![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর ধারা ২(৪৯) (খ) ও ধারা ২(৬৫) এর সংশ্লিষ্ট শর্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে রবিবার (২৩ আগস্ট) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি এসএম ইফতেখার উদ্দিন মাহামুদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ কাওছার, অ্যাডভোকেট বায়েজিদ হোসেন, অ্যাডভোকেট রাসেল হোসেন, অ্যাডভোকেট মো. মাকসুদুর রহমান এবং অ্যাডভোকেট মারুফ হাসান তমাল যৌথভাবে জনস্বার্থে রিটটি দায়ের করেন।
গত ৪ আগস্ট ২০২৬ আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব এবং কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের (ডিআইএফই) প্রধান পরিদর্শককে বিবাদী করে রিটটি দায়ের করা হয়।
রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব। তাকে সহযোগিতা করেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ কাওছার, অ্যাডভোকেট মো. মাকসুদুর রহমান ও অ্যাডভোকেট মারুফ হাসান তমাল।
আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব ও ব্যারিস্টার মোহাম্মদ কাওছার বলেন, বিষয়টি দেশের বেসরকারি কর্মজীবীদের আইনগত অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তাদের দাবি, প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত মালিকানায় অংশীদার না হয়েও শুধু লিখিত পদবির কারণে লাখ লাখ কর্মী শ্রম অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। রুল চূড়ান্তভাবে মঞ্জুর হলে সংশ্লিষ্ট কর্মীরা কর্মঘণ্টা, ছুটি, চাকরিচ্যুতি সুরক্ষা, মাতৃত্বকালীন সুবিধা এবং শ্রম আদালতে প্রতিকার পাওয়ার সুযোগসহ বিভিন্ন শ্রম অধিকার ফিরে পেতে পারেন। তিনি বলেন, পদবির ভিত্তিতে শ্রম আইনের সুরক্ষার বাইরে রাখা বৈষম্যমূলক।
বিডিএলপিবি/এমএম
সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন (২৩.০৮.২০২৬)

0 coment rios: