![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
বেঞ্চ সহকারীর অভিযোগ, গত ১১ আগস্ট সকাল ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে আইনজীবী এ কে এম নুরুজ্জামান কাশেম আদালতকক্ষে প্রবেশ করে ১৪৪ ধারার মামলার কজ লিস্ট বুকটি নেন। এরপর ওই কজ লিস্ট বুক থেকে আগস্ট মাসের বিভিন্ন তারিখের ১১টি পাতা সবার অগোচরে ছিঁড়ে নিয়ে যান।
পরে কজ লিস্ট বুক নিয়ে কাজ করতে গিয়ে তারা দেখতে পান, ভেতরের বিভিন্ন তারিখের ১১টি পাতা নেই। এরপর আদালতকক্ষে থাকা সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখতে পান, আইনজীবী এ কে এম নুরুজ্জামান কাশেম কজ লিস্ট বুক থেকে পাতা ছিঁড়ে নিচ্ছেন। তবে কী কারণে তিনি এ কাজ করেছেন, তা জানা যায়নি।
মাসুদ রানা জানান, কজ লিস্ট বুক থেকে প্রয়োজনীয় পাতা ছিঁড়ে নিয়ে যাওয়ায় আদালতের কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে তাদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তিনি আরও জানান, বিষয়টি তারা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জেলা আইনজীবী সমিতিতেও অভিযোগ জানানো হবে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আইনজীবী এ কে এম নুরুজ্জামান কাশেম বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য নয়। তিনি ওই দিন আদালতে গিয়েছিলেন তার একটি মামলার নম্বর আছে কি না, তা দেখতে। কিন্তু কজ লিস্ট বুকে মামলার নম্বর না পেয়ে তিনি ফিরে এসেছি। এরপর আদালতের পেশকার তাকে অন্তত ১০ বার ফোন করে পাতা ছিঁড়ে নেওয়ার জন্য দোষারোপ করেছেন বলে তিনি দাবি করেন।
বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: যুগান্তর (০২.০৯.২০২৬)

0 coment rios: