![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
রোববার (২৩ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
এদিন সাইফুর রহমানকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। অন্যদিকে তার আইনজীবী তাবারক হোসেন জামিনের আবেদন করেন। শুনানিতে তিনি বলেন, সাইফুর রহমান ২০০৩ সালে বিমান বাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হন এবং একজন চৌকস কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই। আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে তিনি নিজেই ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়েছেন। তদন্তের প্রয়োজনে তাকে সহযোগিতার নিশ্চয়তা দিয়ে বিমান বাহিনীর হেফাজতে রেখে জামিন দেওয়ারও আবেদন করেন তিনি।
তবে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, সাইফের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ রয়েছে। ইলিয়াস আলীকে গুমের পাশাপাশি বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডের সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। এ কারণে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করা হয়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল সাইফুর রহমানকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে গত ৯ আগস্ট সাইফুর রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল-১। রোববার সকাল ৯টার আগে বিমান বাহিনীর একটি মাইক্রোবাসে করে তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। পরে তাকে হাজতখানায় রাখা হয়।
উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল রাজধানীর বনানী থেকে নিখোঁজ হন বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী। তিনি সিলেট বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন এবং সিলেট-২ আসন থেকে দুবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র:সমকাল (২৩.০৮.২০২৬)

0 coment rios: