৯ সেপ, ২০২৬

সুপ্রিম কোর্টে ভবন নির্মাণে অর্থ আত্মসাতের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুদক

ফাইল ছবি
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের রেকর্ড ভবন নির্মাণ প্রকল্পে অনুমোদন ছাড়াই আটটি প্যাকেজে কাজ ভাগ করে ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯৭ হাজার টাকা বিল পরিশোধের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সংস্থাটির এক অভিযানে গণপূর্তের কর্মকর্তার যোগসাজশে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের এই টাকা লোপাটের সত্যতা পাওয়া গেছে।

এদিকে, সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশিদ ও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের মামলায় আদালতে চার্জশিট দিতে যাচ্ছে কমিশন।

সুপ্রিম কোর্টের ১৪ তলা বিশিষ্ট রেকর্ড ভবনের নির্মাণ কাজ চলছে। গণপূর্ত অধিদফতরের অধীনে ১৫৫ কোটি ৭০ লাখ টাকার এই প্রকল্পের কাজ করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্স-এনডিই।

২০২৩-২৪ অর্থ বছরে শুরু হওয়া এই প্রকল্পে অসঙ্গতি খুঁজতে বুধবার  দুদক অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে খুঁজে পায়, টেন্ডার কারসাজি ও প্যাকেজ বিভাজনে অনিয়মের মাধ্যমে ৮টি সাব-ঠিকাদারের মাধ্যমে কাজটি করায় এনডিই। তারা বলছে, রেকর্ড ভবন সংলগ্ন ক্যান্টিন, বেকারি নির্মাণসহ ৮ প্যাকেজে পুরোপুরি কাজ না করেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গণপূর্তের তৎকালীন নির্বাহী প্রকৌশলী সাইফুজ্জামানের যোগসাজশে প্রায় ৬ কোটি ৩২ লাখ টাকা তুলে আত্মসাৎ করে।

এদিকে ৩৮ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের দুই মামলায় সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশিদ ও তার ভাই এবিএম শাহরিয়ারের বিরুদ্ধে খুব শিগগিরই আদালতে চার্জশিট দাখিল করতে যাচ্ছে সংস্থাটি।

দুদকের সচিব সাইদুর রহমান খান বলেন, পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকাকালে হারুন অর রশীদ তার বাবা-মায়ের নামে অবৈধ সম্পদ ক্রয় করেন।


বিডিএলপিবি/এমএম

সূত্র: সময় টিভি (০৯.০৯.২০২৬)


শেয়ার করুন

0 coment rios: