আবির পেয়েছেন ৩ হাজার ৩৯৭ ভোট। দুই প্রার্থীর মধ্যে ভোটের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ২৯০।

অন্যদিকে জিএস পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাহউদ্দিন আম্মার পেয়েছেন ১১ হাজার ৫৩৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী, শিবির সমর্থিত ফজলে রাব্বি ফাহিম রেজা পেয়েছেন ৫ হাজার ৭২৯ ভোট, যা থেকে আম্মারের ব্যবধান দাঁড়ায় ৫ হাজার ৮০৮ ভোটে।

সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল তুলনামূলকভাবে ঘনিষ্ঠ। এই পদে শিবির সমর্থিত সালমান সাব্বির ৬ হাজার ৯৭১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন, তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত জাহিন বিশ্বাস এষা পেয়েছেন ৫ হাজার ৯৪১ ভোট। ব্যবধান মাত্র ১ হাজার ৩০ ভোট।

নির্বাচনে ১০টি প্যানেলসহ রাকসুর ২৩ পদে ২৪৭ জন, হল সংসদে ১৫ পদে ১৭টি হলে ৫৯৭ প্রার্থী এবং সিনেট ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচনের ৫ পদে ৫৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। রাকসুতে ভিপি পদে ১৮ জন, জিএস পদে ১৩ জন ও এজিএস পদে ১৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।

নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ২৮ হাজার ৯০১। এর মধ্যে ছাত্রী ভোটার ১১ হাজার ৩০৫ জন ও ছাত্র ভোটার ১৭ হাজার ৫৯৬ জন। নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৬৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ। এর মধ্যে ছয়টি নারী হলে ভোট পড়ার হার ৬৩ দশমিক ২৪ শতাংশ।

১৬ অক্টো, ২০২৫

ওবায়দুল কাদেরের ভাই গ্রেপ্তার

ওবায়দুল কাদেরের ভাই গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত 

গ্রেপ্তার হয়েছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের পলাতক সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ভাই শাহাদাত হোসেন। এছাড়া আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের আরও ৮ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) এক খুদে বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছেন ডিএমপির উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান। বার্তায় বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সহোদর শাহাদাতসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ৯ (নয়) নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।