আদালত প্রাঙ্গণ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আদালত প্রাঙ্গণ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

৯ নভে, ২০২৫

৫ মামলায় হাইকোর্টে আইভীর জামিন

৫ মামলায় হাইকোর্টে আইভীর জামিন

ছবি: সংগৃহীত 

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ঘটনায় হত্যাসহ পৃথক পাঁচ মামলায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। তার জামিন প্রশ্নে রুল যথাযথ ঘোষণা করে রোববার (৯ নভেম্বর) বিচারপতি এ এস এম আবদুল মোবিন ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সারা হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুলতানা আক্তার রুবী। এর মধ্যে তিনটি হত্যা মামলা ও বাকী দুটি হত্যাচেষ্টা মামলা।

গত ৯ মে ভোর রাত ৩টার দিকে শহরের দেওভোগ এলাকায় অবস্থিত চুনকা কুটির থেকে আইভীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

৩ নভে, ২০২৫

'বিকৃত ছবি ও অশালীন তথ্য’ ছড়ানোয় ঢাবি শিক্ষক মোনামীর মামলা: যারা রয়েছেন আসামির তালিকায়

'বিকৃত ছবি ও অশালীন তথ্য’ ছড়ানোয় ঢাবি শিক্ষক মোনামীর মামলা: যারা রয়েছেন আসামির তালিকায়

ছবি: সংগৃহীত 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষক ও সহকারী প্রক্টর শেহরীন আনিম ভূইয়া মোনামী তার সম্পাদিত ও বিকৃত ছবি ফেসবুকে পোস্ট এবং সেগুলোতে কুরুচিপূর্ণ ও অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা করেছেন।

সোমবার (৩ নভেম্বর) রাজধানীর শাহবাগ থানায় চারজনের নামোল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করে এই মামলা করেন তিনি। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন: সাংবাদিক ও অ্যাকটিভিস্ট মুজতবা খন্দকার, লেখক ও অ্যাকটিভিস্ট মহিউদ্দিন মোহাম্মদ, ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী নিরব হোসাইন ও আশফাক হোসাইন ইভান। এজাহারটিতে আসামিদের কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের স্ক্রিনশট সংযুক্ত করে দেয়া হয়েছে।

মামলা করার সময় ঢাবি শিক্ষক শেহরীন আনিম ভূইয়া মোনামীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক মো. জাকারিয়া, কমনরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক উম্মে সালমা এবং মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম ঝুমা। 

জানা গেছে, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় অধিকতর তদন্ত ও দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করার জন্য মামলাটি ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার ইউনিটে পাঠানো হয়েছে।

মামলা দায়েরের পর সাংবাদিকদের কাছে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে শেহরীন আনিম ভূইয়া মোনামী বলেন, ‘আমার রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নেই, আমি একজন সাধারণ শিক্ষক। সেখানে আমাকে নিয়ে গত এক বছর ধরে এমন আচরণ করা হচ্ছে, যার কোনো প্রতিকার পাচ্ছি না। মামলাটা একদম শেষ মুহূর্তে এসে করেছি।’

তিনি আরও বলেন, যখনই কোনো নারী সত্যের পথে এগিয়ে যেতে চায়, তখন তাকে দমানোর জন্য এমন যৌন হয়রানি (সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট) এবং অনলাইন বুলিং করা হয়। এই মামলাটি একটি বার্তাবাহক হিসেবে কাজ করবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অজ্ঞাতনামা আসামিও রাখা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে একই ধরনের কাজ করলে তাদের নামও এই মামলায় যুক্ত করা যায়।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে যুবদল নেতার মানহানি মামলা

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে যুবদল নেতার মানহানি মামলা


ছবি: সংগৃহীত 

বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে মানহানিকর বক্তব্যের অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিরুদ্ধে আদালতে মানহানি মামলার আবেদন করা হয়েছে।

সোমবার (৩ নভেম্বর) ঢাকার সিএমএম আদালতে এই মামলার আবেদন করেছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য কাজী মুকিতুজ্জামান। ইতোমধ্যে মামলার আবেদন গ্রহণ করে ডিবিকে বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসেন।

এর আগে রোববার (২ নভেম্বর) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে জামায়াতে ইসলামীর ধর্মীয় ফ্যাসিবাদ আর বিএনপির চাঁদাবাজির সঙ্গী জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) হতে পারবে না বলে মন্তব্য করেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

এনসিপির এই নেতা আরও বলেন, এখনও জোটের কোনো চিন্তা আমরা করিনি। তবে আমরা বলেছিলাম বিএনপি যদি দুর্নীতি, চাঁদাবাজ-সন্ত্রাস ছেড়ে আসে এবং সংস্কারের পক্ষে থাকে-তাহলে সেটা আমরা ভেবে দেখবো। আর জামায়াত ধর্মীয় ফ্যাসিবাদের জায়গা থেকে সরে আসলে সেটাও আমরা ভেবে দেখবো। তবে আমাদের মূল উদ্বেগের জায়গা হচ্ছে দুর্নীতি-সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি।

২ নভে, ২০২৫

আজ আপিল বিভাগে দুজন প্রধান বিচারপতি!

আজ আপিল বিভাগে দুজন প্রধান বিচারপতি!

ছবি:সংগৃহীত 

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বসে বিচারকার্য পরিচালনা পর্যবেক্ষণ করেন নেপালের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ মান সিং রাউত। রোববার (২ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন ৭ বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চে বসে তিনি বিচারকার্য পরিচালনা ও পর্যবেক্ষণ করেন।

আপিল বিভাগে বর্তমানে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে আপিল শুনানি চলছে। ঐতিহাসিক এ মামলার শুনানি পর্যবেক্ষণ করেন নেপালের প্রধান বিচারপতি। বিচারকাজে শুরুর পুর্বেই নেপালের প্রধান বিচারপতিকে পরিচয় করিয়ে দেন বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। 

গতকাল শনিবার ঢাকায় আসেন নেপালের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ মান সিং রাউতের নেতৃত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল। প্রতিনিধিদলের রয়েছেন বিচারপতি শ্রীমতী স্বপ্না প্রধান মল্লা, বিচারপতি বিনোদ শর্মা এবং সুপ্রিম কোর্টের প্রধান রেজিস্ট্রার বিমল পাউডেল।

প্রতিনিধিদলকে বিমানবন্দরে ঢাকায় নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী স্বাগত জানান।  বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের আমন্ত্রণে নেপালের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি আগামী ৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে সফর করবে।

১৯ অক্টো, ২০২৫

হাইকোর্টের কনডেম সেলের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন শুনানি করবে সুপ্রিম কোর্ট ২৮ অক্টোবর

হাইকোর্টের কনডেম সেলের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন শুনানি করবে সুপ্রিম কোর্ট ২৮ অক্টোবর


ছবি: বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট  

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ আজ ২৮ অক্টোবর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের সাজা চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত নির্জন কারাগারে রাখার নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছে।

বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের তিন সদস্যের বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আবেদনকারীদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে। হাইকোর্ট ১৩ মে, ২০২৪ তারিখে রায় দেন, সকল আপিল নিষ্পত্তির মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এবং মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের কনডেম সেলগুলিতে আটকে রাখার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

চট্টগ্রাম, সিলেট এবং কুমিল্লা কারাগারে কনডেম সেলগুলিতে রাখা তিনজন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির পক্ষে ২০২১ সালে রিট আবেদনটি দায়ের করা হয়।  পরবর্তীতে হাইকোর্ট সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দেশের বিভিন্ন কারাগারে ১,৯৮৭ জন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে প্রদত্ত সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে লিখিত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয় এবং ৫ এপ্রিল, ২০২২ তারিখে একটি রুল জারি করে। পরবর্তীতে, হাইকোর্ট তার চূড়ান্ত রায়ে এই নিয়মকে চূড়ান্ত করে।

হাইকোর্টের রায়ের উদ্ধৃতি দিয়ে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির আগে বলেছিলেন যে দোষীদের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দী বলা যাবে না এবং তাদের সাজা চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত তাদের কনডেমড সেলে রাখা যাবে না।

"একজন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে কেবল তখনই নির্জন কারাগারে রাখা যেতে পারে যখন তাদের সমস্ত আপিল, যার মধ্যে করুণার আবেদনও অন্তর্ভুক্ত, নিষ্পত্তি করা হয় এবং সমস্ত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়," তিনি আরও বলেন।

পরে রাষ্ট্রপক্ষ হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে একটি আবেদন দায়ের করে। আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালত পরবর্তীতে রায় স্থগিত করে এবং বিষয়টি এখন শুনানির জন্য সুপ্রিম কোর্টের নিয়মিত বেঞ্চে এসেছে।

১৫ অক্টো, ২০২৫

বিচারকদের বদলি-পদায়ন কমিটিতে অ্যাটর্নি জেনারেলকে রাখার নিন্দা ও প্রতিবাদ

বিচারকদের বদলি-পদায়ন কমিটিতে অ্যাটর্নি জেনারেলকে রাখার নিন্দা ও প্রতিবাদ



বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার খসড়া আইনে বিচারকদের বদলি ও পদায়নের জন্য গঠিত কমিটিতে বিচারপতি ও বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তার পাশাপাশি অ্যাটর্নি জেনারেলকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে বিচারকদের সংগঠন বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন।

মঙ্গলবার সংগঠনটির সভাপতি মো. আমিরুল ইসলাম ও মহাসচিব মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলামের যৌথ বিবৃতিতে এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

বিবৃতিতে তারা বলেন, আমরা বিশ্বস্ত সূত্রে জানতে পেরেছি যে, পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার খসড়া আইনে বিচারকদের বদলি ও পদায়নের জন্য গঠিত কমিটিতে বিচারপতি মহোদয় ও বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তার পাশাপাশি নির্বাহী বিভাগের প্রতিনিধি তথা অ্যাটর্নি জেনারেলকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এটি সংবিধানের ১১৬ নং অনুচ্ছেদ এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতার মূলনীতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। আমরা এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৬ নং অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, জেলা আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার দায়িত্ব একমাত্র সুপ্রিম কোর্টের হাতে ন্যস্ত। বিচারকদের বদলি ও পদায়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নির্বাহী বিভাগের কোনো প্রতিনিধির অংশগ্রহণ সংবিধানের এই বিধানের পরিপন্থি। প্রস্তাবিত কমিটিতে অ্যাটর্নি জেনারেলের অন্তর্ভুক্তি বিচার বিভাগের স্বাধীনতার উপর সরাসরি আঘাত এবং ঐতিহাসিক মাসদার হোসেন মামলার রায়ের মূলনীতি পরিপন্থি। 

তারা আরও বলেন, বিচারকদের বদলি, পদায়ন ও শৃঙ্খলা বিষয়ক অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে আইনজীবী অন্তর্ভুক্তির কোনো যৌক্তিক কারণ থাকতে পারে না। এটা একটি নজিরবিহীন ঘটনা। ভারত, পাকিস্তানসহ পৃথিবীর যেকোনো সভ্য দেশে বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষেত্রে আইনজীবীদের অন্তর্ভুক্ত করার কোনো নজির নেই। এই ধরনের পদক্ষেপ বিচার বিভাগের স্বাতন্ত্র্য ও স্বাধীনতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করবে বলে অ্যাসোসিয়েশনের আশঙ্কা।

অধস্তন আদালতের বিচারকদের এই সংগঠন থেকে বলা হয়, বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন জেলা আদালতের বিচারকদের প্রতিনিধিত্বকারী প্রধান স্টেকহোল্ডার হিসেবে এই অধ্যাদেশ প্রণয়নের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ উপেক্ষিত হয়েছে। খসড়া অধ্যাদেশ মন্ত্রিপরিষদে পাঠানোর পূর্বে অ্যাসোসিয়েশনের কোনো মতামত নেওয়া হয়নি, যা একটি আইন পাশের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ও স্বচ্ছতা বিরোধী। বিচারকদের বদলি ও পদায়নের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিচারকদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠনের মতামত উপেক্ষা করা অগ্রহণযোগ্য এবং বিচার বিভাগের স্বার্থের প্রতি অবজ্ঞার পরিচায়ক।

বৈপ্লবিক জুলাই অভ্যুত্থানের পর নতুন বাংলাদেশ গঠনে প্রধান বিচারপতির ঐতিহাসিক রোডম্যাপ বাস্তবায়নে বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন বদ্ধপরিকর। অ্যাসোসিয়েশন শুরু থেকেই বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, বিচারকদের মর্যাদা ও স্বার্থ রক্ষায় সোচ্চার। বিচারকদের বদলি ও পদায়নের কমিটিতে নির্বাহী বিভাগের প্রতিনিধির অংশগ্রহণ সুস্পষ্টভাবে ‘কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট’ তৈরি করবে এবং যা বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য এক আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। কারণ অ্যাটর্নি জেনারেল সরকারের মাধ্যমে নিযুক্ত হওয়া এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হওয়ায় উক্ত কমিটিতে তার অংশগ্রহণ বিচারকদের প্রভাবিত করবে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় বাধা সৃষ্টি করবে।

অ্যাসোসিয়েশন অনতিবিলম্বে উক্ত বিধান সংশোধন করে প্রস্তাবিত কমিটিতে শুধু বিচারপতি এবং বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের রাখার জোর দাবি জানাচ্ছে। তারা জানান, পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নামে বিচারকদের স্বার্থের বিরুদ্ধে চাপিয়ে দেওয়া কোনো সিদ্ধান্ত কখনোই মেনে নেবে না। 

বুকে বল রাখেন’ ইনুকে দীপু মনির সান্ত্বনা

বুকে বল রাখেন’ ইনুকে দীপু মনির সান্ত্বনা


‘বুকে বল রাখেন’ ইনুকে দীপু মনির সান্ত্বনা

সংগৃহীত ছবি

আপনাদের সঙ্গে সম্ভবত আর দেখা হবে না। আমার মামলা ট্রাইব্যুনাল-২ এ নিয়ে গেছে। সাবেক তথ্যমন্ত্রী ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর এমন কথায় সাহস জোগালেন সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি। বললেন, চিন্তা করবেন না ভাই। আল্লাহ ভরসা। বুকে বল রাখেন, মনোবল হারাবেন না।

দু’জনের কথার মধ্যে সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলে ওঠেন- এভাবে ওঠানো-নামানোর নাটক কবে শেষ হবে এদের। বুধবার (১৫ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর কাঠগড়ায় সাবেক এ দুই প্রভাবশালী মন্ত্রীদের মধ্যে এমন কথা হয়।

এদিন সকালে জুলাই-আগস্ট আন্দোলন ঘিরে হত্যা-গণহত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের পৃথক সাত মামলায় আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীসহ ১৬ জনকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

কেরানীগঞ্জ, কাশিমপুর ও নারায়ণগঞ্জ কারাগার থেকে কড়া নিরাপত্তায় আনার পর সবাইকে ট্রাইব্যুনালের হাজতখানায় রাখা হয়। বেলা সোয়া ১১টার পর একে একে তাদের এজলাসকক্ষে নেন পুলিশ সদস্যরা। এর মধ্যেই একজনের সঙ্গে আরেকজনের আলাপ করতে দেখা যায়। 

ট্রাইব্যুনালের কাঁচঘেরা কাঠগড়ার ঠিক সামনের সারিতে চেয়ারে বসেন সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তার পাশে বসেন আমির হোসেন আমু, কামরুল ইসলাম, সাবেক কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক। তবে মাঝের সারিতে ডা. দীপু মনি বসলেও ঠিক পেছনে বসেন ইনু। জাসদের এই সভাপতির পাশে ছিলেন কামাল মজুমদার।

কিছুক্ষণ পর মামলার নতুন তারিখ নির্ধারণ হওয়ায় ফের তাদের হাজতখানায় রাখা হয়। এসব মামলার প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আরও প্রায় দুই মাস সময় পেয়েছে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। একইসঙ্গে পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ৮ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল-১।

এদিন সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহম্মেদ পলক, সাবেক মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, সাবেক বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রসচিব জাহাংগীর আলম, সাবেক এমপি সোলাইমান সেলিম, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা তৌফিক-ই ইলাহী চৌধুরী, সালমান এফ রহমান ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদারকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। দুপুরের দিকে তাদের ফের কারাগারে নিয়ে যায় পুলিশ।
 
এর আগে, ২০ জুলাই এ মামলায় তদন্তে আরও তিন মাস সময় আবেদন করেন চিফ প্রসিকিউটর। পরে আবেদন মঞ্জুর করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করেন ট্রাইব্যুনাল। তবে প্রতিবেদন জমা না দেয়ায় সময় চাইলে আগামী ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত তদন্ত শেষ করতে নির্দেশ দেয়া হয়।

এদিকে আজ সকাল থেকেই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সামনে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। সতর্ক ছিলেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও। প্রায় সবাইকেই তল্লাশি চালিয়ে ট্রাইব্যুনালে ঢুকতে দেয়া হয়।

১৪ অক্টো, ২০২৫

সব জেলায় পৃথক বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট আদালত গঠনের নির্দেশনা

সব জেলায় পৃথক বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট আদালত গঠনের নির্দেশনা

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

দেশের সব জেলায় পৃথক বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট আদালত গঠনের নির্দেশনা দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ‘সব চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট/চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে কর্মরত ম্যাজিস্ট্রেটরা নির্দিষ্ট আমলী এলাকার অপরাধসমূহ আমলে গ্রহণ করেন এবং সংশ্লিষ্ট চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট/চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক পাঠানো মামলাগুলোর বিচার করে থাকেন।

আমলে নেওয়ার পাশাপাশি একজন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট/মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশের তদন্ত তদারকি, তদন্তে সহায়তা, জামিন শুনানি, রিমান্ড শুনানি, বিভিন্ন বিশেষায়িত আইনের অধীনে সামারি কোর্ট পরিচালনা, এফিডেভিট সম্পাদনসহ নানাবিধ কাজ করে থাকেন। আমলি আদালতের বিভিন্ন কর্ম ব্যস্ততার কারণে সংশ্লিস্ট ম্যাজিস্ট্রেটরা দৈনিক কর্মঘণ্টার মধ্যে তার বিচারিক কাজে পর্যাপ্ত সময় দিতে পারেন না বিধায় সব জেলায় পৃথক বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট আদালত গঠন করা আবশ্যক।

এ অবস্থায়, ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার্য মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির নিমিত্ত বিদ্যমান ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মধ্যে কিছু আদালতকে শুধুমাত্র বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং কিছু আদালতকে শুধুমাত্র আমলি আদালত হিসেবে দায়িত্ব পালনের নিমিত্ত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সব চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট/চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশনা দেওয়া হলো।’

১৬ সেপ, ২০২৫

দুর্নীতি মামলায় প্রাক্তন এনবিআর সদস্য মতিউর ও তার স্ত্রীকে পাঠানো হয়েছে কারাগারে

দুর্নীতি মামলায় প্রাক্তন এনবিআর সদস্য মতিউর ও তার স্ত্রীকে পাঠানো হয়েছে কারাগারে

ছবি- সংগৃহীত 

ঢাকা, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ (বাসস) - আজ একটি আদালতছাগল কেলেঙ্কারির জন্য কুখ্যাত এনবিআরের প্রাক্তন সদস্য মো. মতিউর রহমান এবং তার স্ত্রী লায়লা কানিজকে দুর্নীতি মামলায় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্য শোনার পর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (এমএম) মো. মনিরুল ইসলাম এই আদেশ দেন এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) তাদের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করেন।

দুর্নীতি মামলার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১৪ সেপ্টেম্বর একই আদালত তাদের একদিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। জানুয়ারী দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলা পরিষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান মতিউর রহমান এবং তার স্ত্রী লাইলা কানিজের বিরুদ্ধে ৫৩.৪১ কোটি টাকা অবৈধভাবে অর্জন এবং প্রায় .৪৫ কোটি টাকার সম্পদ গোপন করার অভিযোগে মামলা দায়ের করে।

মামলা অনুযায়ী, মতিউর রহমান এবং তার স্ত্রী দুদকে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ,৪৫,৩৪,৬১১ টাকার তথ্য গোপন করেছেন এবং প্রায় ৫৩,৪১,৩৮,৩৯৩ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন যা তাদের জ্ঞাত আয়ের বাইরে। গত ১৪ জানুয়ারী নগরীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। উল্লেখ্য, আদালতে মতিউর রহমানের স্ত্রী তাকে ধমক দিয়ে বলেন, তোমার জন্য এসব হয়েছে।

২ জুল, ২০২৫

 আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোর মামলায় আইসিটি-২ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গ্রহণ করেছে

আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোর মামলায় আইসিটি-২ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গ্রহণ করেছে

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ (আইসিটি-২) আজ আশুলিয়ায় ছয় যুবককে গুলি করে হত্যা করে, তাদের মধ্যে পাঁচজনকে হত্যা করে এবং প্রমাণ গোপন করার জন্য জীবিত আরেক যুবকের সাথে তাদের মৃতদেহ পুড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়েছে।

বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি)-২ এর তিন বিচারকের প্যানেল এই আদেশ দেন, ১৬ জন অভিযুক্তের মধ্যে আটজনকে, যারা ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার হয়েছেন এবং বর্তমানে কারাগারে আছেন, ১৩ জুলাই হাজির করার নির্দেশ দেন। এছাড়াও প্রাক্তন আইন প্রণেতা মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এবং পুলিশের প্রাক্তন উপ-মহাপরিদর্শক নুরুল ইসলাম সহ আরও আটজন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। দ্বিতীয় ট্রাইব্যুনাল ১৩ জুলাই পর্যন্ত শুনানি মুলতবি করে।

সকালে, আইসিটি রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে ১৬ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করে রাষ্ট্রপক্ষ। বিষয়টি পরে দ্বিতীয় ট্রাইব্যুনালে উল্লেখ করা হয়। মামলার অন্যান্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন - প্রাক্তন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) মো. আব্দুল্লাহিল কাফি, প্রাক্তন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শহীদুল ইসলাম, প্রাক্তন অফিসার ইনচার্জ এএফএম সাঈদ, প্রাক্তন গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পরিদর্শক মো. আরাফাত হোসেন, প্রাক্তন সহকারী উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল মালেক, আরাফাত উদ্দিন, শেখ আবজালুল হক, বিশ্বজিৎ সাহা, কামরুল হাসান এবং প্রাক্তন কনস্টেবল মুকুল চোকদার।১৯ জুন আইসিটির তদন্ত সংস্থা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে।

রাষ্ট্রপক্ষের মতে, ৫ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে আশুলিয়ায় পুলিশ সদস্যরা পাঁচ যুবককে গুলি করে হত্যা করে, একজনকে আহত করে এবং তাদের মৃতদেহ একটি পুলিশ ভ্যানে ফেলে দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এরপর ভ্যানে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় যাতে বিক্ষোভকারীরা গাড়িতে আগুন লাগিয়েছে বলে মনে হয়, যার ফলে মৃত্যু হয়েছে।

"আরও দুঃখজনকভাবে, আগুন লাগানোর সময় একজন নিহত ব্যক্তি তখনও বেঁচে ছিলেন। পুলিশ ভ্যানে পেট্রোল ঢেলে তাকে জীবন্ত পুড়িয়ে ফেলে," প্রধান প্রসিকিউটর মুহাম্মদ তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের আগে বলেছিলেন।

হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে সালমান, আনিসুল ও দীপু মনিকে

হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে সালমান, আনিসুল ও দীপু মনিকে

ঢাকার একটি আদালত আজ জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের সময় নগরীর মোহাম্মদপুর এলাকায় মো. সোহেল রানাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সালমান এফ রহমান, আনিসুল হক এবং ডা. দীপু মনিকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। কাফরুল থানায় দায়ের করা আতিকুল ইসলাম হত্যা মামলায় প্রাক্তন সিনিয়র সচিব এনএম জিয়াউল আলমকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

ঢাকা মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান আসামিদের আদালতে হাজির করে মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করার সময় এই আদেশ দেন। মামলার নথি অনুসারে, ৩৮ বছর বয়সী মো. সোহেল রানা ৫ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে মোহাম্মদপুর তিন রাস্তার মোড় এলাকায় বৈষম্য বিরোধী সমাবেশে যোগ দিয়েছিলেন। সমাবেশে হামলার শিকার হন এবং সোহেল রানা তার উরুতে গুলিবিদ্ধ হন। তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় যেখানে তার চিকিৎসা করা হয়। সোহেল রানা ২০২৫ সালের ১১ জুন মোহাম্মদপুর থানায় মামলাটি দায়ের করেন। 

অন্যদিকে, আতিকুল ইসলামকে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই কাফরুল থানার বিআরটিএ অফিসের পিছনে গুলি করা হয়। হাসপাতালে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এই ঘটনায় ২৩ ডিসেম্বর মামলা দায়ের করা হয়।

৩০ জুন, ২০২৫

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ২৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আইসিটি-২

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ২৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আইসিটি-২

জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিআরইউ) প্রাক্তন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হাসিবুর রশিদসহ ২৬ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আজ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি)-২ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে আইসিটি-২-এর তিন সদস্যের প্যানেল রাষ্ট্রপক্ষের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেওয়ার পর এই আদেশ দেন। আদালত মামলার শুনানি ১০ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত করে।

সকালে সিনিয়র প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলামের নেতৃত্বে প্রসিকিউশন টিম আইসিটি রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে ৩০ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে। পরে প্রসিকিউশন বিষয়টি আইসিটি-২-কে অবহিত করে। জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের সময় আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা ২৪ জুন তাদের তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে, যার মধ্যে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রাক্তন কমিশনার সহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

"আমরা প্রতিবেদনটি যাচাই-বাছাই করছি এবং আশা করছি আগামী রবিবার আইসিটি-২-এ মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হবে," সিনিয়র প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ২৬ জুন বলেন। তবে, প্রধান প্রসিকিউটর মুহাম্মদ তাজুল ইসলাম অন্যান্য কাজে ব্যস্ত থাকায় ২৯ জুন রাষ্ট্রপক্ষ আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র জমা দিতে পারেনি।

প্রথম ট্রাইব্যুনাল ১৫ জুন রাষ্ট্রপক্ষকে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য এক মাস সময় দেয়। এছাড়াও তদন্ত সংস্থাকে ১৮ জুন চার আসামি, প্রাক্তন উপ-পরিদর্শক আমির হোসেন এবং প্রাক্তন কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় এবং ১৯ জুন নিষিদ্ধ বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (বিসিএল) বিশ্ববিদ্যালয় শাখার প্রাক্তন প্রক্টর শরিফুল ইসলাম এবং ইমরান চৌধুরী আকাশকে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেয়।

ট্রাইব্যুনাল ৯ এপ্রিল মামলায় গ্রেপ্তার চারজনকে আদালতে হাজির করে। প্রসিকিউশনের মতে, ১৬ জুলাই, ২০২৪ তারিখে আবু সাঈদকে হত্যার আগে, প্রক্টর শরিফুল এবং ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপর হামলা চালিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেয়। এক পর্যায়ে দুই পুলিশ সদস্য খুব কাছ থেকে আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যা করে, তাজুল ইসলাম আগেই বলেছিলেন। শহীদ আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যরা ১৩ জানুয়ারী ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

১৮ জুন, ২০২৫

রবিবার থেকে বিচারিক কার্যক্রম শুরু হাইকোর্ট এর ৪৯টি বেঞ্চে

রবিবার থেকে বিচারিক কার্যক্রম শুরু হাইকোর্ট এর ৪৯টি বেঞ্চে

ছুটি শেষ হওয়ার পর রবিবার সকাল থেকে সুপ্রিম কোর্টের (এসসি) হাইকোর্ট বিভাগের ৪৯টি বেঞ্চে বিচারিক কার্যক্রম শুরু হবে। প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ নির্দিষ্ট এখতিয়ার সহ এই বেঞ্চগুলি গঠন করেছেন এবং এটি ইতিমধ্যে সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে।

বেঞ্চগুলির মধ্যে ২৮টি দ্বৈত বেঞ্চ এবং ২১টি নির্দিষ্ট এখতিয়ার সহ একক বেঞ্চ থাকবে। দেশের শীর্ষ আদালত ৩ জুন ছুটিতে গেছে এবং এটি ২১ জুন পর্যন্ত চলবে। হাইকোর্ট বিভাগে অবকাশকালীন বেঞ্চ ছিল এবং ছুটির সময় একটি চেম্বার আদালতও কার্যকর ছিল।

 আইসিটি-তে অপহরণ, নির্যাতন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে প্রাক্তন র‍্যাব কর্মকর্তা সোহেলকে

আইসিটি-তে অপহরণ, নির্যাতন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে প্রাক্তন র‍্যাব কর্মকর্তা সোহেলকে

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি)-১ আজ অপহরণ, নির্যাতন এবং জোরপূর্বক অন্তর্ধানের মামলায় গ্রেপ্তার অভিজাত বাহিনী র‍্যাবের প্রাক্তন আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল (অবসরপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ সোহেলকে দেখানো হয়েছে। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আইসিটি-১ এই আদেশ জারি করে সোহেলকে কারাগারে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। আদালত মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ১৫ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন।

১৫ এপ্রিল প্রথম ট্রাইব্যুনাল সোহেলকে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছিল। প্রধান প্রসিকিউটর মুহাম্মদ তাজুল ইসলাম ট্রাইব্যুনালে মামলাটি উপস্থাপন করেন, যখন অভিযুক্তের পক্ষে ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া উপস্থিত ছিলেন। 

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (সিপিএ) এবং পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী মোহাম্মদ সোহেলকে সরকার পরিবর্তনের পর জোরপূর্বক অবসর দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। পরবর্তীতে তাকে জোরপূর্বক অন্তর্ধানের একাধিক ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়।

২৪ ফেব, ২০২৫

কুষ্টিয়া আদালত চত্বরে হামলা ও ভাঙচুর, শিক্ষানবিশ আইনজীবী আহত

কুষ্টিয়া আদালত চত্বরে হামলা ও ভাঙচুর, শিক্ষানবিশ আইনজীবী আহত


ছবি: সংগৃহীত 

কুষ্টিয়া জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আদালত চত্বরে হামলা ও ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। হামলায় অন্তত তিনটি নির্বাচনী ক্যাম্পে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়েছে। আজ সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। হামলা ভাঙচুরের সময় এক শিক্ষানবিশ আইনজীবী তাঁর মুঠোফোন দিয়ে দৃশ্য ধারণ করার সময় তাঁকে মাথায় আঘাত করে দৃর্বৃত্তরা। স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

আহত শিক্ষানবিশ আইনজীবীর নাম মজিবুল হক (৫০)। তিনি কুমারখালী উপজেলার বাধবাজার এলাকার সামসুদ্দীনের ছেলে। কুষ্টিয়া অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও মিডিয়া) ফয়সাল মাহমুদ গণমাধ্যমকে বলেন, ঘটনার পরপরই সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আপাতত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। একজন আহত হয়েছেন। তাঁকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শী আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগামী বুধবার কুষ্টিয়া জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনে সভাপতি পদে ছয়জন প্রার্থীর মধ্যে দুজন বিএনপি, দুজন আওয়ামী লীগ, একজন জামায়াত ইসলামী ও একজন জাসদ–সমর্থিত।

এ ছাড়া সাধারণ সম্পাদক পদে বিএনপির দুজন ও আওয়ামী লীগ–সমর্থিত দুজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচন উপলক্ষে আদালত চত্বরে শামিয়ানা টাঙিয়ে চেয়ার–টেবিল দিয়ে অন্তত ছয়টি নির্বাচনী ক্যাম্প তৈরি করেছেন প্রার্থীরা। ক্যাম্পসহ আশপাশের এলাকাতে ব্যানার ফেস্টুন প্ল্যাকার্ডে ভরে গেছে। প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন আইনজীবী জানান, নির্বাচন ঘিরে কয়েক দিন ধরে বেশ উত্তেজনা দেখা দেয়। নিজেদের ভোট টানতে প্রচারণাও বেশ জমে উঠেছে। সোমবার সকাল থেকেই আইনজীবীরা আদালতে প্রতিদিনের মতো মামলা পরিচালনা নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন।

এ সময় ক্যাম্পগুলোতে তেমন কেউই ছিলেন না। বেলা পৌনে ১২টার দিকে ৪০ থেকে ৫০ জনের একদল তরুণ-যুবক লাঠিসোঁটা নিয়ে আদালত চত্বরে প্রবেশ করেন। কোনো কথা ছাড়াই তাঁরা একে একে আদালত চত্বরে থাকা ছয়টি নির্বাচনী ক্যাম্পের চেয়ার–টেবিলে ব্যাপক ভাঙচুর চালান। পাশাপাশি ব্যানার–ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলে দেয়। এ সময় শিক্ষানবিশ আইনজীবী মজিবুল হক হামলার দৃশ্য মুঠোফোনে ধারণ করছিলেন। হামলাকারীরা ওই আইনজীবীকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করে। ১৫ মিনিট ধরে তাণ্ডব চালানোর পর তাঁরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যান। স্থানীয় লোকজন আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে দ্রুত কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

জেলা আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি–সমর্থিত সভাপতি প্রার্থী মাহাতাব উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমার দীর্ঘ ২৫ বছরের পেশাগত জীবনে কুষ্টিয়া আদালতে এ ধরনের ঘটনা ঘটতে দেখিনি। একটি পক্ষ নির্বাচনে ভরাডুবি নিশ্চিত জেনে বহিরাগতদের দিয়ে হামলা চালিয়ে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।’
কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদ বলেন, দলের অভ্যন্তরে তদন্ত করে বিস্তারিত জানানো হবে। তবে তিনি দাবি করেন, সোমবার কয়েকজন ছাত্রদল কর্মীসহ তাঁদের দলের কয়েকজন একটি মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে গিয়েছিলেন। এ সময় সেখানে কিছু যুবলীগ ও ছাত্রলীগ কর্মীকে ঘোরাফেরা করতে দেখে তাঁরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। এর জের ধরে আদালত চত্বরে সামান্য কিছু ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

২৪ ডিসে, ২০২৪

দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে সাবেক সচিব ইসমাইলকে

দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে সাবেক সচিব ইসমাইলকে

ছবিঃ সংগৃহীত

(সংবাদঃ বাসস) : দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা দুর্নীতির মামলায় সাবেক খাদ্য সচিব ইসলাম হোসেনকে গ্রেফতার দেখিয়েছে আজ আদালত। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের অবকাশকালীন বিচারক মোঃ ইব্রাহিম মিয়া দুদকের আবেদন মঞ্জুর করে এ আদেশ দেন। মামলায় ইসমাইলকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া আবেদনটি করেন।

দুর্নীতি দমন কমিশন আবেদনে বলা হয়, ইসমাইল সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারকে তার মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতিতে সহায়তা করেছিলেন। মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে তার অবৈধ সম্পদের উৎস ও গন্তব্য গোপন করার চেষ্টায় মজুমদারকে সহায়তা করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধেস

এর আগে গত ১৯ ডিসেম্বর সাধন চন্দ্র মজুমদারের বিরুদ্ধে ২৫.৩৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ৪৩.০৪ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগে মামলাটি করে দুদক। ২০ ডিসেম্বর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইসমাইলকে গ্রেফতার করা হয় এবং পরে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।

২২ ডিসে, ২০২৪

জামিনের আবেদন খারিজ হওয়ায় সালাম মুর্শেদী পুনরায় কারাগারে

জামিনের আবেদন খারিজ হওয়ায় সালাম মুর্শেদী পুনরায় কারাগারে

 

ছবিঃ সংগৃহীত 

(সংবাদঃ বাসস) : খুলনা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) ও শিল্পপতি আবদুস সালাম মুর্শেদীকে হত্যা, হামলা ও সহিংসতার চারটি মামলায় জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। পৃথক দুটি আদালতের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম তাকিয়া সুলতানা ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আলতাফ মাহমুদ এ আদেশ দেন।

আসামিদের পক্ষে ব্যারিস্টার তাহসিন আহমেদ বলেন, সালাম মুর্শেদীকে চারটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করা হয়েছে। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে কড়া নিরাপত্তায় সালাম মুর্শেদীকে আদালতে হাজির করা হয়।

১৫ ডিসে, ২০২৪

আইনজীবী সাইফুল হত্যা মামলায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আরেক আসামি, রিপন দাস

আইনজীবী সাইফুল হত্যা মামলায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আরেক আসামি, রিপন দাস


 আসামি রিপন দাস। ছবিঃ সংগৃহীত

 আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলার আসামি রিপন দাস চট্টগ্রাম আদালতে অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। গতকাল (১৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সরকার হাসান শাহরিয়ারের চেম্বারে এ জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। এতে মামলায় স্বীকারোক্তিমূলক মোট আসামির সংখ্যা দাঁড়াল তিনজনে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (কোতয়ালী জোন) সহকারী কমিশনার ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান বলেন, রিমান্ডের মেয়াদ শেষে রিপন দাসকে আদালতে হাজির করা হয়। বিচারকের চেম্বারে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। রিপনের বক্তব্যের বরাত দিয়ে মাহফুজুর বলেন, ঘটনার দিন রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় গ্রেপ্তার সনাতন জাগরন জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মুক্তির দাবিতে রিপন দাস আদালত চত্বরে স্লোগান দিচ্ছিলেন।

পরে রিপন সেবক কলোনি এলাকায় চলে গেলে সেখানে আইনজীবী সাইফুল ইসলামকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। রিপন দাস বলেন, তিনি ১০ থেকে ১২ জনকে চিনতে পেরেছেন যারা হত্যাকাণ্ডে অংশ নিয়েছিল। তিনি নগরীর চকবাজার এলাকায় একটি ফার্মেসিতে কাজ করতেন বলে জানান মাহফুজুর।

৯ ডিসেম্বর, আরেক আসামি চন্দন দাস আদালতে স্বীকারোক্তি দেন, এরপর শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) রাজীব ভট্টাচার্য। চন্দন দাস এর আগে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বলেন, তিনি রিপন দাস, ওম দাস ও রণব মিলে সাইফুলকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করেন। অন্য হামলাকারীরা ভোঁতা অস্ত্র দিয়ে সাইফুলকে মারধর করে। চন্দন আরও দাবি করেছেন যে তিনি হামলাকারীদের কয়েকজনকে চেনেন না।

২৬ নভেম্বর, প্রাক্তন ইসকন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে জামিন নামঞ্জুর করার পরে একটি ভ্যানে করে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। তার অনুসারীরা গাড়ি অবরোধ করে তিন ঘণ্টা বিক্ষোভ করে। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ভাঙতে লাঠিচার্জ ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে, যার ফলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

এরপর চট্টগ্রাম আদালত চত্বরের বিপরীতে এক গলিতে নৃশংসভাবে হামলা চালিয়ে হত্যা করা হয় আইনজীবী সাইফুলকে। ঘটনার ফুটেজে দেখা যায়, হত্যা মামলার প্রধান আসামি চন্দন, একটি ধূসর হেলমেট, একটি কমলা রঙের শার্ট এবং কালো প্যান্ট পরা, একটি ছুরি চালাচ্ছে। রিপন দাসকে নীল রঙের শার্ট, জিন্স ও লাল হেলমেট পরা এবং অস্ত্র হাতে দেখা গেছে।

৩০ নভেম্বর, সাইফুলের বাবা ৩১ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন, এবং তার ভাই খান-ই আলম ১১৬ জনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইনে ভাঙচুর ও হামলার জন্য আরেকটি মামলা করেন।


১ ডিসে, ২০২৪

১৯ জানুয়ারি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার (সিজি) ব্যবস্থার উপর রিভিউ আবেদনের উপর  শুনানি

১৯ জানুয়ারি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার (সিজি) ব্যবস্থার উপর রিভিউ আবেদনের উপর শুনানি

(সংবাদঃ বাসস) - সংবিধানের ১৩ তম সংশোধনী পুনরুদ্ধার এবং নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার (সিজি) ব্যবস্থা পুনর্বহালের আবেদনকারী তিনটি রিভিউ পিটিশনের শুনানির জন্য সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ (এসসি) আজ ১৯ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছে। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ আজ ১৯ জানুয়ারি সকাল পর্যন্ত শুনানি মুলতবি করেন।

আদালতে রিভিউ আবেদনের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, অ্যাডভোকেট শরীফ ভূঁইয়া ও মোহাম্মদ শিশির মনির এবং রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মোঃ আসাদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ও মানবাধিকার সংগঠনের সেক্রেটারি বদিউল আলম মজুমদার তিনটি রিভিউ আবেদন করেন। একই সঙ্গে উক্ত তিনটি আবেদনের শুনানি হবে।

২৬ সেপ, ২০২৪

 বিচারপ্রার্থীদের সহায়তার জন্য সুপ্রীম কোর্ট হেল্প ডেস্ক চালু করেছে

বিচারপ্রার্থীদের সহায়তার জন্য সুপ্রীম কোর্ট হেল্প ডেস্ক চালু করেছে

সুপ্রিম কোর্ট বুধবার সুপ্রীম কোর্টের রেজিস্ট্রার অফিসের বিভিন্ন বিভাগ থেকে পরিষেবা পেতে অসুবিধার সম্মুখীন বিচার প্রার্থীদের সহায়তা করার জন্য একটি হেল্প ডেস্ক চালু করেছে। বুধবার থেকে চালু হওয়া হেল্প ডেস্ক, বিচার প্রার্থীদের সহায়তা প্রদান করবে। বিচার প্রার্থীরা রেজিস্ট্রার অফিসের কর্মকর্তাদের সাথে সমস্যার সম্মুখীন হলে সহায়তার জন্য+৮৮০১৩১৬১৫৪২১৬ ডায়াল করতে পারেন।

সুপ্রিম কোর্টের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ শফিকুল ইসলামের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, একজন মনোনীত কর্মকর্তা সমস্যা সমাধানের নির্দেশনা দেওয়ার জন্য সকল কর্মদিবসে সকাল  ১০:০০টা থেকে বিকাল ৪:০০ টা পর্যন্ত কল গ্রহণ করবেন।

এই উদ্যোগটি ১৮ সেপ্টেম্বর প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের জারি করা নির্দেশের প্রেক্ষিতে একটি বৃহত্তর সংস্কারের অংশ। প্রধান বিচারপতির ১২-দফা নির্দেশনায় সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার অফিসের কর্মচারীদের হয়রানি এবং আর্থিক অনিয়ম সহ অসদাচরণ মোকাবেলা করার কথা বলা হয়েছে। এটি সহকারী, ডেপুটি, এবং অতিরিক্ত নিবন্ধকদের পাশাপাশি রেজিস্ট্রার জেনারেলের জন্য প্রযোজ্য।

নির্দেশাবলীর লক্ষ্য হল সমস্ত অননুমোদিত আর্থিক লেনদেনের অবসান ঘটানো, সময়মতো সেবা প্রদান নিশ্চিত করা এবং ন্যায়বিচার প্রত্যাশীদের যেকোনো ধরনের দুর্ব্যবহার থেকে রক্ষা করা। সুপ্রিম কোর্ট আনুমানিক ২,৫০০ জন স্টাফ সদস্যকে নিযুক্ত করেছে, যা তার রেজিস্ট্রি কার্যক্রমের সকল স্তরে সেবা নিশ্চিত করে।