![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
এ সময় আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগকে (ডিবি) আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেন। মামলার অপর দুই আসামি হলেন—নামিমের বাবা আশরাফউদ্দিন ও মা শাহনাজ বেগম। বাদীপক্ষের আইনজীবী আজাদ রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
মামলার বিবরণ সূত্রে জানা গেছে, ভিকটিম সাদিয়া ইযাসফিয়া মেকাপ আর্টিস্টের কাজ করতেন। ১ নম্বর আসামি নামিম আশরাফ ফটোগ্রাফার সঙ্গে ২০২৪ সালে শুটিংয়ে সাদিয়ার পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। কিন্তু নামিম ভিকটিমকে বিয়ের কথা বলে ঘোরাতে থাকেন। এই নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে মনমালিন্য হয়।
বাদী আরও অভিযোগ করেন, গত ১০ জুন রাতে নামিম ভুক্তভোগী সাদিয়াকে ডেকে নিয়ে আদাবরের শেখেরটেক-১২ নম্বর রোডের একটি ভবনের ২য় তলায় তার নিজস্ব ফটো স্টুডিও ফ্ল্যাটে নিয়ে যান। কিন্তু নামিম ভিকটিমকে বান্ধবীর বাসায় আছেন বলে পরিবারকে জানাতে বাধ্য করেন।
বাদীর অভিযোগ, আসামি নামিম ১০ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত আদাবরের স্টুডিওতে ভিকটিমকে আটকে রেখে অনবরত ধর্ষণ করেন এবং ১৪ জুন হত্যা করেন। পরে আসামি নামিম নিজেকে বাঁচাতে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে প্রচারণা চালান। এ ঘটনায় পুলিশের সুরতাল প্রতিবেদনে ভিকটিমের শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাত ও ধর্ষণের আলামত পেয়েছে বলেও জানান বাদী।
বিডিএলপিবি/এমএম
সোর্স: বাংলা ট্রিবিউন

0 coment rios: