আদালত প্রাঙ্গণ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আদালত প্রাঙ্গণ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

২২ জুল, ২০২৬

গোপালগঞ্জ আদালতে শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবীর মাথা ফাঁটালেন বিচারক

গোপালগঞ্জ আদালতে শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবীর মাথা ফাঁটালেন বিচারক

আহত সাবিহা সুলতানা এবং বিচারক মো. সুজন মিয়া

গোপালগঞ্জে আদালত চলাকালীন সময়ে বিচারকের ছুড়ে দেয়া পেপার ওয়েটের আঘাতে মাথা ফেটেছে এক শিক্ষানবীশ নারী আইনজীবীর। মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত ওই আইনজীবীকে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) আদালত চলাকালীন সময় এ ঘটনা ঘটে।

বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুরে গোপালগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ এ বিচার কার্যক্রম চলছিল। ওই সময় আদালত কক্ষের পেছনের সারিতে বসা বিচারপ্রার্থীরা কথা বলছিলেন। একই সময়ে কয়েকজন আইনজীবীও কথা বলছিলেন। এতে অসন্তুষ্ট হয়ে আদালতের বিচারক সুজন মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং নিজের টেবিল থেকে কাচের পেপারওয়েট ছুড়ে মারেন। পেপারওয়েটটি সরাসরি সেখানে অবস্থানরত শিক্ষানবিশ আইনজীবী সাবিহা সুলতানার মাথায় গিয়ে আঘাত করে। এতে তার মাথা ফেটে যায়। ঘটনার পরপরই এ নিয়ে আদালত কক্ষে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। উপস্থিত অন্যান্য আইনজীবী দ্রুত সাবিহা সুলতানাকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় সেখান থেকে তাকে গোপালগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।


বিডিএলপিবি/এমএম

আপিল বিভাগে বিচারপতি নিয়োগ দিতে রাষ্ট্রপতিকে শিশির মনিরের চিঠি

আপিল বিভাগে বিচারপতি নিয়োগ দিতে রাষ্ট্রপতিকে শিশির মনিরের চিঠি

মোহাম্মদ শিশির মনিরঃ ছবি- সংগৃহীত

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা বৃদ্ধি করে বিচারাধীন মামলার জট দ্রুত কমানোর লক্ষ্যে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির এ চিঠি পাঠান। 

চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭২ সালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ যাত্রা শুরু করে মাত্র চারজন বিচারপতিকে নিয়ে। সে সময় দেশে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ছিল প্রায় ৪ হাজার এবং দেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৬ কোটি ৪৩ লাখ। বর্তমানে দেশের জনসংখ্যা প্রায় ১৭ কোটি ৮১ লাখে উন্নীত হলেও বিচারাধীন মামলার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৮ লাখ ১৭ হাজারে। এর বিপরীতে আপিল বিভাগে বর্তমানে বিচারপতির সংখ্যা মাত্র আটজন।

চিঠিতে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, ২০০৯ সালে আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা ছিল ১১ জন এবং বিচারাধীন মামলা ছিল ৫ হাজার ২৬৩টি। ২০১১ সালে বিচারপতির সংখ্যা ১০ জন থাকলেও বিচারাধীন মামলা বেড়ে ১২ হাজার ৮৯১টিতে পৌঁছায়। ২০১৭ সালে বিচারপতির সংখ্যা কমে ৯ জন হলেও বিচারাধীন মামলা বৃদ্ধি পেয়ে ১৬ হাজার ৫৭৮টি হয়। ২০২২ সালে বিচারপতির সংখ্যা ৯ জন থাকলেও বিচারাধীন মামলা প্রায় ১৯ হাজার ৯২৮টিতে উন্নীত হয়। ২০২৪ সালে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা আরও বেড়ে ৩১ হাজার ১২০টিতে পৌঁছায়, অথচ বিচারপতির সংখ্যা ছিল মাত্র ৮ জন।

তিনি চিঠিতে আরও বলেন, বর্তমান সময়ে আইনের বিভিন্ন শাখায় বিশেষায়িত বিচারব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা বেড়েছে। কিন্তু আপিল বিভাগে বিচারপতির স্বল্পতার কারণে বিশেষায়িত বেঞ্চ গঠন করা সম্ভব হচ্ছে না, ফলে গুরুত্বপূর্ণ মামলার নিষ্পত্তি বিলম্বিত হচ্ছে।

প্রতিবেশী ভারতের উদাহরণ তুলে ধরে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার ২০২৬ সালের ১৬ মে সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতির সংখ্যা বৃদ্ধিসংক্রান্ত অধ্যাদেশ জারি করে অনুমোদিত বিচারপতির সংখ্যা ৩৪ থেকে ৩৮ জনে উন্নীত করেছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আপিল বিভাগে পর্যাপ্ত সংখ্যক বিচারপতি নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

চিঠির শেষাংশে বিচারাধীন মামলার জট কমিয়ে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার স্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিচারপতি নিয়োগের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতির হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

১৮ জুল, ২০২৬

নারী-শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলা: এক মাসে হাইকোর্টের ১০ রায়

নারী-শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলা: এক মাসে হাইকোর্টের ১০ রায়

ছবি: সংগৃহীত 

নারী-শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় ডেথ রেফারেন্স ও আপিল অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানির পর গত এক মাসে ১০টি রায় ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। দেশে নারী শিশু নির্যাতনের কয়েকটি নির্মম ঘটনার প্রেক্ষাপটে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুধু নারী-শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদন (ডেথ রেফারেন্স) ও আপিল শুনানির জন্য গত ১০ জুন একটি বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করে দেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।

এই বেঞ্চে মামলা পরিচালনার জন্য রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবীদের নিয়ে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের নেতৃত্বাধীন এই টিমের আইনজীবী সদস্যরা হলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ ইমাম হোসেন তারেক ও সৈয়দ ইজাজ কবির। সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবা তাসনিম আখি, মুস্তাফিজুর রহমান মুকুল, আশরাফুল আলম, রোহানী সিদ্দীকা ও আল আমীন সিদ্দিকী।

বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা’র সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চে ২০টি ডেথ রেফারেন্স ও আপিল মামলা শুনানির জন্য কার্যতালিকায় আসে। গত এক মাসে এই বেঞ্চে শুনানির পর শরীয়তপুরের স্কুলছাত্রী রিমা ধর্ষণ ও হত্যা মামলা, পিরোজপুরে ঝর্ণা হত্যা মামলা, স্ত্রী হত্যার কয়েকটি মামলাসহ মোট ১০টি মামলার রায় ঘোষণা করা হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম
সের্স: বাসস

১৬ জুল, ২০২৬

সিলেট আদালতে ১৭ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ

সিলেট আদালতে ১৭ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ

ছবি: সংগৃহীত 

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, সংবিধান সংস্কার, গণভোট আয়োজন এবং বিচার বিভাগের স্বতন্ত্র সচিবালয় বাতিলের প্রতিবাদে সিলেট জেলা ও দায়রা জজ আদালতে দায়িত্ব পালনকারী জামায়াতপন্থী ১৭ আইন কর্মকর্তা একসঙ্গে পদত্যাগ করেছেন।  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিল সিলেটের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল খালিক।

আব্দুল খালিক বলেন, ‘বর্তমান সরকারের গণভোট, সংবিধান সংস্কার, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অনিহা ও বিচার বিভাগের স্বতন্ত্র সচিবালয় বাতিলের প্রতিবাদ স্বরূপ আমরা উক্ত পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছি।’

পদত্যাগকারীদের মধ্যে রয়েছেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এডিশনাল পিপি) অ্যাডভোকেট মো. আলীম উদ্দীন এবং অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (এডিশনাল জিপি) অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ নাজমুল হুদা।

এ ছাড়া সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) পদ থেকে পদত্যাগকারী ১৫ জন হলেন অ্যাডভোকেট মো. রবিউল ইসলাম, অ্যাডভোকেট জুনেদ আহমদ, অ্যাডভোকেট মো. মোজাম্মিল আলী, অ্যাডভোকেট মো. রহমত আলী, অ্যাডভোকেট ইয়াসিন খান, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট সালেহ আহমদ, অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম চৌধুরী, অ্যাডভোকেট কাজী আতিফুল হক, অ্যাডভোকেট সাদেক আহমদ, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ময়নুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল গফ্ফার, অ্যাডভোকেট আফজল মিয়া তালুকদার, অ্যাডভোকেট খায়রুল আলম ও অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান।


বিডিএলপিবি/এমএম

১৫ জুল, ২০২৬

চাকরি হারালেন সুপ্রিম কোর্টের সেই সহকারী রেজিস্ট্রার

চাকরি হারালেন সুপ্রিম কোর্টের সেই সহকারী রেজিস্ট্রার

ছবি: সংগৃহীত 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট, প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদের নামে অসত্য কুৎসা রটিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় হাইকোর্ট বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার (দেওয়ানি-১) ইব্রাহীম আলম ভূঁইয়াকে চাকরি থেকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত (ডিসমিসাল ফ্রম সার্ভিস) করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকীর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই শাস্তিমূলক আদেশ জারির বিষয়টি জানানো হয়। আদেশটি গত ১৪ জুলাই থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্ট অব বাংলাদেশ (হাইকোর্ট) এমপ্লয়িজ (শৃঙ্খলা ও আপিল) রুলস, ১৯৮৩-এর বিধি ২(৪) ও বিধি ৩(বি) অনুযায়ী ইব্রাহীম আলমের বিরুদ্ধে দায়ের করা বিভাগীয় মামলার অভিযোগসমূহ সুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত শেষে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে একই বিধির ৪(১)(জি) ধারা মোতাবেক তাকে চাকরিচ্যুত করার সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হয়।

এর আগে, গত ৫ মে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ইব্রাহীম আলম ভূঁইয়াকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে প্রশাসন শাখায় সংযুক্ত করার পর সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। সে সময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ইব্রাহীম আলম ফেসবুকে অত্যন্ত আপত্তিকর ও অগ্রহণযোগ্য ভাষা ব্যবহার করে বিচারপতি ও আদালতের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করেছেন।

এছাড়া তিনি নিজের ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে সুপ্রিম কোর্টের সাধারণ কর্মচারীদের ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে আদালত ও বিচারকদের নামে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা চালিয়ে আসছিলেন। একই সাথে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের বৈধ আদেশ অমান্য করার জন্য অন্য কর্মচারীদের উসকানি দিয়ে তিনি অফিসিয়াল চেইন অব কমান্ড ভেঙে অফিসে চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছিলেন, যা গুরুতর সরকারি অসদাচরণ ও অফিস শৃঙ্খলা পরিপন্থি অপরাধ।


বিডিএলপিবি/এমএম

আইনাঙ্গনে শূন্যতা বিরাজ করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল

আইনাঙ্গনে শূন্যতা বিরাজ করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল

ছবিঃ সংগৃহীত 
অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, অভিজ্ঞ বিচারপতিরা অবসরে চলে যাচ্ছেন। এছাড়া আমাদের অনেক সিনিয়র আইনজীবী মৃত্যুর মাধ্যমে আমাদের মাঝ থেকে একেবারে হারিয়ে যাচ্ছেন। এ কারণে বিচার বিভাগে, আইনাঙ্গনে শূন্যতা বিরাজ করছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের বিদায় সংবর্ধনায় তিনি এসব কথা বলেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামকে বিদায়ী সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল ও বার সভাপতি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বক্তব্য রাখেন। এসময় প্রধান বিচারপতি, আপিল বিভাগের বিচারপতিরা উপস্থিত ছিলেন।অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, সিনিয়র আইনজীবী খন্দকার মাহবুব উদ্দিন আহমেদ, বিচারপতি টিএইচ খান সর্বশেষ ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুর মাধ্যমে আমাদের সিনিয়র আইনজীবীরা আমাদের মাঝ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে। 

উনারা যে মানের আইনজীবী ছিলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেই মানের আইনজীবী আমরা তৈরি করতে পারছি না। এখনকার তরুণ আইনজীবীদের মধ্যে লেখাপড়া অধ্যাবসায়ের বড় অভাব দেখা যাচ্ছে। এরকম চলতে থাকলে ভবিষ্যতে এই আইন অঙ্গনে একটা বিরাট শূন্যতা সৃষ্টি হবে। আমাদের সময় এসেছে এই শূন্যতা পূরণ করে এখনই আমাদের কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে।

ব্যারিস্টার কাজল বলেন,বার কাউন্সিলে আমরা অতি সম্প্রতি যে পরীক্ষা নিয়েছি, সেখানে সৃজনশীল প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে মেধাবীদেরকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করেছি। এই পেশায় যদি সততা, অধ্যবসায় না থাকে তাহলে এই পেশায় কেউ ভালো করতে পারে না। সবাই কেমন যেন শর্টকার্ট রাস্তায় অর্থবিত্তের মালিক হতে চায়। জ্ঞান অর্জন করতে চায় না। আমাদের প্রয়োজন জ্ঞান অর্জন করা। 

এসময় প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, আমাদের সময় এসেছে আগামী দিনের প্রজন্মকে একটা সৎ, যোগ্য এবং মেধাবী আইনজীবী সমাজ গড়ে তোলার জন্যে, বিচারকদের গড়ে তোলার জন্যে আমাদের এখনই কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে।

তিনি বলেন, আমি যখন আইন পেশার শুরুতে যে সমস্ত বিচারপতিদের সামনে দাঁড়িয়ে মামলা করতাম আজকে সে ধরনের, সেই মানের নীতি-নৈতিকতার বিচারপতিদের বড্ড অভাব। বার এবং বেঞ্চে আইনজীবীদের মধ্যে এবং বিচারকদের মধ্যে এই যে মেধার যে ঘাটতি রয়েছে, এই মেধার ঘাটতিটাকে কাটিয়ে উঠার জন্য এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে।

বিডিএলপিবি/এমএম


১২ জুল, ২০২৬

৫৮ বিচারককে বদলি, আইন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন জারি

৫৮ বিচারককে বদলি, আইন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন জারি

ছবি: সংগৃহীত

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় একসঙ্গে ৫৮ জন সিভিল জজকে বদলি করেছে। রোববার এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। উক্ত বদলি আদেশে সংশ্লিষ্ট বিচারকদের আগামী ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শক্রমে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সিভিল জজদের তাদের নামের পাশে উল্লেখিত নতুন পদ ও কর্মস্থলে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাদের বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্ব হস্তান্তর করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে।

এতে আরও বলা হয়, যেসব বিচারক বর্তমানে প্রশিক্ষণ বা ছুটিতে রয়েছেন, তারা প্রশিক্ষণ বা ছুটি শেষ হওয়ার পরপরই নতুন কর্মস্থলে যোগদান করবেন। যোগদানের সময় তারা বর্তমান পদের দায়িত্বভার যথাযথভাবে হস্তান্তর করবেন।


প্রজ্ঞাপনটি নিম্নে দেওয়া হল:






বিডিএলপিবি/এমএম

সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার মারা গেছেন, অর্ধবেলা বন্ধ থাকবে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগ

সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার মারা গেছেন, অর্ধবেলা বন্ধ থাকবে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগ

ছবিঃ সংগৃহীত

বাংলাদেশের প্রবীণ রাজনীতিক সাবেক স্পিকার  এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।রোববার ভোর ৪টা ১৯ মিনিটে তিনি ইন্তেকাল করেন। বাধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

এদিকে, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে তার প্রতি সম্মান জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগ অর্ধবেলা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।  এ সংক্রান্ত একটি নোটিশ সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। উক্ত নোটিশ মোতাবেক, ব্যারিস্টার মোহাম্মদ জমির উদ্দিন সরকারের স্মৃতির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের অংশ হিসেবে সুপ্রিম  কোর্টের উভয় বিভাগের জন্য আজ (রোববার) অর্ধবেলা ছুটি ঘোষণা করেছেন প্রধান বিচারপতি। আপিল বিভাগের কার্যক্রম বেলা ১১টা পর্যন্ত ও হাইকোর্ট বিভাগের কার্যক্রম দুপুর ১টা পর্যন্ত চলবে। চেম্বার জজ আজ বসবেন না। (নোটিশের কপি সংযুক্ত)।

ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ১৯৩১ খ্রিষ্টাব্দের ১ ডিসেম্বর পঞ্চগড় জেলার তেতুঁলিয়া থানার নয়াবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি দুই দফা বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া দুইবার বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

বিডিএলপিবি/এমএম

১১ জুল, ২০২৬

মা'দক ও জু'য়া মামলার আসামিদের পক্ষে লড়বেন না আইনজীবীরা

মা'দক ও জু'য়া মামলার আসামিদের পক্ষে লড়বেন না আইনজীবীরা

ছবি: সংগৃহীত 

লালমনিরহাট জেলায় আগামী এক মাস মাদক ও জুয়া আইনে গ্রেপ্তার হওয়া কোনো আসামির পক্ষে আদালতে আইনি লড়াই বা কোনো ধরনের আইনি সহায়তা না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আইনজীবীরা।​ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে লালমনিরহাট জেলা আইনজীবী সমিতি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট কেএম হুমায়ুন রেজা স্বপন বলেন, সীমান্তবর্তী জেলা হিসেবে লালমনিরহাটে মাদকের আগ্রাসনে সামাজিক অবক্ষয় আশঙ্কাজনক রূপ নিয়েছে। এই সামাজিক বিপর্যয় রুখতে ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু 'আলোকিত লালমনিরহাট' নামে একটি সামাজিক আন্দোলন শুরু করেছেন।

​তিনি জানান, এই আন্দোলনের প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করে জেলা আইনজীবী সমিতির সকল সদস্যের সর্বসম্মতিক্রমে আগামী এক মাস মাদক ও জুয়া আইনে গ্রেপ্তারদের পক্ষে কোনো ধরনের আইনি সহায়তা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্ত অমান্যকারী আইনজীবীর বিরুদ্ধে সমিতির নিয়ম অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং তাকেও ‘মাদকসেবী’ হিসেবে গণ্য করা হবে।

​আইনজীবী সমিতিতে রাজনৈতিক কোনো ভেদাভেদ নেই উল্লেখ করে সভাপতি বলেন, এখানে বিএনপি বা আওয়ামী পন্থী বলে কোনো কথা নেই। সমিতির সকল সদস্য একমত হয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। প্রয়োজনে এই সময়সীমা আরও বাড়ানো সম্ভাবনা রয়েছে।

​এ বিষয়ে জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম রফিক বলেন,  গ্রেপ্তার আসামিরা চাইলে আইনজীবী ছাড়াই নিজেরা সরাসরি আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে আইনি লড়াই করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে সমিতি কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করবে না।

বিডিএলপিবি/এমএম

৯ জুল, ২০২৬

আদালতের এজলাস ও খাসকামরার সংকট নিরসনে তালিকা চেয়েছে আইন মন্ত্রণালয়

আদালতের এজলাস ও খাসকামরার সংকট নিরসনে তালিকা চেয়েছে আইন মন্ত্রণালয়

ছবি: সংগৃহীত 

দেশের অধস্তন আদালতের এজলাস ও খাসকামরার সংকট নিরসনে তালিকা চেয়েছে আইন মন্ত্রণালয়। ৮ জুলাই, বুধবার আইন মন্ত্রণালয় থেকে সকল জেলা ও দায়রা জজ এবং চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের এই বিষয়ে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে।

আইন মন্ত্রণালয়ের উক্ত পত্রে বলা হয়েছে, সম্প্রতি দেশব্যাপী প্রায় ৩৭৮টি নতুন আদালত সৃজন করা হয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন জেলার বিদ্যমান অবকাঠামোতে স্থান সংকুলান না হওয়ায় নতুন আদালতের বিচারকগণ এজলাস শেয়ারিং করে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। যা মামলার দ্রুত নিষ্পত্তিতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।

চিঠিতে আরো বলা হয়, নতুন আদালত ভবন নির্মাণ একটি দীর্ঘমেয়াদি ও সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া। এই জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিদ্যমান আদালত ভবনগুলোর সক্ষমতা অনুযায়ী সেগুলোর ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ অথবা অভ্যন্তরীণ রূপান্তরের মাধ্যমে নতুন এজলাস ও খাসকামরা তৈরি করা দ্রুততম সমাধান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

চিঠির শেষাংশে বলা হয়, সৃজিত নতুন আদালতসমূহের জন্য প্রয়োজনীয় এজলাস ও খাসকামরা নিশ্চিতকল্পে আপনার আওতাধীন বিদ্যমান আদালত ভবনের সক্ষমতা অনুযায়ী উর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ বা রূপান্তরের প্রয়োজনীয় প্রাক্কলন সংশ্লিষ্ট গণপূর্ত বিভাগ দ্বারা প্রস্তুত করে জরুরি ভিত্তিতে পত্র মারফত এবং ইমেইলে (planningunit@lawjusticediv.gov.bd) প্রেরণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।


বিডিএলপিবি/এমএম

৭ জুল, ২০২৬

বিচারাধীন মামলার ডকেট সংরক্ষণের দায়িত্বে আবারো কোর্ট পুলিশ: গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

বিচারাধীন মামলার ডকেট সংরক্ষণের দায়িত্বে আবারো কোর্ট পুলিশ: গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

ছবি: সংগৃহীত 

আদালতে চাঞ্চল্যকর অনেক মামলা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় মামলা-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ ডকেট (তালিকা বা রেকর্ড) গায়েব হওয়া অথবা নষ্ট হওয়ার একাধিক ঘটনা ঘটেছে অতীতে। আদালতের সেরেস্তায় থাকা কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশে এসব ঘটনায় প্রায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছেন আদালত এমন নজিরও রয়েছে। 

ব্রিটিশ আমল থেকে বিচারাধীন মামলার ডকেট কোর্ট পুলিশের হেফাজতে থাকলেও আওয়ামিলীগ ক্ষমতায় আসার পর এক আদেশে ডকেট সংরক্ষণের দায়িত্ব চলে যায় আদালতের সেরেস্তা শাখায়। দীর্ঘদিন পর সেই দায়িত্ব আবার ফিরে পেয়েছে আদালত পুলিশ। এখন থেকে আদালত পুলিশের হেফাজতে থাকবে বিচারাধীন যেকোনো মামলার সব ধরনের ডকেট। 

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে গত রোববার জারি করা পরিপত্রে বলা হয়, জিপি-পিপি শাখা থেকে আগে জারি করা মামলার ডকেট সংরক্ষণ সংক্রান্ত নির্দেশনা বাতিল করা হলো। একই সঙ্গে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, বিচারাধীন মামলার ডকেট এখন থেকে কোর্ট পুলিশ কর্মকর্তার হেফাজতে সংরক্ষণ করতে হবে। পরিপত্র অনুযায়ী, কোনো মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ বা শুনানির জন্য নির্ধারিত তারিখের আগে সংশ্লিষ্ট পাবলিক প্রসিকিউটরের কাছে কেস ডকেট হস্তান্তর করবেন কোর্ট পুলিশ কর্মকর্তা। সাক্ষ্যগ্রহণ বা শুনানি শেষ হওয়ার পর সেই ডকেট পুনরায় গ্রহণ করে নিজের হেফাজতে সংরক্ষণ করবেন তিনি। এই পুরো প্রক্রিয়ায় কোর্ট পুলিশ কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট পাবলিক প্রসিকিউটরকে প্রচলিত বিধি অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় রেকর্ড সংরক্ষণ এবং পারস্পরিক সমন্বয়ের ভিত্তিতে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম


৬ জুল, ২০২৬

চট্টগ্রাম বারের ৭৪০ আইনজীবীর সদস্যপদ স্থগিত

চট্টগ্রাম বারের ৭৪০ আইনজীবীর সদস্যপদ স্থগিত

ছবি: সংগৃহীত 

বার্ষিক চাঁদা ও অন্যান্য বকেয়া ফি দীর্ঘদিন পরিশোধ না করায় চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির ৭৪০ জন আইনজীবীর বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সমিতির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তাঁদের সদস্যপদ সাময়িকভাবে স্থগিত (সিজড) করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁদের ‘লিন’ স্থগিতেরও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মঈনুদ্দীন স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। সমিতির কার্যালয় থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘চিটাগং ডিস্ট্রিক্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের মিউচুয়াল বেনিফিট ফান্ড ব্যবস্থাপনা ও বিতরণ বিধিমালা, ১৯৯৪’-এর ৬ নম্বর বিধির আলোকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যেসব সদস্য টানা তিন বছর বা তারও বেশি সময় ধরে সমিতির নির্ধারিত বার্ষিক চাঁদা ও অন্যান্য বকেয়া ফি পরিশোধ করেননি, তাঁদের জন্য ২০ শতাংশ জরিমানাসহ বকেয়া পরিশোধের শেষ সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। এ বিষয়ে ৭ জুন ২০২৬ এবং ১৭ জুন ২০২৬ তারিখে পৃথক নোটিশ দিয়ে নির্দিষ্ট সময়সীমাও নির্ধারণ করা হয়।

সমিতি জানিয়েছে, নোটিশ পাওয়ার পর অনেক সদস্য তাঁদের বকেয়া পরিশোধ করে সদস্যপদ নিয়মিত করলেও ৭৪০ জন সদস্য নির্ধারিত অতিরিক্ত সময়ের মধ্যেও কোনো অর্থ পরিশোধ করেননি। এ কারণে গঠনতন্ত্রের বিধান অনুসারে ওই ৭৪০ জন সদস্যের সদস্যপদ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁদের ‘লিন’ও স্থগিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বকেয়া পরিশোধ না করা সদস্যদের নামে যদি সমিতির কোনো চেম্বার বরাদ্দ থেকে থাকে, তবে বকেয়া না দেওয়ার কারণে সেই চেম্বার বরাদ্দও অবিলম্বে বাতিল করা হবে। তবে যেসব সদস্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আগেই বকেয়া পরিশোধ করেছেন কিন্তু তাঁদের নাম প্রকাশিত তালিকায় রয়েছে, তাঁদের দ্রুত সমিতির কার্যালয়ে গিয়ে জমার রসিদ প্রদর্শনের মাধ্যমে তথ্য হালনাগাদ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। সমিতির জ্যেষ্ঠ নেতাদের মতে, এই পদক্ষেপের ফলে বকেয়া চাঁদা আদায়ের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং সমিতির আর্থিক শৃঙ্খলা শক্তিশালী হবে।


বিডিএলপিবি/এমএম

যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ পদমর্যাদার ৩৪ বিচারককে বদলি

যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ পদমর্যাদার ৩৪ বিচারককে বদলি

ছবি: সংগৃহীত 

দেশজুড়ে যুগ্ম জেলা ও দায়র জজ পদমর্যাদার ৩৪ বিচারককে বদলি করেছে সরকার। সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শক্রমে রোববার (৫ জুলাই) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

আইন মন্ত্রণালয় কর্তৃক  জারি করা ওই আদেশে বদলি হওয়া বিচারকদের আগামী ৭ তারিখের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্ব হস্তান্তর করে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পদায়ন পাওয়া কর্মকর্তারা নতুন দায়িত্ব পালন করবেন।

বদলিকৃত কর্মকর্তারা হলেন—

১. মো. সামিউল আলম — বিচারক (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল, রংপুর থেকে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, চাঁদপুর। 

২. কাজী ফখরুল আবেদীন — সংযুক্ত কর্মকর্তা (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), আইন ও বিচার বিভাগ, ঢাকা থেকে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, বান্দরবান। 

৩. হোসনে আরা বেগম — যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, বান্দরবান থেকে বিচারক (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল, চাঁদপুর। 

৪. শারমিন রীমা — যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, চট্টগ্রাম থেকে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, পাবনা। 

৫. ইশরাত জাহান — সংযুক্ত কর্মকর্তা (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), আইন ও বিচার বিভাগ, ঢাকা থেকে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ। 

৬. ইসমত আরা তুমি — সংযুক্ত কর্মকর্তা (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), আইন ও বিচার বিভাগ, ঢাকা থেকে উপপরিচালক (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), দুর্নীতি দমন কমিশন, ঢাকা। 

৭. নাসিমা তালুকদার মুনমুন — যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, গাইবান্ধা থেকে বিচারক (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল, টাঙ্গাইল। 

৮. মো. একরামুল হক শামীম — স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, ডিপিডিসি, ঢাকা থেকে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, টাঙ্গাইল। 

৯. ফারহানা ইয়াসমিন — সংযুক্ত কর্মকর্তা (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), আইন ও বিচার বিভাগ, ঢাকা থেকে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, লালমনিরহাট। 

১০. মো. নিয়াজ মাখদুম — যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, টাঙ্গাইল থেকে রেজিস্ট্রার (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল, বগুড়া। 

১১. মোছা. শারমিন আক্তার — যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, সিরাজগঞ্জ থেকে যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ, বরিশাল। 

১২. রাশেদুর রহমান — যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, যশোর থেকে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, বগুড়া। 

১৩. মো. শামসুজ্জামান — যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, নড়াইল থেকে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, কক্সবাজার।

১৪. কাজী আশরাফুজ্জামান — যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, বরগুনা থেকে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, যশোর।

১৫. জান্নাতুল আদন শিরিন — সংযুক্ত কর্মকর্তা (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), আইন ও বিচার বিভাগ, ঢাকা থেকে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, রাঙ্গামাটি।

১৬. মুহাম্মদ নাছির উদ্দীন ফরাজী — অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মেহেরপুর থেকে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, সাতক্ষীরা।

১৭. মো. এনামুল হক — যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, সাতক্ষীরা থেকে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, ঝিনাইদহ।

১৮. তানিয়া বিনতে জাহিদ — অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, ঝিনাইদহ থেকে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মেহেরপুর।

১৯. নুরুন্নাহার ইয়াসমিন — স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, ঢাকা থেকে বিচারক (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল, ঝালকাঠি।

২০. মুক্তা রানী — বিচারক (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল, ঝালকাঠি থেকে স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, ঢাকা।

২১. নয়ন বড়াল — সিনিয়র সহকারী সচিব, আইন কমিশন, ঢাকা থেকে বিচারক (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল, গোপালগঞ্জ।

২২. মোহাম্মদ কফিল উদ্দীন — অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), লক্ষ্মীপুর।

২৩. রোমানা রোজী — সংযুক্ত কর্মকর্তা (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), আইন ও বিচার বিভাগ, ঢাকা থেকে বিচারক (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), অর্থঋণ আদালত, খুলনা।

২৪. মোছা. রহিমা আক্তার — বিচারক (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল, মাদারীপুর থেকে চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), নারায়ণগঞ্জ।

২৫. এলিছ জাহান — সংযুক্ত কর্মকর্তা (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), আইন ও বিচার বিভাগ, ঢাকা থেকে চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), গাজীপুর।

২৬. তানজিনা আক্তার — সংযুক্ত কর্মকর্তা (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), আইন ও বিচার বিভাগ, ঢাকা থেকে চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), টাঙ্গাইল।

২৭. স্মরণিকা পাল — সংযুক্ত কর্মকর্তা (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), আইন ও বিচার বিভাগ, ঢাকা থেকে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, সিলেট।

২৮. নুসরাত সাহারা বীথি — স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন থেকে চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), মাদারীপুর।

২৯. মো. তাওহীদ-আল-আজাদ — অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, নীলফামারী থেকে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, নরসিংদী।

৩০. জনাব মোঃ আরিফুল ইসলাম (২০১৫২০৭০১২) যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, ঢাকা থেকে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, লালমনিরহাট

৩১. জনাব শিপলু কুমার দে (২০১৩২০৬০৬৬) অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, রাঙ্গামাটি থেকে চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), ফেনী

৩২. জনাব মোঃ তোফাজ্জল হোসেন (২০১০২০৪০২০) বিচারক (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল, গাইবান্ধা থেকে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, কুড়িগ্রাম

৩৩. জনাব পারুল আকতার, সংযুক্ত কর্মকর্তা (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) আইন ও বিচার বিভাগ, ঢাকা [চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার, কুষ্টিয়া হিসেবে পদায়িত] থেকে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, রংপুর

৩৪. জনাব রাজীভ কুমার রায় (২০১৩২০৬০৬৫) বিচারক (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল, জয়পুরহাট থেকে চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ), ঝালকাঠি


বিডিএলপিবি/এমএম

৫ জুল, ২০২৬

অ্যাটর্নি জেনারেলকে ‘হুমকি’:  ৪ ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে শোকজ

অ্যাটর্নি জেনারেলকে ‘হুমকি’: ৪ ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে শোকজ

ছবি: সংগৃহীত

অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজলকে ‘ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শনের’ অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে রাষ্ট্রের পক্ষে মামলা পরিচালনার দায়িত্বে থাকা চার ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে।

রোববার (৫ জুলাই) অ্যাটর্নি জেনারেলের নির্দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন এ কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন।

নোটিশ পাওয়া চারজন ডিএজি হলেন- মো. জহিরুল ইসলাম সুমন, মো. রফিকুল ইসলাম মন্টু, মুহাম্মদ মাসুদ রানা এবং মো. আশিকুজ্জামান নজরুল।

নোটিশের ভাষ্য অনুযায়ী, রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে অ্যাটর্নি জেনারেল কর্মরত থাকাকালীন তার কার্যালয়ে তার সঙ্গে ওই চার ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিচারপ্রার্থী ও কার্যালয়ে কর্মরত অন্য আইন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে অসংযত আচরণ করেন। তাকে বিভিন্ন ভয়-ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করেন। এছাড়াও যেকোনো অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটবে বলে হুমকি দেন।

শোকজ নোটিশে চার ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়, আপনাদের এহেন কার্যক্রম গুরুতর অসদাচরণ ও সরকারি কাজে বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় আপনাদের বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, এই নোটিশ প্রাপ্তির ০৩ (তিন) কর্ম দিবসের মধ্যে জবাব প্রদানের জন্য আদিষ্ট হয়ে অনুরোধ করা যাচ্ছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

২ জুল, ২০২৬

প্রক্সিকাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টের অফিস সহকারী বরখাস্ত

প্রক্সিকাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টের অফিস সহকারী বরখাস্ত

ছবি: সংগৃহীত 

সুপ্রিম কোর্টে কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগ পরীক্ষায় অন্য ব্যক্তির হয়ে প্রক্সি দিয়ে অংশ নেওয়ার দায়ে দণ্ডিত হাইকোর্ট বিভাগের অফিস সহকারী মো. আলমগীর হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বুধবার (১ জুলাই) এ বিষয়ে এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মো. আলমগীর হোসেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে অফিস সহকারী হিসেবে কর্মরত। তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া শাহবাগ থানার সি.আর. মামলা নং-১৩৪০/২০২৬ (শাহবাগ)-এ গত ৫ জুন স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের সংক্ষিপ্ত বিচার আদালত তাকে ডিএমপি অধ্যাদেশ, ১৯৭৬-এর ৭৫ ধারা এবং দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪১৭ ধারায় ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, তিনি সুপ্রিম কোর্টে কাম-কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগ পরীক্ষায় প্রতারণার মাধ্যমে অন্য একজন প্রার্থীর হয়ে ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশ নেন। পরীক্ষা বোর্ডের সদস্যদের সন্দেহ হলে প্রবেশপত্র যাচাই করে দেখা যায়, সেটি তার নয়।জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। প্রাথমিক তদন্তে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে অসাধু উপায়ে সরকারি চাকরি পাওয়ার চেষ্টা করার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। এ সময় তিনি পরীক্ষা বোর্ডের সদস্যদের সঙ্গে অশোভন ভাষা ব্যবহার এবং অসংযত আচরণও করেন।

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের মতে, তার এ কর্মকাণ্ড সরকারি চাকরির শৃঙ্খলা পরিপন্থি, অসদাচরণের শামিল এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় তাকে তাৎক্ষণিকভাবে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

১০ জেলায় চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার নিয়োগ

১০ জেলায় চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার নিয়োগ

ছবি: সংগৃহীত 

সরকার গতকাল, ১ জুলাই, বাংলাদেশ বিচার বিভাগের ১০ জন সদস্যকে ১০টি জেলায় চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার হিসেবে পদায়ন করেছে। আইন ও বিচার বিভাগ থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে বাংলাদেশ বিচার বিভাগের নিম্নলিখিত সদস্যদের নিম্নোক্ত জেলা ও পদগুলোতে পদায়ন করা হয়েছে।”

যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ পদমর্যাদার এই ১০ জন কর্মকর্তার মধ্যে মনিকা খানকে কুমিল্লা, আহমেদ হুমায়ুন কবিরকে ফরিদপুর, মো. মুস্তাফিজুর রহমানকে সাতক্ষীরা, লায়লা মেহের বানুকে মৌলভীবাজার, মোস্ত. শবনম মুস্তারীকে রংপুর, ফারজানা হাসানাতকে ময়মনসিংহ, নাজমুন নাহারকে নোয়াখালী, এএসএম ইমরানকে রাঙ্গামাটি, আয়েশা বেগমকে সিলেট এবং সোলায়মান কবিরকে সুনামগঞ্জে প্রধান আইনি সহায়তা কর্মকর্তা হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএ

১ জুল, ২০২৬

অধস্তন আদালতে বিচারক-আইনজীবীদের পোশাকবিধিতে নতুন নির্দেশনা জারি

অধস্তন আদালতে বিচারক-আইনজীবীদের পোশাকবিধিতে নতুন নির্দেশনা জারি

ছবি: সংগৃহীত 

দেশের সকল অধস্তন দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত এবং ট্রাইব্যুনালে বিচারক ও আইনজীবীদের জন্য পোশাকবিধিতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, আজ থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিচারক ও আইনজীবীদের কালো কোট পরা বাধ্যতামূলক থাকবে না। গতকাল (মঙ্গলবার) বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচার শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অধস্তন দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত এবং ট্রাইব্যুনালসমূহের বিচারকরা গাউন এবং ক্ষেত্রবিশেষে সাদা ফুলশার্ট অথবা সাদা শাড়ি/সালোয়ার-কামিজের সঙ্গে সাদা নেক ব্যান্ড পরিধান করবেন। তবে এক্ষেত্রে কালো কোট পরিধানের বাধ্যবাধকতা থাকবে না।

তবে আইনজীবীদের ক্ষেত্রে পূর্বের নির্দেশনা বহাল রেখে বলা হয়েছে, তারা সাদা ফুলশার্ট অথবা সাদা শাড়ি/সালোয়ার-কামিজের সঙ্গে সাদা নেক ব্যান্ড বা কালো টাই পরিধান করবেন। তাদের জন্যও কালো কোট ও গাউন পরিধান করা বাধ্যতামূলক নয়। আরও জানানো হয়েছে, এ নির্দেশনা ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত তা বলবৎ থাকবে।

প্রধান বিচারপতির আদেশক্রমে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী এ বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেন। নির্দেশনাটি দেশের সব জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ, বিভিন্ন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল, শ্রম আদালতসহ সংশ্লিষ্ট বিচারিক প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঠানো হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

বার কাউন্সিলের ১৫ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠন

বার কাউন্সিলের ১৫ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠন

ছবি: সংগৃহীত

আগামী ১ বছরের জন্য সারা দেশের আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বাংলাদেশ বার কাউন্সিল পরিচালনার জন্য বিএনপি-জামায়াত-এনসিপিপন্থী আইনজীবীদের নিয়ে আবারও ১৫ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে অ্যাডহক কমিটি গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

অ্যাডহক কমিটিতে পদাধিকার বলে চেয়ারম্যান থাকবেন বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। অ্যাডহক কমিটির নতুন সদস্যরা হলেন— সিনিয়র অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার মো. বদরুদ্দোজা বাদল, মাসুদ আহমেদ তালুকদার, এ এইচ এম মুশফিকুর রহমান তুহিন, ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী, নাসির উদ্দিন অসীম, সরকার তাহমিনা বেগম সন্ধ্যা, অ্যাডভোকেট মো. নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট আলী আসগর, অ্যাডভোকেট সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং সিনিয়র অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান মিলন। তারা সবাই বিএনপিপন্থী আইনজীবী হিসেবে পরিচিত।

অ্যাডহক কমিটিতে জামায়াতের দুই আইনজীবী হলেন— অ্যাডভোকেট জসীম উদ্দীন সরকার ও সিনিয়র অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। কমিটিতে স্থান পেয়েছেন এনসিপির আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন লিপু।

এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনারস অ্যাট বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর আর্টিকেল-৪ এর ক্লজ (২)-এ  প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই অ্যাডহক বার কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে। বুধবার (১ জুলাই) ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত এক বছরের জন্য এই কমিটি দায়িত্ব পালন করবে।


বিডিএলপিবি/এমএম

২৪ জুন, ২০২৬

আদালতের আদেশ ভুল বুঝে এজলাসে বিষপান, হাসপাতালে নারী

আদালতের আদেশ ভুল বুঝে এজলাসে বিষপান, হাসপাতালে নারী

ছবি: সংগৃহীত 

ভোলার আদালতে একটি মামলার শুনানিকালে বিচারকের আদেশ ভুল বোঝার জেরে এজলাসে দাঁড়িয়েই বিষপান করেছেন তারাভানু (৩৫) নামে এক নারী। পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

বুধবার (২৪ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে জেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সৌরভ রায় মিঠুর আদালতে এ ঘটনা ঘটে। তারাভানু বোরহানউদ্দিন উপজেলার ছোট মানিকা গ্রামের বাসিন্দা এবং বাহার উদ্দিনের স্ত্রী।

কোর্ট পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তারাভানু তার স্বামীসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগ এনে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি সিআর মামলা করেছিলেন। বুধবার মামলাটির চার্জ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য ছিল।

আদালত সূত্র ও উপস্থিত আইনজীবীরা জানান, শুনানি শেষে বিচারক মামলার এক নম্বর আসামি বাহার উদ্দিনকে মামলায় রাখলেও অপর দুই আসামিকে অব্যাহতি দেন। তবে আদালতের এ আদেশ বাদী তারাভানু ভুলভাবে বুঝে নেন। তিনি ধারণা করেন, তার স্বামীকেও মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এতে হতাশ হয়ে সঙ্গে থাকা একটি বোতল থেকে তরল জাতীয় বিষ পান করেন।

ঘটনাটি টের পেয়ে আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত পুলিশ সদস্য ও অন্যান্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।

ভোলা কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক সেখ মো. নাসির উদ্দীন জানান, আদালতের কার্যক্রম চলাকালে ওই নারী হঠাৎ বিষপান করেন। পরে তাকে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আরাফাতুর রহমান জানান, তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। তবে আরও কিছু সময় পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।


বিডিএলপিবি/এমএম

২৩ জুন, ২০২৬

একযোগে পদত্যাগ করলেন ১৭ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল

একযোগে পদত্যাগ করলেন ১৭ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল

ছবিঃ সংগৃহীত 

১০ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ৭ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদত্যাগ করেছেন। গতকাল (সোমবার, ২২ জুন) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে জামায়াতপন্থি আইন কর্মকর্তারা একযোগে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পদত্যাগকারী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও  সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলগণ আজ (মঙ্গলবার, ২৩ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পদত্যাগকারী ৭ ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন— ইউসুফ আলী, শফিকুর রহমান, আবদুল করিম, ফরিদ উদ্দিন খান, গোলাম রহমান ভুঁইয়া, আসাদ উদ্দিন ও তারিকুল ইসলাম।

এ ছাড়া ১০ সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন— ইমরুল কায়েছ রানা, হুমায়ুন কবির তানিম, আবদুল কাইয়ুম ভুঁইয়া, আবদুল্লাহিল মারুফ ফাহিম, জোয়াদুর রহমান, শামসিল আরেফিন, মাহাবুবা আক্তার রলি, নূর নবী উজ্জ্বল, আল রেজা আমির ও রেজাউল ইসলাম।


বিডিএলপিবি/এমএম