২৪ আগ, ২০২৬

মিডফোর্ডে সোহাগ হত্যা মামলায় প্রত্যক্ষদর্শীসহ আরও ২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ

ছবি: সংগৃহীত 
পুরান ঢাকায় স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের (মিটফোর্ড হাসপাতাল) সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে মো. সোহাগ (৩৯) হত্যার ঘটনায় করা মামলায় প্রত্যক্ষদর্শীসহ ২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন আদালত। 

রবিবার (২৩ আগস্ট) ঢাকার ১ম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক আয়েশা আক্তার মৌসুমী তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর আসামি পক্ষের আইনজীবীরা তাদের জেরা করেন। তাদের জেরা শেষে আদালতে আগামী ৬ সেপ্টেম্বর পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন রাখা হয়েছে। সাক্ষীরা হলেন- সোহাগের দোকানের কর্মচারী মো. আমির হোসেন (প্রত্যক্ষদর্শী) এবং পাশের দোকানি মিঠুন হাওলাদার। সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বিল্লাল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। 

এর আগে, গত ১২ জুলাই আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নামঞ্জুর করে বিচার শুরুর আদেশ দেন একই আদালত। গত ৩ আগস্ট এই মামলার বাদী মঞ্জুয়ারা বেগমের সাক্ষ্য গ্রহণের মাধ্যমে এই মামলাটির সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। 

আসামিরা হলেন- মো. মাহমুদ হাসান মাহিন ওরফে মাহমুদুল হাসান (মহিন), মো. তারেক রহমান রবিন, মো. টিটন গাজী, মো. আলমগীর, মো. মনির ওরফে লম্বা মনির, মো. সজীব বেপারী, মো. নানু কাজী, মো.  রিজওয়ান উদ্দীন ওরফে অভিজিৎ বসু, মো. জহিরুল ইসলাম, সাগর, মো. রুমান বেপারী, মো. আবির হোসেন, মো. পারভেজ, মো. জহিরুল ওরফে জলিল, মো. ইমরান, মো. শারাফাত ওরফে শফিউল ইসলাম, মো. জিয়াউদ্দিন রাজিব, মো. হোসেন চৌকিদার, মো. সারোয়ার হোসেন টিটু, মো. মঙ্গল মিয়া ওরফে মনির হোসেন ও অপু দাস।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৫ সালের ৯ জুলাই সন্ধ্যা ৬টার দিকে মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটসংলগ্ন রজনী ঘোষ লেনে পাকা রাস্তার ওপর একদল লোক ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে (৩৯) এলোপাতাড়িভাবে পাথর দিয়ে আঘাত করে ও কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে। ওই ঘটনায় পরের দিন ১০ জুলাই নিহতের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম বাদী হয়ে ১৯ জনের বিরুদ্ধে কোতয়ালী থানায় হত্যা মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়।

তদন্ত শেষে গত বছরের ৮ ডিসেম্বর এই মামলায় ২১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার (বর্তমানে শাহবাগ) অফিসার্স ইনচার্জ মনিরুজ্জামান। এছাড়াও অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ১০ আসামিকে অব্যাহতির সুপারিশ করেন তদন্তকারী এই কর্মকর্তা।

তবে মামলাটিতে তদন্তে ত্রুটি থাকায় পুনরায় তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন আদালত। গত ১০ মে তদন্ত করে আবারও ২১ জনের বিরুদ্ধে সম্পূরক চার্জশিট দাখিল করেন কোতোয়ালি থানার ইন্সপেক্টর শাহ মো. ফয়সাল আহমেদ।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বিডি নিউজ ২৪ (২৩.০৮.২০২৬)


শেয়ার করুন

0 coment rios: