![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
রোববার (৩০ আগস্ট)এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি আহমেদ সোহেল এবং বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালকসহ (ডিজি) সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে রিটকারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. কাওসার হোসাইন। পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী দেশে বর্তমানে ৩৪ হাজার ৬১২টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালিত হচ্ছে। এর মধ্যে নিবন্ধন রয়েছে মাত্র ৯৯৮টির। অর্থাৎ বাকি ৩৩ হাজার ৬১৪টি বিদ্যালয়ই অনিবন্ধিত।’
কাওসার হোসাইন আরও বলেন, ‘দ্য রেজিস্ট্রেশন অব প্রাইভেট স্কুল অর্ডিন্যান্স-১৯৬২ অনুযায়ী, অনিবন্ধিত অবস্থায় কোনো বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনার সুযোগ নেই। এই আইনের ৩ ধারায় স্পষ্ট বলা আছে যে, নিবন্ধন ছাড়া স্কুল পরিচালনা করলে তা বন্ধ করে দেওয়া এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে।’ এই বিশাল সংখ্যক বিদ্যালয় অনিবন্ধিত থাকা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়ে কোনো প্রতিকার না পাওয়ায় জনস্বার্থে এই রিট আবেদনটি করা হয়।
আদালত শুনানি শেষে বিদ্যালয়গুলোর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তাকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন।
বিডিএলপিবি/এমএম

0 coment rios: