সংসদ ও আইন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সংসদ ও আইন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

২৩ এপ্রি, ২০২৬

মনোনয়ন বাতিল, যে সিদ্ধান্ত জানালেন মনিরা শারমিন

মনোনয়ন বাতিল, যে সিদ্ধান্ত জানালেন মনিরা শারমিন


ছবি: সংগৃহীত 

সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে মনোনয়ন বাতিল সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াত জোট মনোনীত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন। তিনি বলেন, ‘আমি রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করব।’

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন খান তার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় তার আইনজীবী নাজমুস সাকিব বলেন, ‘প্রার্থিতা ফিরে পেতে আগামী রবিবার নির্বাচন কমিশনে আপিল করা হবে। আশা করি, আপিলে আমরা প্রার্থিতা ফেরত পাব।’

এর আগে বুধবার জামায়াত জোট মনোনীত ১৩ প্রার্থীর মধ্যে ১২ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে মনিরা শারমিনের মনোনয়নের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখা হয়।

শুনানিতে জানা যায়, মনিরা শারমিন আগে সরকারি চাকরিতে কর্মরত ছিলেন এবং বেতন-ভাতা গ্রহণ করেছেন। তিনি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে চাকরি থেকে অব্যাহতি নেন।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ অনুযায়ী সরকারি চাকরি থেকে অবসর বা অব্যাহতির পর ৩ বছর অতিক্রান্ত না হলে নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জিত হয় না। এই বিধান বিবেচনায় নিয়েই তার প্রার্থিতা যাচাই করা হয়।

এ কারণে তার মনোনয়নপত্রের বিষয়ে সিদ্ধান্তের জন্য বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত সময় দেয় নির্বাচন কমিশন। এ সময়ের মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয় এবং তিনি তা দাখিলও করেন।

উল্লেখ্য, সংরক্ষিত নারী আসনের তফসিল অনুযায়ী আপিল গ্রহণ করা হবে ২৬ এপ্রিল এবং আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ১২ মে।

নারী আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থীরই মনোনয়নপত্র বৈধ

নারী আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থীরই মনোনয়নপত্র বৈধ

ছবি: সংগৃহীত 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনে বিএনপির দাখিল করা ৩৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্রই বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা তাদের বৈধ ঘোষণা করেন।

বৈধ প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন-সেলিমা রহমান, শিরিন সুলতানা, রাশেদা বেগম হিরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আর্লি, মোছাম্মৎ ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, শাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলুফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরী, জেবা আমিন খান, মাহমুদা হাবিবা, সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিঞ্জ, সুবর্ণা শিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বিথীকা বিনতে হুসাইন, সুরাইয়া জেরিন, মানছুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলম, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, শওকত আর আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা ও রেজেকা সুলতানা।

তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আগামী ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে আপিল করা যাবে। আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল এবং প্রতীক বরাদ্দ ৩০ এপ্রিল। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ১২ মে। 

২২ এপ্রি, ২০২৬

এনসিপির নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন বাতিল, মনিরা শারমিনের মনোনয়পত্র স্থগিত

এনসিপির নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন বাতিল, মনিরা শারমিনের মনোনয়পত্র স্থগিত


ছবিঃ সংগৃহীত

সংরক্ষিত নারী আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র স্থগিতের পর দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) এ ঘোষণা দেয় নির্বাচন কমিশন। মূলত নির্ধারিত সময়ের পরে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ায় নির্বাচন কমিশন তার আবেদনটি গ্রহণ করেনি।

জানা গেছে, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেল ৪টা ১৯ মিনিটে মনোনয়নপত্র জমা দেন মনোনয়নপত্র জমা দেন। তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ছিল বিকাল ৪টা পর্যন্ত। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মনোনয়নপত্র জমা না দেওয়ায় কমিশন আইনগতভাবে তার প্রার্থিতা বাতিল বা অযোগ্য ঘোষণা করেছে। 

এদিকে সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগের তিন বছর পূর্ণ না হওয়ায় এনসিপির আরেক প্রার্থী মনিরা শারমিনের মনোনয়পত্র স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন। আরপিওতে প্রার্থীর অযোগ্যতা প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ১২(১)(চ) ধারা অনুযায়ী, কোনও ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচতি হওয়ার অযোগ্য হবেন যদি তিনি প্রজাতন্ত্রের বা সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের কোনও চাকরি থেকে পদত্যাগ করেছেন বা অবসর নিয়েছেন এবং এই পদত্যাগ ও অবসরগ্রহণ যদি তিন বছর অতিবাহিত না হয়।

৮ এপ্রি, ২০২৬

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রেখেই সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ সংসদে পাস

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রেখেই সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ সংসদে পাস

ছবিঃ সংরক্ষিত

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রেখেই জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের (সংশোধিত) অধ্যাদেশ। অন্তর্বর্তী সরকার এই অধ্যাদেশ জারি করেছিল। আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এই অধ্যাদেশটি পাশ হয়।

কয়েক দিন আগে, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ‘সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশকে’ আইনে রূপান্তর করার সিদ্ধান্ত নেয় বিএনপি সরকার। অধ্যাদেশটি সংশোধন করে শাস্তির বিধান যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়। আজ সেই সংশোধনীসহ অধ্যাদেশটি পাস হলো।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বিএনপি বলেছিল, নির্বাহী আদেশে কোনো রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করার পক্ষে নয় তারা। এ বিষয়ে জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে। কিন্তু সরকার গঠনের পর বিএনপি অধ্যাদেশটিকে আইনে পরিণত করল। শাস্তির বিধানসহ এটি আইনে পরিণত হওয়ায় আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতে আরও বেগ পেতে হবে।

অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩ অধ্যাদেশ ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম দিনে, গত ১৩ মার্চ উত্থাপন করা হয়। সেদিন গঠিত ১৪ সদস্যের বিশেষ কমিটি অধ্যাদেশগুলো যাচাই-বাছাই করে। সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, অধ্যাদেশ সংসদে পাস না হলে ৩০ দিন তথা ১২ এপ্রিলের পর তা কার্যকারিতা হারাবে।

গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার বিশেষ কমিটি ৯৮টি অধ্যাদেশ পরির্বতন ছাড়াই আইনে পরিণত করতে সংসদে বিল উত্থাপনের সুপারিশ করে। ১৫টি অধ্যাদেশ সংশোধন করে বিল উপস্থাপনের সুপারিশ করা হয়। ১৬টি অধ্যাদেশে এখনই উত্থাপন নয় এবং চারটি রহিত করে হেফাজতের সুপারিশ রয়েছে প্রতিবেদনে।

যে ১৫টি অধ্যাদেশ সংশোধন করে বিল হিসেবে সংসদে উত্থাপনের সুপারিশ করা হয় এর অন্যতম ছিল—২০২৫ সালের ১১ মে জারি করা ‘সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ’। এই অধ্যাদেশ বলে ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ১৮ এবং ২০ ধারা সংশোধন করে গত বছর আওয়ামী লীগ এবং দলটির সব সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়। একই আইনে ২০২৪ সালের অক্টোবরে নিষিদ্ধ করা হয় ছাত্রলীগকে।

এনসিপি নেতারা গত বছরের ৯ মে রাতে তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বাসভবন যমুনার কাছে অবস্থান নিয়ে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন। পরে এতে জামায়াতে ইসলামী, গণঅধিকার পরিষদ, ইসলামী আন্দোলন, এবি পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসসহ বিভিন্ন দল যোগ দেয়।

গত বছরের ১১ মে রাতে যমুনায় উপদেষ্টা পরিষদের জরুরি বৈঠক করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের দুটি ধারা সংশোধন করে অন্তর্বর্তী সরকার। এতে বলা হয়, কোনো ব্যক্তি বা সত্তা সন্ত্রাসী কাজের জন্য জড়িত থাকলে নির্বাহী আদেশে সরকার তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে পারবে। একই দিনে সরকারি প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকবে।

অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগকে সরাসরি নিষিদ্ধ করেনি। তবে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় অধ্যাদেশের ২০ ধারা অনুযায়ী আওয়ামী লীগ মিছিল-সভা-সমাবেশ করতে পারবে না, দলটির কার্যালয় বন্ধ থাকবে, ব্যাংক হিসাব জব্দ হবে, পোস্টার-ব্যানার প্রচার করতে পারবে না, সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিতে পারবে না, গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে তা প্রকাশ করা যাবে না এবং সংবাদ সম্মেলন করতে পারবে না দলটি।

আইনে বলা হয়েছে, নিষিদ্ধ সংগঠন এসব কার্যক্রম পরিচালনা করলে চার থেকে ১৪ বছর কারাদণ্ড হতে পারে। তবে অধ্যাদেশে বলা হয়নি কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন সভা-সমাবেশ করলে কী শাস্তি হবে। ফলে এতদিন আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকলেও নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার শাস্তির বিধান ছিল না।

অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশগুলোর বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের মতামত নিয়েছে সংসদের বিশেষ কমিটি। সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশটি সংসদে পাসের সুপারিশ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের মতামতে বলা হয়েছে, ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ সত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করলে সাজার বিধান নেই অধ্যাদেশে। সাজার বিধান যুক্ত করা যেতে পারে।’

৭ এপ্রি, ২০২৬

স্পীকারের সাথে ঢাকায় নিযুক্ত ইউএনডিপি এর আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার এর সৌজন্য সাক্ষাৎ

স্পীকারের সাথে ঢাকায় নিযুক্ত ইউএনডিপি এর আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার এর সৌজন্য সাক্ষাৎ

ছবি: সংগৃহীত 

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এমপি'র সাথে তাঁর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ইউএনডিপি(UNDP) এর আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার। 

স্পীকারের সাথে এ সময় সাক্ষাৎ করেন ইউএনডিপি এর  উপ-আবাসিক প্রতিনিধি সোনালি দয়ারত্নে, সহকারী আবাসিক প্রতিনিধি আনোয়ারুল হক, সহকারী প্রোগ্রাম উপদেষ্টা গভর্ন্যান্স ড্রাগন পপোভিক এবং সিনিয়র গভর্ন্যান্স স্পেশালিষ্ট তানভীর মাহমুদ।

সাক্ষাৎকালে তারা ই-গভর্ন্যান্স, ই-পার্লামেন্ট ও সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বিভিন্ন কর্মকান্ড, জাতীয় সংসদের অধিবেশন, সংসদের কার্যপ্রণালি বিধিসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।

স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেন, ইউএনডিপি ও জাতীয় সংসদের মধ্যে সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো নির্ধারণ করতে হবে।ইউএনডিপি নতুন সংসদ-সদস্যদের জন্য ওরিয়েন্টেশন কোর্সের মাধ্যমে তাদের প্রাথমিক দায়িত্ব, কার্যাবলি এবং এখতিয়ারের বিষয় আলোচনায় সহযোগিতা করতে পারে। তিনি বলেন, সংসদ-সদস্যদের মধ্য হতে বিশেষ করে নারী সংসদ সদস্যগণের একটি প্রতিনিধিদল ইউএনডিপি'র সাথে দ্বিপাক্ষিক সফর বিনিময় করতে পারে।

স্পীকার বলেন, বর্তমান সংসদে বিরোধী দল খুবই সহযোগিতামূলক ভূমিকা পালন করছে। সরকার সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংশোধনে খুবই উদার ও সচেষ্ট।

তিনি বলেন, সংসদে ডিজিটাইজড লাইব্রেরি ব্যবস্থার প্রবর্তন, অধিবেশনকালীন দিনের কার্যসূচিতে স্মার্ট প্রযুক্তির ব্যবহার, সংসদের নিজস্ব প্রিন্টিং ও প্রেস থাকা অত্যাবশ্যক।

ঢাকায় নিযুক্ত ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার বলেন, বর্তমান সংসদ অত্যন্ত প্রাণবন্ত। ইউএনডিপি বাংলাদেশ ও জাতীয় সংসদের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত সহযোগী। ইউএনডিপি’র সহযোগিতামূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। 

এসময় তারা চলমান জ্বালানি সংকট ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা নিয়ে তাদের মতামত বিনিময় করেন। এই পরিস্থিতিতে  ইউরোপের দেশগুলো যেমন- যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও ফ্রান্সের নিরপেক্ষ অবস্থানের প্রশংসা করেন।

সাক্ষাৎকালে ইউএনডিপির সংসদ বিষয়ক ফোকাল পার্সন মাহমুদুল হাসানসহ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।