আন্তর্জাতিক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আন্তর্জাতিক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

২ জুল, ২০২৬

গরু জবাই নিষিদ্ধের রায় চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে থালাপতির সরকার

গরু জবাই নিষিদ্ধের রায় চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে থালাপতির সরকার

ছবি: সংগৃহীত 

ভারতের তামিলনাড়ুতে গরু জবাইয়ের ওপর মাদ্রাজ হাইকোর্টের জারি করা সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে দেশটির সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছে মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত মে মাসে ঈদুল আজহার সময় প্রকাশ্যে পশু কুরবানি বন্ধের দাবিতে দায়ের করা একটি জনস্বার্থ মামলার শুনানি শেষে মাদ্রাজ হাইকোর্ট রাজ্যজুড়ে গরু ও বাছুর জবাইয়ের ওপর তাৎক্ষণিক নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

রায়ে বিচারপতি জি. আর. স্বামীনাথন ও বিচারপতি ভি. লক্ষ্মীনারায়ণ ১৯৭৬ সালে জারি করা একটি সরকারি আদেশ কার্যকর করার নির্দেশ দেন। তাঁদের মতে, গরুর সংখ্যা বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নের স্বার্থে ওই আদেশ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।তবে হাইকোর্টের এই নির্দেশনার বিরোধিতা করেছে তামিলনাড়ু সরকার।

তাদের দাবি, রাজ্যে গরু জবাই-সংক্রান্ত বিদ্যমান আইনের সঙ্গে আদালতের নির্দেশ সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং এটি প্রচলিত আইনকে অতিক্রম করেছে।সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করা স্পেশাল লিভ পিটিশনে রাজ্য সরকার বলেছে, হাইকোর্টের নির্দেশ 'তামিলনাড়ু পশু সংরক্ষণ আইন, ১৯৫৮'-এর পরিপন্থি। ওই আইনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে, ১০ বছরের বেশি বয়সী এবং কর্মক্ষমতা বা প্রজননক্ষমতা হারানো গরু বা বাছুর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে জবাই করা যেতে পারে।

আবেদনে আরও বলা হয়েছে, বিদ্যমান আইনি কাঠামো উপেক্ষা করে গরু জবাইয়ের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপের মাধ্যমে হাইকোর্ট কার্যত রাজ্যের আইনসভার ক্ষমতায় হস্তক্ষেপ করেছে। সরকারের ভাষ্য, উচ্চ আদালত এ ক্ষেত্রে তার সাংবিধানিক এখতিয়ারের সীমা অতিক্রম করেছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

৫ জুন, ২০২৬

হাদি হত্যা ইস্যুতে মন্তব্য, মমতা ব্যানার্জির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা

হাদি হত্যা ইস্যুতে মন্তব্য, মমতা ব্যানার্জির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা


ছবি: সংগৃহীত 

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির হত্যা নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জি। ওই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে মমতা ব্যানার্জির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ তুলে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। বুধবার শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের অন্তর্গত সাইবার ক্রাইম থানায় এই এফআইআর দায়ের করেছেন কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের আইনজীবী রিঙ্কু সিং চ্যাটার্জি।

'ভারতীয় ন্যায় সংহিতা'র অধীন ১৫২, ১৫৩, ১৫৩এ, ১৯১, ১৯২, ১৯৬, ৩৫১, ৩৫২, ৩৫৩-সহ একাধিক জামিন-অযোগ্য ধারায় এই মামলা দায়ের করে তাকে অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়েছে।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, বিভিন্ন সময়ে একাধিক মিটিং, মিছিল, সভা ও গণমাধ্যমের সামনে নির্বাচন কমিশন, কেন্দ্রীয় বাহিনীসহ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক মন্তব্য করে চলেছেন।

অভিযোগপত্রে আরও লেখা হয়, গত ২ জুন মঙ্গলবার কলকাতার ওয়াই চ্যানেলে অনুষ্ঠিত একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি থেকে বাংলাদেশের একটি রাজনৈতিক হত্যার সঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ভারত সরকারের সম্পৃক্ততার অভিযোগ করেন। এই ধরনের বক্তব্য রাখার উদ্দেশ্যই ছিল আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারতের ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ন করা এবং দুই দেশের মধ্যে শত্রুতা তৈরি করা। মমতার এই মন্তব্য বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট, ঘৃণা ও বিদ্বেষ সৃষ্টি এবং বিশৃঙ্খলা তৈরির নামান্তর।

এই মন্তব্য ভারত ও বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে প্রভাব ফেলতে পারে। একই সঙ্গে জাতীয় ঐক্য ও সার্বভৌমত্ব ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

গত মঙ্গলবার ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে ধর্না কর্মসূচি থেকে হঠাৎ করেই নাম না করে হাদি হত্যার প্রসঙ্গ তুলে ধরে মমতা দাবি করেন, ‘বাংলাদেশ থেকে একটা বড় খুনিকে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ গ্রেফতার করেছিল। যা নিয়ে বাংলাদেশে অনেক আন্দোলন হয়েছিল।

অন্য দেশের কথা আমি বলছি না। আমার অধিকারও নেই বলার। কিন্তু আমি যেটা বলতে চাইছি, তা হলো ওই হত্যাকারীরা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে চলে আসে। বাংলায় আসার পর আমাদের এসটিএফ তাদের ধরে। এটা তাদের কৃতিত্ব।

কিন্তু তারপর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নিজে আমাকে ফোন করে জানিয়েছিলেন, আপনি রাজ্য পুলিশকে জানিয়ে দিন এটা যেন বাইরে না যায়। কারণ এটা দেশের ব্যাপার। ’

অমিত শাহকে মমতার প্রশ্ন, ‘কাকে দিয়ে খুন করিয়েছিলেন? কার কার নাম বেরিয়েছিল? আজকের সরকার পরিবর্তন হলেও আমি সবটাই জানি। আমার হৃদয়টাই একটা কথার ভাণ্ডার, তথ্যভাণ্ডার।  কিন্তু এতদিন আমি বলিনি। কিন্তু আজকে অত্যাচারে শেষ সীমায় গেছে বলে আমাকে মুখ খুলতে হয়েছে। আমি সেই নামটা বলতে চাইছি না, বললে বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে যাবে। আমি বাংলাদেশকে ভালোবাসি। দেশের স্বার্থে ওই নাম আমি বলব না।

সেদিন মমতার অভিযোগ ছিল, ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে সংঘটিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড করা হয়েছে।

এই নিয়ে বৃহস্পতিবার অভিযোগকারী রিঙ্কু সিং জানিয়েছেন, ওই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বাংলাদেশের কট্টরবাদীদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর বিধায়কের পদ চলে যাওয়ার পরে পাবলিক ডোমেইনকে ব্যবহার করে তিনি অপরাধ করেছেন। সেই অপরাধ দেশদ্রোহিতার সমান। সেই কারণেই এফআইআর করা হয়েছে। ৮ জুন তারিখ আদালত খুললেই আমি আবেদন জানাব, অবিলম্বে মুখ্যমন্ত্রীকে যেন গ্রেপ্তার করা হয়।

৩ জুন, ২০২৬

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত

ছবি: সংগৃহীত 

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ৯৯ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। মঙ্গলবার (২ জুন) হওয়া ভোটাভুটিতে জয়ী হন তিনি। 

১৪ মে, ২০২৬

নির্বাচন পরবর্তী হিংসা মামলা লড়তে আইনজীবীর পোশাক পরে হাইকোর্টে মমতা

নির্বাচন পরবর্তী হিংসা মামলা লড়তে আইনজীবীর পোশাক পরে হাইকোর্টে মমতা


ছবি: সংগৃহীত 

আইনজীবীর পোশাক পরেই বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে পৌঁছলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬ পরবর্তী হিংসায় তৃণমূলের একের পরে এক পার্টি অফিসে হামলা হয়েছে, ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, এই অভিযোগকে সামনে রেখে মামলা হয়। 

শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় এই মামলা করেন। তারই সওয়াল করতে এজলাসে মমতা। এ দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আদালতে আসেন চন্দ্রিমা ভট্টচার্য, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

গত ১২ মে কলকাতা হাইকোর্টে ভোট পরবর্তী হিংসার মামলা দায়ের করে তৃণমূল। দলের পক্ষে আইনজীবী শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় জনস্বার্থ মামলা করেন। 

দ্রুত শুনানির আবেদন জানিয়ে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছিল। তখনই ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছিলেন, আজ, বৃহস্পতিবার মামলার শুনানি হবে।


সোর্স: আজতক বাংলা
বিডিএলপিবি: এমএম

২ মে, ২০২৬

ইসরায়েলি গোয়েন্দাসংস্থা মোসাদের পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তির দায়ে দুই ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে ইরান।

ইসরায়েলি গোয়েন্দাসংস্থা মোসাদের পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তির দায়ে দুই ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে ইরান।


ছবি: সংগৃহীত 

দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের সময় তারা ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থার হয়ে কাজ করছিলেন।

ইরানের সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি জানায়, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই ব্যক্তি হলেন- ইয়াকুব কারিমপুর এবং নাসের বেকেরজাদেহ।

প্রতিবেদনে বলা হয়, নাসের বেকেরজাদেহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি, ধর্মীয় ও প্রাদেশিক ব্যক্তিত্বদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ এবং নাতাঞ্জ অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর তথ্য সরবরাহে অভিযুক্ত ছিলেন।

উল্লেখ্য, নাতাঞ্জ পারমাণবিক স্থাপনা ইরানের একটি প্রধান পারমাণবিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে ইয়াকুব কারিমপুরের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ-এর এক কর্মকর্তার কাছে সংবেদনশীল তথ্য সরবরাহ করেছিলেন। ইরানের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো দাবি করেছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড দেশের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি।

বিশ্লেষকদের মতে, চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে গোয়েন্দা তৎপরতা ও পাল্টা পদক্ষেপ আরও জোরদার হচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলছে।