১৩ ফেব, ২০২৬

২৯৭ আসনের আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা

২৯৭ আসনের আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৭টি আসনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফলাফল ঘোষণা স্থগিত রাখা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এ দুই আসনের ফলাফল পরবর্তী সময়ে ঘোষণা করা হবে।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে ফল ঘোষণার সমাপণী বক্তব্যে ইসি সচিব আখতার আহমেদ এসব তথ্য জানান।
ইসি সচিব বলেন, নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ২৯৭টি আসনের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। বাকি দুই আসনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষে কমিশন সিদ্ধান্ত জানাবে। ঘোষিত ফলাফলের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা কার্যক্রমের সমাপ্তি হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সমাপনী বক্তব্যে আখতার আহমেদ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন, গণমাধ্যমকর্মী ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, সবার সহযোগিতা ও ধৈর্যের মধ্য দিয়ে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এই ধৈর্যের পরীক্ষায় সবাই উত্তীর্ণ হয়েছেন।

উল্লেখ্য, গতকাল (১২ ফেব্রুয়ারি) শেরপুর-২, চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ভোটের ফল ঘোষণা স্থগিত রাখার বিষয়ে তিনটি পৃথক চিঠি জারি করেছিল নির্বাচন কমিশন। ওই চিঠিগুলোতে বলা হয়েছিল, আদালতে মামলা চলমান থাকায় এসব আসনের ফল ঘোষণা করা হবে না। তবে এরই মধ্যে শেরপুর-২ আসনের ফল ঘোষণা করা হয়েছে। তবে আপাতত এই আসনের গেজেট না প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি।


মাহফিলের ঘোষণা দিলেন ছাত্রদল সভাপতি

মাহফিলের ঘোষণা দিলেন ছাত্রদল সভাপতি


ছবি: সংগৃহীত 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সরকারিভাবে এখনও ফলাফল ঘোষণা না করা হলেও বিএনপিই যে আগামী সরকার গঠন করছে তা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়। এদিকে এ বিজয় উপলক্ষে দোয়া মাহফিলের ঘোষণা দিয়েছেন ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি এ ঘোষণা দেন।

ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ব্যবধানে বিজয় অর্জন করেছে। জনগণের এই অভূতপূর্ব সমর্থন গণতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদের পক্ষে এক সুস্পষ্ট ও ঐতিহাসিক রায়।

সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং দেশবাসীর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ প্রত্যাশায় আজ শুক্রবার জুম্মার নামাজ শেষে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। আপনাদের উপস্থিতি কামনা করছি।

৫০ হাজারের বেশি ভোটে হেরেছেন জামায়াতের হিন্দু প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী

৫০ হাজারের বেশি ভোটে হেরেছেন জামায়াতের হিন্দু প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী


ছবি: সংগৃহীত 

খুলনা-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী আমীর এজাজ খান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দীকে তিনি ৫০ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন। প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, আমীর এজাজ খান পেয়েছেন ১ লাখ ২০ হাজার ৯২ ভোট। অপরদিকে কৃষ্ণ নন্দী পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৬৫৮ ভোট।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এর আগে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে দেশব্যাপী ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে নির্বাচিত রুমিন ফারহানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে নির্বাচিত রুমিন ফারহানা


ছবি: সংগৃহীত 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের আংশিক) থেকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে এ তথ্য জানা যায়।

হাঁস প্রতীকে তিনি মোট ভোট পেয়েছেন ৫০ হাজার ৫৭৯। এ আসনে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ও বিএনপি জোটের প্রার্থী মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব (খেজুরগাছ প্রতীক) পেয়েছেন ৩২ হাজার ৫৭৯ ভোট।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে ৯ জন প্রার্থী থাকলেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই আসনে ভোট পড়েছে ৪৪ দশমিক ৮ শতাংশ।

উল্লেখ্য, এ আসনে মোট ভোটার ছিলো ৪ লাখ ৯৯ হাজার ৪৪৮ জন। এরমধ্যে, পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৬৫ হাজার ২৪৫ জন। আর নারী ভোটার ২ লাখ ৩৪ হাজার ২০১ জন। আর হিজরা ভোটার ২ জন।

৯ ফেব, ২০২৬

 ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের জন্য কোনও নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই: ডিএমপি কমিশনার

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের জন্য কোনও নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই: ডিএমপি কমিশনার

ছবিঃ সংগৃহীত

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার এসএম সাজ্জাত আলী আজ বলেছেন যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য ত্রুটিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে ঘিরে কোনও নিরাপত্তা ঝুঁকি না থাকে।

"আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে," তিনি বলেন। ডিএমপি কমিশনার মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন।

নিরাপত্তা ব্যবস্থা তুলে ধরে তিনি বলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় মোট ২,১৩১টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। অবস্থান, ভোটার সংখ্যা এবং নিরাপত্তা বিবেচনার ভিত্তিতে কেন্দ্রগুলিকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে, তিনি বলেন। তিনি আরও বলেন, ১,৬১৪টি গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে কমপক্ষে চারজন পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে এবং ৫১৭টি সাধারণ ভোটকেন্দ্রে তিনজন পুলিশ সদস্য নিযুক্ত থাকবেন।

"রিয়েল-টাইম মনিটরিং নিশ্চিত করার জন্য, ভোটকেন্দ্রগুলিতে শরীরে লাগানো ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে, কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে সরাসরি তদারকি করা হবে," তিনি বলেন। তিনি বলেন, মোট ১৮০টি স্ট্রাইকিং টিম এবং ৫১০টি মোবাইল টিম ভোটকেন্দ্রের বাইরে সক্রিয় থাকবে।

তিনি আরও জানান, ডিএমপির আটটি বিভাগে আটটি সাধারণ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ এবং চারটি বিশেষ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ কাজ করবে। তিনি আরও বলেন, কৌশলগত স্থানে বিশেষ রিজার্ভ ফোর্স মোতায়েন করা হবে এবং প্রয়োজনে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সরাসরি তত্ত্বাবধানে দ্রুত মোতায়েন করা যেতে পারে।

তিনি আরও বলেন, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় সোয়াট টিম, বোমা নিষ্ক্রিয়কারী ইউনিট, ডগ স্কোয়াড, ক্রাইম সিন ভ্যান এবং মাউন্টেড পুলিশও প্রস্তুত থাকবে। আসন্ন নির্বাচন আমাদের জন্য নানা কারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমরা একটি অর্থবহ এবং সর্বজনীনভাবে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেখানে অতীতের নির্বাচনে পুলিশকে কীভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল তার কলঙ্ক থেকে মুক্ত থাকবে।”

তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, পুলিশ ত্যাগ ও রক্তপাতকে সমুন্নত রাখতে প্রস্তুত, যা দেশকে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে এসেছে। তিনি নাগরিকদের আশ্বস্ত করেন যে পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব এবং প্রশ্নাতীত নিরপেক্ষতার সাথে তাদের দায়িত্ব পালন করবে, যা ভবিষ্যতের নির্বাচনের জন্য একটি মানদণ্ড স্থাপন করবে।

নগরবাসীকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আমি সম্মানিত নগরবাসীকে অনুরোধ করছি, ভয় বা বাধা ছাড়াই সুশৃঙ্খলভাবে ভোটকেন্দ্রে যান এবং তাদের নাগরিক অধিকার প্রয়োগ করুন।”

ডিএমপি কমিশনার আরও উল্লেখ করেন যে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই পুলিশের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছিল। এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে, প্রায় ২৫,০০০ ডিএমপি কর্মী তাদের পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য বিশেষ নির্বাচন-সম্পর্কিত প্রশিক্ষণ পেয়েছেন, তিনি বলেন।

তিনি বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য পুলিশ সদস্যদের নিরপেক্ষভাবে তাদের দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এবারের জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে কোনও নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই এবং সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের তুলনায় ভালো।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন) মো. সারওয়ার (সেবা), অতিরিক্ত আইজি; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) এস. এন. মো. নজরুল ইসলাম, (সেবা); উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া ও জনসংযোগ) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এবং সহকারী পুলিশ কমিশনার আরিফা আক্তার প্রীতি।

ইরানে নোবেলজয়ী নার্গিস মোহাম্মাদিকে সাড়ে ৭ বছরের কারাদণ্ড

ইরানে নোবেলজয়ী নার্গিস মোহাম্মাদিকে সাড়ে ৭ বছরের কারাদণ্ড

ইরানে শান্তিতে নোবেলজয়ী নার্গিস মোহাম্মাদিকে নতুন করে সাড়ে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির একটি আদালত। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) তার সমর্থকরা জানিয়েছেন, ফেব্রুয়ারির শুরুতে অনশন শুরু করার পর তার বিরুদ্ধে নতুন এই সাজা দেয়া হয়। প্রায় এক সপ্তাহের ওই অনশনের পর তার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটছে।

২০২৩ সালে শান্তিতে পুরস্কার জয়ী মোহাম্মদি ডিসেম্বরে এক অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠানে সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলায় গত দুই মাস কারাগারে ছিলেন তিনি।

তার ফাউন্ডেশন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গত শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) তাকে জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার অভিযোগে ছয় বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয় এবং ইরানের ইসলামী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ‘প্রচারণার’ জন্য তাকে আরো দেড় বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, বিচারকদের সামনে মোহাম্মদিকে হাজির করিয়ে দ্রুত সাজা দেয়ার পর তিনি আত্মপক্ষ সমর্থন করেননি বা কোনো বিবৃতিও দেননি।

প্যারিসে বসবাসকারী নার্গিস মোহাম্মাদির স্বামী তাগি রাহমানি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘নার্গিস আত্মপক্ষ সমর্থন করেননি কারণ তিনি বিশ্বাস করেন, এই বিচার বিভাগের কোনো বৈধতা নেই। তিনি এই বিচার প্রক্রিয়াগুলোকে পূর্বনির্ধারিত লক্ষ্যের একটি নিছক নাটক হিসেবে দেখেন।’ মোহাম্মদি তার কারাবাসের অবস্থা ও আইনজীবী ও পরিবারের সাথে ফোনে কথা বলতে না পারার প্রতিবাদে গত ২ ফেব্রুয়ারি অনশন শুরু করেন।

তার ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, নার্গিস মোহাম্মদি আজ ষষ্ঠ দিনে তার অনশন শেষ করেছেন, যদিও প্রতিবেদন ইঙ্গিত দেয় যে তার শারীরিক অবস্থা গভীরভাবে উদ্বেগজনক। তার স্বাস্থ্যের অবনতির কারণে মাত্র তিন দিন আগে তাকে হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

ফাউন্ডেশনটি জানিয়েছে, তবে চিকিৎসা শেষ করার আগেই তাকে মাশহাদে গোয়েন্দা মন্ত্রণালয়ের নিরাপত্তা আটক কেন্দ্রে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তার চলমান আটক জীবন-হুমকিস্বরূপ ও মানবাধিকার আইনের লঙ্ঘন।

হাদী হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদনের তারিখ ১৫ ফেব্রুয়ারি

হাদী হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদনের তারিখ ১৫ ফেব্রুয়ারি

ছবি: সংগৃহীত 
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদীর চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য আজ ফৌজদারি তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) কে ১৫ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত। 

তদন্ত সংস্থা আজ প্রতিবেদন জমা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এই আদেশ দেন। ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে, মামলার অভিযোগকারী তদন্তে অসন্তোষ প্রকাশ করে এবং আরও তদন্তের জন্য পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) কর্তৃক দাখিল করা চার্জশিটের বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন দাখিল করায় আদালত সিআইডিকে হত্যা মামলার আরও তদন্ত পরিচালনার নির্দেশ দেন।

ডিবির পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ ৬ জানুয়ারি অভিযুক্ত শ্যুটার ফয়সাল করিম মাসুদ এবং তার বাবা-মা হুমায়ুন কবির এবং হাসি বেগম সহ ১৭ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলার বিবরণী অনুসারে, ২০২৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ফয়সাল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হোসেন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় করে যাওয়ার সময় হাদির উপর গুলি চালান এবং ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। 

ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের ১৪ ডিসেম্বর পল্টন মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন। ১৮ ডিসেম্বর হাদির মৃত্যুর পর, ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্দিক আজাদ ২০ ডিসেম্বর মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ (হত্যা) ধারা অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেন, যা প্রাথমিকভাবে হত্যার চেষ্টা হিসেবে দায়ের করা হয়েছিল।