শিরোনাম
Loading...

১২ জুল, ২০২৬

৫৮ বিচারককে বদলি, আইন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন জারি

৫৮ বিচারককে বদলি, আইন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন জারি

ছবি: সংগৃহীত

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় একসঙ্গে ৫৮ জন সিভিল জজকে বদলি করেছে। রোববার এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। উক্ত বদলি আদেশে সংশ্লিষ্ট বিচারকদের আগামী ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শক্রমে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সিভিল জজদের তাদের নামের পাশে উল্লেখিত নতুন পদ ও কর্মস্থলে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাদের বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্ব হস্তান্তর করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে।

এতে আরও বলা হয়, যেসব বিচারক বর্তমানে প্রশিক্ষণ বা ছুটিতে রয়েছেন, তারা প্রশিক্ষণ বা ছুটি শেষ হওয়ার পরপরই নতুন কর্মস্থলে যোগদান করবেন। যোগদানের সময় তারা বর্তমান পদের দায়িত্বভার যথাযথভাবে হস্তান্তর করবেন।


প্রজ্ঞাপনটি নিম্নে দেওয়া হল:






বিডিএলপিবি/এমএম

ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেমের সাত সদস্য তিন দিনের রিমান্ডে

ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেমের সাত সদস্য তিন দিনের রিমান্ডে

ছবিঃ সংগৃহীত 

মার্শাল আর্ট শেখার আড়ালে উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে যাত্রাবাড়ী থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেমের (এফসিএস) সাত সদস্যের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ রবিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। আসামিরা হলেন- শাহ আমানত সাবির, মো. হোসাইন তানিম, মো. জুনায়েদ, আতাউল্লাহ শাহ, মো. আবিদুর রহমান, মো. বায়োজিত, মো. তাহসীন ইসলাম ওরফে সুলতান ওরফে মুসান্না৷

এদিন কারাগার আটক সাতজনকে আদালতে হাজির করা হয়। প্রথম ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক তাদের এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। এরপর তাদের জিজ্ঞাসাবাদে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন কাউন্টার টেররিজম ইনভেস্টিগেশন বিভাগের উপপরিদর্শক মনিরুজ্জামান।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী সাদ্দাম হোসেনসহ কয়েকজন আসামিদের রিমান্ড বাতিল চেয়ে শুনানি করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তাদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত ৫ জুলাই যাত্রাবাড়ী থেকে এফসিএস প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান প্রশিক্ষক শাহ আমানত সা‌বিরসহ ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে ৯ জুলাই যশোর থেকে এফসিএস সদস্য তাহসীন ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে উগ্রবাদী কাজে তাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়। এ ঘটনায় শনিবার দুপুরে যাত্রাবাড়ী থানার পরিদর্শক এবি সিদ্দিক বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন। এতে ১৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয়।

বিডিএলপিবি/এমএম


মিডফোর্ডে ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যা: ২১ আসামির বিচার শুরু

মিডফোর্ডে ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যা: ২১ আসামির বিচার শুরু

ছবিঃ সংগৃহীত 

ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে ভাঙারি ও পুরনো তারের ব্যবসায়ী সোহাগ ওরফে লাল চাঁদকে প্রকাশ্যে মাথা থেঁতলে হত্যার ঘটনায় ২১ আসামির বিরুদ্ধে বিচার শুরু হয়েছে। আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৯ জুলাই দিন ধার্য করেছেন। রোববার (১২ জুলাই) ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মোসাদ্দেক মিনহাজ এ আদেশ দেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী জিয়াউল হক জানান, ২১ আসামির মধ্যে ১০ জন কারাগারে, আটজন পলাতক এবং তিনজন জামিনে রয়েছেন। অভিযোগ গঠনের শুনানিতে জামিনে থাকা তিন আসামি আদালতে হাজির হন। কারাগারে থাকা ১০ আসামিকেও আদালতে উপস্থিত করা হয়। তাদের আইনজীবীরা অব্যাহতির আবেদন করলেও আদালত তা নাকচ করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। এ সময় ১৩ আসামি নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৯ জুলাই বিকেলে মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর ফটকের সামনে কংক্রিটের বোল্ডার দিয়ে সোহাগ ওরফে লাল চাঁদের শরীর ও মাথা থেঁতলে হত্যা করা হয়। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।

পুলিশ ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের অধিকাংশই সোহাগের পূর্বপরিচিত ছিলেন। তাদের কয়েকজন একসময় তার ব্যবসায়িক সহযোগীও ছিলেন। ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে তদন্তে উঠে আসে।

ঘটনার পর সোহাগের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে চলতি বছরের ১০ মে ২১ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পরে মামলাটি বিচারের জন্য মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হলে রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম

বাগেরহাটের নিখোঁজ মিরাজ শেখকে হাজিরের নির্দেশ হাইকোর্টের

বাগেরহাটের নিখোঁজ মিরাজ শেখকে হাজিরের নির্দেশ হাইকোর্টের

ছবিঃ সংগৃহীত

প্রায় তিন মাস ধরে নিখোঁজ থাকা বাগেরহাট জেলার মোংলা উপজেলার জয়মনি এলাকার বাসিন্দা মোটরসাইকেল ভাড়া চালক মিরাজ শেখকে হাজির করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। 

এ সংক্রান্ত রিটের পরিপ্রেক্ষিতে রবিবার (১২ জুলাই) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন। তিনি জানান, ১৫দিনের মধ্যে মিরাজ শেখকে হাজির করতে নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এর আগে গত ২২ জুন মিরাজ শেখের বাবা এ রিট দায়ের করেন। রিটে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সচিব, কোস্টগার্ডের ডিজিসহ ৯ জনকে বিবাদী করা হয়েছে। মিরাজ শেখের নিখোঁজ নিয়ে একটি প্রতিবেদন ১৬ মে জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদন রিটে যুক্ত করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘‘আমি দেখছি, কোস্টগার্ড আমার স্বামীকে নিয়া গ্যাছে। এহন তারা অস্বীকার করে।’’ কথাগুলো বলছিলেন সুন্দরবন-সংলগ্ন বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার জয়মনির ঘোল এলাকার মুক্তা খাতুন। তিনি কোস্টগার্ডের বিরুদ্ধে তার স্বামীকে গুম করার অভিযোগ করেছেন।

স্বজনরা জানান, মিরাজ সুন্দরবনে মাছ ধরার পাশাপাশি ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালাতেন। ১০ এপ্রিল বেলা ১১টার দিকে মাছ ধরে বাড়িতে এসে ঘুমান। সন্ধ্যার আগে অচেনা নম্বর থেকে কয়েকবার ফোন এলে তিনি বাড়ি থেকে বের হন। সন্ধ্যা ৭টার দিকে জয়মনির ঠোটা এলাকার একটি চায়ের দোকানের সামনে থেকে মিরাজকে সাদাপোশাকে থাকা দুজন ধরে নিয়ে যান। খবর পেয়ে মিরাজের স্ত্রী মুক্তা ছুটে গিয়ে দেখেন, কোস্টগার্ডের স্পিডবোটে তুলে মিরাজকে মোংলার দিকে নেওয়া হচ্ছে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী জয়মনির ঘোল ও ঠোটা এলাকার এক নারী ও তিনজন পুরুষের সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। তারা চারজনই মিরাজকে কোস্টগার্ডের স্পিডবোটে তুলে নিয়ে যেতে দেখেছেন বলে জানিয়েছেন। তবে তারা নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি।

মিরাজকে ধরে নিয়ে যাওয়ার সময় তার মোটরসাইকেলটি দোকানি আল-আমিনের জিম্মায় রেখে যায়। পরে ২১ এপ্রিল কোস্টগার্ড সদস্য রবিন পরিচয়ে এক ব্যক্তি চাবি দিয়ে খুলে মোটরসাইকেলটি নিয়ে যান। যদিও ২২ এপ্রিল কোস্টগার্ডের কয়েকজন মোটরসাইকেলটি আবার নিয়ে আসেন।

বিডিএলপিবি/এমএম

সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার মারা গেছেন, অর্ধবেলা বন্ধ থাকবে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগ

সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার মারা গেছেন, অর্ধবেলা বন্ধ থাকবে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগ

ছবিঃ সংগৃহীত

বাংলাদেশের প্রবীণ রাজনীতিক সাবেক স্পিকার  এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।রোববার ভোর ৪টা ১৯ মিনিটে তিনি ইন্তেকাল করেন। বাধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

এদিকে, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে তার প্রতি সম্মান জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগ অর্ধবেলা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।  এ সংক্রান্ত একটি নোটিশ সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। উক্ত নোটিশ মোতাবেক, ব্যারিস্টার মোহাম্মদ জমির উদ্দিন সরকারের স্মৃতির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের অংশ হিসেবে সুপ্রিম  কোর্টের উভয় বিভাগের জন্য আজ (রোববার) অর্ধবেলা ছুটি ঘোষণা করেছেন প্রধান বিচারপতি। আপিল বিভাগের কার্যক্রম বেলা ১১টা পর্যন্ত ও হাইকোর্ট বিভাগের কার্যক্রম দুপুর ১টা পর্যন্ত চলবে। চেম্বার জজ আজ বসবেন না। (নোটিশের কপি সংযুক্ত)।

ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ১৯৩১ খ্রিষ্টাব্দের ১ ডিসেম্বর পঞ্চগড় জেলার তেতুঁলিয়া থানার নয়াবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি দুই দফা বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া দুইবার বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

বিডিএলপিবি/এমএম

১১ জুল, ২০২৬

মা'দক ও জু'য়া মামলার আসামিদের পক্ষে লড়বেন না আইনজীবীরা

মা'দক ও জু'য়া মামলার আসামিদের পক্ষে লড়বেন না আইনজীবীরা

ছবি: সংগৃহীত 

লালমনিরহাট জেলায় আগামী এক মাস মাদক ও জুয়া আইনে গ্রেপ্তার হওয়া কোনো আসামির পক্ষে আদালতে আইনি লড়াই বা কোনো ধরনের আইনি সহায়তা না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আইনজীবীরা।​ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে লালমনিরহাট জেলা আইনজীবী সমিতি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট কেএম হুমায়ুন রেজা স্বপন বলেন, সীমান্তবর্তী জেলা হিসেবে লালমনিরহাটে মাদকের আগ্রাসনে সামাজিক অবক্ষয় আশঙ্কাজনক রূপ নিয়েছে। এই সামাজিক বিপর্যয় রুখতে ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু 'আলোকিত লালমনিরহাট' নামে একটি সামাজিক আন্দোলন শুরু করেছেন।

​তিনি জানান, এই আন্দোলনের প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করে জেলা আইনজীবী সমিতির সকল সদস্যের সর্বসম্মতিক্রমে আগামী এক মাস মাদক ও জুয়া আইনে গ্রেপ্তারদের পক্ষে কোনো ধরনের আইনি সহায়তা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্ত অমান্যকারী আইনজীবীর বিরুদ্ধে সমিতির নিয়ম অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং তাকেও ‘মাদকসেবী’ হিসেবে গণ্য করা হবে।

​আইনজীবী সমিতিতে রাজনৈতিক কোনো ভেদাভেদ নেই উল্লেখ করে সভাপতি বলেন, এখানে বিএনপি বা আওয়ামী পন্থী বলে কোনো কথা নেই। সমিতির সকল সদস্য একমত হয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। প্রয়োজনে এই সময়সীমা আরও বাড়ানো সম্ভাবনা রয়েছে।

​এ বিষয়ে জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম রফিক বলেন,  গ্রেপ্তার আসামিরা চাইলে আইনজীবী ছাড়াই নিজেরা সরাসরি আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে আইনি লড়াই করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে সমিতি কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করবে না।

বিডিএলপিবি/এমএম

‘তাফহীমূল কোরআন’ পোড়ানোর ঘটনায় গ্রেপ্তার মেহেদী কারাগারে

‘তাফহীমূল কোরআন’ পোড়ানোর ঘটনায় গ্রেপ্তার মেহেদী কারাগারে

ছবি: সংগৃহীত 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় পবিত্র কোরআনের তাফসীর গ্রন্থে আগুন দেওয়ার ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার মেহেদী হাসানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তদন্ত কর্মকর্তাকে আগামী ১৭ আগস্টের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীরের আদালত এ আদেশ দেন।

এর আগে মেহেদী হাসানকে আদালতে হাজির কারাগারে আটকে রাখার আবেদন করেন শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক নাজমুল হাসান। আটক রাখার আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ আসামিকে কারাগারে রাখা হোক। পরবর্তীতে তার রিমান্ডের আবেদন করা হবে। তবে এদিন আসামিকে আদালতের এজলাসে তোলা হয়নি। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই শাহ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামির রিমান্ড আবেদন এবং জামিন আবেদন ছিল না।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পশ্চিম পাশের পাদদেশে সাইয়েদ আবুল আ'লা মওদূদী রচিত ‘তাফহীমূল কুরআন’এর তিনটি খণ্ডে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত উৎসুক জনতা ওই যুবককে আটক করে। খবর পেয়ে নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) কামাল উদ্দিন মিয়া সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আসামিকে নিজেদের হেফাজতে নেন। উত্তেজিত জনতার মারধরে আসামি সামান্য আহত হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

​এ ঘটনায় রাজধানীর নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির এসআই কামাল উদ্দিন মিয়া বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় দণ্ডবিধির ২৯৫-এ ধারায় মামলাটি দায়ের করেন।


বিডিএলপিবি/এমএম