১৫ জুন, ২০২৬

আদ্-দ্বীনের লাইসেন্স বাতিল চ্যালেঞ্জ করে রিট

আদ্-দ্বীনের লাইসেন্স বাতিল চ্যালেঞ্জ করে রিট

ছবি: সংগৃহীত 

ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় অবহেলার দায়ে রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সরকারি সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনূছ আলী আকন্দ আজ সোমবার (১৫ জুন) এই রিট আবেদনটি দায়ের করেন।

তবে আদ দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেছেন, এই রিট দায়েরের সঙ্গে আদ্ দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো সম্পর্ক নেই।

এর আগে গত ১১ জুন রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করে সরকার। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, হাসপাতালটি আগামী ৩০ দিনের মধ্যে বাতিল আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ পাবে।

এতে বলা হয়েছে, গত ২৭ মে আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনার প্রেক্ষিতে দ্য মেডিকেল প্রাক্টিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজ (রেজুলেশন) অর্ডিন্যান্স-১৯৮২ এর ১১ (১) ধারা অনুযায়ী গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে আপনার প্রতিষ্ঠানটির নিবন্ধন বাতিল করা হলো।


বিডিএলপিবি/এমএম

পার্থকে সভাপতি করে আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন

পার্থকে সভাপতি করে আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন

ছবি: সংগৃহীত 

ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান পার্থকে সভাপতি করে জাতীয় সংসদে আজ রোববার (১৪ জুন) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে।

চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মণি (বরগুনা-২) কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পরে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল প্রস্তাবটি কণ্ঠভোটে দিলে তা সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, এ এম মাহবুব উদ্দিন (নোয়াখালী-১), মো. নওশাদ জমির (পঞ্চগড়-১), শাকিলা ফারজানা (সংরক্ষিত মহিলা আসন-৮), মো. মনজুরুল ইসলাম (দিনাজপুর-১), মো. হাসান রাজীব প্রধান (লালমনিরহাট-১), মো. নাজিবুর রহমান (পাবনা-১), আক্তার হোসেন (রংপুর-৪) ও আল ফারুক আব্দুল লতিফ (নীলফামারী-২)। পদাধিকার বলে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী এ কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ২৪৬, ২৪৭ ও ২৪৮ বিধি অনুযায়ী এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

১৪ জুন, ২০২৬

রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা : আসামিদের জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ

রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা : আসামিদের জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ

ছবি: সংগৃহীত 

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে ৭ বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার দায়ে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট। রোববার (১৪ জুন) বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

এর আগে আইনানুযায়ী মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য মামলার সম্পূর্ণ নথিপত্রসহ (ডেথ রেফারেন্স) গত ৯ জুন হাইকোর্টে পাঠানো হয়। এখন নিয়ম অনুযায়ী ডেথ রেফারেন্স এবং আসামিদের জেল আপিল একসঙ্গে শুনানি হবে।

গত ৭ জুন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে ট্রাইব্যুনাল বলেছেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারা মোতাবেক আসামিদের মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত গলায় ফাঁসি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখতে হবে। আর ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা মোতাবেক হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হবে।

এছাড়া আসামি সোহেলকে ৫ লাখ ও স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার টাকা রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারকে দিতে বলা হয়েছে।

জরিমানার টাকা না দিলে কালেক্টরেট অফিসকে তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও তা বিক্রি করে রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারদের প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রায়ে আরও বলা হয়েছে, আসামিরা ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২৮ ধারার বিধান সাপেক্ষে রায় ঘোষণার তারিখ থেকে আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে পারবেন।


বিডিএলপিবি/এমএম

টিএফআই সেলে গুম: শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ আজ

টিএফআই সেলে গুম: শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ আজ

ছবি: সংগৃহীত 

র‍্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে পঞ্চম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আজ। নিরাপত্তাজনিত কারণে গুরুত্বপূর্ণ এ সাক্ষীর পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে।

রোববার (১৪ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এ সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে।

এদিন গুরুত্বপূর্ণ একজন সাক্ষীর জবানবন্দি নেওয়া হবে বলে প্রসিকিউশন জানিয়েছে। গত ৩ জুন এ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ হওয়ার কথা ছিল। তবে প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজকের দিন ঠিক করেন ট্রাইব্যুনাল। এ মামলায় ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাশেম আরমানসহ চারজন জবানবন্দি দিয়েছেন। 

এর আগে, গত ২১ জানুয়ারি এ সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শুরু হয়। 
বর্তমানে মামলার ১৭ আসামির মধ্যে ১০ জন গ্রেপ্তার হয়ে ঢাকার সেনানিবাসের সাব-জেলে রয়েছেন।

তারা হলেন- র‍্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, কর্নেল কেএম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে), র‍্যাবের গোয়েন্দা শাখার সাবেক পরিচালক কর্নেল মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম।

পলাতকরা হলেন- সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার প্রতিরক্ষাবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদ, র‍্যাবের সাবেক ডিজি এম খুরশিদ হোসেন, র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ ও র‍্যাবের সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. খায়রুল ইসলাম।


বিডিএলপিবি/এমএম


১৩ জুন, ২০২৬

অ্যাটর্নি জেনারেলকে নিয়ে ফেসবুকে অপপ্রচার: শাহবাগ থানায় জিডি

অ্যাটর্নি জেনারেলকে নিয়ে ফেসবুকে অপপ্রচার: শাহবাগ থানায় জিডি


ছবি: সংগৃহীত 

অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মিথ্যা তথ্য ও ভিডিও অপপ্রচারের অভিযোগে শাহবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) অ্যাটর্নি জেনারেলের পক্ষে তার কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন এই জিডি করেন।

জিডির তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার (১১ জুন) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে অবস্থানকালে ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল ফেসবুকে একটি চিঠি দেখতে পান। এ বি এম ইব্রাহিম খলিল নামের একজন আইনজীবীর ফেসবুক আইডি থেকে তার মানহানির উদ্দেশ্যে ওই চিঠিটি আপলোড করা হয়। চিঠিতে দাবি করা হয়, জানুয়ারি মাসে একটি মামলায় চুক্তিবদ্ধ হয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে তিনি অর্থ গ্রহণ করেছেন। অথচ তিনি গত ২৫ মে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন। নিয়োগের আগের সময়কাল উল্লেখ করে আর্থিক দুর্নীতির এমন তথ্য ছড়ানোকে সম্পূর্ণ বানোয়াট, মিথ্যা ও পরস্পরবিরোধী বলে জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া ওই চিঠিতে দেশের প্রধান বিচারপতি, চেম্বার জজ এবং আপিল বিভাগের কার্যধারা নিয়ে অসত্য তথ্য দেয়ায় বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে জিডিতে অভিযোগ করা হয়। ফিরোজুর রহমান নামের এক ব্যক্তির কথিত স্বাক্ষর সংবলিত এই চিঠিটি কোনো দফতরে জমা দেয়ার প্রমাণ মেলেনি। মূলত বিচার বিভাগ ও অ্যাটর্নি জেনারেলকে হেয় করতে কিছু ভুঁইফোড় ফেসবুক পেজ, গ্রুপ ও অনলাইন পোর্টালে এটি ছড়ানো হচ্ছে।

জিডিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল দায়িত্ব নেয়ার পর দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছেন এবং এর আগে অনিয়মের অভিযোগে এই কার্যালয়ের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী চাকরিচ্যুত হয়েছেন। এই অপপ্রচারের পেছনে ওই চাকরিচ্যুতদের ইন্ধন থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। জিডিতে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ও ইন্ধনদাতাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।



বিডিএলপিবি/এমএম

বার কাউন্সিল এমসিকিউ পরীক্ষার ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৯ হাজার ২০১

বার কাউন্সিল এমসিকিউ পরীক্ষার ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৯ হাজার ২০১


ছবি: সংগৃহীত 

বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক অনুষ্ঠিত আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন ৯ হাজার ২০১ জন প্রার্থী। গতকাল শুক্রবার (১২ জুন, ২০২৬) এ অনুষ্ঠিত এমসিকিউ পরীক্ষার ফলাফল বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। 

রেজাল্ট দেখুন এই লিংকে: ফলাফল 

১২ জুন, ২০২৬

হাইকোর্টে একদিনে ৬১৯৯ মামলা নিষ্পত্তি, ৩ দিনে ১৩২৮৮

হাইকোর্টে একদিনে ৬১৯৯ মামলা নিষ্পত্তি, ৩ দিনে ১৩২৮৮


ছবি: সংগৃহীত 

প্রধান বিচারপতির নির্দেশনায় হাইকোর্ট বিভাগের ১৪টি বিশেষ বেঞ্চে মাত্র এক কার্যদিবসে রেকর্ড সংখ্যক ৬ হাজারেরও বেশি পুরোনো সুনির্দিষ্ট ফৌজদারি মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এ বিষয়টিকে দেশের বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ ও উচ্চ আদালতের মামলা জট হ্রাসে অভাবনীয় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) হাইকোর্ট বিভাগের ১৪টি ক্রিমিনাল মোশন বেঞ্চে মোট ৬১৯৯টি পুরোনো ক্রিমিনাল মিস মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। পাশাপাশি পুরোনো মামলা নিষ্পত্তি কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর এ পর্যন্ত তিন কার্যদিবসে (প্রতি সপ্তাহে একদিন করে) মোট ১৩ হাজার ২৮৮টি পুরোনো ক্রিমিনাল মিস মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে।

প্রধান বিচারপতির নির্দেশনা অনুসারে হাইকোর্ট বিভাগের ক্রিমিনাল মোশন বেঞ্চ এবং রিট মোশন বেঞ্চসমূহে দীর্ঘদিনের পুরোনো মামলা নিষ্পত্তির কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ, মামলা জট হ্রাস এবং বিচারব্যবস্থার গতিশীলতা বাড়ানোর লক্ষ্যে গৃহীত এ বিশেষ উদ্যোগের আওতায় ধারাবাহিকভাবে বিপুল সংখ্যক পুরোনো মামলা নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।

গত ৭ মে হাইকোর্ট বিভাগের ক্রিমিনাল মোশন এবং রিট মোশন বেঞ্চসমূহের বিচারপতি দীর্ঘদিনের পুরোনো মামলা নিষ্পত্তিকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রতি সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনে বিশেষ এ কার্যক্রম শুরু করেন। পুরোনো মামলা নিষ্পত্তির এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।



বিডিএলপিবি/এমএম