আদালত প্রাঙ্গণ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আদালত প্রাঙ্গণ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

২৩ জুন, ২০২৬

একযোগে পদত্যাগ করলেন ১৭ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল

একযোগে পদত্যাগ করলেন ১৭ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল

ছবিঃ সংগৃহীত 

১০ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ৭ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদত্যাগ করেছেন। গতকাল (সোমবার, ২২ জুন) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে জামায়াতপন্থি আইন কর্মকর্তারা একযোগে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পদত্যাগকারী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও  সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলগণ আজ (মঙ্গলবার, ২৩ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পদত্যাগকারী ৭ ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন— ইউসুফ আলী, শফিকুর রহমান, আবদুল করিম, ফরিদ উদ্দিন খান, গোলাম রহমান ভুঁইয়া, আসাদ উদ্দিন ও তারিকুল ইসলাম।

এ ছাড়া ১০ সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন— ইমরুল কায়েছ রানা, হুমায়ুন কবির তানিম, আবদুল কাইয়ুম ভুঁইয়া, আবদুল্লাহিল মারুফ ফাহিম, জোয়াদুর রহমান, শামসিল আরেফিন, মাহাবুবা আক্তার রলি, নূর নবী উজ্জ্বল, আল রেজা আমির ও রেজাউল ইসলাম।


বিডিএলপিবি/এমএম 


পদত্যাগ করলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বদিউজ্জামান তপাদার

পদত্যাগ করলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বদিউজ্জামান তপাদার

ছবি: সংগৃহীত 

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বদিউজ্জামান তপাদার তার পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। সোমবার (২২ জুন) রাষ্ট্রপতির কাছে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেন। অ্যাটর্নি জেনারেলের মাধ্যমে পদত্যাগপত্রটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে।

পদত্যাগপত্রে বদিউজ্জামান তপাদার উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থানের পর ওই বছরের আগস্ট মাসে তাকে বাংলাদেশের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এ জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, তার নাম প্রস্তাবকারী এবং সুপারিশকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে শ্রদ্ধা, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। তবে বর্তমানে ব্যক্তিগত বিশেষ অসুবিধার কারণে তিনি ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পদত্যাগপত্রে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তার পদত্যাগ গ্রহণের অনুরোধ জানান।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের আগস্টে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে তিনি রাষ্ট্রের পক্ষে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আইনগত বিষয়ে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।


বিডিএলপিবি/এমএম

২২ জেলা ও দায়রা জজকে বদলি, প্রজ্ঞাপন জারি

২২ জেলা ও দায়রা জজকে বদলি, প্রজ্ঞাপন জারি

ছবি: সংগৃহীত 

দেশের বিভিন্ন আদালতে কর্মরত জেলা ও দায়রা জজ পদমর্যাদার ২২ জন বিচারককে বদলি করেছে সরকার। সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শক্রমে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশে সংশ্লিষ্ট বিচারকদের আগামী ২৪ জুনের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্ব হস্তান্তর করে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে বলা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তারা নতুন দায়িত্ব পালন করবেন।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, খুলনার বিভাগীয় বিশেষ জজ মো. আসহারুল ইসলামকে নড়াইলের জেলা ও দায়রা জজ, সুনামগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানকে সুনামগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ এবং নীলফামারী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১–এর বিচারক প্রিয়া তাসনিম মাহমুদকে নীলফামারীর জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

এছাড়া ঢাকার প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল-২–এর সদস্য মোহাম্মদ আল মামুনকে কিশোরগঞ্জ এবং চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জাহিদুল হককে পঞ্চগড়ের জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক (নিবন্ধন) কাজী আবুবকর হান্নানকে চট্টগ্রামের জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। অন্যদিকে রংপুরের জেলা ও দায়রা জজ ফজলে মোহাম্মদ নাঈমকে চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এবং নোয়াখালীর জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ মোসাদ্দেক ইবনে আজিজকে আইন ও বিচার বিভাগে সংযুক্ত কর্মকর্তা হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

একই সঙ্গে আইন ও বিচার বিভাগে সংযুক্ত থাকা আরও কয়েকজন বিচারককে বিভিন্ন আদালত ও ট্রাইব্যুনালে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকার বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালত, রাজশাহীর মহানগর দায়রা জজ আদালত, সিলেটের বিভিন্ন ট্রাইব্যুনাল এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একাধিক বিচারককে পদায়ন করা হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

২১ জুন, ২০২৬

বিচারকদের সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির

বিচারকদের সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির


ছবিঃ সংগৃহীত

বিচার বিভাগের বিদ্যমান সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করে বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিতকল্পে বিচারকদের সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে বিচারিক দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।

ঢাকা বিভাগে কর্মরত জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া অভিভাষণে প্রধান বিচারপতি আজ এ আহ্বান জানান।

সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আজ সকাল ১০ টায় সুপ্রিম কোর্টে ঢাকা বিভাগে কর্মরত জুডিসিয়াল সার্ভিসের সকল সদস্যের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী অভিভাষণ প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে ঢাকা বিভাগের সকল জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ তাঁদের বক্তব্যে বিচারকদের আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ, বিচার বিভাগের বাজেট বৃদ্ধি, জরুরি ভিত্তিতে এজলাস, খাসকামরা, রেকর্ডরুম, মালখানা ও আবাসন-সংকট নিরসনের পাশাপাশি অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আদালত ও বিচারকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, ডিজিটাইজেশন এবং প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সহায়তা প্রদানের বিষয়সমূহ তুলে ধরেন। প্রধান বিচারপতি তাঁর অভিভাষণে জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেন। সেই সাথে প্রধান বিচারপতি উল্লেখ করেন যে, বিচার বিভাগের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, ডিজিটাইজেশন, বিচাকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, বিচারকদের দেশি-বিদেশি প্রশিক্ষণ, প্রতিটি জেলা আদালতে মেডিকেল সেন্টার ও ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন, স্পিচ-টু-টেক্সট সফটওয়্যার তৈরি ও ব্যবহার এবং বিচারকদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। 

তিনি আরো বলেন, প্রধান বিচারপতি বিচার বিভাগের বিদ্যমান সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করে বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিতকল্পে বিচারকদের সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে বিচারিক দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

আজকের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বিচারিক কর্মকর্তাদের উত্থাপিত বিষয়গুলোর সঙ্গে একমত পোষণ করেন। পাশাপাশি তিনি তাঁর বক্তব্যে বিচার বিভাগের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বিচারকদের আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ এবং সেজন্য বিচার বিভাগের জন্য বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।


সংবাদঃ বাসস

বিডিএলপিবি/এমএম

১৮ জুন, ২০২৬

বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসানের পক্ষে দাঁড়ানো দুই এপিপির নিয়োগ বাতিল

বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসানের পক্ষে দাঁড়ানো দুই এপিপির নিয়োগ বাতিল

ছবি: সংগৃহীত 

ধর্ষণ ও ভ্রুণ নষ্টের মামলায় কারাগারে থাকা শিবির নেতা জিসান মিয়া প্রধানের পক্ষ নেয়া দুই আইনজীবীর (এপিপি) নিয়োগ বাতিল করেছে মন্ত্রণালয়। তারা কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) পদে নিয়োজিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগ (জিপি-পিপি শাখা) থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে তার নিয়োগ বাতিলের কথা জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনের তথ্য সঠিক ও বিষয়টি অবগত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন কুমিল্লার পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট কাইমুল হক রিংকু।

আদেশে বলা হয়, কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী অ্যাডভোকেট মো. মনির হোসেন পাটোয়ারী এবং অ্যাডভোকেট সাইদুল ইসলামের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। ২০২৪ সালের ২৯ অক্টোবর জারি করা নিয়োগসংক্রান্ত স্মারকের মাধ্যমে তাদের যে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছিল, তা অবিলম্বে বাতিল করা হলো। আইন ও বিচার বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব (জিপি-পিপি) মো. ফারুক হোসাইন স্বাক্ষরিত এ আদেশ তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে।

প্রজ্ঞাপনের অনুলিপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা ও দায়রা জজ, পাবলিক প্রসিকিউটরসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে আইন ও বিচার বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশের জন্যও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

নিয়োগ বাতিল হওয়া এপিপি অ্যাডভোকেট মো. মনির হোসেন পাটোয়ারী বলেন, ‘শিবির নেতা জিসানের আইনজীবী হিসেবে আমরা ওকালতনামায় স্বাক্ষর করিনি। গত মঙ্গলবার শুধুমাত্র মিডিয়ার সামনে বক্তব্য দিয়েছি শিবির নেতা জিসানের পক্ষে। এই কারণে আমাদের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে বলে মনে করছি।’ কিন্তু,পিপি কাইমুল হক রিংকু বলেন, ‘এটা অস্থায়ী দায়িত্ব। আমি খবর নিয়েছি তাদের নিয়োগ মন্ত্রণালয় থেকে বাতিল করা হয়েছে।’

আলোচিত শিবির নেতা জিসানকে গত মঙ্গলবার কুমিল্লার আদালতে তোলা হয়। আদালতে তোলার পর জিসানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের সিনিয়র বিচারক তৈয়ব উদ্দিন আহমেদ। এ সময় জিসানের পক্ষে আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সামনে বক্তব্য দেন ওই দুই আইনজীবী।


বিডিএলপিবি/এমএম

১২ জুন, ২০২৬

অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে চুরি

অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে চুরি

ছবি: সংগৃহীত 

সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় অবস্থিত অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে মধ্যরাতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটিকে পরিকল্পিত নাশকতা হতে পারে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল।

শুক্রবার (১২ জুন) সকালে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিনের স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তথ্যটি নিশ্চিত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাত সোয়া ১টায় কিছু দুষ্কৃতকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস ভবনের নিচতলা এবং দোতলার লিফটের সম্মুখে জানালার থাই গ্লাসের দুটা পার্ট খুলে ফেলে। ভবনের পেছন দিয়ে একটি পার্ট নিয়ে যেতে পারলেও আরেকটি নিতে পারেনি।

এ সময় শব্দ শুনে অফিসের দারোয়ান ফজলুল হক ও মিঠুন বাড়ৈ এবং কর্তব্যরত পুলিশ তাদের ধাওয়া করে। এ সময় তারা পালিয়ে যায়।

চুরির ঘটনাটি সকালে অ‍্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল কে জানালে তিনি বলেন, এটি নাশকতা হতে পারে। বিগত কয়েক দিন ধরে অ‍্যাটর্নি জেনারেল অফিসকে ঘিরে এই অফিস থেকে চাকরিচ্যুত কতিপয় দুর্নীতিপরায়ণ ব্যক্তি অনলাইনে যে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে, এতে তাদেরও ইন্ধন থাকতে পারে।

অত:পর, অ্যাটর্নি জেনারেল তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে থানায় অভিযোগ দায়েরের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ঘটনায় জড়িত ব্যক্তি ও তাদের ইন্ধনদাতাদের শনাক্ত করে সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।


বিডিএলপিবি/এমএম

চট্টগ্রাম আদালতের দুর্নীতি হয়রানির বন্ধে বসানো হলো অভিযোগ বক্স

চট্টগ্রাম আদালতের দুর্নীতি হয়রানির বন্ধে বসানো হলো অভিযোগ বক্স

ছবি: সংগৃহীত 

চট্টগ্রামে সরকারি সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে দুর্নীতি, অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগ সরাসরি জানাতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) কার্যালয়। এ লক্ষ্যে একটি বিশেষ ই-মেইল ঠিকানা চালু এবং সিএমএম কার্যালয়ের বাইরে একটি সিলগালা করা অভিযোগ বক্স স্থাপন করা হয়েছে।

সোমবার এ বিষয়ে একটি প্রশাসনিক আদেশ জারি করেন চট্টগ্রামের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এ জি এম মনিরুল হাসান সরকার। ‘সিএমএম, চট্টগ্রাম সমীপে’ নামে চালু হওয়া এই ব্যবস্থার মাধ্যমে নাগরিকরা দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়ম ও হয়রানির বিষয়ে লিখিত অভিযোগ, তথ্য-উপাত্ত এবং প্রমাণাদি জমা দিতে পারবেন।

প্রশাসনিক আদেশ অনুযায়ী, পুলিশ ভেরিফিকেশন রিপোর্ট, আদালতের পরোয়ানা প্রেরণ বা প্রত্যাহার, সার্টিফিকেট কপি সংগ্রহ, জামিন প্রক্রিয়া, জব্দকৃত আলামত বা যানবাহন ছাড়ের ক্ষেত্রে ঘুষ দাবি, অযৌক্তিক বিলম্ব কিংবা অনৈতিক লেনদেন সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ করা হবে। এছাড়া সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতি ও হয়রানিমূলক আচরণের বিরুদ্ধেও অভিযোগ করা যাবে।

অভিযোগের সঙ্গে প্রয়োজনীয় দলিল, ছবি, অডিও-ভিডিও বা অন্যান্য প্রমাণ সংযুক্ত করা যাবে। অভিযোগকারীর পরিচয় ও তথ্যের গোপনীয়তা আইন অনুযায়ী সংরক্ষণ করা হবে বলে প্রশাসনিক আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ, ব্যক্তিগত দেওয়ানি ও সাধারণ ফৌজদারি মামলা, বিচারাধীন মামলার ফলাফল প্রভাবিত করার আবেদন কিংবা আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে প্রতিকার চাওয়া এ ব্যবস্থার আওতার বাইরে থাকবে।

সিএমএম কার্যালয় জানিয়েছে, প্রাপ্ত অভিযোগের বিশ্বাসযোগ্যতা ও আইনগত গ্রহণযোগ্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, পুলিশ, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বা অন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঠানো হবে। তবে এই প্রক্রিয়া কোনো মামলা দায়েরের বিকল্প নয় এবং মিথ্যা বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগের ক্ষেত্রে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


বিডিএলপিবি/এমএম

জুডিশিয়াল সার্ভিসে প্রবেশে ৫ বছর ওকালতি বাধ্যতামূলক চায় রাজশাহী বার

জুডিশিয়াল সার্ভিসে প্রবেশে ৫ বছর ওকালতি বাধ্যতামূলক চায় রাজশাহী বার

ছবি: সংগৃহীত 

বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসে (সিভিল জজ) নিয়োগের ক্ষেত্রে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রির পাশাপাশি কমপক্ষে পাঁচ বছর ওকালতির বাস্তব অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক করার দাবি জানিয়েছে রাজশাহী অ্যাডভোকেট বার অ্যাসোসিয়েশন।

বুধবার (১০ জুন) এ বিষয়ে বারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যানের কাছে অনুরোধপত্র পাঠানো হয়েছে। ডাকযোগে পাঠানো ওই অনুরোধপত্রে স্বাক্ষর করেন রাজশাহী বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো: আবুল কাসেম ও সাধারণ সম্পাদক পারভেজ তৌফিক জাহেদী।

চিঠিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসে নিয়োগের জন্য আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি ও কমপক্ষে পাঁচ বছরের ওকালতির অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক করা বাস্তবভিত্তিক কারণে প্রয়োজন।

এতে আরো বলা হয়, ২০০৭ সালে বিচার বিভাগ পৃথক হওয়ার সময়েও দুই বছরের আইন পেশার অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক ছিল। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশগুলোয়ও অধস্তন জুডিশিয়ারিতে প্রবেশের জন্য আইন পেশার অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয়। হাইকোর্ট বিভাগে বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রেও ন্যূনতম ১০ বছরের ওকালতির বাস্তব অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। প্রয়োজনে অধস্তন জুডিশিয়ারি প্রবেশ ও অবসর বিষয়ে বয়সসীমা পরিবর্তন করা যেতে পারে।

তারা আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি ও কমপক্ষে পাঁচ বছরের ওকালতির অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক ছাড়াও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে সিভিল জজ নিয়োগের আবেদন জানান।

রাজশাহী অ্যাডভোকেট বার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক পারভেজ তৌফিক জাহেদী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ওনারা পরীক্ষা দিচ্ছেন, পরীক্ষা দেয়ার পরে বলতে গেলে তিন মাস প্রশিক্ষণ নেয়ার পরেই ওনারা বিচারক হয়ে বসে যাচ্ছেন। এতে হচ্ছে কী, স্বাভাবিকভাবেই একটা অভিজ্ঞতার বিষয় আসছে। এই অভিজ্ঞতা না থাকার কারণে বিচারব্যবস্থায় অনেক সময় প্রবলেম তৈরি হচ্ছে।’


বিডিএলপিবি/এমএম

১০ জুন, ২০২৬

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলার জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলার জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন


ছবি: ফাইল

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলার জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করেছেন  মাননীয় প্রধান বিচারপতি।

এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলার জন্য বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী এবং বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজ এর সমন্বয়ে গঠিত এই বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ আগামী ১৪ জুন ২০২৬ খ্রি. তারিখ রোজ রবিবার সকাল ১০:৩০ মিনিট হতে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকার্য পরিচালনা করবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো উল্লেখ করা হয়, একত্রে ডিভিশন বেঞ্চে বসবেন এবং শুনানীর জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুধুমাত্র নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংক্রান্ত মৃত্যুদন্ডাদেশ কনফারমেশনের রেফারেন্স এবং একই রায় হতে উদ্ভুত সকল ফৌজদারী আপীল ও জেল আপীল এবং উক্ত রায় হতে উদ্ভুত ফৌজদারী আপীল ও জেল আপীল মঞ্জুরীর আবেদনপত্র; উক্ত রায় হইতে উদ্ভুত ফৌজদারী বিবিধ ও ফৌজদারী রিভিশিন যদি থাকে এবং উপরোল্লিখিত বিষয়াদি সংক্রান্ত রুল, আবেদনপত্র গ্রহণ ও শুনানী করবেন।

বিডিএলপিবি/এমএম

নাসির-তামিমার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে আদালত প্রাঙ্গণে মানববন্ধন

নাসির-তামিমার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে আদালত প্রাঙ্গণে মানববন্ধন

ছবিঃ সংগৃহীত

ডিভোর্স জালিয়াতি, পরকীয়া ও ব্যভিচার রোধে ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তামিমা সুলতানার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন হয়েছে। একই সঙ্গে অপরাধের ক্ষেত্রে নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য সমান শাস্তির বিধান রেখে লিঙ্গনিরপেক্ষ আইন প্রণয়নের আহ্বান জানানো হয়েছে কর্মসূচি থেকে। বুধবার (১০ জুন) সকালে ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে এই কর্মসূচির আয়োজন করে এইড ফর মেন ফাউন্ডেশন।

এদিকে, ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানাকে ঘিরে আলোচিত বিয়ে-সংক্রান্ত মামলার রায়ের আগে ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী ইশরাত হাসান। তিনি বলেছেন, আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত দেবেন এবং এই রায় সারাদেশের জন্য সামাজিক ন্যায়বিচারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হবে।


বিডিএলপিবি/এমএম