২৫ আগ, ২০২৬

চেক ডিজঅনার মামলায় প্রক্সি: আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীর জামিন

চেক ডিজঅনার মামলায় প্রক্সি: আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীর জামিন

ছবি: সংগৃহীত 
ঢাকার আদালতে ২৯ লাখ টাকার চেক ডিজঅনারের মামলায় আরেক নারীর হয়ে প্রক্সি দিয়ে ধরা পরার অভিযোগের মামলায় হাম্মাদ এমদাদ হোসাইন নামে এক আইনজীবী আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন।

সোমবার (২৪ আগস্ট) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহ তার জামিনের আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) কামাল হোসেন এ তথ্য জানান।

২৯ লাখ টাকা চেক ডিজঅনারের অভিযোগে ২০২৫ সালের ২৩ মার্চ নিবেদিতা আহমেদ তুলি নামে এক সরকারি চাকরিজীবী আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলার ধার্য দিন ছিল গত ১৬ জুন। সে দিন আসামি আদালতে হাজির হননি।

ঢাকার চতুর্থ যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ তানিয়া সুলতানা লিপির আদালত আসামির জামিন বাতিল করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। পরবর্তী শুনানির দিন রাখেন ২০ অগাস্ট। তবে ২৫ জুন আসামি নাসরিনের হয়ে মনোয়ারাকে আদালতে হাজির করে জামিন আবেদন করেন আইনজীবী হাম্মাদ এমদাদ হোসাইন। পরে ধরা পড়েন মনোয়ারা এবং থানা পুলিশ এসে তাকে নিয়ে যায়।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মিয়া মো. ইব্রাহিম খলিল অপু ওইদিন রাতেই নাসরিন সিকদার, তার হয়ে আদালতে প্রক্সি দিয়ে ধরা পরা মনোয়ারা বেগম ও আইনজীবী মো. হাম্মাদ এমদাদ হোসাইনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলায় গ্রেফতার হয়ে মনোয়ারা বেগম কারাগারে রয়েছেন।

এদিকে গত ৩০ জুন উচ্চ আদালত থেকে আট সপ্তাহের জামিন পান হাম্মাদ এমদাদ হোসাইন। জামিনের মেয়াদ শেষ হতে যাওয়ায় সোমবার আত্মসমর্পণ করে জামিন চান এ আইনজীবী। তার পক্ষে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়াসহ কয়েকজন জামিন চেয়ে শুনানি করেন।

শুনানিতে বলা হয়, গত ২৫ জুন এ আইনজীবী হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে অবস্থানকালে কে বা কারা তার নামীয় সিল ব্যবহার করে প্রক্সি আসামি আত্মসমর্পণ করেন। তিনি এ বিষয়ে অবগত ছিলেন না। তিনি ঘটনার দিনে হাইকোর্ট বিভাগে অবস্থান করছিলেন। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত না। তার জামিনের প্রার্থনা করছি।

শুনানি নিয়ে আদালত পুলিশ প্রতিবেদন জমা দেওয়া পর্যন্ত তার জামিনের আদেশ দেয় বলে জানিয়েছেন উপ-পরিদর্শক (এসআই) কামাল হোসেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, নাসরিন সিকদারের মামলাটি ঢাকার চতুর্থ যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ তানিয়া সুলতানা লিপির আদালতে বিচারাধীন। ২৫ জুন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মনোয়ারা বেগম প্রকৃত আসামি পরিচয়ে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করে। শুনানিকালে তার নাম-ঠিকানা ও মামলার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সঠিকভাবে বলতে পারেনি।

আদালতের সন্দেহ হলে তাকে ব্যাপকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে। নথিপত্র, পরিচয়পত্র যাচাইয়ের মাধ্যমে দেখা যায়, ওই নারী প্রকৃত আসামি না এবং মিথ্যা পরিচয়ে আদালতে হাজির হয়েছিলেন। নাসরিন সিকদার ও হাম্মাদ এমদাদ হোসাইন মনোয়ারাকে অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে প্রকৃত আসামি সাজিয়ে আদালতে উপস্থিত হতে প্ররোচিত করেন।

মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, হাম্মাদ এমদাদ হোসাইন মামলার নথিভুক্ত ওকালতনামায় নিজের হাতে নাম লিখেছেন এবং ভুয়া ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থাপন করেছেন। প্রকৃতপক্ষে এই মামলা পরিচালনার ক্ষমতা তার নেই।

আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে আদালতকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে অভিযোগ করে এজাহারে বলা হয়, বিচারিক কার্যধারায় প্রতারণামূলকভাবে অন্যের রূপ ধারণ করে আসামিরা মূল্যবান জামানত জাল-জালিয়াতি করেছে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বিডিনিউজ ২৪ (২৪.০৮.২০২৬)

ভূমি অপরাধ ও প্রতিকার আইন কেন সাংবিধানের সাথে অসামঞ্জস্য নয় প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

ভূমি অপরাধ ও প্রতিকার আইন কেন সাংবিধানের সাথে অসামঞ্জস্য নয় প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

ছবি: সংগৃহীত 
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর সাংবিধানিক বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। রুলে ভূমি অপরাধ ও প্রতিকার আইন কেন  সাংবিধানের সাথে অসামঞ্জস্য নয় তা জানতে চাওয়া হয়। উক্ত রুলে হাইকোর্ট চার সপ্তাহের রুল জারি করে সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের জবাব দিতে নির্দেশ দেন।

এ বিষয়ে দায়ের করা রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সোমবার (২৪ আগস্ট) হাইকোর্টের  বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। আদালতে এদিন রিটের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এম এম নূরুজ্জামান।

শুনানিতে তিনি বলেন, ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর মাধ্যমে সম্পত্তির মালিকানা, দখল ও দখল পুনরুদ্ধারের মতো বিচারিক প্রকৃতির বিষয়ে নির্বাহী বা প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষকে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দেওয়ানি আদালতের বিচারিক এখতিয়ারের সমান্তরালে প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: জাগো নিউজ ২৪ (২৫.০৮.২০২৬)

পেছাল শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায়

পেছাল শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায়

ছবি: সংগৃহীত 
বহুল আলোচিত মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় আসামি হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর রায়ের দিন পিছিয়ে আগামী সোমবার (৩১ আগস্ট) দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট।

রাষ্ট্রপক্ষের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ নতুন এদিন ধার্য করেন।

মঙ্গলবার আলোচিত শিশু আছিয়া হত্যা মামলার রায়ের দিন ধার্য ছিল। আদালতের কার্যক্রমের শুরুতে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক বলেন, “এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল শুনানি করেছেন। তিনি দেশের বাইরে আছেন। এ কারণে আমরা সময় চাচ্ছি। তখন আদালত সময় আবেদন মঞ্জুর করে রায়ের জন্য আগামী সোমবার দিন ধার্য করেন।”

এর আগে সোমবার (২৪ আগস্ট) বহুল আলোচিত মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় আসামি হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর রায়ের জন্য আজকের দিন (২৫ আগস্ট) ধার্য করা হয়।আদালতে আসামিপক্ষে রয়েছেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান। রাষ্ট্রপক্ষে রয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক।


বিডিএলপিবি/এমএম

সিইও নির্যাতন মামলায় সালমান এফ রহমানের জামিন

সিইও নির্যাতন মামলায় সালমান এফ রহমানের জামিন

ছবি: সংগৃহীত 
বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ফান্ড লিমিটেডের (বিআইএফএফএল) এক ব্যাংক কর্মকর্তাকে মারধর, প্রাণনাশের হুমকি ও জোর করে পদত্যাগে বাধ্য করার অভিযোগে করা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলমের আদালত পাঁচশত টাকার মুচলেকায় এই জামিন আদেশ দেন। আসামি পক্ষের আইনজীবী মো. সজিবুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ফান্ড লিমিটেডের (বিআইএফএফএল) সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এস এম ফরমানুল ইসলাম। পরে মামলাটি তদন্ত করেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এতে আব্দুর রউফ তালুকদারসহ মোট ৬ জনকে অভিযুক্ত করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। এর মধ্যে প্রধান আসামি আব্দুর রউফ তালুকদার, এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম, সালমান এফ রহমান, মো. মনিরুল ইসলাম খান ও খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জামিনে আছেন। অপর আসামি সাজ্জাদ হোসেন পলাতক রয়েছেন।

মামলায় সালমান এফ রহমান ছাড়াও সাবেক অর্থসচিব ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিমসহ মোট ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, বিআইএফএফএলের সিইও থাকাকালে এস এম ফরমানুল ইসলামের ওপর সালমান এফ রহমানের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের জন্য বিপুল অঙ্কের ঋণ ও বিনিয়োগ সুবিধা দেওয়ার চাপ দিতে থাকেন। সালমান এফ রহমানের মালিকানাধীন তিস্তা সোলার প্রকল্পের জন্য প্রায় ১৮৫ মিলিয়ন ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকার ঋণ দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়। প্রাতিষ্ঠানিক নীতিমালা ও প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে এই ঋণ দেওয়ার প্রস্তাবে সেই সময় রাজি হননি সিইও ফরমানুল ইসলাম। এরপর তার ওপর আরও চাপ তৈরি করা হয়। সালমান এফ রহমানের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের জন্য ২০০ কোটি টাকার জিরো কুপন বন্ডে বিনিয়োগের আগাম নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগও করা হয় মামলায়।

আরও বলা হয়, বেক্সিমকো গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য জামানত ছাড়াই শত কোটি টাকার ঋণ সুবিধা দেওয়ার চাপ দেওয়া হয়েছিল। তবে ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোর (সিআইবি) প্রতিবেদনে খেলাপি ঋণসহ বিভিন্ন জটিলতা থাকায় তাতে সম্মতি দেননি বিআইএফএফএলের তৎকালীন সিইও।

অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৮ জুলাই বিআইএফএফএলের ৮০তম বোর্ড সভা চলাকালে চাহিদামতো ঋণ ও বিনিয়োগ সুবিধা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় ফরমানুল ইসলামের ওপর চড়াও হন আসামিরা। একপর্যায়ে তার জামার কলার ধরে টানাহেঁচড়া ও চড়-থাপ্পড় মারা হয়। তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে জোর করে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। এরপর তার অফিসিয়াল মোবাইল ফোনের সিম বন্ধ করে দেওয়া, ই-মেইল ব্যবহারে বাধা দেওয়া এবং ব্যক্তিগত ব্যবহারের গাড়ির চাবি কেড়ে নেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। তাকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: প্রথম আলো (২৪.০৮.২০২৬)

ইন্টিমেশন রেজিষ্টেশন প্রক্রিয়া গ্রহণ ও প্রেরণ আইনজীবী সমিতির মাধ্যমে করতে হবে: চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির বিজ্ঞপ্তি

ইন্টিমেশন রেজিষ্টেশন প্রক্রিয়া গ্রহণ ও প্রেরণ আইনজীবী সমিতির মাধ্যমে করতে হবে: চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির বিজ্ঞপ্তি

ছবি: সংগৃহীত 
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক অ্যাডভোকেটশীপ পরীক্ষা নিম্ন আদালত (জজকোর্ট) ও হাইকোর্ট বিভাগে অনুমতি প্রাপ্তির পরীক্ষায় অংশগ্রহণের লক্ষ্যে ইন্টিমেশন রেজিষ্টেশন প্রক্রিয়া গ্রহণ ও প্রেরণ আইনজীবী সমিতির মাধ্যমে করতে হবে মর্মে জানিয়েছে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি।

সোমবার (২৪ আগস্ট) এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, "বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক অ্যাডভোকেটশীপ পরীক্ষা নিম্ন আদালত (জজকোর্ট) ও হাইকোর্ট বিভাগে অনুমতি প্রাপ্তির পরীক্ষায় অংশগ্রহণের লক্ষ্যে রেজিষ্টেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়। সমিতির কার্যনিবাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ইন্টিমেশন রেজিষ্টেশন প্রক্রিয়া সমিতির মাধ্যমে গ্রহণ ও প্রেরণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। যে সকল ছাত্র-ছাত্রী বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এল এল. বি (অর্নাস/পাসকোর্স) সম্পন্ন করেছেন এবং বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক নিম্ন আদালত (জজকোর্ট) এবং হাইকোর্ট বিভাগে অনুমতি প্রাপ্তির পরীক্ষায় অংশগ্রহণে আগ্রহী প্রত্যেককে নিম্ন আদালতের ইন্টিমেশন প্রক্রিয়া চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির অধীনে সম্পূর্ণ করতে হবে।"

এতে আরো বলা হয়, "উক্ত বিজ্ঞপ্তি প্রদান পরবর্তীতে কোন দোকান/ব্যক্তিকে ইন্টিমেশন সংক্রান্ত কাজ হইতে বিরত থাকার জন্য নির্দেশ দেওয়া গেল। ইন্টিমেশন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সমিতির লাইব্রেরী কার্যালয়ে পাওয়া যাবে।"


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির বিজ্ঞপ্তি (২৪.০৮.২০২৬)

প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্য ও কর্মকর্তার নামে ভুয়া আইডি খুলে প্রতারণা, আসামি রিমান্ডে

প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্য ও কর্মকর্তার নামে ভুয়া আইডি খুলে প্রতারণা, আসামি রিমান্ডে

