২০ এপ্রি, ২০২৬

স্ত্রীসহ সাবেক মেয়র তাপসের ৬টি ক্রেডিট কার্ড ব্লকের নির্দেশ আদালতের

স্ত্রীসহ সাবেক মেয়র তাপসের ৬টি ক্রেডিট কার্ড ব্লকের নির্দেশ আদালতের

ছবিঃ সংরক্ষিত 

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস ও তার স্ত্রী আফরিন তাপসের ছয়টি ক্রেডিট কার্ড ব্লকের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এর মধ্যে শেখ ফজলে নূর তাপসের তিনটি ও তার স্ত্রী আফরিন তাপসের তিনটি ক্রেডিট কার্ড রয়েছে।

সোমবার ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ মামলার তদন্ত সংস্থা দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারি মোঃ রিয়াজ হোসেন বাসস'কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আবেদনে বলা হয়েছে, আসামি শেখ ফজলে নূর তাপস সংসদ সদস্য ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে নিজ ক্ষমতার অপব্যবহার পূর্বক দুর্নীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসংগতিপূর্ণ ৭৩ কোটি ১৯ লাখ  টাকা মূল্যের সম্পদের মালিকানা অসাধু উপায়ে অর্জনপূর্বক দখলে রেখে এবং তার নামে ২৭টি ব্যাংক হিসাবে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ ৫৩৯ কোটি ১৬ লাখ টাকা ও ৫ লাখ ১৭ হাজার ৫২৭ মার্কিন ডলার সন্দেহজনক লেনদেন করায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি তদন্তের নিমিত্তে তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে।

আসামি শেখ ফজলে নূর তাপসের তিনটি ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে যাতে ব্যাংক হতে টাকা উত্তোলন করতে না পারেন, সেজন্য তার তিনটি ক্রেডিট কার্ড ব্লক করা একান্ত প্রয়োজন।

আফরিন তাপসের বিষয়ে আবেদনে বলা হয়েছে, আসামি আফরিন তাপস ও  আসামি শেখ ফজলে নূর তাপস পরস্পর যোগসাজশে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসংগতিপূর্ণ ৬ কোটি ৪০ লাখ  টাকা মূল্যের সম্পদের মালিকানা অসাধু উপায়ে অর্জনপূর্বক দখলে রেখে এবং ৯টি ব্যাংক হিসাবে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসংগতিপূর্ণ ৭০ কোটি ৮৯ লাখ টাকা ও ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৯৬৩ মার্কিন ডলার সন্দেহজনক লেনদেনের মাধ্যমে অপরাধলব্ধ অবৈধ অর্থ জ্ঞাতসারে হস্তান্তর ও স্থানান্তর কারায় মামলা দায়ের করা হয়।

মামলাটি তদন্তের নিমিত্তে তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে। আসামি আফরিন তাপসের তিনটি ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে যাতে ব্যাংক হতে টাকা উত্তোলন করতে না পারেন, সেজন্য তার তিনটি ক্রেডিট কার্ড ব্লক করা একান্ত প্রয়োজন।

অ্যাটর্নি জেনারেলসহ ১৪ আইনজীবীকে মামলা থেকে অব্যাহতি

অ্যাটর্নি জেনারেলসহ ১৪ আইনজীবীকে মামলা থেকে অব্যাহতি


ছবি: সংগৃহীত

২০২৩ সালের সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে পুলিশের ওপর হামলা ও পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে শাহবাগ থানার একটি মামলা থেকে সুপ্রিম কোর্ট বার কাউন্সিলরের সভাপতি ও সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন এবং অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলসহ সুপ্রিম কোর্টের ১৪ আইনজীবীকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।

রবিবার (১৯ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা পুলিশের দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে মামলার দায় থেকে তাদের অব্যাহতি দেন। এর আগে মামলার তদন্তে তাদের বিরুদ্ধে কোনও সাক্ষ্য প্রমাণ না পেয়ে গত বছরের ৩০ জুন অব্যাহতির সুপারিশ করে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ।

অব্যাহতি পাওয়া অন্য আইনজীবীরা হলেন– অ্যাডভোকেট মনজুরুল আলম সুজন, অ্যাডভোকেট মাহফুজ বিন-ইউসূফ, অ্যাডভোকেট নূরে আলম সিদ্দিকী সোহাগ, অ্যাডভোকেট মাহদিন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট গোলাম আক্তার জাকির, অ্যাডভোকেট কামরুল হাসান সোহাগ, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট মোক্তার কবির খান, অ্যাডভোকেট আশরাফ-উজ-জামান খান, অ্যাডভোকেট সালাহ উদ্দিন রিগ্যান, অ্যাডভোকেট কাজী জয়নাল আবেদীন ও অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান খান।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ১৫ মার্চ সুপ্রিম কোর্ট বার সমিতি নির্বাচনে হট্টগোল এবং পুলিশের উপর হামলা ও পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পরের দিন এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন ও ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলসহ সুপ্রিম কোর্টের ১৪ আইনজীবীকে আসামি করে শাহবাগ থানায় একটি মামলা করেন একই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গোলাপ উদ্দিন মাহবুব।

জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের বিএনপির ৩৬ প্রার্থীর তালিকা

জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের বিএনপির ৩৬ প্রার্থীর তালিকা


ছবি: সংগৃহীত 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে ৩৬ প্রার্থীর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে বিএনপি। আজ সোমবার (২০ এপ্রিল) দলটির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব এডভোকেট রুহুল কবির রিজভী এ তালিকা প্রকাশ করেন। 

তালিকায় থাকা প্রার্থীরা হলেন: ১.রাশেদা বেগম হীরা, ২.রেহেনা আক্তার রানু, ৩.নেওয়াজ হালিমা আর্লি,  ৪. মোসাম্মদ ফরিদা ইয়াসমিন ৫.  বিলকিস ইসলাম ৬. ব্যারিস্টার সৈয়দা শাকিলা ফরজানা, ৭. হেলেন জেরিন খান ৮.  নিপুন রায় চৌধুরী ৯. জেবা আমিন খান ১০. মাহমুদা হাবিবা ১১.মোসাম্মদ সাবিরা সুলতানা ১২. সানসিলা জেবরিন ১৩. সানজিদা ইসলাম তুলি ১৪. ফাহিমিদা হক ১৫. আন্না মিনজ (উপজাতি), ১৬. সুবর্ণা শিকদার ১৭. কৃষ্ণা মন্ডল ১৮. ফেরদৌসি আহমেদ ১৯.  বিথিকা বিনতে হোসাইন ২০.  মোসাম্মদ সুরাইয়া জেরিন ২১. মানসুরা আক্তার ২২.  জহরত আরা চৌধুরী ২৩.  মমতাজ বেগম ২৪. ফাহিমা, নাসরিন ২৫. আরিফা সুলতানা রুমা ২৬. সানজিদা ইয়াসমিন  ২৭. নাদিয়া পাপন পাঠান ২৮.  শওকত আরা আক্তার ২৯. মাধবী মারমা ৩০.  লাশাই মারমা ৩১. সেলিনা সুলতানা নিশিতা ৩২.  রেজেকা সুলতানা

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

ছবি: সংগৃহীত 

অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা সুপ্রিম কোর্টের স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠার অধ্যাদেশ বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। রিটে সুপ্রিম কোর্টের স্বতন্ত্র সচিবালয় বহাল রাখার আর্জি জানানো হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাদ্দাম হোসেনসহ ৭ আইনজীবী জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেছেন। সোমবার (২০ এপ্রিল) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে। জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির রিটের পক্ষে শুনানি করবেন।

১৯ এপ্রি, ২০২৬

শিশু অপহরণের পর হত্যা: ২ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

শিশু অপহরণের পর হত্যা: ২ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড


ছবিঃ সংগৃহীত 

রাজধানীর কাফরুলে মো. শহিদুল ইসলাম মিলন (১১) নামের এক শিশুকে অপহরণ করে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া সাইফুল ইসলাম ওরফে ছোট সাইফুল নামে অপর এক আসামির ১৪ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এই রায় ঘোষণা করেন। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামিরা হলেন- আল আমিন ঘরামী (২৫) ও মাসুদ রানা (২৪)। কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাদের প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাদের আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাভোগ করতে হবে।

এছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আব্দুল মোতালেব (৩৮) ও আমিরুল ইসলাম নামে দুই জনকে খালাস প্রদান করেন ট্রাইব্যুনাল।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০০৮ সালের ৬ মার্চ বিকেলে কাফরুলের উত্তর সেনপাড়া এলাকা থেকে শিশু মিলন নিখোঁজ হয়। পরে মুক্তিপণ না পেয়ে, অপহরণকারীরা তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে ৮ মার্চ সাভারের রামচন্দ্রপুর এলাকায় লাশটি ফেলে রাখে। এই ঘটনায় শিশুটির বাবা শহিদুল ইসলাম মামলা দায়ের করেন।

তদন্ত শেষে ২০০৮ সালের ২৩ মে পাঁচ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। মামলার বিচার চলাকালে নয় জন সাক্ষী ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য প্রদান করেন।

১৮ এপ্রি, ২০২৬

সাইবার সুরক্ষা আইনের মামলায় শিবির নেতা ও কন্টেন্ট ক্রিয়েটর কারাগারে

সাইবার সুরক্ষা আইনের মামলায় শিবির নেতা ও কন্টেন্ট ক্রিয়েটর কারাগারে


ছবি: সংগৃহীত 

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপকে নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার ও তাকে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের মামলায় সাবেক শিবির নেতা ও কন্টেন্ট ক্রিয়েটর এ এম হাসান নাসিমের রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। সেই সঙ্গে শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়া হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস এ আদেশ দেন।

এদিন আসামি নাসিমকে আদালতে হাজির করে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে ৭ দিনের রিমান্ডে চেয়ে আবেদন করেন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) উপপরিদর্শক মো. রায়হানুর রহমান। অন্যদিকে রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী জহিরুল ইসলাম। পরে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত রিমান্ড নামঞ্জুর করে জামিন শুনানির জন্য রোববার (১৯ এপ্রিল) দিন ধার্য করেন।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, গত শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন বনলতা আবাসিক এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে এ এম হাসান নাসিমকে (৩৫) গ্রেপ্তার করা হয়। ডিবির উপপরিদর্শক (এসআই) বিনয় কুমার রায়ের নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল তদন্তের ভিত্তিতে ওই অভিযান চালায়।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি আইডি থেকে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপকে নিয়ে ‘বিভ্রান্তিমূলক’ পোস্ট করা হয়। সেই সঙ্গে একই ফেসবুক আইডি থেকে বিভিন্ন সময়ে ‘বিভ্রান্তিমূলক তথ্য’ প্রকাশ ও প্রচার করা হয়। এমনকি চিফ হুইপের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে বিভিন্ন স্ক্রিনশট পাঠিয়ে ‘ব্ল্যাকমেইলও’ করা হয়। এ ঘটনায় নজরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি গুলশান থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে এই মামলা করেন।

১৭ এপ্রি, ২০২৬

অফিস সহায়ককে পুলিশে দিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল

অফিস সহায়ককে পুলিশে দিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল

ছবি: সংগৃহীত 

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) প্রতিষ্ঠানপ্রধান, সহপ্রধান নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত চেয়ে করা রিটের ফাইল হাইকোর্টে না নিয়ে রাষ্ট্রের ক্ষতি করার অভিযোগে অফিস সহায়ককে পুলিশে দিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস (কাজল)।  বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকালে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস সহায়ক মো. ইমরান হোসেনকে শাহবাগ থানা পুলিশের হাতে তুলে দেন। 

অপরদিকে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন বাদী হয়ে এই অফিস সহায়কের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় ফৌজদারি মামলা করেন। 

এই মামলার অভিযোগে বলা হয়, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) প্রতিষ্ঠানপ্রধান, সহপ্রধান নিয়োগ সংক্রান্ত রিটের ফাইল সরবরাহ না করায় কর্তব্যরত রাষ্ট্রপক্ষের আইন কর্মকর্তা ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) সরকারি বক্তব্য উপস্থাপন করতে সক্ষম হননি। এ বিষয়ে ওই কোর্টে দায়িত্বরত আইন কর্মকর্তারা ভীষণ মনঃক্ষুণ্ণ হন এবং ওই অফিস সহায়কের বিরুদ্ধে অ্যাটর্নি জেনারেলের নিকট লিখিত অভিযোগ করেন। ওই রিট আবেদনটি জনগুরুত্বপূর্ণ, অত্যন্ত সংবেদনশীল ও রাষ্ট্রের স্বার্থ সম্পর্কিত। বিষয়টি তৎক্ষণাৎ প্রশাসনিক কর্মকর্তার দৃষ্টিতে এনে অ্যাটর্নি জেনারেল প্রাথমিক অনুসন্ধানের নির্দেশ দেন। প্রশাসনিক কর্মকর্তা ফাইল রিসিভকারী মো. মনিরুজ্জামান সরকার, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক ওই কোর্টে দায়িত্ব পালনকারী অপর অফিস সহায়ক সম্রাট বাহর এবং নিয়োজিত ডিএজি খন্দকার বাহার রুমির সঙ্গে আলাপ করার পর অভিযুক্ত অফিস সহায়ক মো. ইমরান হোসেনের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ফাইল আদালতে না নিয়ে রাষ্ট্রের ক্ষতি করার মানসে কোনও প্রলোভনে পড়ে একাজ করেছেন বলে প্রতীয়মান হয়। 

মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তি কোনও সংঘবদ্ধ দলের সদস্য হতে পারেন, যারা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে ক্ষতি করে ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করে থাকতে পারেন। অভিযুক্ত মো. ইমরান হোসেনের এহেন কার্যক্রম সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা-২০১৮ পরিপন্থি ও গুরুতর অসদাচরণ। এছাড়া এই কাজে অন্য কোনও ব্যক্তি ও সংঘবদ্ধ ব্যক্তিরা জড়িয়ে আছেন কিনা, তা নিশ্চিত করার জন্য অভিযুক্তের বিরুদ্ধে থানায় নিয়মিত ফৌজদারি মামলার বিষয়টি অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।