জাতীয় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
জাতীয় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

১৯ মে, ২০২৬

আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হয়ে গেল সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কার্যক্রম

আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হয়ে গেল সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কার্যক্রম


ছবি: সংগৃহীত 

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করে সব বিচারককে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) সন্ধ্যায় এক প্রজ্ঞাপনে সব বিচারককে সরিয়ে নেয় আইন মন্ত্রণালয়।

 অন্তবর্তী সরকার সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের পৃথক সচিবালয় অধ্যাদেশ করলেও তা আর আইন করেনি বিএনপি সরকারের প্রথম সংসদ। সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে সরকার এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে। 

১৮ মে, ২০২৬

অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে তত্বাবধায়ক সরকার প্রধান নয়: আইনমন্ত্রী

অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে তত্বাবধায়ক সরকার প্রধান নয়: আইনমন্ত্রী


ছবি: সংগৃহীত 

অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা করার প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

তিনি বলেন, একজন প্রধান বিচারপতি অবসরে যাওয়ার পরে দিনগুণতে থাকেন কবে তিনি ওই পদে যাবেন। অতীতে সাবেক প্রধান বিচারপতিকে রাষ্ট্রের বিভিন্ন জায়গায় বসানোর চেষ্টা দেখেছি। আমরা এই জায়গা থেকে উত্তরণ ঘটাতে চাই।

রোববার (১৭ মে) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং গুম সংক্রান্ত আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে অংশীজন সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ এ সভার আয়োজন করে। সভায় সভাপতিত্ব করেন আইনমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, দেশে রাজনৈতিক কর্মীরা সবচেয়ে বেশি মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হয়েছেন। আগের সরকারের সময় রাতে মোমবাতি জ্বালিয়ে আদালত বসিয়ে বিচারের নামে সাজা দিয়েছেন, তারা জবাবদিহির বাইরে রয়ে গেছেন। আমরা তাদের ফেরেশতার মতো দেখি। তারা এখনও ধরা ছোঁয়ার বাইরে। আমরা সুপ্রিম কোর্টে শপথবদ্ধ রাজনীতিবিদ দেখেছি।

বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন, আইনজীবী, সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মীসহ সংশ্লিষ্টরা সভায় অংশ নেন। অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, সংসদ সদস্য তাহসীনা রুশদীর লুনা, সানজিদা ইসলাম তুলি, ইউএনডিপির কান্ট্রি ডিরেক্টর, মানবাধিকার কর্মী নূর খান লিটন, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম, জেলা ও দায়রা জজ শামসুদ্দিন মাসুম, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ও খালেদ হামিদ চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আসাদুজ্জামান বলেন, গুম সংক্রান্ত আইনের সঙ্গে যেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন ও মানবাধিকার কমিশন আইনের কোনো সাংঘর্ষিক অবস্থা তৈরি না হয়, সেজন্য আইনটি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, অন্তবর্তী সরকারের সময়ে যেভাবে গুম কমিশন অধ্যাদেশ তৈরি করা হয়েছিল, তাতে অপরাধীই বেশি লাভবান হতো। সেটাকে আমরা আরো সময়োপযোগী করার চেষ্টা করছি।

তিনি বলেন, মানবাধিকার কমিশন আইন ও গুম প্রতিরোধ আইন যেভাবে করা হয়েছে, তাতে করলে গুমের শিকার ব্যক্তিদের প্রতি অবিচার করা হবে। কারণ, আমরা একইসঙ্গে ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের মধ্যে গুমের সংজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত করেছি। সেখানে বিচার হবে, তদন্ত হবে।

তিনি বলেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং গুম নিয়ে একটি কার্যকরী আইন করতে চাই। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন যেন নখ দন্তহীন প্রতিষ্ঠানে পরিণত না হয়, সেদিকে খেয়াল রেখে যুগপোযোগী ও কল্যাণমুখী আইন করতে চাই।

তিনি আরও বলেন, নতুন জেনারেশন অনেক মেধাবী। তাদের সঠিক জায়গায় বসাতে হবে। আমরা একের পর এক প্রতিষ্ঠানকে নষ্ট করে ফেলেছি।

সংসদ সদস্য তাহসীনা রুশদীর লুনা বলেন, আমার স্বামী সাবেক এমপি ইলিয়াস আলীকে ২০১২ সালে রাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ মদদে গুম করা হয়। এরপর আরো অনেক লোককে গুম করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গুম সম্পর্কে নতুন কোনো তথ্য পাইনি। দেশ থেকে গুম চিরতরে নিষিদ্ধ করতে হবে। তিনি বলেন, গুম একটি পরিবারকে ধ্বংস করে দেয়। আমি চাই আগে যারা গুম হয়েছেন, তাদের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে তথ্য সরবরাহ করা হোক।


বিডিএলপিবি/এমএম

৬ মে, ২০২৬

জেলা প্রশাসকদের দায়বদ্ধতা স্মরণ রেখে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির

জেলা প্রশাসকদের দায়বদ্ধতা স্মরণ রেখে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির

ছবি: সংগৃহীত 

বিবেকের কাছে দায়বদ্ধ থেকে সততা ও নিষ্ঠার সাথে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। তিনি বলেছেন, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকরা সরকারের প্রতিচ্ছবি। তাঁরা নির্বাহী বিভাগ ও সাধারণ জনগণের মধ্যে একটি কার্যকর সেতুবন্ধ তৈরি করে।

জেলা প্রশাসক সম্মেলন উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার বিকেলে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে আসেন ডিসিরা।

সুপ্রিম কোর্ট মিলনায়তনে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।

অনুষ্ঠানে আপিল বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলসহ সুপ্রিম কোর্টের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

২৫ এপ্রি, ২০২৬

জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নির্মূলে কাজ করতে হবে: মির্জা ফখরুল

জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নির্মূলে কাজ করতে হবে: মির্জা ফখরুল


ছবি: সংগৃহীত 

বিএনপি ইঞ্জিনিয়ারিং করে ক্ষমতায় এসেছে’—জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার পরিকল্পনা, সতর্কতা জোরদার

দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার পরিকল্পনা, সতর্কতা জোরদার

ছবি: সংগৃহীত 

নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি উগ্রবাদী সংগঠনের সমর্থকদের সম্ভাব্য নাশকতা পরিকল্পনা ঘিরে দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি পুলিশ সদর দপ্তর থেকে রেঞ্জ ডিআইজি, মেট্রোপলিটন কমিশনার ও সব জেলা পুলিশ সুপারসহ পুলিশের সব ইউনিটকে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, সম্প্রতি গ্রেফতার হওয়া উগ্রবাদী সংগঠনের সদস্য ইসতিয়াক আহম্মেদ সামী ওরফে আবু বক্কর ওরফে আবু মোহাম্মদের সঙ্গে একটি বাহিনীর চাকরিচ্যুত দুই সদস্যের নিয়মিত যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

এই চক্রটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা যেমন- জাতীয় সংসদ ভবন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর স্থাপনা ও সদস্য, ধর্মীয় উপাসনালয়, বিনোদনকেন্দ্র এবং শাহবাগসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় হামলার পরিকল্পনা করতে পারে। বোমা বিস্ফোরণের পাশাপাশি দেশীয় ধারালো অস্ত্র বা আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে হামলার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

এছাড়া তারা বিভিন্ন বাহিনীর অস্ত্রাগারে হামলার পরিকল্পনাও করে থাকতে পারে বলে গোয়েন্দা তথ্যের ইঙ্গিত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মতে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দেশের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ।

এ পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা জোরদার, নজরদারি বৃদ্ধি এবং সন্দেহভাজনদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক কর্মকর্তা জানান, সম্ভাব্য যেকোনো নাশকতা প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।