১৪ ফেব, ২০২৬

নতুন সরকার ও মন্ত্রিপরিষদ গঠন কবে?

নতুন সরকার ও মন্ত্রিপরিষদ গঠন কবে?

ছবিঃ সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এখন পর্যন্ত বেসরকারিভাবে ২৯৭টি আসনের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ২৯৭টি সংসদীয় আসনের মধ্যে বিএনপি জয়ী হয়েছে ২০৯টি আসনে এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসনে বিজয়ী হয়েছে। এনসিপি জয় পেয়েছে ছয় আসনে।

ভোটের পর এখন নতুন মন্ত্রিসভার অপেক্ষা। গেজেট জারির পর শপথ নেবেন নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। এরপর শুরু হবে নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন মন্ত্রিসভা গঠন হতে পারে। জানা যায়, আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ হতে পারে।

পরবর্তী দু-দিনের মধ্যে মন্ত্রিসভার শপথের মাধ্যমে গঠিত হবে নতুন সরকার। নির্বাচনে সর্বোচ্চ আসনপ্রাপ্ত বিএনপির সংসদ নেতা হবেন নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন-এটি অনেকটাই নিশ্চিত।

নির্বাচনে দল হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পাওয়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা সংসদে কী হবে, সেটাও পরবর্তী সময়ে নির্ধারিত হবে। তবে জামায়াত সংসদে প্রধান বিরোধী দল হবে, এটাও অনেকটা নিশ্চিত। 

১৩ ফেব, ২০২৬

সংসদ নেই, স্পিকার নেই, নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন?

সংসদ নেই, স্পিকার নেই, নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন?


ছবি: সংগৃহীত

সারা দেশে ২৯৯টি আসনে গতকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণেভোটেরে ভোটগ্রহণ। এদিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত একটানা ৯ ঘণ্টা চলে ভোটগ্রহণ। পরে গণনা শুরু হয়। রাতের মধ্যেই ঘোষণা হয়ে যায় নির্বাচনী ফলাফল। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত বেসরকারি ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, বিএনপি সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। 

সংবিধান অনুযায়ী, নতুন সরকার গঠনের শুরুটা হবে নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ গ্রহণের মাধ্যমে। তবে এই শপথের প্রক্রিয়া নিয়েও এবার তৈরি হয়েছে কিছু অনিশ্চয়তা।
শপথ কত দিনের মধ্যে নিতে হয়? উত্তরটা হচ্ছে, সাধারণত নির্বাচনের ফল ঘোষণার তিন দিনের মধ্যে শপথ পড়ানো হয়। কিন্তু এখানে একটা কথা আছে। সাধারণভাবে নির্বাচন কমিশন থেকে যে বেসরকারি ফল যাওয়া যায় একদিন বা দুইদিনের মধ্যে, সেটা কিন্তু আনুষ্ঠানিক ফলাফল হিসেবে গণ্য হয় না। মানে সেই ফলাফল ঘোষণার তিন দিনের মধ্যে শপথ নিতে হবে এমনটা নয়।

সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, নির্বাচনের ফলাফল ‘সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপিত’ হতে হবে এবং এরপর ‘তিন দিনের মধ্যে’ নির্বাচিতদের শপথ গ্রহণ হবে। সেক্ষেত্রে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণার পর প্রজ্ঞাপন হতে আরো কয়েকটা দিন বাড়তি সময় লাগতে পারে।

নির্বাচিত সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন? শপথ কে পড়াবেন এই প্রশ্ন উঠছে, কারণ নিয়ম অনুযায়ী অতীতে নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পড়িয়েছেন মূলত জাতীয় সংসদের স্পিকার। কিন্তু চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতে সংসদ নেই, স্পিকারও নেই। এমনকি ডেপুটি স্পিকারও কারাগারে।

তাহলে উপায় কী আছে? এক্ষেত্রে আবারো যেতে হবে সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদে। যেখানে বলা হয়েছে, ‘সংসদ সদস্যদের সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপিত হইবার তারিখ হইতে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে এই সংবিধানের অধীন এতদুদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা তদুদ্দেশ্যে অনুরূপ ব্যক্তি কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোনো ব্যক্তি যে কোনো কারণে নির্বাচিত সদস্যদের শপথ পাঠ পরিচালনা করিতে ব্যর্থ হইলে বা না করিলে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার উহার পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে উক্ত শপথ পাঠ পরিচালনা করিবেন, যেন এই সংবিধানের অধীন তিনিই ইহার জন্য নির্দিষ্ট ব্যক্তি।’

এই অনুচ্ছেদে মূলত দুটি উপায় বলা হয়েছে। এক. রাষ্ট্রপতি শপথ পাঠ করানোর জন্য কাউকে মনোনীতি করতে পারেন। দুই. যদি তিন দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির মনোনীত ব্যক্তি শপথ করাতে না পারেন তাহলে তখন প্রধান নির্বাচন কমিশনার পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে শপথ পাঠ করাবেন।

এ বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল গত পাঁচই ফেব্রুয়ারি গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন। সেসময় তিনি জানান, নির্বাচনের পর দ্রুত ক্ষমতা হস্তান্তর করতে চায় সরকার।

তিনি বলেন, ‘এটা সরকারের নীতিগত পর্যায়ের সিদ্ধান্ত। আমাদের সামনে দুটি অপশন আছে। একটা হচ্ছে রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোনো ব্যক্তি শপথ গ্রহণ করা পারেন। উদাহরণ হিসেবে হয়তো আমাদের প্রধান বিচারপতি হতে পারেন’।

তিনি আরো বলেন, ‘আর এটা যদি না হয়, তাহলে আমাদের প্রধান নির্বাচন কমিশনার আছেন, তিনিই শপথ গ্রহণ করাবেন। এ ক্ষেত্রে একটি সমস্যা আছে, তিন দিন অপেক্ষা করতে হবে। আমরা আসলে অপেক্ষা করতে চাই না, আমরা নির্বাচন হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব শপথ গ্রহণের ব্যবস্থা করতে চাই। 

শপথের পর ক্ষমতা কে, কীভাবে পাবেন? শপথের বিষয়টির সমাধান হয়ে গেলেও আরো কিছু প্রশ্ন থেকে যায়। ক্ষমতা কে, কীভাবে পাবেন, অর্থাৎ সরকার গঠন কে করবেন?

এখানে এই প্রক্রিয়াটি হবে রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে। তিনি, অর্থাৎ রাষ্ট্রপতি, যে দল বা জোট এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জিতেছে, অর্থাৎ ১৫১টি বা তার বেশি আসনে জয়ী হয়েছে, তাকেই সরকার গঠনের জন্য আহ্বান জানাবেন।

এখানে দলকে আমন্ত্রণ জানানো মানে দলের নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো। তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠের আস্থাভাজন হিসেবে প্রথমে সংসদ নেতা হবেন এবং এরপর আমন্ত্রণ পেয়ে নতুন সরকার গঠন করবেন। তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ এবং নিয়োগ দেবেন রাষ্ট্রপতি।

সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদে বিষয়টা বর্ণনা করা আছে এভাবে যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হইবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁহাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করিবেন’।

মূলত, প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রীসভার সদস্যরা শপথ নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তারা ওই পদগুলোর ক্ষমতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে পেয়ে যাবেন। এরমধ্য দিয়েই আগের সরকারের ক্ষমতা হস্তান্তরিত হয়ে গঠিত হয়ে যাবে নতুন সরকার। সংবিধান অনুযায়ী শপথগ্রহণ হয়ে গেলেই তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেছে বলে গণ্য হবে।

সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘এই সংবিধানের অধীন যে ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তির পক্ষে কার্যভার গ্রহণের পূর্বে শপথগ্রহণ আবশ্যক, সেই ক্ষেত্রে শপথগ্রহণের অব্যবহিত পর তিনি কার্যভার গ্রহণ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে’।

নীরবতা ভাঙলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

নীরবতা ভাঙলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

ছবি: সংগৃহীত 

গতকাল বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের ফল প্রকাশের দীর্ঘ সময় সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় নীরবতা ভাঙলেন আলোচিত ঢাকা-৮ আসনের ১১ দলীয় জোট প্রার্থী ও এনসিপির  মূখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

আজ শুক্রবার (১৩ ফেবুয়ারি) রাত প্রায় ১০টার দিকে নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে করা এক পোস্টে পাটওয়ারী লেখেন- "অভিনন্দন! ইঞ্জিনিয়ার তারেক রহমান। জাতীয় ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ১৩তম ব্যাচে সাফল্যের জন্য শুভেচ্ছা।"

প্রসঙ্গত, নির্বাচনের শেষ অবধি দেশজুড়ে ব্যাপক আলেচনায় ছিল ঢাকা-৮ আসন। ফলাফলে দেখা গেছে, আসনের ১০৮টি কেন্দ্রে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী ভোট পান ৫১ হাজার ৫৭২। সেই সঙ্গে পোস্টাল ভোট পান ২ হাজার ৫৫৫টি। ফলে তার মোট ভোট হয় ৫৪ হাজার ১২৭। অন্যদিকে ৫৬ হাজার ৫৫২ মোট ভোট পেয়ে তাকে হারিয়ে আসনটিতে বিজয়ী হন বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

২৯৭ আসনের আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা

২৯৭ আসনের আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৭টি আসনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফলাফল ঘোষণা স্থগিত রাখা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এ দুই আসনের ফলাফল পরবর্তী সময়ে ঘোষণা করা হবে।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে ফল ঘোষণার সমাপণী বক্তব্যে ইসি সচিব আখতার আহমেদ এসব তথ্য জানান।
ইসি সচিব বলেন, নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ২৯৭টি আসনের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। বাকি দুই আসনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষে কমিশন সিদ্ধান্ত জানাবে। ঘোষিত ফলাফলের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা কার্যক্রমের সমাপ্তি হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সমাপনী বক্তব্যে আখতার আহমেদ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন, গণমাধ্যমকর্মী ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, সবার সহযোগিতা ও ধৈর্যের মধ্য দিয়ে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এই ধৈর্যের পরীক্ষায় সবাই উত্তীর্ণ হয়েছেন।

উল্লেখ্য, গতকাল (১২ ফেব্রুয়ারি) শেরপুর-২, চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ভোটের ফল ঘোষণা স্থগিত রাখার বিষয়ে তিনটি পৃথক চিঠি জারি করেছিল নির্বাচন কমিশন। ওই চিঠিগুলোতে বলা হয়েছিল, আদালতে মামলা চলমান থাকায় এসব আসনের ফল ঘোষণা করা হবে না। তবে এরই মধ্যে শেরপুর-২ আসনের ফল ঘোষণা করা হয়েছে। তবে আপাতত এই আসনের গেজেট না প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি।


মাহফিলের ঘোষণা দিলেন ছাত্রদল সভাপতি

মাহফিলের ঘোষণা দিলেন ছাত্রদল সভাপতি


ছবি: সংগৃহীত 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সরকারিভাবে এখনও ফলাফল ঘোষণা না করা হলেও বিএনপিই যে আগামী সরকার গঠন করছে তা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়। এদিকে এ বিজয় উপলক্ষে দোয়া মাহফিলের ঘোষণা দিয়েছেন ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি এ ঘোষণা দেন।

ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ব্যবধানে বিজয় অর্জন করেছে। জনগণের এই অভূতপূর্ব সমর্থন গণতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদের পক্ষে এক সুস্পষ্ট ও ঐতিহাসিক রায়।

সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং দেশবাসীর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ প্রত্যাশায় আজ শুক্রবার জুম্মার নামাজ শেষে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। আপনাদের উপস্থিতি কামনা করছি।

৫০ হাজারের বেশি ভোটে হেরেছেন জামায়াতের হিন্দু প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী

৫০ হাজারের বেশি ভোটে হেরেছেন জামায়াতের হিন্দু প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী


ছবি: সংগৃহীত 

খুলনা-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী আমীর এজাজ খান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দীকে তিনি ৫০ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন। প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, আমীর এজাজ খান পেয়েছেন ১ লাখ ২০ হাজার ৯২ ভোট। অপরদিকে কৃষ্ণ নন্দী পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৬৫৮ ভোট।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এর আগে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে দেশব্যাপী ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে নির্বাচিত রুমিন ফারহানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে নির্বাচিত রুমিন ফারহানা


ছবি: সংগৃহীত 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের আংশিক) থেকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে এ তথ্য জানা যায়।

হাঁস প্রতীকে তিনি মোট ভোট পেয়েছেন ৫০ হাজার ৫৭৯। এ আসনে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ও বিএনপি জোটের প্রার্থী মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব (খেজুরগাছ প্রতীক) পেয়েছেন ৩২ হাজার ৫৭৯ ভোট।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে ৯ জন প্রার্থী থাকলেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই আসনে ভোট পড়েছে ৪৪ দশমিক ৮ শতাংশ।

উল্লেখ্য, এ আসনে মোট ভোটার ছিলো ৪ লাখ ৯৯ হাজার ৪৪৮ জন। এরমধ্যে, পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৬৫ হাজার ২৪৫ জন। আর নারী ভোটার ২ লাখ ৩৪ হাজার ২০১ জন। আর হিজরা ভোটার ২ জন।