ছবি: সংগৃহীত 
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরিবারের সদস্য ও সহকারী একান্ত সচিব এর নাম ও ছবি ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতারণার অভিযোগে বনানী থানায় করা মামলায় গ্রেপ্তার কাকন রানা নামে এক আসামিকে ৬ দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে। 

সোমবার (২৪ আগস্ট) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাকে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিএমপির সিটিটিসি সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক মো. বিপুল হোসেন। শুনানি। শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম তার ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এদিন আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিএমপির সিটিটিসি সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন বিভাগের উপপরিদর্শক মো. বিপুল হোসেন।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছে, গ্রেফতার কাকন রানা প্রাথমিকভাবে ভুয়া আইডি খোলার কথা স্বীকার করেছেন। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্য এবং তাঁর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন ও ব্যক্তিগত সহকারী আব্দুর রহমান সানিসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নামে তৈরি একাধিক ফেক ফেসবুক পেজ ও অ্যাকাউন্ট লগইন অবস্থায় পাওয়া গেছে। 

অপরাধের আসল উদ্দেশ্য উদঘাটন, সহযোগী বা অপরাধ চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতার এবং ব্যবহৃত অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইস ও সিমকার্ড উদ্ধারে আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, একটি অজ্ঞাতনামা চক্র এসব ভুয়া ফেসবুক প্রোফাইল তৈরি করে করেছিল। উক্ত আইডিগুলো থেকে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে বার্তা পাঠিয়ে নানা সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে সম্মানহানি, ব্ল্যাকমেইলিং ও প্রতারণা করা হতো।

রোববার ঢাকা মহানগর পুলিশের সিটি-সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন বিভাগের ই-ফ্রড ইনভেস্টিগেশন টিম রাজধানীর খিলক্ষেতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। পরে এ ঘটনায় বনানী থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বাসস (২৪.০৮.২০২৬)

২৪ আগ, ২০২৬

কোচিং সেন্টারের সঙ্গে জড়িত হতে পারবেন না বিচারকরা: সুপ্রিম কোর্টের পরিপত্র

কোচিং সেন্টারের সঙ্গে জড়িত হতে পারবেন না বিচারকরা: সুপ্রিম কোর্টের পরিপত্র

ছবি: সংগৃহীত 
বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যরা প্রত্যক্ষ বা ডিজিটাল বাণিজ্যিক কোচিং সেন্টারের সঙ্গে জড়িত হতে পারবেন না বলে পরিপত্র জারি করেছে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার (২৪ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচার শাখার রেজিস্টার জেনারেল হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  

পরিপত্রে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসে (অতঃপর সার্ভিস হিসেবে উল্লিখিত) কর্মরত সদস্যগণের পেশাগত শৃঙ্খলা, নিরপেক্ষতা ও মর্যাদা সমুন্নত রাখা এবং বিচার বিভাগের প্রতি জনগণের সুদৃঢ় আস্থা অক্ষুণ্ন রাখার লক্ষ্যে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পরিচালিত সরাসরি বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে কোচিং কার্যক্রমে সম্পৃক্ততার বিষয়ে সার্ভিসের সদস্যগণের জন্য নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। 

নির্দেশনাসমূহের মধ্যে, সার্ভিসের কোনো সদস্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পরিচালিত সরাসরি বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে কোচিং কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত হতে পারবেন না। সার্ভিসের কোনো সদস্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে তাঁর নাম, পদবি, ছবি বা পরিচয় সরাসরি বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে কোচিং সংক্রান্ত প্রচার প্রচারণার কাজে ব্যবহার করতে পারবেন না কিংবা এমন ধরনের ব্যবহার অনুমোদন করতে পারবেন না।

এতে আরও বলা হয়েছে, সার্ভিসের কোনো সদস্য বিচারিক দায়িত্ব পালনের সুবাদে প্রাপ্ত কোনো গোপনীয়, অপ্রকাশিত বা দাফতরিক তথ্য সরাসরি বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে কোচিং কার্যক্রমে প্রকাশ, সরবরাহ বা ব্যবহার করতে পারবেন না। সার্ভিসের কোনো সদস্য বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পরিচালিত সরাসরি বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে কোচিংয়ের জন্য শিক্ষাসামগ্রী প্রস্তুত, সম্পাদন, প্রকাশ বা সরবরাহ করতে পারবেন না।

এ পরিপত্রের কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে সার্ভিসের সংশ্লিষ্ট সদস্যের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা সংক্রান্ত প্রযোজ্য আইন ও বিধি অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

পরিপত্রটি নিচে দেওয়া হল:


বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: সুপ্রিম কোর্টের পরিপত্র