২৫ আগ, ২০২৬

৯৯৯ সেবায় বিলম্ব ও ‘জিরো এফআইআর' বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্টদের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি নয় প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

ছবি: সংগৃহীত 
জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর কার্যক্রমে বিলম্ব, বারবার কল অন্যত্র স্থানান্তর এবং দ্রুততম সময়ে পুলিশি সহায়তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যর্থতার অভিযোগের বিষয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিচারপতি মো. হাবিবুল গণি ও বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তাজরুল হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ জনস্বার্থে দায়ের করা এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে এ রুল জারি করেন।

আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে স্বরাষ্ট্রসচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি), ৯৯৯-এর পরিচালক এবং তথ্য ও সম্প্রচার সচিবকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সায়কা কবির জিতি জনস্বার্থে এই রিট আবেদন করেন। আদালতে তিনি নিজেই (পিটিশনার ইন পারসন) শুনানি করেন।

রুলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর কার্যক্রমে দেরি হওয়া, কল বারবার এক দপ্তর থেকে অন্য দপ্তরে স্থানান্তর (রিডাইরেক্ট), কার্যকর জিপিএসভিত্তিক লোকেশন ও কলার শনাক্তকরণ ব্যবস্থা বজায় রাখতে ব্যর্থতা এবং নিকটতম টহল দল দ্রুত মোতায়েনে ব্যর্থতার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

একই সঙ্গে কার্যকর জিরো এফআইআর (ঘটনা যে অঞ্চলেই ঘটুক না কেন, যেকোনো থানায় মামলা করার ব্যবস্থা) প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্টদের নিষ্ক্রিয়তাকে কেন বেআইনি ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, তাও জানতে চেয়েছেন আদালত।

আদালতে রিট আবেদনটি দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সায়কা কবির জিতি। তিনি জানান, রুলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর কার্যক্রমে বিলম্ব, বারবার কল অন্যত্র রিডাইরেক্ট করা, কার্যকর জিপিএস-ভিত্তিক লোকেশন ও কলার শনাক্তকরণ ব্যবস্থা বজায় রাখতে ব্যর্থতা, নিকটতম মোতায়েন করা পুলিশ ফোর্স, টহল দল বা ইউনিট দ্রুত মোতায়েনে ব্যর্থতা এবং কার্যকর ‘জিরো এফআইআর’ ব্যবস্থা প্রণয়ন, বাস্তবায়ন ও বজায় রাখতে ব্যর্থতার কারণে সময়মতো পুলিশি সুরক্ষা ও আইনের সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়াকে কেন সংবিধানের ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদের আলোকে বেআইনি ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

রুলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি), জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর পরিচালক/অফিসার ইনচার্জ এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিবকে দুই সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার বাংলা (২৫.০৮.২০২৬)


শেয়ার করুন

0 coment rios: