২৩ ফেব, ২০২৬

কে এই সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত চিফ প্রসিকিউটর মো: আমিনুল ইসলাম

কে এই সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত চিফ প্রসিকিউটর মো: আমিনুল ইসলাম


ছবি: সংগৃহীত 

২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে তিনি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আমিনুল ইসলাম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (ICT) নতুন চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন, তিনি তাজুল ইসলাম এর পরিবর্তে এই পদে নিয়োগ প্রাপ্ত হন। তিনি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আইনজীবী হিসেবে পরিচিত এবং বিডিআর হত্যাকাণ্ডের মামলার আসামিপক্ষের আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি অ্যাটর্নি জেনারেলের পদমর্যাদা ও সুবিধাসহ এই পদে দায়িত্ব পেয়েছেন।

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আইনি দলের সদস্য হিসেবে তিনি বিভিন্ন দুর্নীতি মামলায় তাকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়া, তিনি বিডিআর হত্যাকাণ্ডের আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন।

 আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে এই পদে নিযুক্ত করেন। তিনি তাজুল ইসলামের স্থলাভিষিক্ত হলেন, যিনি ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে এই পদে কর্মরত ছিলেন।

স্পিকার পদে আলোচনায় বিএনপির যে ৩ সিনিয়র নেতা

স্পিকার পদে আলোচনায় বিএনপির যে ৩ সিনিয়র নেতা


ছবি: সংগৃহীত 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসছে আগামী ১২ মার্চ। এই অধিবেশনে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করা হবে। নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো জানাচ্ছে, স্পিকার পদে এখন পর্যন্ত বিএনপির প্রবীণ তিনজন নেতার নাম আলোচনায় আছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন করেছে বিএনপি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন ২৫ জন মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী। এছাড়া উপদেষ্টা পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বিএনপির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ১০ জনকে। এরপর থেকেই আলোচনা উঠেছে- কে হচ্ছেন স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার ও চিপ হুইপ। জানা গেছে, এ নিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনা ও কৌতূহলের শেষ নেই।

তবে এই পদের জন্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খানের নাম সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে। বলা হচ্ছে, ক্লিন ইমেজের নেতা হিসাবে তাকে স্পিকার নির্বাচিত করার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। নরসিংদী-২ আসন থেকে তিনি মোট পাঁচবার সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

এরপরে আলোচনায় রয়েছে দলটির ভাইস চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনের নাম। সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি জয়নুল আবেদীন এবার বরিশাল-৩ আসন থেকে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

এছাড়া আলোচনায় রয়েছে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. এম ওসমান ফারুকের নামও। জানা গেছে, এই তিনজনের মধ্য থেকে একজনকে স্পিকার নির্বাচিত করার সম্ভাবনাই বেশি।

ঢাকা উত্তর-দক্ষিণসহ ৬ সিটি করপোরেশনে নতুন প্রশাসক নিয়োগ

ঢাকা উত্তর-দক্ষিণসহ ৬ সিটি করপোরেশনে নতুন প্রশাসক নিয়োগ


ছবি: সংগৃহীত 

ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণসহ দেশের মোট ৬টি সিটি করপোরেশনে প্রশাসন নিয়োগ করেছেন সরকার। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এমনটা জানানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. আব্দুস সালাম আর মো. শফিকুল ইসলাম খানকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

এ ছাড়াও খুলনা সিটি করপোরেশনে নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সিলেটে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, নারায়ণগঞ্জে মো. সাখাওয়াত হোসেন খান এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হয়েছেন মো. শওকত হোসেন সরকার।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, 'স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪' এর ধারা ২৫ক এর উপধারা (১) এর অনুবৃত্তিক্রমে তাদেরকে করপোরেশন গঠিত না হওয়া পর্যন্ত অথবা পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাদের নামের পাশে বর্ণিত সিটি কর্পোরেশনের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।

আরও উল্লেখ করা হয়, নিয়োগকৃত প্রশাসকগণ সিটি করপোরেশনের মেয়র এর ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন। তারা বিধি মোতাবেক ভাতা পাবেন। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

তাজুল ইসলামের পদ হারানোর গুঞ্জন, কে হচ্ছেন নতুন চিফ প্রসিকিউটর?

তাজুল ইসলামের পদ হারানোর গুঞ্জন, কে হচ্ছেন নতুন চিফ প্রসিকিউটর?


ছবি: সংগৃহীত 

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামকে সারিয়ে নতুন কাউকে নিয়োগের কথা ভাবছে সরকার। এমন একটি খবর প্রকাশ করেছেন ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান। দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমও বিষয়টি যাচাই করে একই রকম তথ্য পেয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে।

তাজুল ইসলামের বদলে চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে আলোচনায় এসেছে আইনজীবী আমিনুল ইসলামের নাম। তিনি বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দুর্নীতির মামলায় গঠিত আইনজীবী দলের সদস্য ছিলেন।

রোববার দিবাগত রাত ১১টার দিকে তাজুল ইসলামকে চিফ প্রসিকিউটর পদ খেকে সরিয়ে দেওয়ার খবরটি ফেসবুক প্রোফাইলে প্রকাশ করেছেন বার্গম্যান। বিদেশি সাংবাদিক লেখেন, ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে নতুন একজনকে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বর্তমান চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামকে সরিয়ে এ পদে আইনজীবী আমিনুল ইসলামকে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। এরই মধ্যে তাজুল ইসলামকে প্রতিস্থাপনের সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানানো হয়েছে।’

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ট্রাইব্যুনালের একটি উচ্চপদস্থ সূত্র দেশের ফ্যাক্ট চেক ভিত্তিক গণমাধ্যম দ্য ডিসেন্টকে জানিয়েছে, রোববার দিনের বেলা চিফ প্রসিকিউটর এডভোকেট তাজুল ইসলামকে আইনমন্ত্রী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান তার কার্যালয়ে ডেকে পাঠান। সেখানে মস্ত্রী মহোদয় তাকে (তাজুল ইসলামকে) নতুন চিফ প্রসিকিউটর নিয়োগে সরকারের উচ্চ মহলের আগ্রহের কথা জানানো হয়েছে।

২২ ফেব, ২০২৬

শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচনের তারিখ জানালো নির্বাচন কমিশন

শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচনের তারিখ জানালো নির্বাচন কমিশন


ছবিঃ সংগৃহীত 

শেরপুর-৩ আসনে পুনঃতফসিল এবং বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচন ১৪ এপ্রিলের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) ইসি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। বগুড়া-৬ (সদর) আসনটি ছেড়ে দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি দুটি আসনে বিজয়ী হয়ে শপথ গ্রহণের আগের দিন একটি আসন ছেড়ে দেন।

এজন্য বগুড়া-৬ আসনে এখন উপনির্বাচন হবে। এই আসনে কে বিএনপির মনোনয়ন পাবেন তা নিয়ে আলোচনাও চলছে। অন্যদিকে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের নির্বাচনে এক প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছিল। ফলে এই আসনেও পুনঃতফসিলের মাধ্যমে ভোট নেওয়া হবে।

২১ ফেব, ২০২৬

নোংরামি করলে বরদাশত করব না, জামায়াতকে কাদের

নোংরামি করলে বরদাশত করব না, জামায়াতকে কাদের


ছবি: সংগৃহীত 

গোলাম আযমকে ভাষাসৈনিক বানানোর জঘন্য মিথ্যাচার এবার আর পার পাবে না। জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম অগ্রসেনানী আব্দুল কাদের জামায়াতে ইসলামীর সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। রাজনীতির নামে ইতিহাসের বিকৃতি এবং নোংরামি রুখে দিতে তিনি ছাত্র জনতাকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

আবরার ফাহাদের আত্মত্যাগ থেকে শুরু করে ৫ আগস্টের মহাবিজয় পর্যন্ত সবকিছুর একক দখলদার হওয়ার মানসিকতা ছাড়ার কড়া বার্তা দিয়েছেন ঢাবির সাবেক এই ছাত্রনেতা। পরিবর্তনের সুর তুলে যদি দখলদারিত্বের রাজনীতি চালিয়ে যাওয়া হয় তবে তা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। রাজনৈতিক পরিবর্তনের মিছিলে সবাইকে স্বাগত জানানো হলেও মিথ্যাচারকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া হবে না বলে তিনি স্পষ্ট করেছেন।

এক সময় যা ছিল নিষিদ্ধ আজ তাতেই অতিরিক্ত ভক্তি দেখানোকে আব্দুল কাদের জামায়াতের রাজনৈতিক ডিগবাজি হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ইতিহাসের সাথে এমন তামাশা বন্ধ করে সুস্থ ধারার রাজনীতি করার আহ্বান জানানো হয়েছে। গোলাম আযমকে কেন্দ্র করে ইতিহাস বিকৃতির যে মহোৎসব শুরু হয়েছে তার অবসান ঘটানোর জন্য তিনি ছাত্র সমাজের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত বার্তা দিয়েছেন।

১৫ ফেব, ২০২৬

ছায়া মন্ত্রিসভা, কি এবং কেন?

ছায়া মন্ত্রিসভা, কি এবং কেন?

ছবি: সংগৃহীত 
ছায়া মন্ত্রিসভা হলো সংসদীয় গণতন্ত্রের একটি বিশেষ কাঠামো, যা মূলত ওয়েস্টমিনস্টার পদ্ধতিতে জনপ্রিয়। এতে প্রধান বিরোধী দল বা অন্য দলগুলো সরকারের প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের বিপরীতে একজন করে ‘ছায়া মন্ত্রী’ নিয়োগ দেয়।

কেন এই ঘোষণা? জামায়াত নেতা শিশির মনির জানিয়েছেন, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তারা এই পদক্ষেপ নিচ্ছেন। অন্যদিকে, আসিফ মাহমুদ জানিয়েছেন, সরকারের কার্যক্রমের ওপর নজরদারি বা ‘ওয়াচডগ’ হিসেবে কাজ করাই হবে এই ছায়া মন্ত্রিসভার মূল লক্ষ্য। এটি কোনো সমান্তরাল সরকার নয়, বরং সরকারের ভুলত্রুটি ধরা এবং বিকল্প নীতি প্রস্তাব করার একটি মাধ্যম।

ছায়া মন্ত্রিসভা কীভাবে কাজ করে? বিশ্বের উন্নত গণতান্ত্রিক দেশগুলোতে ছায়া মন্ত্রিসভার গুরুত্ব অপরিসীম। এদের প্রধান কাজগুলো হলো–সরকারের প্রতিটি সিদ্ধান্তের চুলচেরা বিশ্লেষণের মাধ্যমে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। সরকারের বাজেটের বিপরীতে জনবান্ধব বিকল্প বাজেট তুলে ধরা। প্রশাসনিক পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতি বা অসংগতি জনগণের সামনে আনা। আর বিরোধী দলের নেতাদের প্রশাসনিকভাবে দক্ষ করে তোলার কাজটাও এর মাধ্যমে সেরে নেয়া যায়।

বাংলাদেশে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনে কোনো সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা নেই। ফলে এর সরাসরি কোনো প্রশাসনিক ক্ষমতাও নেই, তবে এটি নৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস। তবে উন্নত বিশ্বের যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া ও কানাডার মতো দেশগুলোতে এটি প্রাতিষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত।

ছায়া মন্ত্রীরা কি বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পান? যুক্তরাজ্যে ছায়া মন্ত্রিসভার নেতাকে সরকারি কোষাগার থেকে বেতন দেওয়া হয় এবং তাকে একজন পূর্ণ মন্ত্রীর সমান মর্যাদা দেয়া হয়। তবে বাংলাদেশে যেহেতু ছায়া মন্ত্রিসভার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা নেই, তাই ছায়া মন্ত্রীরা সরকারি কোষাগার থেকে কোনো আর্থিক বা অন্য কোনো ধরনের সুবিধা পাবেন না।