![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
মামলা দয়ের: এনআইডি সার্ভারের এই ভয়ংকর দুর্বলতার সুযোগে জালিয়াতির মাধ্যমে ঋণ সুবিধা নিয়ে তা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করেছে সিটি ব্যাংক। গত ২৭ জুলাই ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইনের আদালতে ব্যাংকটির এভিপি ও সিনিয়র ম্যানেজার সহিদ-উল-হক মামলার আবেদন করেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয় ঋণ সুবিধা নেওয়া মো. মেহেদী হাসানকে। এছাড়া, ঋণের গ্যারান্টর মো. রফিকুল ইসলাম ও কাজী রাশেদুর রহমানসহ নির্বাচন কমিশনের অজ্ঞাতনামা অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মামলায় আসামি করা হয়। পরে আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে অভিযোগটি উত্তরা পশ্চিম থানায় এজাহার হিসেবে নথিভুক্ত করার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে বিষয়টি তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেওয়া হয়।
মামলার ফ্যাক্ট: মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৩ মার্চ আসামি মো. মেহেদী হাসান একটি এনআইডি ও টিআইএন সনদ জমা দিয়ে সিটি ব্যাংকের টঙ্গী শাখা থেকে ৬০ লাখ টাকার একটি অটো ঋণ (কার লোন) গ্রহণ করেন। যেখানে তার বাবার নাম মো. সাব্বির হোসেন ও মায়ের নাম মোসা. সাকিলা হোসেন দেখানো হয়। এই ঋণের মাধ্যমে কেনা গাড়িটি ব্যাংকের সঙ্গে যৌথ নামে বিআরটিএ-তে নিবন্ধিত করা হয়। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১২ অক্টোবর তিনি ওই অটো লোন শোধ করে ব্যাংকের আস্থা অর্জন করেন। এরই সুযোগ নিয়ে একই এনআইডি ব্যবহার করে তিনি ৫ লাখ টাকার ক্রেডিট কার্ড এবং ২০২৬ সালের ১২ মার্চ আরও ৬০ লাখ টাকার নতুন অটো লোন ও ১০ লাখ টাকার পারসোনাল লোন অনুমোদন করিয়ে নেন। এই ঋণের মাধ্যমে কেনা গাড়িটিও ব্যাংকের সঙ্গে যৌথ নামে বিআরটিএ-তে নিবন্ধিত করা হয়।
বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: জাগো নিউজ ২৪ (৩১.০৮.২০২৬)

0 coment rios: