৯ মার্চ, ২০২৬

আইন ও বিচার বিভাগের অধীনে ৩ মাসের ইন্টার্নশিপের সুযোগ

আইন ও বিচার বিভাগের অধীনে ৩ মাসের ইন্টার্নশিপের সুযোগ


ছবিঃ সংগৃহীত

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর আইন ও বিচার বিভাগ বিচার শাখা-০৮ থেকে ইন্টার্নশিপ আহ্বান বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। ইন্টার্নশিপ নীতিমালা, ২০২৩ এর আওতায় বিভাগটির অধীনে ৩ মাস মেয়াদে মোট ১২ জনকে ইন্টার্নশিপ প্রদান করা হবে।

বিষয় ও যোগ্যতা:  ইন্টার্নশিপটি স্নাতক বা স্নাতকোত্তর পর্যায়ের নিম্নোক্ত বিষয় সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের জন্য প্রযোজ্য: আইন, ভূমি ব্যবস্থাপনা এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং

আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত যোগ্যতা প্রযোজ্য: ১। আবেদনকারীকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। ২। যে কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উল্লিখিত বিষয়ে স্নাতক, স্নাতকোত্তর বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। ৩। যারা পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়েছেন, তারাও আবেদন করতে পারবেন। তবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রত্যয়নপত্র দাখিল করতে হবে। ৪। স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের ২ বছরের মধ্যে আবেদন করতে হবে। ৫। ইন্টার্নশিপ নীতিমালা, ২০২৩ অনুযায়ী একজন প্রার্থী মাত্র একবার ইন্টার্নশিপ করতে পারবেন। ৬। অন্য কোনো কর্মে নিয়োজিত থাকলে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অনাপত্তি সনদ দাখিল করতে হবে।

কর্ম-এলাকা: নির্বাচিত ইন্টার্নদের নিম্নোক্ত জেলায় কাজ করতে হবে: বগুড়া, ঝিনাইদহ, নাটোর, যশোর, মাগুরা, কুষ্টিয়া, রাজশাহী, মেহেরপুর, পাবনা, ঢাকা ও চট্টগ্রাম।

ভাতা ও শর্তাবলি:  ইন্টার্নশিপ চলাকালীন মাসিক ১০,০০০ টাকা হারে ভাতা প্রদান করা হবে। ভাতা ছাড়া অন্য কোনো ভাতা বা সুবিধা প্রদান করা হবে না। ১। বিভাগ কর্তৃক নির্ধারিত একজন সুপারভাইজারের অধীনে ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করতে হবে।২। ইন্টার্নশিপ চলাকালীন নির্ধারিত এলাকায় কাজ করতে হবে। ৩। প্রতি মাসে ভাতা প্রাপ্তির জন্য সুপারভাইজারের সন্তোষজনক প্রত্যয়ন দাখিল করতে হবে। ৪। ইন্টার্নশিপ চলাকালে কর্মে নিয়োজিত থাকার কোনো প্রত্যয়ন দেওয়া হবে না। ৫। সফলভাবে সম্পন্ন করার পর ইন্টার্নশিপ সনদ প্রদান করা হবে। ৬।   ইন্টার্নশিপ সনদ কোনো সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার হিসেবে গণ্য হবে না। ৭। ইন্টার্নশিপ সমাপনান্তে আইন ও বিচার বিভাগ বা এর অধীন কোনো দপ্তর, সংস্থা বা অন্য সরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের দাবি করা যাবে না। ৮।  ইন্টার্নশিপ নীতিমালা, ২০২৩ এর অনুচ্ছেদ ১২(গ) অনুযায়ী নির্বাচিত প্রার্থীকে ঘোষণাপত্র ও চুক্তিপত্র স্বাক্ষর করতে হবে। সরকারি গোপনীয়তা সংক্রান্ত প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান মেনে ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করতে হবে।

নির্বাচন প্রক্রিয়া: প্রাথমিক বাছাই শেষে সংক্ষিপ্ত তালিকাভুক্ত প্রার্থীদের লিখিত, মৌখিক বা উভয় ধরনের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হতে পারে। পরীক্ষার তারিখ ও সময় ইমেইল, ডাকযোগে বা মোবাইল ফোনে জানানো হবে। পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য কোনো টিএ বা ডিএ প্রদান করা হবে না।

আবেদন প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীদের আইন ও বিচার বিভাগের ওয়েবসাইট www.lawjusticediv.gov.bd এর নোটিশ বোর্ড থেকে আবেদন ফরম ডাউনলোড করে যথাযথভাবে পূরণ করতে হবে। নির্ধারিত স্থানে পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি সংযুক্ত করে আগামী ১৮ মার্চ ২০২৬ তারিখ বিকাল ৫টার মধ্যে section8@lawjusticediv.gov.bd ইমেইলে আবেদন পাঠাতে হবে। ইমেইল ব্যতীত সরাসরি বা অন্য কোনো মাধ্যমে আবেদন গ্রহণ করা হবে না।

মৌখিক পরীক্ষার সময় পূরণকৃত আবেদনপত্রের মূল কপি এবং শিক্ষাগত সনদ, পরীক্ষায় অবতীর্ণ হওয়ার প্রত্যয়নপত্র, চারিত্রিক সনদ বা প্রশংসাপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধন, নাগরিকত্ব সনদ এবং সাম্প্রতিক তোলা তিন কপি রঙিন ছবিসহ এক সেট সত্যায়িত ফটোকপি জমা দিতে হবে। ইন্টার্নশিপ প্রদান সংক্রান্ত যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্ণ এখতিয়ার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।

৮ মার্চ, ২০২৬

ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সালসহ ২ জন ভারতে গ্রেফতার

ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সালসহ ২ জন ভারতে গ্রেফতার


ছবি: সংগৃহীত 

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান ওরফে হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদসহ ২ জনকে ভারতে আটক করেছে পুলিশ। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এএনআই এক্স পোস্টে এমন তথ্য জানিয়েছে।

খবরে বলা হয়, রোববার (৮ মার্চ) গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ভারতীয় পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে বনগাঁ এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন, রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) এবং আলমগীর হোসেন (৩৪)।

পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ আলমগীর হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক কর্মী ওসমান হাদিকে হত্যা করে এবং পরে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। তারা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করে এবং  ভারতের বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করার পর শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে পুনরায় প্রবেশ করার উদ্দেশ্যে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকায় আসে।

এ ঘটনায় মামলা দায়ের করেছে ভারতীয় পুলিশ। রোববার (৮ মার্চ) অভিযুক্তদের বিধাননগর আদালতে হাজির করার পরে তাদের ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।

মির্জা আব্বাসকে মানহানির অভিযোগে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা

মির্জা আব্বাসকে মানহানির অভিযোগে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা

ছবি: সংগৃহীত 

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে মানহানির অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয়েছে। রোববার (৮ মার্চ) সকালে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (সিএমএম) মামলার আবেদনটি করেন রমনা থানা বিএনপির সভাপতি আশরাফুল ইসলাম।

এ সময় আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেছেন। বাদী পক্ষের আইনজীবী মো. আমিরুল ইসলাম আমির এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘ইতিমধ্যে আমরা মামলাটির আবেদন জমা দিয়েছি। সকাল ১১টার দিকে মামলার আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।’

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী গত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে মির্জা আব্বাসের সঙ্গে বিপুল ভোটে হেরে যায়। নির্বাচনের সময় তিনি বিভন্ন সময়ে মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছেন। এসব বক্তব্য ফেসবুক ও ইউটিউবে ভাইরাল করে দিয়ে মির্জা আব্বাসের সম্মান ক্ষুণ্ন করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, সবশেষ জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন মির্জা আব্বাস ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। ভোটের মাঠে কথার যুদ্ধে একপাক্ষিকভাবে বেশ আটঘাট বেঁধেই নামতে দেখা গিয়েছিল এনসিপির এ নেতাকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মির্জা আব্বাসকে নিয়ে  তার করা বেশকিছু মন্তব্য ভাইরালও হয়। অবশ্য ভোটে জয়লাভ করতে পারেননি তিনি। এই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মির্জা আব্বাস।

৬ মার্চ, ২০২৬

গাঁজা সেবন দেখে ফেলায় হত্যা করা হয় মাদ্রাসার ছাত্রকে

গাঁজা সেবন দেখে ফেলায় হত্যা করা হয় মাদ্রাসার ছাত্রকে


ছবি: সংগৃহীত 

গাজীপুরে গাঁজা সেবনের দৃশ্য দেখে তা অন্যকে বলে দেওয়ার কথা বলায় মাদ্রাসা ছাত্র শিশু মাহাবুব ইসলাম রনিকে (১৩) শ্বাসরোধে হত্যার পর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয় এক যুবক। এ ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন ও হত্যাকাণ্ডে জড়িত আসামিকে গ্রেপ্তারের পর এমনটাই জানিয়েছে পিবিআই।

এই ঘটনায় গ্রেপ্তার ছাব্বির আহম্মেদ (১৯) গাজীপুর সদর উপজেলার ভবানীপুর ফকিরা গার্মেন্টস সংলগ্ন এলাকায় হাজী ইকবাল হোসেনের বাড়ির ভাড়াটিয়া। তার গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ থানার নিজতুলন্দর দেওয়ানগঞ্জ বাজার এলাকায়।

বৃহস্পতিবার (৫ বৃহস্পতিবার) রাতে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর থানার ভবানীপুর এলাকা থেকে ছাব্বিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার বিকালে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআইয়ের এসআই বিশ্বজিৎ বিশ্বাস জানান, মাহাবুব ইসলাম রনি (১৩) ভবানীপুরর পূর্বপাড়া এলাকায় খুরশিদিয়া মারকাজুল উলুম কওমী মাদ্রাসা ও এতিমখানার নাজেরা বিভাগে অধ্যয়নরত ছিল।

গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাত ৯টার দিকে জয়দেবপুর ভবানীপুর পূর্বপাড়া দারুস সালাম জামে মসজিদে তারাবির নামাজ আদায় করে বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পরে রনি বাসায় ফিরে না আসায় তার পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পায়নি।

পর দিন বেলা ১১টার দিকে স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পায় যে; ভবানীপুর পূর্বপাড়া এলাকায় জঙ্গলের ভেতরে আগুনে পোড়া অবস্থায় ১৩/১৪ বছর বয়সের এক কিশোরের মরদেহ পড়ে আছে। পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে কোমর থেকে মাথা পর্যন্ত আগুনে পোড়া অবস্থায় মরদেহটি দেখে স্বজনরা মাহাবুব ইসলাম রনিকে (১৩) শনাক্ত করেন।

পরে এই ঘটনায় নিহত কিশোর রনির দাদা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। পিবিআই মামলাটির তদন্ত করে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় জয়দেবপুর থানাধীন ভবানীপুর এলাকা হতে গত বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনা সঙ্গে জড়িত ছাব্বির আহম্মেদ গ্রেপ্তার করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে সে এ ঘটনার সঙ্গে নিজে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পিবিআইয়ের এসআই বিশ্বজিৎ বিশ্বাস। নওগাঁয় স্ত্রী-সন্তানকে জবাই করে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যাএ বিষয়ে পিবিআই গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো।

আবুল কালাম আজাদ জানান, নিরপরাধ একটি শিশুকে নির্মমভাবে হত্যা করে মরদেহ পুড়িয়ে ফেলার মতো নৃশংস অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। তিনি আরও জানান, আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে পুলিশকে জানায়- ঘটনার দিন রাত অনুমান ৯টার ছাব্বির আহম্মেদ গাঁজা সেবনের জন্য জঙ্গলের ভেতরে যায়।

সে পূর্বেও মাঝে মাঝে ঐ জঙ্গলে গিয়ে গাঁজা সেবন করত। এ সময় মাহাবুব ইসলাম রনি সেখানে ছাব্বিরকে গাঁজা সেবন করতে দেখে এবং বিষয়টি অন্যদের জানিয়ে দেওয়ার কথা বলে।

এতে ছাব্বির তাকে বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য বারবার অনুরোধ করে। কিন্তু রনি পুনরায় লোকজনকে জানিয়ে দেওয়ার কথা বললে ছাব্বির আহম্মেদ ক্ষিপ্ত হয়ে রনিকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয় এবং পেছন দিক থেকে রনির গলায় হাত দিয়ে চেপে ধরে। এক পর্যায়ে ছাব্বির শিশু রনির ঘাড় মোচড় দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে মরদেহে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে পালিয়ে যায়।

বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করে মালয়েশিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে গেছে এফবিআই

বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করে মালয়েশিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে গেছে এফবিআই

ছবি: সংগৃহীত 

আন্তর্জাতিক শিশু যৌন নিপীড়নের চক্র পরিচালনাসহ বিভিন্ন অভিযোগে জোবাইদুল আমিন (২৮) নামের এক বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তারের পর মালয়েশিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে গেছে মার্কিন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা (এফবিআই)।

এফবিআইয়ের পরিচালক কাশ প্যাটেল আজ শুক্রবার এক এক্স পোস্টে এই তথ্য জানান। পোস্টে তিনি বলেন, এফবিআইসহ মার্কিন অংশীদাররা জোবাইদুলকে গ্রেপ্তার করে। তিনি ২০২২ সাল থেকে পলাতক ছিলেন। এফবিআইয়ের পরিচালক লিখেছেন, জোবাইদুলকে মালয়েশিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কায় নিয়ে এসেছে এফবিআই। আলাস্কায় তিনি তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের মুখোমুখি হবেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে প্রকাশ করা হবে।

তদন্ত ও গ্রেপ্তারে সহযোগিতার জন্য মালয়েশিয়া সরকারসহ যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় অংশীদারদের ধন্যবাদ জানান এফবিআইয়ের পরিচালক। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের ওয়েবসাইটে গতকাল বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক শিশু যৌন নিপীড়নের চক্র পরিচালনার অভিযোগে ৫ মার্চ ডিস্ট্রিক অব আলাস্কার আদালতে এক বাংলাদেশিকে হাজির করার বিষয়টি নির্ধারিত আছে। ২০২২ সালের জুলাইয়ে জোবাইদুলকে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল গ্র্যান্ড জুরি আলাস্কাসহ যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য স্থান ও বিদেশে শত শত শিশুকে নিপীড়নের সঙ্গে সম্পর্কিত অভিযোগে অভিযুক্ত করেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, জোবাইদুল ইনস্টাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাটসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে অপ্রাপ্তবয়স্কদের খুঁজে বের করতেন। তিনি তাদের যৌনতামূলক ছবি–ভিডিও তৈরিতে বাধ্য করতেন। যুক্তরাষ্ট্রে অভিযোগ আনার আগে জোবাইদুল মালয়েশিয়ায় বসবাস করছিলেন। তিনি মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাশাস্ত্রে পড়াশোনা করছিলেন।

২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে মালয়েশিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় জোবাইদুলকে শিশু পর্নোগ্রাফি নিজের কাছে রাখা ও তৈরিসংক্রান্ত অভিযোগে অভিযুক্ত করে। জোবাইদুলের বিষয়ে এফবিআই ও যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করে আসছে। ৪ মার্চ তাঁকে মালয়েশিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কায় নেওয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জোবাইদুল যদি দোষী সাব্যস্ত হন, তবে তাঁর ২০ বছর থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে।

পুলিশ নিয়ে দুই চাঁদাবাজকে ধরলেন সাভারের এমপি

পুলিশ নিয়ে দুই চাঁদাবাজকে ধরলেন সাভারের এমপি


ছবি: সংগৃহীত 

সাভারের-আশুলিয়া এলাকায় ভূমিদস্যু চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযানে নেমেছেন ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু। একাধিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার সকালে তিনি নিজেই পুলিশ নিয়ে আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন।

জানা যায়, স্থানীয় এক ভুক্তভোগী রাজিয়া বেগমের অভিযোগের ভিত্তিতে আশুলিয়ার কাঠগড়া এলাকার দূর্গাপুর, আলতাফ নগরসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় আলতাফ নগর এলাকায় একটি নির্মাণাধীন বাড়ির মালিকের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে রুবেল মন্ডল ও বাবুল হোসেন নামের দুই চাঁদাবাজকে আটক করা হয়। পরে তাদের পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হলে পুলিশ তাদের থানায় নিয়ে যায়। অভিযানের খবর পেয়ে এলাকায় থাকা কয়েক মাদক ব্যবসায়ী দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। স্থানীয় সূত্র জানায়, স্থানীয় সংসদ সদস্যের নির্বাচনী ইশতেহারের ১০০ দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে এলাকায় চাঁদাবাজি ও মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান শুরু করা হয়েছে।

এ সময় সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু বলেন, চাঁদাবাজদের কোনো দল নেই। সে যে দলেরই হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ওপর কোনো ধরনের চাঁদাবাজি বা হয়রানি বরদাস্ত করা হবে না এবং এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষনার পর থেকে ডাক্তার দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন এলাকার বাসিন্দাদের যে কোন সমস্যায় তার নিকট অভিযোগ জানানোর জন্য সকল সভা সমাবেশে তার মোবাইল ফোন নম্বর দিয়ে আসছেন এবং ফোন কল রিসিভ করে জনগণের সাথে কথা বলছেন। এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুবেল হাওলাদার জানান, আটক দুই চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

৪ মার্চ, ২০২৬

সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট


ছবি: সংগৃহীত 

ঢাকা উত্তর, দক্ষিণসহ দেশের ছয় সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে। বুধবার সকালে অ্যাডভোকেট গোলাম কিবরিয়াসহ সুপ্রিম কোর্টের ৬ আইনজীবী এ রিট দায়ের করেন। রিটে স্থানীয় সরকার সচিব, নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী করা হয়েছে।

এর আগে গত ২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর-দক্ষিণসহ দেশের ছয় সিটি করপোরেশনে ছয়জন পূর্ণকালীন প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়। ছয় প্রশাসক নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ (সিটি করপোরেশন-১ শাখা)। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ছয় সিটি করপোরেশনে যে ছয় প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তারা হলেন—ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে মো. আব্দুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে মো. শফিকুল ইসলাম খান, খুলনা সিটি করপোরেশনে নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সিলেট সিটি করপোরেশনে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে মো. সাখাওয়াত হোসেন খান, গাজীপুর সিটি করপোরেশনে মো. শওকত হোসেন সরকার।