৬ জুল, ২০২৬

ড. ইউনূসসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে  ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি  করে রিট

ড. ইউনূসসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করে রিট

ছবিঃ সংগৃহীত

টিকার সংকট ও সরবরাহে গাফিলতির কারণে হামে আক্রান্ত হয়ে এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ছয়জনকে বিবাদী করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। রিটে শিশুটির পরিবারের জন্য ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়েছে। রবিবার (৫ জুলাই) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. জুয়েল আজাদ রিটটি দায়ের করেন।

রিট আবেদনে বলা হয়, গত ২৬ মে রাজধানীর শ্যামলীর একটি হাসপাতালে হামে আক্রান্ত হয়ে সাত মাস বয়সী শিশু সাফওয়ান ইসলাম জাহিনের মৃত্যু হয়। সে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সহকারী সমিতির সদস্য মো. শাকিলের ছেলে। আবেদনে শিশুটির চিকিৎসায় সংশ্লিষ্টদের অবহেলার অভিযোগও করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে টিকা সংগ্রহের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। এ কারণে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশনা এবং ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে টিকা মজুত ও সরবরাহ-সংক্রান্ত সব নথি আদালতে দাখিলের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

রিটে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি), জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ছয়জনকে বিবাদী করা হয়েছে।

এতে অন্তর্বর্তীকালীন ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৫ লাখ টাকা এবং মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির পর ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

রিটের বিষয়ে আইনজীবী মো. জুয়েল আজাদ বলেন, ‘হামের প্রাদুর্ভাব ও টিকার ঘাটতি নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং ইউনিসেফের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সতর্কতা থাকা সত্ত্বেও টিকাদান কর্মসূচিতে চরম গাফিলতি হয়েছে। উপযুক্ত চিকিৎসা পেলে শিশুটি মারা যেত না। তদন্তে যারা দায়ী হিসেবে চিহ্নিত হবে, তাদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করে ভুক্তভোগী পরিবারকে দেওয়া সরকারের দায়িত্ব।’


বিডিএলপিবি/এমএম

যাত্রাবাড়ীতে ‌‘উগ্রবাদী সন্দেহে’ আটক ৬ জন রিমান্ডে

যাত্রাবাড়ীতে ‌‘উগ্রবাদী সন্দেহে’ আটক ৬ জন রিমান্ডে

ছবি: সংগৃহীত 

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কোনাপাড়ার মিনি কক্সবাজার এলাকা থেকে উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে গ্রেপ্তার ছয়জনকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। রোববার (৫ জুলাই) তাদের ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালতে হাজির করা হলে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশের আবেদনের পর আদালত এ আদেশ দেন।

রিমান্ডে যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন—শাহ আমানত সাবির, হোসাইন তানিম, জুনায়েদ, আতাউল্লাহ শাহ, আবিদুর রহমান ও বায়োজিত। রোববার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে যাত্রাবাড়ীর কোনাপাড়ার মিনি কক্সবাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

আদালতে দাখিল করা আবেদনে যাত্রাবাড়ী থানার পরিদর্শক এ বি সিদ্দিক বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের জমির পাশের বালুর মাঠে উগ্রবাদী সংগঠনের কিছু ব্যক্তি প্রশিক্ষণ নিতে জড়ো হয়েছে। সেখানে অভিযান চালাতে গেলে তারা পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের আটক করে।

পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা সেখানে জড়ো হওয়ার বিষয়ে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। গোয়েন্দা তথ্য ও প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে তাদের উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার সন্দেহ করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানার পক্ষ থেকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলেও আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।রোববার সকালে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে তাদের আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে একই নিরাপত্তায় আদালত প্রাঙ্গণ থেকে নিয়ে যাওয়া হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম

‘ফেস দ্য পিপল’র সম্পাদকসহ দুই জনের বিরুদ্ধে মামলা,   তদন্তে পিবিআই

‘ফেস দ্য পিপল’র সম্পাদকসহ দুই জনের বিরুদ্ধে মামলা, তদন্তে পিবিআই

ছবি: সংগৃহীত 

চাঁদাদাবী ও মানহানির অভিযোগে ‘ফেস দ্য পিপল’র সম্পাদক ও প্রকাশক সাইফুর সাগরসহ দুই জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। রবিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুজ্জামানের আদালতে ‘মাস্তুল ফাউন্ডেশন’ এর পক্ষে আবু মো. কামরুজ্জামান এ মামলাটি করেন।

মামলায় অপর আসামি হলেন, ইনভেস্টিগেশন রিপোর্টার মোহাম্মদ ইউসুফ। আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে মামলটি পুলিশ বুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিটিআই)কে তদন্তের নির্দেশ দেন। 

বাদী পক্ষের  শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মো. এমদাদুল হক লাল, অ্যাডভোকেট আজাদ রহমান ও অ্যাডভোকেট এনামুল হক সানি। বাদী তার মামলায় বলেন, আসামিরা ফেস দ্যা পিপল অনলাইন পোর্টালে বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রকাশের নিমিত্তে মাস্তুল ফাউন্ডেশনে অফিসে আসেন।

আসামিরা মাস্তুল ফাউন্ডেশনের পক্ষে প্রতিবেদন প্রকাশের ২০ হাজার এবং প্রেস বিজ্ঞপ্তির জন্য ১৫ হাজার টাকা করে দাবি করেন। মাস্তুল ফাউন্ডেশনের ধারাবাহিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আসামিদের মাসিক ৫০ হাজার টাকা করে চাঁদা দাবি করেন। মাস্তুল ফাউন্ডেশনের কর্তৃপক্ষ আসামিদের দাবিকৃত চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় তাদেরকে ভয়ভীতিসহ প্রতিষ্ঠানটির সুনাম ক্ষুন্ন করা হুমকি দেয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। 

বাদী আভিযোগে আরও বলেন, গত ২৮ জুন ফেস দ্যা পিপল অনলাইন নিউজ পোর্টালে মাস্তুল ফাউন্ডেশনের সুনাম ক্ষুন্ন করে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটির ২০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। উক্ত ক্ষতি পুরণ আদায় করা জন্য পরবর্তীতে মামলা করা হবে বলে প্রতিবেদককে বাদী জানান।


বিডিএলপিবি/এমএম

হামে শিশুর মৃত্যু: ড. ইউনূস-শফিকুলসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন, আদেশ ১২ জুলাই

হামে শিশুর মৃত্যু: ড. ইউনূস-শফিকুলসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন, আদেশ ১২ জুলাই

ছবি: সংগৃহীত 

হামে আক্রান্ত হয়ে ৯ মাস বয়সী সাউদা নুসকানের মৃত্যুর ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ তুলে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয়েছে। এ বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী ১২ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত।

রোববার (৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত শুনানি শেষে এ দিন নির্ধারণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী আশুতোষ ভৌমিক।

এর আগে একই দিনে বর্ণিত অভিযোগে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করেছেন শিশুটির পিতা সিরাজুল ইসলাম।

রোববার ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে মামলার এ আবেদন করেন তিনি। মামলার আবেদনে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূর জাহান বেগমের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী তাছলিমা জাহান পপি বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে আদেশ অপেক্ষমাণ রেখেছেন।’

মামলার আবেদনপত্র সূত্রে জানা গেছে, সিরাজুল ইসলামের ৯ মাস বয়সী মেয়ে সাউদা নুসকান হামে মারা গেছে। তিনি মামলার আবেদনে ‘অবহেলাজনিত মৃত্যুর’ অভিযোগ এনেছেন।


বিডিএলপিবি/এমএম

যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ পদমর্যাদার ৩৪ বিচারককে বদলি

যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ পদমর্যাদার ৩৪ বিচারককে বদলি

ছবি: সংগৃহীত 

দেশজুড়ে যুগ্ম জেলা ও দায়র জজ পদমর্যাদার ৩৪ বিচারককে বদলি করেছে সরকার। সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শক্রমে রোববার (৫ জুলাই) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

আইন মন্ত্রণালয় কর্তৃক  জারি করা ওই আদেশে বদলি হওয়া বিচারকদের আগামী ৭ তারিখের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্ব হস্তান্তর করে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পদায়ন পাওয়া কর্মকর্তারা নতুন দায়িত্ব পালন করবেন।

বদলিকৃত কর্মকর্তারা হলেন—

১. মো. সামিউল আলম — বিচারক (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল, রংপুর থেকে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, চাঁদপুর। 

২. কাজী ফখরুল আবেদীন — সংযুক্ত কর্মকর্তা (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), আইন ও বিচার বিভাগ, ঢাকা থেকে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, বান্দরবান। 

৩. হোসনে আরা বেগম — যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, বান্দরবান থেকে বিচারক (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল, চাঁদপুর। 

৪. শারমিন রীমা — যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, চট্টগ্রাম থেকে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, পাবনা। 

৫. ইশরাত জাহান — সংযুক্ত কর্মকর্তা (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), আইন ও বিচার বিভাগ, ঢাকা থেকে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ। 

৬. ইসমত আরা তুমি — সংযুক্ত কর্মকর্তা (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), আইন ও বিচার বিভাগ, ঢাকা থেকে উপপরিচালক (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), দুর্নীতি দমন কমিশন, ঢাকা। 

৭. নাসিমা তালুকদার মুনমুন — যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, গাইবান্ধা থেকে বিচারক (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল, টাঙ্গাইল। 

৮. মো. একরামুল হক শামীম — স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, ডিপিডিসি, ঢাকা থেকে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, টাঙ্গাইল। 

৯. ফারহানা ইয়াসমিন — সংযুক্ত কর্মকর্তা (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), আইন ও বিচার বিভাগ, ঢাকা থেকে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, লালমনিরহাট। 

১০. মো. নিয়াজ মাখদুম — যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, টাঙ্গাইল থেকে রেজিস্ট্রার (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল, বগুড়া। 

১১. মোছা. শারমিন আক্তার — যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, সিরাজগঞ্জ থেকে যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ, বরিশাল। 

১২. রাশেদুর রহমান — যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, যশোর থেকে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, বগুড়া। 

১৩. মো. শামসুজ্জামান — যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, নড়াইল থেকে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, কক্সবাজার।

১৪. কাজী আশরাফুজ্জামান — যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, বরগুনা থেকে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, যশোর।

১৫. জান্নাতুল আদন শিরিন — সংযুক্ত কর্মকর্তা (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), আইন ও বিচার বিভাগ, ঢাকা থেকে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, রাঙ্গামাটি।

১৬. মুহাম্মদ নাছির উদ্দীন ফরাজী — অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মেহেরপুর থেকে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, সাতক্ষীরা।

১৭. মো. এনামুল হক — যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, সাতক্ষীরা থেকে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, ঝিনাইদহ।

১৮. তানিয়া বিনতে জাহিদ — অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, ঝিনাইদহ থেকে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মেহেরপুর।

১৯. নুরুন্নাহার ইয়াসমিন — স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, ঢাকা থেকে বিচারক (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল, ঝালকাঠি।

২০. মুক্তা রানী — বিচারক (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল, ঝালকাঠি থেকে স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, ঢাকা।

২১. নয়ন বড়াল — সিনিয়র সহকারী সচিব, আইন কমিশন, ঢাকা থেকে বিচারক (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল, গোপালগঞ্জ।

২২. মোহাম্মদ কফিল উদ্দীন — অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), লক্ষ্মীপুর।

২৩. রোমানা রোজী — সংযুক্ত কর্মকর্তা (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), আইন ও বিচার বিভাগ, ঢাকা থেকে বিচারক (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), অর্থঋণ আদালত, খুলনা।

২৪. মোছা. রহিমা আক্তার — বিচারক (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল, মাদারীপুর থেকে চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), নারায়ণগঞ্জ।

২৫. এলিছ জাহান — সংযুক্ত কর্মকর্তা (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), আইন ও বিচার বিভাগ, ঢাকা থেকে চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), গাজীপুর।

২৬. তানজিনা আক্তার — সংযুক্ত কর্মকর্তা (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), আইন ও বিচার বিভাগ, ঢাকা থেকে চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), টাঙ্গাইল।

২৭. স্মরণিকা পাল — সংযুক্ত কর্মকর্তা (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), আইন ও বিচার বিভাগ, ঢাকা থেকে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, সিলেট।

২৮. নুসরাত সাহারা বীথি — স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন থেকে চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), মাদারীপুর।

২৯. মো. তাওহীদ-আল-আজাদ — অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, নীলফামারী থেকে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, নরসিংদী।

৩০. জনাব মোঃ আরিফুল ইসলাম (২০১৫২০৭০১২) যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, ঢাকা থেকে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, লালমনিরহাট

৩১. জনাব শিপলু কুমার দে (২০১৩২০৬০৬৬) অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, রাঙ্গামাটি থেকে চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), ফেনী

৩২. জনাব মোঃ তোফাজ্জল হোসেন (২০১০২০৪০২০) বিচারক (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল, গাইবান্ধা থেকে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, কুড়িগ্রাম

৩৩. জনাব পারুল আকতার, সংযুক্ত কর্মকর্তা (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) আইন ও বিচার বিভাগ, ঢাকা [চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার, কুষ্টিয়া হিসেবে পদায়িত] থেকে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, রংপুর

৩৪. জনাব রাজীভ কুমার রায় (২০১৩২০৬০৬৫) বিচারক (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল, জয়পুরহাট থেকে চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), ঝালকাঠি


বিডিএলপিবি/এমএম

৫ জুল, ২০২৬

অ্যাটর্নি জেনারেলকে ‘হুমকি’:  ৪ ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে শোকজ

অ্যাটর্নি জেনারেলকে ‘হুমকি’: ৪ ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে শোকজ

ছবি: সংগৃহীত

অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজলকে ‘ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শনের’ অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে রাষ্ট্রের পক্ষে মামলা পরিচালনার দায়িত্বে থাকা চার ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে।

রোববার (৫ জুলাই) অ্যাটর্নি জেনারেলের নির্দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন এ কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন।

নোটিশ পাওয়া চারজন ডিএজি হলেন- মো. জহিরুল ইসলাম সুমন, মো. রফিকুল ইসলাম মন্টু, মুহাম্মদ মাসুদ রানা এবং মো. আশিকুজ্জামান নজরুল।

নোটিশের ভাষ্য অনুযায়ী, রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে অ্যাটর্নি জেনারেল কর্মরত থাকাকালীন তার কার্যালয়ে তার সঙ্গে ওই চার ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিচারপ্রার্থী ও কার্যালয়ে কর্মরত অন্য আইন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে অসংযত আচরণ করেন। তাকে বিভিন্ন ভয়-ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করেন। এছাড়াও যেকোনো অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটবে বলে হুমকি দেন।

শোকজ নোটিশে চার ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়, আপনাদের এহেন কার্যক্রম গুরুতর অসদাচরণ ও সরকারি কাজে বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় আপনাদের বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, এই নোটিশ প্রাপ্তির ০৩ (তিন) কর্ম দিবসের মধ্যে জবাব প্রদানের জন্য আদিষ্ট হয়ে অনুরোধ করা যাচ্ছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

চিত্রনায়ক সালমান শাহ’র লাশ উত্তোলনে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ

চিত্রনায়ক সালমান শাহ’র লাশ উত্তোলনে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ

ছবি: সংগৃহীত 

চিত্রনায়ক সালমান শাহের (চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন) লাশ কবর থেকে উত্তোলনের জন্য একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। 

গত ২২ জুন সিলেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পিংকি সাহা এ সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করেন। এই অফিস আদেশের একটি অনুলিপি আজ ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ডাক যোগে পাঠানো হয়েছে। এই অফিস আদেশটি নথিভুক্ত করা হয়েছে।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, গত ২৪ মে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আদেশ মোতাবেক মামলার ভিকটিম মৃত চিত্রনায়ক সালমান শাহ্-এর মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ১৭৬(২) ধারা মোতাবেক কবর হতে লাশ উত্তোলনের সময় উপস্থিত থেকে ম্যাজিস্ট্রেরিয়াল দায়িত্ব পালনের জন্য সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. পারভেজকে নিয়োগ করা হলো।

রমনা থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক শাহ আলম আজ বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ২০ মে সালমান শাহ’র মৃতদেহ (লাশ) কবর থেকে উত্তোলনের আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা গত ২৪ মে হত্যার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে মরদেহ উত্তোলনপূর্বক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করার অনুমতি দেন।

গত ২৩ জুন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে মামলার বাদি মোহাম্মদ আলমগীর (কুমকুম) লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল চেয়ে আবেদন করেন। আদালত আবেদনটি নথিভুক্ত করার আদেশ দেন।

গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার আসামিরা হলেন- সালমান শাহ’র স্ত্রী সামিরা হক, শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুসি, খলনায়ক ডন, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, মে ফেয়ার বিউটি পার্লারের রুবি, আবুল সাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ফরহাদ। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও অনেককে আসামি করা হয়েছে।

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহ’র মৃত্যুর পর রমনা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়। তবে গত ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক বাদিপক্ষের করা রিভিশন মঞ্জুর করে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২১ অক্টোবর সালমান শাহ’র মামা মোহাম্মদ আলমগীর রমনা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগে মোহাম্মদ আলমগীর উল্লেখ করেন, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তার বোন নীলুফার জামান চৌধুরী (নীলা চৌধুরী), বোনের স্বামী কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী এবং তাদের ছোট ছেলে শাহরান ইস্কাটনের বাসায় সালমান শাহের সঙ্গে দেখা করতে যান। সেখানে গিয়ে তারা জানতে পারেন, সালমান ঘুমাচ্ছেন। কিছুক্ষণ পর প্রোডাকশন ম্যানেজার সেলিম ফোন করে জানান, সালমানের কিছু হয়েছে। তখন দ্রুত তারা বাসায় ফিরে দেখেন, সালমান শয়নকক্ষে নিথর পড়ে আছেন এবং কয়েকজন বহিরাগত নারী তার হাত-পায়ে তেল মালিশ করছেন। পাশের কক্ষে সামিরার আত্মীয় রুবি বসে ছিলেন।

সালমানের মা চিৎকার করে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার অনুরোধ করেন। পথে তারা সালমানের গলায় দড়ির দাগ এবং মুখমণ্ডল ও পায়ে নীলচে দাগ দেখতে পান। তারা সালমান শাহকে প্রথমে হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, সালমান শাহ অনেক আগেই মারা গেছেন।

মোহাম্মদ আলমগীর এজাহারে আরও জানান, সালমানের পিতা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী তার মৃত্যুর আগে ছেলের মৃত্যুকে হত্যা বলে সন্দেহ করে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি দরখাস্ত দাখিল করেন। এতে তিনি রমনা থানার অপমৃত্যু মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণ এবং সিআইডির মাধ্যমে তদন্তের আবেদন জানান। সালমানের পিতার মৃত্যুর পর তিনি তার বোনের পক্ষ থেকে মামলাটি পরিচালনা করছেন।

বিডিএলপিবি/এমএম
সোর্স- বাসস