![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে যাত্রাবাড়ী থানার নারী ও শিশু হেল্প ডেস্ক থেকে কৌশলে পালিয়ে যান মিতু। এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে এক উপপরিদর্শক (এসআই) ও তিন পুলিশ কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
মামলার বিবরণ: গত ১৬ জুলাই রাত ৯টা ৫০ মিনিট থেকে ১৭ জুলাই বেলা সাড়ে ১১টার মধ্যে যেকোনো সময় ব্যবসায়ী সোহেল আহমেদকে (৫৫) যাত্রাবাড়ী থানাধীন শহীদ ফারুক রোডের আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের গলি সংলগ্ন ২৩/এ পশ্চিমের নিজ বাসার ছাদের কক্ষে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই মো. মনিরুল ইসলাম মাসুদ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় হত্যা মামলা করেন।
মিতুর পালানোর ঘটনা: যাত্রাবাড়ী থানার ওসি মোহাম্মদ রাজু বলেন, ব্যবসায়ী সোহেল আহমেদ হত্যা মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে মিতু আক্তারকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়। পরে তার রিমান্ড আবেদন করা হলে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ২৪ আগস্ট তাকে তিন দিনের রিমান্ডে যাত্রাবাড়ী থানায় আনা হয়। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) তার রিমান্ডের শেষ দিন ছিল। নিয়ম অনুযায়ী, ওই দিন দুপুরে তাকে আদালতে হাজির করার কথা ছিল। এর আগেই সকালে থানার নারী ও শিশু ডেস্ক থেকে কৌশলে তিনি পালিয়ে যান। মিতু পালিয়ে যাওয়ার পর ওয়ারী বিভাগের উপপুলিশ কমিশনারের নেতৃত্বে যাত্রাবাড়ী থানার একটি দল তাকে গ্রেফতারে অভিযান শুরু করে। প্রায় ৪০ ঘণ্টার মধ্যে শুক্রবার রাত ১২টা ১০ মিনিটে কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বিডিনিউজ ২৪ (২৯.০৮.২০২৬)

0 coment rios: