![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
মামলার অভিযোগ: মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা ও স্মৃতিভ্রমে আক্রান্ত বাবা কাজী শামসুল হকের দুর্বল অবস্থার সুযোগ নেন কাজী তারেক শামস। সহযোগী এম এ মাসুদের সহায়তায় প্রতারণার মাধ্যমে লেকশোর হোটেলের শেয়ার নিজেদের নামে লিখে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাই-বোনেরা আদালতে মামলা করেন।
সিআইডির তদন্ত রিপোর্ট: বাদীপক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার আল মামুন রাসেল জানান, মামলাটি দুই দফা সিআইডি তদন্ত করেছে। তদন্তে প্রতারণার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হয়। আদালত তদন্ত প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা করে মামলাটি আমলে নেন। এরপর আসামিদের বিরুদ্ধে সমন জারি করা হয়।
আদালতের আদেশ: সমন জারির পরও কাজী তারেক শামস ও এম এ মাসুদ আদালতে হাজির হননি। এ কারণে আদালত তাদের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪২০ ও ১০৯ ধারায় অপরাধের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ৪০৬ ধারায় বিশ্বাসভঙ্গ, ৪২০ ধারায় প্রতারণা এবং ১০৯ ধারায় প্ররোচনা বা সহায়তার অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত মামলাটি বিচারার্থে আমলে নিয়ে দুই আসামির বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করেন।
বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: ঢাকা ট্রিবিউন (৩১.০৮.২০২৬)

0 coment rios: