অপরাধ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অপরাধ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

১১ এপ্রি, ২০২৬

তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীকে নিয়ে দিনভর ঘোরাঘুরি, সন্ধ্যায় ধানক্ষেতে মিলল ম*রদেহ

তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীকে নিয়ে দিনভর ঘোরাঘুরি, সন্ধ্যায় ধানক্ষেতে মিলল ম*রদেহ

ছবি: সংগৃহীত 

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার সাঁতার গুচ্ছগ্রাম সংলগ্ন ধানক্ষেত থেকে আশুরা (৩৫) নামের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে স্থানীয়রা ওই ধানক্ষেতে মরদেহটি দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহত আশুরা একই গ্রামের মোফাজ্জল ওরফে মফের ছেলে বাবলুর তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী বলে জানা গেছে। বাবলুর তিনজন স্ত্রী ছিল, যার মধ্যে আশুরা ছিলেন তৃতীয়। ডিভোর্সের পর আশুরা আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন এবং যৌতুকের মামলা দায়ের করেন, যা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বাবলু তার তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী আশুরাকে নিয়ে দিনভর বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি করেন। স্থানীয় বাজারেও তাদের একসঙ্গে দেখা যায়। ধারণা করা হচ্ছে, ওই দিন সন্ধ্যায় বাড়ির পাশেই সিরাজুল ইসলামের জমিতে আশুরাকে হত্যা করা হয়।

মরদেহ উদ্ধারের সময় নিহতের মাথার পেছনে গভীর আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। ঘটনাস্থল থেকে একটি স্যান্ডেল, একটি গেঞ্জি এবং কাদামাখা লুঙ্গি উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই বাবলু পলাতক রয়েছে।

পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জয়পুরহাট ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পলাতক বাবলুকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।



৯ এপ্রি, ২০২৬

ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার প্রলোভনে বিধবা নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ

ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার প্রলোভনে বিধবা নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ


ছবি: সংগৃহীত 

ফরিদপুরে ফ্যামিলি কার্ড ও বিধবা ভাতার কার্ড করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এক বিধবা নারীকে (৪৩) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কোতয়ালী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী নিজেই।

জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী নারীকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস (ওসিসি) সেন্টারে ভর্তি করা হয়। সেখানে চারদিন চিকিৎসা শেষে তিনি বর্তমানে বাড়িতে রয়েছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তার মেডিকেল রিপোর্টে যৌন নির্যাতনের বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। ভুক্তভোগী ফরিদপুর পৌরসভার বাসিন্দা। অভিযুক্ত সুজন শেখ (৩৫) শহরের পশ্চিম আলীপুর এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয়দের দাবি, তিনি রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সঙ্গে চলাফেরা করেন।

ভুক্তভোগী নারীর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় ১০ বছর আগে স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে তিনি অন্যের বাসায় কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। দীর্ঘদিন ধরেও কোনো সরকারি সহায়তা পাননি। সম্প্রতি প্রতিবেশী সুজন শেখ তাকে ফ্যামিলি কার্ড ও বিধবা ভাতার কার্ড করে দেওয়ার আশ্বাস দেন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ঘটনার দিন সকালে সুজন শেখের সঙ্গে রিকশায় করে বের হন তিনি। পরে শহরের গোয়ালচামট এলাকার পুরাতন বাস টার্মিনালের কাছাকাছি নামিয়ে একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে একটি কক্ষে ঢুকিয়ে দরজা বন্ধ করে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী।

ঘটনার পর তিনি কোনোভাবে বাড়িতে ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে স্বজনদের সহায়তায় হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসা শেষে গত ৬ এপ্রিল বাড়ি ফেরেন এবং পরদিন থানায় মামলা করেন।

ভুক্তভোগী নারী বলেন, আমি অফিস চিনি না। ওর কথায় বিশ্বাস করে গেছিলাম। আমার স্বামী নাই, সংসারে অভাব-সরকারি সাহায্যের আশায় গিয়েছিলাম। কিন্তু আমার জীবনটাই শেষ করে দিলো। আমি বিচার চাই।

অভিযুক্ত সুজন শেখ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এটি তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। তার দাবি, ওই নারী প্রায়ই তার বাড়িতে আসতেন এবং ঘটনার দিনও সেখানে এসেছিলেন। তবে তার এই বক্তব্যের সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে ফরিদপুর কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, এক বিধবা নারী অভিযোগ করেছেন যে তাকে কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে একটি হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থল শনাক্তে কাজ চলছে। ভুক্তভোগী সুনির্দিষ্টভাবে স্থানটি চিহ্নিত করতে না পারায় এখনো হোটেল শনাক্ত করা যায়নি। তবে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বিষয়টি নিশ্চিত করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

৪ এপ্রি, ২০২৬

নব্য জেএমবির সন্দেহভাজন হিসেবে এক শিশুকে হেফাজতে নিয়েছে সিটিটিসি

নব্য জেএমবির সন্দেহভাজন হিসেবে এক শিশুকে হেফাজতে নিয়েছে সিটিটিসি

ছবি: সংগৃহীত 

সিটিটিসি সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুর আনুমানিক ০২.৩০ ঘটিকায় হবিগঞ্জ সদর থানা এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিটিটিসির একটি আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে তাকে হেফাজতে নেয়। হেফাজতে নেওয়া শিশু শেরে বাংলা নগর থানায় দায়েরকৃত সন্ত্রাসবিরোধী মামলার এজাহারভুক্ত আসামি আহসান জহির খান, দানিয়েল ইসলাম হাসান ও রাসেল ওরফে পলাশ ওরফে আবু বাছের আল ফারুকীর সাথে যোগাযোগ রয়েছে মর্মে জানা যায়।

সিটিটিসি সূত্রে আরও জানা যায়, হেফাজতে নেওয়া শিশু অনলাইনে অত্যন্ত সক্রিয়। সে দাওলাতুল ইসলাম (আইএস) এর পক্ষে উগ্রবাদী পোস্ট শেয়ার করে সদস্য নিয়োগ করত। এছাড়া বোমা তৈরির পিডিএফ ফাইল শেয়ার করত এবং ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের মাধ্যমে শিয়া মসজিদ, পুলিশের চেকপোস্ট ও ইসকন মন্দিরে হামলার পরিকল্পনা ও উসকানি দিত বলে জানা যায়। বিধি অনুযায়ী হেফাজতে নেওয়া শিশুকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।


২৯ মার্চ, ২০২৬

অর্থ আত্মসাৎ মামলায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী দ্বিতীয় দফায় রিমান্ডে

অর্থ আত্মসাৎ মামলায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী দ্বিতীয় দফায় রিমান্ডে

ছবি: সংগৃহীত

সিন্ডিকেট করে ২৪ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও মানবপাচারের অভিযোগে করা মামলায় সাবেক এমপি ও অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর দ্বিতীয় দফায় ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন ঢাকার একটি আদালত।

পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে আজ (রোববার) তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এসময় মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য দ্বিতীয় দফায় তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ  মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম তার ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

পল্টন থানা আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা ও পুলিশের উপ-পরিদর্শক রোকনুজ্জামান বাসস’কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে, গত ২৩ মার্চ দিবাগত রাতে রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস এলাকার নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

পরদিন ২৪ মার্চ এ মামলায় তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ। সিন্ডিকেট করে ২৪ হাজার কোটি টাকা অর্থ আত্মসাৎ ও মানবপাচারের অভিযোগে ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর পল্টন থানায় মামলাটি করেন আফিয়া ওভারসিজের প্রোপাইটর আলতাব খান। 

তেল না পেয়ে পাম্প ম্যানেজারকে ট্রাকচাপায় হত্যা

তেল না পেয়ে পাম্প ম্যানেজারকে ট্রাকচাপায় হত্যা

ছবিঃ সংগৃহীত 

নড়াইল সদর উপজেলায় ডিজেল দিতে অপরাগতা জানানোয় এক পেট্রোল পাম্প ম্যানেজারকে ট্রাকচাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় আরেকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার তুলারামপুর ইউনিয়নের তুলারামপুর রেল ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ট্রাক চাপায় নিহত নাহিদ সরদার (৩৩) উপজেলার তুলারামপুর ইউনিয়নের পেড়লী গ্রামের আকরাম সরদারের ছেলে এবং আহত জিহাদ মোল্যা (২৭) একই ইউনিয়নের চামরুল গ্রামের জহুর আলীর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাতে স্থানীয় চালক সুজাত মোল্যা ওই ফিলিং স্টেশনে ট্রাক নিয়ে ডিজেল নিতে যান। তবে পাম্পে পর্যাপ্ত ডিজেল মজুদ না থাকায় নাহিদ সরদার তেল দিতে অপরাগতা জানান। এ নিয়ে চালক ও ম্যানেজারের মধ্যে তীব্র তর্ক-বিতর্ক হয়। এক পর্যায়ে চালক ক্ষুব্ধ হয়ে নাহিদকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন।

এরপর রাত ২টার দিকে নাহিদ ও জিহাদ মোটরসাইকেলে করে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। তারা তুলারামপুর রেল ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে ওই ট্রাকটি পেছন থেকে তাদের সজোরে ধাক্কা দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই নাহিদ সরদারের মৃত্যু হয়। এতে পেছনে থাকা জিহাদ ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। মারাত্মক আহত অবস্থায় জিহাদ মোল্যাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে তুলারামপুর হাইওয়ে পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সেকেন্দর এ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।